মা খুবি অসুস্থ ছিলো
ঘুষ না দিলে নার্সরা আসে নাহ, আর ডাক্তার কোনো পরিক্ষা দিলে রুগী কে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেয়ার গুলো নিলে টাকা দিতে হয়। আর রোগী সিটের জন্য টাকা লাগে, দালালরা সব জিম্মি করে রাখে, তাদের বাহিরে কথা বলা যায় নাহ ইত্যাদি
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঘুষ না দিলে নার্সরা আসে নাহ, আর ডাক্তার কোনো পরিক্ষা দিলে রুগী কে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেয়ার গুলো নিলে টাকা দিতে হয়। আর রোগী সিটের জন্য টাকা লাগে, দালালরা সব জিম্মি করে রাখে, তাদের বাহিরে কথা বলা যায় নাহ ইত্যাদি
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম এক চাচাকে নিয়ে, উনার বয়স ৫৩, অবিবাহিত। কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা বলছে যে উনি অবশ্যই বিবাহিত আর না হয় অবিবাহিত সনদ পত্র নিয়ে আসতে হবে না হলে পাসপোর্ট হবে না। শেষ পর্যন্ত ২০০০ টাকার বিনিময়ে উনি সেই অবিবাহিত সনদ ছাড়াই পাসপোর্ট করে দেন।
টাকা ছাড়া দলিল হবেনা, বিভিন্ন সমস্যা দেখাচ্ছিল। পরে বুঝতে পারলাম টাকা ছাড়া কাজ হবেনা
আমার পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য পুলিশ ৩০০০ টাকা দাবি করে আমি সেই টাকা প্রথমে দিতে রাজি হই নাই কিন্তু আমাকে এক প্রকার থ্রেড দেওয়াতে বাধ্য হয়ে দিয়েছি ২০০০ টাকা।আমি আর আমার স্ত্রীর জন্য পুলিশ ভেরিভিকেশনের জন্য নিয়েছিলো ২০২২ সালের ডিসেম্বরে
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিহ্মা দিয়ে রেজাল্ট পাশ করছি।কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইনি। শুধু স্লিপ দিয়ে এই স্লিপ নিয়ে আমি বাইক ড্রাইভ করার জন্য পুলিশ ১৫০০ টাকা ঘুস নিছে।না হয় ৫০০০ টাকার মামলা দিবে বলে চাপ দেয়
ভাতার টাকা নেওয়ার সময় অতিরিক্ত ২০০০৳ নিয়েছিল
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে ৫০০০০ আর ওইখান থেকে ১৬০০০ টাকা সরকারের খাতায় দিয়ে অন্যটা আমার সামনে ওরা মেরে দিয়েছে
সরকারি কলেজে বোর্ডের সার্টিফিকেট তোলার সময় কর্মচারী রশিদ/স্লিপ ছাড়া টাকা দাবি করে & ওই টাকা পরিশোধ না করলে সহজে সার্টিফিকেট প্রদান করে না। উল্লেখ্য যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফিস জমা নেওয়ার সময় ই বোর্ড সার্টিফিকেট এর ফিস নিয়ে নেয়। কিন্তু তারপর ও কর্মচারীরা প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে এই ফিস নিয়ে থাকে।
পাসপোর্ট বানানোর জন্য বর্তমান ঠিকানায় পুলিশ কিলিয়ারেন্সের জন্য ৬০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছিল।
পুরাতন দলীলের নকল তুলতে গেলে একজন চার্সার আমার কাছে দলীল প্রতি ৩০০০ টাকা দাবি করে। যদিও সরকারি খরচ উল্লেখ্য আছে দলীল প্রতি ১০০ টাকা থেকে পাঁচশত হতে পারে। নিরুপায় হয়ে তিনটি দলীলের জন্য ৯০০০ টাকা দিয়েছি তারপর দলীল খুঁজে দিয়েছে। এরপর ডিসির রেকর্ড রুমে সাবেক জমির চুক্তিনামা এবং ৩০ ধারার মামলার নথী তুলতে গিয়ে ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি কাগজ পাইনি। যদিও সরকারি খরচ উল্লেখ্য আছে ৫শত টাকার বেশি নয়।
আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলাম। প্রায় ২ মাস হয়ে গেলো কোন আপডেট না পাওয়ায় অফিসে যোগাযোগ করলে ৩ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়। যুগ্ম-মহাপরিদর্শক ও আইজি কে দিতে হবে না হলে নবায়ন হবেনা। পরে ১ লক্ষ টাকা দিলে আমার ফাইলের কাজ শুরু হয়। যদিও এখনো লাইসেন্স পাইনি। বলতেছে প্রক্রিয়াধীন।
আমার বেতন চালু সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসর একজন আমার কাছে ৫০০০০ টাকা দাবি করে। আমি চাপে পড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
