প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিতে।
শিক্ষক বদলি নিয়ে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে পরে আমি ৫০% পরিশোধ করি।
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শিক্ষক বদলি নিয়ে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে পরে আমি ৫০% পরিশোধ করি।
পাসপোর্ট এর নবায়ন করতে গেলে আগের পাসপোর্ট এবং NIDএর সাথে মায়ের নামের অমিল থাকায়, তারা ঠিক করবে এজন্যে ঘুষ চায়।
২০২৬ সালে নিকলী উপজেলা পরিষদে ভোটার হতে গিয়ে আমি ঘুষের মুখোমুখি হই। বর্তমান অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার প্রতিটা ফাইল থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে ভোটার করেন তা নাহলে ভোটার হওয়া যায় না
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ৬০০০/- দাবি করে খুব ভদ্রভাবে। পরে ৫০০০/- দিতে হয়।
Per Mutation fee is Tk. 1170/- whereas demand Tk. 4000/- by the bhumi office to process the file citing they will not be able to process with their seniors otherwise money. I had 9 file and paid Tk. 36,000/- whereas actual govt fee is Tk. 10,530/-. So, ghush was Tk. 25,470/-
গাড়ি ফিট থাকার পর ও টাকা ছাড়া সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় না
Staff Nurse, Ward Boy, Duty Dr. Also involved with the percentage of that
আমার পাসপোর্ট টা জরুরি ছিলো। কিন্তু তারা অযথা পুলিশ ভেরিফাই নামে ৩ সপ্তাহ আটকিয়ে রাখছিলো।পরবর্তীতে আমি ২০০০/ টাকা দিলে আমার পাসপোর্ট হয়।
for transfer on deportation, ATO asked money for Approval, he said he needs to manage TO/DPO.
৫০০ টাকা জোরপূর্বক নিয়েছিলো
Current er phase or main wire e somossa hole complaint korar pore jara eshe fix kore tader taka dewa lage but eta to tader job
In July 2026, I attended the Basila Passport Office for biometric submission (fingerprints and photograph) following my online renewal application. The presiding officer advised that additional documentation—namely a marriage certificate and a councillor-issued address certificate—was mandatory, despite my previous passport already listing a "married" status. Upon exiting, several intermediaries approached me, asserting that these documents were unnecessary. They offered to expedite the process on the same day for a fee of 3,000 BDT, which I negotiated to 2,000 BDT. Following this payment, the same officer proceeded with my renewal without any further remarks or requests for the previously.
আমরা কয়েকজন মিলে গ্রামে কিছু কৃষি জমি ক্রয় করি। ক্রয় করার পর নামজারি করতে গেলে ভূমি অফিসের লোক কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ঐ দিন টাকা না দেওয়ার বিভিন্ন অজুহাতে কাগজে সমস্যা আছে বলে নামজারি করেনি। পরবর্তীতে ৩০০০০ দিলে একই কাগজ মোতাবেক নামজারি করে দেয়। ভূমি অফিসের প্রধানকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। সব তারা জড়িত।
