Vehicle ownership change
Govt. fee 31000 with extra money 9000
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Govt. fee 31000 with extra money 9000
Guesh dawya sara kaj hoba na
firstly i apply brta license in the portal bit they are given lot of low thqt time i cant get any option after that i contcat with brocker as same way but i not given any doc to him only nid that time that good way and i get the license
রেলের ভূমি লেজ নেওয়ার জন্য খুলনা কানুনগো অফিসে যায়। তখন তারা এই ঘুষ দাবি করে।
টাকা না দিলে কাজ অনেক দেরি হয়।বার বার অফিসে আসতে হয়।পরে বাধ্য হয়ে দিতে হয়।যেতেতু আমাদের উপজেলা হাওর উপজেলা। অনেক দুর্গম এলাকা।
without Ghush nobody works everywhere they need ope table money
আমার প্রথম শিশু জন্মের ৪ মাসের মাথায় জন্ম নিবন্ধন করতে আমগ মিরপুর ১১ নম্বরে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশন এর কাউন্সিলর অফিসে যাই সেখানে আমার কাছে জন্ম নিবন্ধন করতে ১০০ টাকা দাবি করা হয় । অথচ ৪৫ দিন থেকে ৫ বছরের মধ্যে: জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন ফি ২৫ টাকা। এই তথ্য দেয়ার পরও তারা আমাকে বলে এটাই নিয়ম এবং ৭৫ টাকা অতিরিক্ত দিতে বাধ্য হই।
আমাদের উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া জমি সরকার একেয়ার করে।এই জমি একোয়ার বাবদ সরকার জমির মুল্য পরিশোধ করে।সেই টাকা উত্তলন করতে গেলে প্রথম দিকে নানান হয়রানি করে।৮/১০ বার অফিসে যাতায়ত করি।কোন কথাই কেউ বলতে চায়না।পরে অনেক হয়রানির পর টাকা দাবি করে।এর মাঝে আমার বিভিন্ন ভাবে ১০,০০০ টাকা খরচ হয়ে যায়। আমি যেখানে থাকি সেখান থেকে ঔ অফিসে যেতে আমার অনেক খরচ হয়।এবং আমার অনেক কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়।ওরা আমাকে হয়রানি করে এবং নিজেরা তাচ্ছিল্যের সাথে হাসাহাসি করে।অনেক হয়রামির পর আমাদের কাছে ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে।পরে ২৫,০০০ টাকায় দফারফা হয়।কিন্তু টাকা পরিশোধ করার পর এখনও নানান হয়রানি করছে।এসিল্যান্ড সপ্তাহে ২ দিনও অফিস করেনা।মাঝে মাঝে ২/১ সপ্তাও অনুপস্থিত থাকে।আমি এখনও আমার নেজ্য পাওনা পাইনাই।জানিনা কি হবে।
গত ১২-০৮-২৬ এ আমার মোবাইল হারানো যাই!, সেটির জিডি করতে তারা ১০০০ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে ৫০০ টাকা ঠিক হয় এবং তা পরিশোধের পরি আমাকে জিডি করতে দেওয়া হয়েছিল.
বটিয়াঘাটা সহকারী কমিশনার ( Ac land) ভুমি অপিসে নামজারির আবেদন করে ২ বার না মন্জুর হয়েছে। ৩ য় বার ২০০০০ টাকা ঘুস দাবে করে। টাকা পরিশোধ করলে নামজারি হয়েছে। টাকা নিয়েছে থানার মসজিদের সামনে দাড়িয়ে সার্ভেয়ার
দানপত্র রেজিস্ট্রেশন এর খরচ সরকার নির্ধারিত আনুমানিক ৩০০০/- টাকা। ২০২৪ সালের ঘটনা। আমার কাছে উক্ত পরিমান দাবী করাহয়। বলা হয় দলিল লেখক সমিতি ও সাবরেজিস্টার অফিসের খরচ বাকিটা। এটাই এখানকার নিয়ম। আমি ১১০০০০/- টাকায় কাজটা করতে বাধ্য হই।
আমার পাসপোর্টে নামের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের মিল ছিলোনা তাই আমি এটা সংশোধন করতে দিয়েছিলাম .তখন স্থানীয় নির্বাচন কমিশন অফিস আমার কাছে ১০,০০০ টাকা দাবি করে আমি যেহেতো দেশের বাহিরে থাকি তাই আমার হাতে সময় কম এবং করাটা জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে কাজটি করাই
সময় আনোমানিক মে বা জুন হবে ২০২৫ সাল প্রধান নির্বাচন অফিসে নাম ও বয়স সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু আমাকে জানানো হয়েছিল যে তা সম্ভব নয়। অথচ, পরবর্তীতে ঘুষ দেওয়ার মাধ্যমে সেই একই কাজ খুব সহজে সম্পন্ন করা হয়েছে। আমার প্রশ্ন, যে সেবা পাওয়ার অধিকার আমার রয়েছে এবং যা নিয়মানুযায়ী হওয়ার কথা, তা কেন টাকা ছাড়া করা সম্ভব হয় না? এই ধরনের দুর্নীতি ও হয়রানি সাধারণ নাগরিকদের চরম ভোগান্তিতে ফেলছে।
