ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার সময় বলছে কিছু চা পানি খাওয়ার জন্য দেন।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার সময় বলছে কিছু চা পানি খাওয়ার জন্য দেন।
ঘুষ না দিলে ফাইলই উপরে উঠায় না। এটা অলিখিত নিয়ম। আমার ফাইল রেডি করে কল দিয়ে বলেছিলো এই নাম্বারে বিকাশ আছে পাঁচ হাজার পাঠাইয়েন।
সবুজবাগ ভূমি অফিস। জমি মিউটেশনের জন্য ওখানকার একজন কর্মচারী ১৭০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে কাজটি করে দেয়। না দিয়ে উপায় আছে? কোন কর্মকর্তা সরাসরি টাকাটা চায় নি, ভুমি অফিসের কর্মচারী পুরা কাজের কন্ট্রাক্ট নেয়।
সেবাটি ছিল আমদানি সনদ পাওয়ার অনলাইন আবেদন। আমি আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেছিলাম এবং আমার এলাকার চেম্বার অফ কমার্সের সদস্য হয়েছিলাম। যেটা আমদানি সনদ পাওয়ার পূর্ব শর্ত। কিন্তু যেহেতু আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ঢাকায় দিয়েছিলাম সে কারণে আমার আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। যেহেতু সনদটি আমার খুবই প্রয়োজন ছিল। সেজন্য পরবর্তীতে নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে সনদপত্র নিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। যা আমি দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর টাকার বিনিময়ে একদিনের মধ্যেই সনদ প্রাপ্ত হই। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি অভিযোগ করতে পারতাম। কিন্তু সেটা করলে আমার সনদ প্রাপ্তি দীর্ঘায়িত হতো এবং আমি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতাম।
তথ্য সব ঠিকই ছিল কিন্তু ভুল দেখানো হহেছিল
আমার জমির খাজনা ২০ টাকা, দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা। জরুরী প্রয়োজন ছিল তাই দিতেই হলো।
একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫০০০০ টাকা। ভ্যাট আইটি কর্তন অব্যবহিত পরবর্তি নীট প্রাপ্য ১২০০০০ টাকা থেকে শিক্ষা অফিস ২৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছে।
আমি টাংগাইল জেলার সখিপুর উপজেলায় ভুমি অফিসে যাই আমার ওয়ারিশ সুত্রে পাওয়া ভুমি নামজারি করতে।সেখানে আমার কাছে ৮০০০ হাজার টাকা দাবি করে।আমার সামনে আরো অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা নেয়।তাদের আমি চিনি না।আমি প্রায় ৪০ মিনিটের মত সেখানে অবস্থান করে দেখতে পাই কারো টাকা ছারা কোন কাজ হচ্ছে না।বাধ্য হয়েই আমি টাকা দেই।টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানায় দিনের পর দিন ঘুরায়।
আমার স্ত্রীর আঙ্গুল ভেঙ্গে যাওয়ায় ইমারজেন্সী গাজীপুর সদর হাসপাতাল যাই। ওখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্লাস্টার করতে বলে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির একজন লোক বলে যে ১২০০ টাকা লাগবে। পরে দামাদামি করে ৮০০ টাকায় প্লাস্টার করে দেয়। পরবর্তীতে পায়ের ব্যথা বাড়ার কারনে নিটোরে যাই, ওখানে ফিঙ্গার স্ট্রিপিং করে দেয় এবং বলে যে প্লাস্টার করার প্রয়োজন ছিল না, এমনকি ভুল ভাবে প্লাস্টার করার কারণে চাপে থেকে পায়ে ব্যথা বেড়ে গেছে।
আমার কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও, শুধু শুধু আমার বাইকে মামলা দিতে চায়, পরবর্তীতে টাকা দিয়ে নিজেকে মামলার হাত থেকে বাচাই।
আমাদের একটা স'মিল' আছে। প্রতি বছর আমাদের ৫ টা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।এদের মধ্যে একটি হলো বিভাগীয় এটি প্রক্রিয়াদিন হয়ে আমাদের উপজেলা আসে। উপজেলা থেকে শীল,সাক্ষর হয়ে আবার সিলেট যায়। সরকারি একটা অফিস চলে সরকারের টাকা দিয়ে। তাদের মাসে মাসে সরকার থেকে বেতন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকার থেকে অফিস খরচ কত দেওয়া হয়। আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচ বলে প্রতি বছর ৪০০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তারা শীল, সাক্ষর দিয়ে সিলেট পাঠায় না। যার ফলে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা কি করব? তাদের বিপক্ষে গেলে হয়ত আমাদের মিল টা বন্ধ করে দিবে না হয় অবৈধ বলে মামলা দিবে! আমরা কি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি? এটার কি কোনোদিন প্রতিরোধ করা যাবে না।নাকি বছরের পর বছর এই ভাবে টাকা দিয়ে আসতে হবে? আরও অনেক অভিযোগ আছে এই স'মিল' এর লাইসেন্স