আমি মান উন্নয়ন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। তো আমার আগের সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সার্টিফিকেট তুলতে গেলে কিছু খরচ চায়, ২০০টাকা দিলে বলে ৫০০টাকা করে নেই, পরে আর ১০০ (মোট ৩০০)দিলে সার্টিফিকেট দেয়। আমার আগে একজনের কাছ থেকেও নিতে দেখেছি।
নোয়াখালীর পাসপোর্ট অফিস তিনবার পাসপোর্ট করেছি নরমাল আবার ডিজিটাল আবার এমআরপি প্রত্যেক বার বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে সর্বশেষ এমআরপি পাসপোর্ট নিয়েছি 2024 এর জুন মাসে , পাসপোর্ট অফিসের বাইরের এমনকি সুবর্ণচর এর কম্পিউটার দোকান গুলো আবেদন করালে দোকানদার বলে তিন হাজার টাকা বাড়তি না দিলে আপনাকে হয়রানি করবে তখন আমার পরিচিত অনেকেই বাড়তি টাকা সহ পরিশোধ করে দেয় আর ওটার নাম লিখে দেয় চ্যানেল যা পাসপোর্ট অফিসের এক নাম্বার কাউন্টার দেখলেই বুঝে যায় এটা পেইড বাড়তি তাকে সেবা আর চ্যানেল দেখা না থাকলে তাকে নানা অজুহাতে দুই তিনবার ও ঘুরিয়ে দেয় । 2024 এর ঈদ ছুটির পর জুলাইয়ের প্রথম দিকে বাবার ওমরাহ যাবে তার পাসপোর্ট করতে আবেদন করি কিন্তু বাড়তি টাকা দিলাম না পরে বাবাকে অনেক হয়রানি করে
নারায়ণগঞ্জ এর বন্দর উপজেলায় মনারবাড়ি এলাকায় "কদম রসূল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা" নামে ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। অথচ দা*লাল ছাড়া টাকা কোন ভাবেই উত্তোলন করা যাচ্ছে না। এই দা*লালদের মাধ্যমে ডিসি সাহেব নিচ্ছেন ৩%, ভূমি অফিস ও ৫ আসন এর এমপি নিচ্ছে ৩%, দা*লাল নিচ্ছেন ১-২% (মোট টাকা থেকে ৭%-৮% সর্বনিম্ন তাদের দিতে হচ্ছে) আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে জমির মালিকদের বিপদে ফেলে ২০% থেকে ২৫% ও ঘুস নেয়া হচ্ছে।
আমি আমার নিকট আত্মীয়র জন্য পোস্ট অফিসের ডাক মাধ্যমে কাপড় সামগ্রি পাটাই। তারা পেকেজিং এর নামে ৫০০ টাকা নেয় আমার কাছে। যেটার প্রমান সরুপ বিল দিতে বল্লে তারা বিল দিতে অস্বীকার করে। বলে এটা নিয়ম এবং দিতে হবে।
এম পি ও ফাইল আবেদন ফরওয়ার্ড করতে এই টাকা সম্মানী খরচ চাওয়া হয়।
২০২৩ সালে আমি পাসপোর্ট করি। ওই সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন ছিল। যখন আমার পাসপোর্ট পুলিশের কাছে আসে। তখন আমাকে ফোন দেওয়া হয় । এবং আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে নেয়া হয় । প্রাথমিক অবস্থায় আমার কাছে কোন টাকা না চাইলেও। পরবর্তীতে যখন শুনে আমার বাবা-মা বিদেশ থাকে। তখন ৫ হাজার টাকা দাবি করে। এবং আমাকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
২ বছর যাবৎ আমার পাসপোর্ট রি-নিউ করা হয় নি, আর্জেন্ট প্রয়োজনে আমি সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্ট করার চেষ্টা করি। পাসপোর্ট বসিলা অফিস, আমার সব ডকুমেন্টস দেখে বলে আপনি কাবিননামার ফটোকপি জমা দিসেন, অরিজিনাল কপি লাগবে। আমি ধরে নেই আমার বিদেশ যাওয়া হবে না। কারন আমার কাছে সময় নাই, তখন এক দালাল যে সকাল থেকে আমার পিছনে ঘুরছিলো যে, ৩০০০ টাকা দিলে এখনি করে দিবে বাট আমি সকালে পাত্তা দেই নি কারন আমার সব ডকুমেন্টস ছিলো। দুপুরে নিরুপায় হয়ে ২৫০০ টাকা দিতে রাজি হই, এবং সে তখন পাসপোর্ট অফিসার এর রুমে আমাকে নিয়ে যায়, তখন সে আমার ডকুমেন্টস এপ্রুভ করে দেয়, সাথে সাথে আমার ছবি তুলে, পরদিন পাসপোর্ট পাই। বসিলাতে, লিস্ট এর বাহিরে ডকুমেন্টস চায়, এবং চাপে ফেলে টাকা খায়, অফিসার, আনসার, কম্পিউটার দোকানি সবাই সিন্ডিকেটে জড়িত
TA বিলের জন্য চট্টগ্রাম হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েছিলাম ২ নাম্বার গেইট।একজন অডিটর অনেক হয়রানি করছিল আর ঘোরাচ্ছিল, পরে বলে কিছু দেন। ১০০০ টাকা দিলাম, অনেক নীতি কথা শোনানো দাড়িওয়ালা লোকটা বলল ১৫০০ দেন।