আমার স্কুল বাড়ি থেকে মোটামুটি বেশ দূরে....দুটি ছোট বাচ্চা নিয়ে দুই তিন বার গাড়ি পরিবর্তন করে যাওয়া অনেক কঠিন ছিল। তার উপর স্বামীর সাথে সম্পর্ক খারাপ যাচ্ছিল.....সে চাচ্ছিল আমি চাকরি ছেড়ে দেই যাতে সে বাসায় আমাকে নির্যাতন করতে পারে। তার নির্যাতনে ইতোমধ্যে আমার মানসিক সমস্যা হয়েছিল। পরে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলাম..এসব কারণে কাছের স্কুলে আসতে ছেয়েছিলাম। অথচ যৌক্তিক কারণ ছাড়া আমাকে বদলির আদেশ দিচ্ছিল না..শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক নানারকম যুক্তি দেখায়...খারাপ ব্যবহার করত....পরে কলিগরা সবাই পরামর্শ দিচ্ছিল ঘুষ দেয়ার জন্য। শেষে ঘুষ দেয়ার পরে বদলির আদেশ হাতে পেলাম
একজন সার্ভেয়ার তার সহকারী ও ড্রাইভার নিয়ে মিস কেস এর বাদী ও বিবাদীর বাসায় যান। সরেজমিনে ভূমির পরিমান ও দখল দেখতে। তিনি দেখলেন। বাদী ও বিবাদী আপোষ মিমাংসা করে দখল ঠিক রেখেছেন। দুই পক্ষের সই গ্রহন করে চলে আসলেন। গাড়ী ভাড়া ২,০০০/ টাকা পরিশোধ করা হলো। অফিসে আসলে বিভিন্ন কথা বলে টাইম পাশ করে। শেষে বলেন উকিলের মাধ্যেমে সমাধান করতে হবে। উকিল সাহেব আসলে ১০,০০০/- টাকার কমে রিপোরট দিতে পারবেন না জানিয়ে দিলেন। অতবএব ১০,০০০/- পরিশোধ করতে হবে। অনুরোধ করেছিলাম। গরীব পরিবার, ছেলেটির বাবা নাই। দেখেন ৫ হাজার টাকায় রিপোর্ট টা করে দেয়া যায় কিনা? না হবে না। এভাবেই ঘুষ দিতে হলো।
আমি পাসপোর্ট আবেদনের ফাইল জমা দিতে গিয়ে পরপর কয়েকদিন ঘুরে আসি। নানান অজুহাতে আমাকে ঘুরিয়ে দেয়া হয়, একদিন রীতিমতো বাকবিতণ্ডা হয় আমার সাথে। পরে এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনের এক অনলাইনের দোকানে যোগাযোগ করি। তারাই টাকার অফার করে, আমারও জরুরি দরকার থাকাতে সেটা দিই। পরে সেদিনই আমার ফাইলও জমা হয়ে যায় আর বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টও।
গাড়ীর সব কাগজ নবায়ন ও সব ধরনের সরকারী ফি পরিশোধ করার পরেও দালালের মাধ্যমে ঘুস দাবী করেছিলো। তা না হলে ২৭ প্রকার টেস্টের সম্মুখীন হতে হবে। গাড়ী পরীক্ষায় যদি কোন একটিতে ভুল পায়, তাহলে তা সংশোধন করে আবার বি আর টি এ তে ফি দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। গাড়ীতে কোন ধরনের সমস্যা না থাকার পরেও ভিন্ন ভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তারা ফিটনেস নবায়ন না করে ঘুসের জন্যে আটকিয়ে দেয় বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুস দিতে হচ্ছে। সরকারের উচিত, এসব সরকারী অফিসগুলো অটোমেশন করা। তা না হলে জনগণের দুর্ভোগ শেষ হবে না।
২০১৮ সালের কথা। তখন আমাদের জমি খারিজ করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের সহযোগিতার জন্য যায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক কর্মচারী দলিল প্রতি কেউ ৩০০০ কেউ ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে জমি খারিজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেই কাজ শেষ হয়েছে চার বছর পর। দলিল প্রতি আমার মোট খরচ হয়েছে ৪৫০০ টাকা। এছাড়া যেসব দলিল হারিয়ে গেছে সেসব দলিলে নকল তোলার জন্য দলিল প্রতি আমাকে তিন হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হয়েছে। কিন্তু জমি খারিজ বা ই নামজারি ক্ষেত্রে সরকারি ফি ১১৭০ এবং জমির নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে ৮০০ এত টাকা হওয়ার কথা ছিল।
জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
বাইক রেজিস্ট্রেশন করার সময় বাইক পরিদর্শন অফিসার বিলম্ব করছিল। টাকা দেয়ার সাথে সাথে তিনি পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।