(৩ বছর আগের অভিজ্ঞতা) ২০২৩ সালে আমার স্ত্রীর নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করি আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোন ফিডব্যাক পাইনি, এমত অবস্থায় চাটখিল নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি এবং আমার স্ত্রী এবং শাশুড়িকে নির্বাচন অফিসে পাঠায় তখন নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে।বাধ্য হয়ে আমার স্ত্রী ৩০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, টাকা পাওয়া পর তারা এনআইডির কার্যক্রম করে মোবাইল নাম্বারে মেসেজ পাঠায় এবং তাও এনআইডিতে মুল নামই ভুল দেয়। পরে আমি যখন ফোন দিয়ে তাদের সাথে রাগারাগি করি এবং কি ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর কথা বলি। তখন তারা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এনআইডির মূল নাম সংশোধন করে আবার মেসেজ পাঠায়।
পাসপোর্ট ইনকুয়ারী ২০১৯ সালে।বিদেশে যাওয়ার আগে পাসপোর্ট করেছিলাম।১৫০০টাকা বিকাশের মাধ্যমে নিয়েছে।কোন ইনকোয়ারী করেনি।থানার দারোগাকে বিকাশে টাকা দিলেই ইনকোয়ারী হয়ে যায়।পাসপোর্ট ও টাইমমত পাওয়া যায়।তা নাহলে দারোগা পাসপোর্টকারীর বিপক্ষে পাসপোর্ট অফিসে খারাপ রিপোর্ট জমা করে পাসপোর্ট আটকিয়ে দেয়।আমার কাছে সেই দারোগার ফোন নাম্বার আছে। দারোগার প্রাইভেসির জন্য ফোন নাম্বার উল্লেখ করিনি।
আমি ঢাকায় থাকি কিন্তু গ্রামের বাড়িতে আমার নামে একটি বাইক আছে। সেই বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য নওগাঁ বিআরটিএ থেকে মেসেজ পেলাম। কিন্তু আমি ঢাকাই থাকি তাই আমি যেতে পারিনি, রিসিট নিয়ে আমার বাবাকে যেতে বললাম। আমার বাবা যথা সময়ে রিসিট নিয়ে বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড উঠাতে নওগাঁ বিআরটিএ অফিসে গেল। তখন সেখানে কর্মরত কর্তা আমার বাবাকে বলে যে, আপনাকে কার্ড দেওয়া যাবে না। আপনার ছেলেকেই আসতে হবে। পরে অফিসার আমাকে ফোন করে বলে যে, আপনাকে ছাড়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া যাবে না। আমি বললাম, আমি তো ঢাকাতে আছি, নওগাঁতে আমি আরও ৬-৭ মাস পরে যাবো। আমার বাবার কাছে রিসিট আছে, আপনি দিয়ে দেন, তখন উনি বলল যে তাহলে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে। তখন উনি আমার বাবার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি দেন।
আমি অনলাইনে আবেদন করেছিলাম। সকল কিছু ভালোভাবে দেখেশুনেই আবেদন করেছি। কোথাও কোনো গ্যাপ রাখিনি। তবে অপশনাল একটা ঘর পূরণ করিনি। তাই আবেদন বাতিল করে দিল। বললাম, এটা তো অপশনাল। অফিসার বলল, অপশনাল বলতে কোনো কথা নাই। দিতেই হবে। আবেদনটা বাতিল করে দিতে বললাম, সেটাও করল না। তখন পাসপোর্ট পাওয়া আমার খুব জরুরি ছিল। কোনো উপায় না পেয়ে দালালকে বললে সে দুই ঘণ্টার মধ্যে ২২০০ টাকা নিয়ে আবেদন জমা করিয়ে ছবি তুলিয়ে দেয়।
আমার দলিলে নাকি ভুল ছিলো আমি একজন প্রবাসি কিন্তু কি ভুল ছিলো আমি ঠিক মত বুঝতে পারি নাই আমি ৫ থেকে ৬ বার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম আমাকে শুধু গুরায় পরে একদিন ভূমি অফিসের নায়ের আমাকে বলে নামজারি করতে সাধারণতো ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা লাগে কিন্তু তোমার নামজারি করতে ডাবল টাকা লাগবে কারণ অন্যান্য স্যারদেরকে টাকা দিতে হবে
জমি খারিজ বাবদ দবি ২৫০০০ দফা রফা।
I needed to go to India for emergency medical condition. I didn't have a passport. When I went to the passport office, someone at the gate demanded 11000 tk to make my and my son's passport within 3 days. It was a life and death emergency so I paid and I did got our passport after 3 days.
দুবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে হয়েছে আমাকে। প্রথমবার ১৫০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার ৮,৫০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছে।
প্রায় ১৪ বছর আগে যখন আমার বার্সিক আয় ছিল মাত্র ১৫ লক্ষ টাকা। যার পুরোটাই বেতন থেকে আয় এবং পুরোটাই ব্যাঙ্কে জমা হত। আমার অন্য কোন আয়ের উৎস ছিলনা। কোথাও কোন শেয়ার ছিলনা। পৈত্রিক বা অন্য যে কোন উপায়ে পাওয়া কোন আবাদী বা অন্য যে কোন প্রকার জমি ছিলনা। কোন ব্যাবসা বা ব্যাবসার শেয়ার ছিলনা। আমি ডাক্তার হলেও আন্তর্জাতিক সংস্থ্যায় কাজ করার কারনে প্রাইভেট প্রাকটিস করার সুযোগ ছিলনা। সেই সময়ের রিটার্নের জন্য আমার নামে প্রায় ৮/১০ টা আইটেমে প্রায় কোটি টাকা মিথ্যা আয়ের অভিযোগ দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা কর দাবী করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি আইটেমের প্রমান সহ জবাব দেয়ার পরও আমাকে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে রক্ষা পেতে হয়।