Tongi Gov. Hospital
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
প্রধান শিক্ষকদের টি এ ডি এ বিল আটকে রেখে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং বিদ্যুত বিল আটকে রেখে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে এ দাবি পরিশোধের পর টিএডিএ ও বিদ্যুত দেওয়া হয়
আনুমানিক ৪ বছর আগে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার পদে চাকুরির জন্য এক ব্যাক্তি আমার কাছে ১৫ লক্ষ অর্থ দাবি করে। আমি চাকুরির আশায় তা দিয়ে দেই।
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মহরি জিনি দলিল লিখে সেই সরকারি কর সাড়ে ৭ % বলে উনি দাবি করেন কিন্তু আমার কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকার জমিতে উনি ১৮ হাজার টাকা দাবি করেন, আমি প্রশ্ন করার পর উনি বললেন কম হবে না এই টাকা এদিক সেদিক হয়,, কিছু করার নেই,,এক পর্যায়ে উনি বলেন আমাদের এখান থেকে কোন বেতন দেওয়া হয় না,, পার্সেন্ট অনুযায়ী তারা টাকা নিয়ে থাকেন,,আমি নিজ চোখে আরো দেখেছি প্রতিটি মানুষের থেকে লাখে আড়াই থেকে তিন পার্সেন্ট বেশি টাকা তারা নিয়ে থাকেন..এই টাকার ভাগ অনেক জন কে তারা দেয় কথায় উঠে এসেছে,,এটা প্রতিনিয়ত ঘটছে. যে কোন কাজে অনেক ঘুস তারা নিয়ে থাকেন,আমার দেখায় নাম জারি করতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকার মতো,
এনআইডি কার্ড এর জন্য গেছিলাম সব ঠিক ছিল প্রথম বার করে নাই । দ্বিতীয় বার চা- পানি বলে ২০০০ টাকা দিছি সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলছে । এর আগে অনেকবার তড়িঘড়ি করছে।
আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। শেষবার অসুস্থ হলে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত্যু ঘোষনা করেন। তখন বলা হয়েছিল পরে টিকিট দেখালে মৃত্যু সনদ দেয়া হবে। কিছুদিন পরে আমার প্রয়োজন হলে সনদ আনতে গেলে যিনি সনদ লেখেন তিনি ১৫০০ টাকা চাইছিলেন। অনেক কষ্টে ৫০০ টাকা দিয়ে নিয়েছি।
প্রতি মাসে মাসিক ১৩,০০০.০০ টাকা করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব কর্মকর্তা ও অফিস সহকারীরা ঘুষ গ্রহন করে থাকে।
প্রত্যেক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার/নাবিকদের জাহাজ থেকে নামার এক মাসের মধ্যে সরকার প্রদত্ত সার্ভিস বুক (CDC) এ শিপিং মাস্টারের সীলমোহর সহ একটা সাইন করতে হয় যেটা পরবর্তীতে তারা অনলাইনে এন্ডোসম্যান্ট করে। তো এই সীল মোহর সহ সাইন শিপিং মাস্টারের থেকে নিতে পিয়নকে দিতে হয় ঘুস।
আমার ঠিকাদার সংস্থার লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রায় ২ মাস হলো আবেদন করেছি। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও ৩০০০০০ টাকা না দিলে নবায়ন হবে না বলে জানিয়ে দেয়। অনেকদিন ঘোরাঘুরি করেও উপায় না পেয়ে ২০০০০০ টাকা দিয়ে নবায়ন করিয়েছি।
প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য শিক্ষককে দিতে হবে
আমার দাদা এক ছেলে (আমার বাবা) ও ৮ মেয়ে (২ জন মৃত)। দাদা মৃত্যুর প্রায় ৯ বছর পর আমার বাবা ও ফুপুরা জমি বন্টনের জন্য সিদ্ধান্তে উপনিত হয়। সেই অনুযায়ী মহুরির সাথে কথাও হয় সরকারি হিসেবে আমাদের ফি আসে ১০০০০ এর মত। কাগজ পত্র সব সঠিক থাকার পরও আমাদের মুহুররির সাথে ফাইনাল হয় ২০০০০ টাকা। কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর পূর্বে হঠাৎ করে মুহুরি জানায় যে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে অন্যথায় সাব রেজিস্ট্রার ফাইল ছাড়বেন না। আমি বলি যে আমাদের সব কাগজ ওকে আমরা আর অতিরিক্ত টাকা দিতে পারব না। উনি বলেন যে তাহলে সবাইকে ফেরত যেতে হবে, কাজ হবে না। আমার বাবা, ছয় ফুপু, মৃত ২ ফুপুর ৮ সন্তান (মোট ১৫জন) এত লোক একত্রিত হয়ে অন্যদিন আবার একত্রিত হওয়াও প্রায় অসম্ভব। বাধ্য হয়ে পুরো ৪০০০০ টাকা দিয়েই কাজ করতে হয়েছে।
