প্রসেস সার্ভারের রিপোর্ট খোঁজা
কোর্টে জমির মামলায় প্রসেস সার্ভারের রিপোর্ট এসেছে কিনা এটা জানতে গেলে নানাভাবে হয়রানী করে ঘুরায়। এরপর মুহুরী ও কোর্টের যার কাছে এই রিপোর্ট জমা থাকে সেই কেরানি গোছের লোক ১৫০০ টাকা নিয়ে ৫মিনিটে বের করে দেয়।
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
কোর্টে জমির মামলায় প্রসেস সার্ভারের রিপোর্ট এসেছে কিনা এটা জানতে গেলে নানাভাবে হয়রানী করে ঘুরায়। এরপর মুহুরী ও কোর্টের যার কাছে এই রিপোর্ট জমা থাকে সেই কেরানি গোছের লোক ১৫০০ টাকা নিয়ে ৫মিনিটে বের করে দেয়।
For passport application which was 300 taka during that time. However, they charged me 2000 taka in total.
প্রথমে কর্মকর্তা খুব ভালো ব্যবহার করেন এবং সুন্দর পরামর্শ দেন। কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি 1000 টাকা দাবি করেন। প্রথমে দিতে না চাইলেও পরবর্তীতে উনার চাপাচাপিতে আচ্ছা বাধ্য হই।
মাত্র ২০০ টাকা ঘুষ নিলো নল লাগানো জন্য প্রশাবের ঠিকানা : ৩ তলায় আছি ১৫ নং ওয়াট ১৩৮ রুম কি করবেন ভাই ময়মনসিংহের এমপি হায়রে জনগণ ময়মনসিংহ মেডিকেল পরিচালক জনগণে অধিকার শুধু Tax দেওয়া
টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিবেনা,আমার বিদেশ যাত্রায় বিলম্ব হবে। তাই দিতে বাধ্য।
প্রথমে লিগ্যালভাবে নামজারি করার জন্য আবেদন করি এবং শুনানিতে উপস্থিত থাকি কিন্তু কোনো কারন ছাড়াই আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে দালাল কে ১০০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা হয়।
আমি ভুমি অফিসের নায়েবের খাস লোককে ইতিমধ্যে ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, জামালপুর এসিল্যান্ড অফিসে হাজিরার দিন ওখানের এক দালালকে ২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমি নিরুপায়, কারণ এর আগে আরও একবার অনলাইন আবেদন করেছিলাম, সম্পূর্ণ নির্ভুল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও আবেদন নামান্জুর করে দিয়েছিল, পরে জেনেছি আবেদন করার পরই নায়েবের সাথে দেখে করে চা-নাস্তার জন্য কিছু বকশিস দিতে হয়। এখন এসএমএস অপেক্ষায় আছি।
আমি প্রথমে ১০০০ ও ২০০ টাকা এবং পরে আরও ১০০০ টাকা তিন জঙ্কে দেই। কিন্ত এখনও কুনু কাজএর আগ্রগতি নাই।
দুটি জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজী করব সরকারি ফি বোর্ডে লেখা 50 টাকা করে প্রতিটি তবে নিয়েছেন প্রতিটি 300 করে মোট 600 টাকা যার 500 টাকা ঘুষ ।
নেত্রকোনা জেলাতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১১০০০ দিয়েছি, পাসপোর্ট অফিসে নিয়েছে ২০০০ টাকা বেশি, কি বলবো সকল জাগায় ঘুষ লাগে৷ নেত্রকোনা পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা খুবি খারাপ, রাতে ১০ টার সময় গেলেও পাসপোর্ট করা যায় টাকার অংক বাড়ালে৷
আমার আম্মু ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ জব করতেন। তিনি রিটায়ারমেন্ট এর পর টাকা তুলতে গেলে ৪০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে সেটা ১০০০০০ টাকা দিয়ে। ফয়সালা করা হয়।
ঢাকা এসএফসি যেইকোন বিল পাস বা বিল সংক্রান্ত কাজে ১০% ঘুষ দাবি করে। না দিলে বিল নিয়ে হয়রানি করে, বিল আটকিয়ে রাখে। এই অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে এরিয়া ফাইনেন্স অফিসার পযন্ত ঘুষ নেয়।