আমি বিদেশে যাবো তাই ইমারজেন্সি লাইসেন্স এর দরকার ছিল। এর জন্য আমি কিভাবে তারাতাড়ি এক্সাম ডেট আনতে পারি এর ব্যাপারে যানতে চায়। পরে তারা ১৯০০০ টাকা দাবি করে এবং কাকে কই টাকা দিতে হবে সেটাও বলে। ড্রাইভিং লাইসেন্সের এর ব্যাবসার সাথে থানার ওছি থেকে শুরু করে বড় উকিলরাও জড়িত
১)বিসিএস জবে জয়েন করার আগেই আমি এম্ফিল করেছিলাম। এমফিল করলে দুটো ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়।সেই ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার জন্য আমার কোরবানি ঈদের (২০০৫ সালের দিকে সম্ভবত) বোনাস পুরোটা এডি, কলেজ শাখার জন্য ঘুষ হিসেবে পাঠাতে হয়েছিলো। ২) ভালো ভালো করলেগুলুর পোস্টিং হয় ঘুষের উপর। আমি টাকা দিতে পারিনি তাই মেধা তালিকায় একেবারে শুরুতে থাকার পরও আমি অনেক রিমোট কলেজে পোস্টিং পেয়েছি ৩) ২০০৯ এ আমি পিএইচডির জন্য একটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার পেয়েছিলাম। সেখান থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে সাতকানিয়া একাউন্টস ডিপার্ট্মেন্টে আমার সম্পুর্ণ ফার্মালিটি শেষ করার পরে আমার কাছে টাকা দাবি করে, কারণ সেই ব্যক্তির দাবি সে অনেক কষ্ট করেছে। অথচ, সে বেতন নিচ্ছেই এই কাজ করার জন্য।
আমি একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। প্রায় ১৮ বছর ধরে বিদেশে বসবাস করছি। আমি বিদেশে পড়াশোনা করেছি, তাই আমার গ্র্যাজুয়েশন সার্টিফিকেটের সঙ্গে জন্মনিবন্ধন সনদও প্রদান করেছি।প্রথমে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করল, আমি কেন এখনো NID করিনি। আমি তাদের বললাম, যেহেতু আমি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে বসবাস করছি, তাই দেশে থেকে NID করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।এরপর তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সার্টিফিকেট ও আরও অনেক ধরনের কাগজপত্র চাইতে শুরু করল। কিন্তু আমি যেহেতু দেশে মাত্র ২-৩ সপ্তাহের জন্য আসি, তাই এত কম সময়ে এসব ঝামেলা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা আমার পক্ষে খুবই কঠিন।এসময় আমি একজন দালালের সঙ্গে পরিচিত হই। সে আমাকে বলল, “ভাই, আমাকে ১২ হাজার টাকা দেন, আমি একদিনের মধ্যে আপনার কাজ করে দেব। কোনো সমস্যা হবে না।”আমি শেষ পর্যন্ত তার কথায় রাজি হয়ে যাই
যে কোনো বিল পাশ করাতে ২০% টাকা দাবি করে। বিল ১ লক্ষ টাকা হলে ২০,০০০ টাকা তাদের আগেই দিতে হয়। নয়তো বিল পাশ হয় না। ডকুমেন্টস হারিয়ে যায়। পাওয়া যাচ্ছে না। অমুক অফিসে যোগাযোগ করেন। হেনস্তার শেষ নাই।
আমি জাপান প্রবাসী আমি জাপানে লাইসেন্স করতে গেলে আমার নিজ দেশের লাইসেন্সর সার্টিফিকেট লাগবে বলে আমি আমার নিজ দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের ঢাকা বিআরটিএ ইকুরিয়া থেকে সেটা করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাকে বলে এটা তিন মাস সময় লাগবে অন্যথায় আমাদের দশ হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যেই করে দিবে এটার সরকারি ফি নির্ধারণ করা আছে আটশত টাকা।কিন্তু কোন উপায় না পেয়ে আমি সেই টাকা টা পরিশোধ করিএবং তার সেই পেপার আবার নোটারি করতে গিয়ে আবার টাকা দিতে হয় শেষ পর্যন্ত আমি আমার লাইসেন্স করতে ব্যার্থ হয়ে জাপানে নতুন করে ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি হয়ে লাইসেন্স করতে চেষ্টা করছি!
ভূমি অফিস থেকে প্রতিবেদনের জন্য ৩ হাজার, সার্ভেয়ার এবং কানুনগর প্রতিবেদনের জন্য ৩ হাজার, ফাইনালি ফাইল অনুমোদনের জন্য চার থেকে দশ হাজার টাকা দাবী করা হয় এবং না দিলে কোনো মিউটেশন মামলা ফাইনালি অনুমোদন হয় না।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।