১৪৪ দ্বারা মামলা আছে এই জমির উপরে নায়েক আসছিল সরজমিনে রিপোর্ট লেখার জন্য সে এটি বাগেরহাট পাঠানোর জন্য আমাদের থেকে নিয়েছে চার হাজার টাকা দাবিটা ছিল দুই ভাইয়ের জমি এক ভাইয়ের রাস্তার পাশে খাইতেছে আরেক ভাই ভিতরে মাঝখান দিয়ে ছোট্ট একটা রাস্তা ছিল অন্য ভাই অর্থাৎ যে ভাইয়েরা রাস্তার পাশে খাচ্ছে সেও আপনার ভাইয়ের রাস্তা বন্ধ করে ঘর উঠাচ্ছে এটা নিয়ে মামলা করা হয়েছে যে ওঠাচ্ছে তার অনেক নেতা আছে বিএনপি নেতা আর কি এই নেতা নিয়ে এখন তারা অপরজনকে হামলা করতেছেন বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে এদিকে তারা পুলিশের আশ্রয় চাইলে তারা ঘোষকে উল্টা অপরআর লাইভ যখন সারা জামানা আসছিল তখন সে ৪০০০ টাকা চাই তাহলে সে রিপোর্ট লিখবে তাকে টাকাও দেওয়া হয় কিন্তু সে রিপোর্ট ভয়ে অন্য পক্ষের রায় দেয় তারা মারার হুমকি দেয়
আমি একটি খতিয়ান তুলতে চায়,,এতে আমাকে ঘুষের মাধ্যমে করতে হয়ে,,,
নাম জারি করার জন্য দিতে হয়েছে
আমার বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২০২৫ সালে বাবাকে ভারতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আমার নিজের ও পরিবারের সদস্যদের পাসপোর্ট করার প্রয়োজন হয়। আমি নিজে পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বিভিন্নভাবে সমস্যার কথা বলে আমার পাসপোর্ট করতে দেয়নি এবং বলেছে আমার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। পরে আমি একজন দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করি। তিনি সরকারি ফি ছাড়াও প্রতি পাসপোর্টের জন্য অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। মোট ৩টি পাসপোর্টের জন্য তিনি ১৫,০০০ টাকা নেন, সরকারি ফি বাদে। এরপর মাত্র একদিনের মধ্যেই আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ পাসপোর্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়। তখন আর কেউ বলেনি যে আমার ডকুমেন্টে কোনো সমস্যা আছে। তাই আমার প্রশ্ন হলো, যদি সত্যিই আমার ডকুমেন্টে সমস্যা থাকে, তাহলে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দেওয
আমার আম্মু সরকারি চাকরি করে, উনার পাসপোর্ট এর জন্য এন ও ছি পত্র আনার জন্য অফিসে অনেকদিন ঘুরিয়েছে এবং বলেছে ঘুশ না দিলে তারাতারি করতে পারবে না। এর পর নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
আমার বাইপাইল মৌজায় কয়েক শতক জমি আছে উহার বি এস নাম জারি ও খাজনা দেওয়া দরকার তাই ঘোড়াপীর তৌশীল অফিসে গেলাম তারপর তাদের কথা নাম জারি করতে ঐ টাকা লাগবে এসিল্যান্ড স্যার টাকা ছারা কাজ করে না।
২০০৭ সালে আমার বাবা মারা যায় তখন আমি ছোট। তখন আমাদের এলাকায় ভূমি পর্চা কাজ চলমান থাকে আমাদের পরিবারের আর কেউ না থাকায় আমরা সেটা পর্চা করতে পারেনি বা অবহেলার কারণে বা কোন কারণেই হোক আমরা সেটা করিনি। এখন আমি পড়ালেখা শেষ করেছি আমি এখন মোটামুটি জমি সংক্রান্ত ভালো বুঝি এখন দেখতেছি আমাদের এই জমিটা পর্চা করা হয়নি যার কারণে আমি আটোয়ারী থানা সেটেলমেন্ট অফিস যাই এবং সেখানে এই বিষয়টা খুলে বলি তখন তারা অনেকদিন আগের এটা এখন করা যাবে না যদি আপনি করেন তাহলে বারো হাজার টাকা লাগবে অথবা না হলে আপনি দিনাজপুরে যায় মামলা করেন। অবশ্য বারো হাজার টাকা সরাসরি অফিসাররা চায়নি তাদের যে প্রিয়ন্ডরা আছে তারা তাদের দ্বারা বলে তাদের সাথে আমি তখন যোগাযোগ করে ১২০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং তারা কাজটা পাঁচ মিনিটে করে দ
রিপোর্ট দেওয়ার সময় সচ্ছতা বজায় রাখে না । যে মার বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তার কাছ থেকে ও নেয় যে হয় নাই তার কাছে থেকে ও টাকা নেয়। তারপর যে বেশীদেয় তাদের পক্ষে রিপোর্ট দেয়।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, তাড়াতাড়ি করে দিবে বলে আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবি করে, আমি তো বুঝতেই আমি ৮ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করি, আর যদি না দেই তাহলে নাকি তিন মাসের কমে হবে না, কিন্তু আমার কাছে পর্যাপ্ত সময় ছিল না