আমি ঢাকা থেকে একটি পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম। যেহেতু আমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকা ছিল এবং স্থায়ী ঠিকানা ছিল হোমনা থানায়। তাই আমার দুই ঠিকানাতেই ভেরিফিকেশন হয়েছিল। বর্তমান ঠিকানায় মোহাম্মদপুর থানা থেকে পুলিশ এসেছিল এবং সুন্দর মত ভেরিফিকেশন করে গেল কোন টাকা দাবী করেনি। কিন্তু আমার স্থায়ী ঠিকানা হোমনা থানায় গেলে পুলিশ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে আমাকে ১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।
পাসপোর্টের ফর্ম দেখে প্রথমে বলে যে, এই পাসপোর্ট এর আবেদন বাতিল। কিছুক্ষণ পরে আবার পিওন এসে বলে যে৪০০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে। পরবর্তীতে তিন হাজার টাকায় রাজি হই।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দালালকে ৮০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল
মোটরসাইকেল এর শোরুম থেকে মোটরসাইকেল বিক্রি করলে প্রতি মোটরসাইকেল এর লাভ্যাংশের ১৫% ভ্যাট দিতে হয় ৷ কিছু মোটরসাইকেল এর ভ্যাট ১০০০ টাকা হলে সেই ভ্যাট এর চালান সত্যাইত করতে কর কর্মকর্তা নেন ১০০ টাকা ৷ মানে মাসে ১০০ টি গাড়ি বিক্রি হলে কর কর্মকর্তা নেন ১০,০০০ টাকা ৷ পরে আসি রিটার্ন সাবমিট এ ৷ সঠিক ভ্যাট দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে লাগে ৩০০০ টাকা ৷ এটা প্রতি মাসে দিতে হয় ৷
মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য যোগাযোগ করা হলে, ইউপি সদস্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়—সুবিধা পেতে ৫,০০০ টাকা দিতে হবে। সেই টাকা দেওয়ার পরও আমার স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম দেওয়া হয়নি। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের অর্থ দাবি ও লেনদেনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
তফশিল অফিসের অফিস সহকারী & পিয়ন মিলে সিন্ডিকেট করে। নায়েব অনেকটাই নিরুপায়। কোনো নামজারি & খাজনা দিতে গেলে ওদের মাধ্যমে দিতে হয়। তা না হলে এই ভুল সেই ভুল বলে বাতিল করে দিবে। কিন্তু যদি বলা হয় যে আমার ডকুমেন্টস এ কি কোনো প্রব্লেম আছে তখন সেটা দেখবে না। কিছু বলবেও না। আর অফিস সহকারী তো বলেই বসলো যে এসিল্যাড টাকা ছাড়া কাজ করে না। তবে তোমাদের (পাব্লিকের) কাছে থেকে নিবে না। আমদের (অফিস সহকারী / পিয়ন) মাধ্যমে গেলে নিবে। কি আর করা। অফিস সহকারী আর পিয়ন যে কত টাকার মালিক হয়েছে দুদুক ওদের ইনকাম সোর্স চেকিং করলেই বের হবে। আমি মনে করি সারা দেশের মানুষ ওদের এই জালায় আছে। আর অফিস এর কথা কি বলবো সিস্টেম এমন ভাবে ডিজাইন করা ওরা জাতে খেতে পারে তেমন ফাক ফোকর রেখে দিয়েছে। আংশিক খাজনা নিবে না। কিন্তু ওরা পারে
তদন্ত অফিসার বাড়িতে এসে ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়ে যায়
২০২৪ সালে আমার স্মার্টফোনটি চুরি হয়ে যায়। তখন দৌলতপুর মডেল থানায় একটা সাধারণ ডায়েরি করতে যাই। দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা খরচ চায়। আমি তখন জানতাম না যে জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। আমি টাকা পরিশোধ করে দেই। উনারা কোন আপডেট আমাকে জানায়নি। আমি কয়েকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিয়েছি ফোনটি পাওয়া গিয়েছে কিনা।