হোল্ডিং ট্যাক্স ডকুমেন্ট ইস্যু
গত মঙ্গলবার সরকারি ফি 10000 টাকা বলে নিয়েছে কিন্তু কোন রিসিট দেয়নি, তার বাইরে খরচ হিসাবে আরও 4 হাজার চেয়েছে কিন্তু আমি কাগজ পাইনি এখনও
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গত মঙ্গলবার সরকারি ফি 10000 টাকা বলে নিয়েছে কিন্তু কোন রিসিট দেয়নি, তার বাইরে খরচ হিসাবে আরও 4 হাজার চেয়েছে কিন্তু আমি কাগজ পাইনি এখনও
জামালপুর পৌরএলাকায় অবস্থিত বেলটিয়া কামিল মাদ্রাসায় আমার সন্তানের আলিম পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনতে গেলে ৮০০ টাকা দাবী করে। বললাম, কিসের টাকা? বলল, অফিস খরচ। রিসিভ চাইতে বলল- সবাই দিচ্ছে আপনি দিবেন না কেন? কোন উপায় না পেয়ে প্রিন্সিপাল রুমে যেতেই বলল- ১০০ টাকা কম দেন। বললাম, ৭০০ দিতে পারলে ৮০০ দিতে পারবো। অবশেষে ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম ।
একটা মিউটেশন করতে টাকা লাগে ১১০০ টাকা বা সামথিং একটু বেশি হতে পারে সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগারো হাজার টাকা দাবি করে এবং সেখানে ১০৫০০ টাকা থাকে আদায় করতে হয় না হয় সে কাজটি করে দিবে না
ঘুষ না দিলে ফাইল আটকে থাকে । আমার খুব জরুরী ছিল। মিটার নেয়ার জন্য ।
আমি যখন জাজিরা থানার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসে যাই নামজারি করার জন্য, আমাকে নানান কিছু বলে ভুল দেখিয়ে কাগজ নাই বলে ৪০০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে,পরে আমার আব্বার অসুস্থতার কথা শুনে ২০০০০ টাকা দাবি করে।আমি বলেছি আমি এত টাকা দিতে পারবো না আমাকে কাগজ/যা দরকার তা দিয়ে সাহায্য করেন।পরে ইউনো সাহেব আমাকে বললো আমি আপনাকে কোন ভাবে সাহায্য করতে পারবো না আপনি ভূমি অফিসে যান ওইখানে যাইয়া আপনি সংশোধন করেন।ভূমি অফিসে গিয়ে দেখি ইউনো সাহেব সেইখানেও বসা।আমি যা বুঝার বুঝে পরে আবার ইউনিয়ন অফিসে এসে তার সাথে কথা বলি,এবং ৩০০০ টাকা দিয়ে বলি আমার কাজটা করে দেন।পরে আমার কাগজ গুলো নিয়েই সে অনলাইনে আবেদন করেন,এবং অফিসের কম্পিউটার দিয়েই তিনি তা এক্সেপ্ট করেন এবং ২ দিন পরেই আমি ১১০০ টাকা পেমেন্ট করে খতিয়ান তুলে নেই।
আমার ওয়াইফের জাতীয় পরিচয়পত্র বানানোর জন্য স্থানীয় নির্বাচন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায়। তারা কাগজপত্র চেক দিয়ে বলেন সব পেপার ঠিক আছে, পরবর্তীতে ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ছবি তোলার ডেট জানানো হবে। তাদেরকে রিকুয়েষ্ট করি সেইদিনই ছবি উঠানোর জন্য এবং আরও বলি সরকারি চাকরি করি তাই জেলার বাইরের কর্মস্থল থেকে পূণরায় যাওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার হবে। তখন তারা আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা প্রদান করি। অতপর তারা সেদিনই আমার কাজটি করে দেয়।
আমি সমস্ত কাগজপত্র সাথে করে নিয়ে যাওয়ার পরও আমাকে সামান্য ত্রুটি দেখায়ে আমার কাগজ গ্রহণ করতে বিলম্ব করছিল। তারপর এক পর্যায়ে বলেই ফেলল বাইরে কম্পিউটারের দোকানে কারো সাথে কথা হয়েছে? আমি বললাম যে না! বলল তাইলে কথা বলে আসেন আমি বাইরে কম্পিউটারের দোকানে গেলাম! ওরা বলল ভাই আপনার শুধুমাত্র আইডি কার্ড আর আবেদনের কপি আর ব্যাংক ড্রাফ হলে হয়ে যাবে। এতগুলো কাগজ সাথে আনছেন কেন? শুধু পনেরশো টাকা দিলেই হবে। আমি তখন এক প্রকার বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিলে ওনারা আমার কাগজ গুলো র সাথে করে একজনের সাথে দিয়ে দেয় উনি গিয়ে বেটে করে একজনের সঙ্গে কথা বলিয়ে আমার সিগনেচারের ব্যবস্থা করে।
কমিশনার প্রশংসা পাত্রা or Certificate, টাকা ছাড়া কখনও এখান থেকে সেবা পাওয়া যায়না।
নথি তলব এর জন্য সেরেস্তায় দরখাস্তের সাথে ৩০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে । বেশিরভাগ সেরেস্তা গুলোতে ২০০ দিলেই হয়।
প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে ৫০০০ টাকা দিয়ে ফাইল ছাড়িয়েছি। তারপর জেলা শিক্ষা অফিসারকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ফাইল ছাড়িয়াছি। এরপর ডিডি স্যারকে ৫০০০ টাকা এক ব্যক্তির মাধ্যমে দিয়ে ফাইল ছাড়িয়েছে। সঙ্গে আবেদন খরচ বাবদ বিভিন্ন ব্যক্তিকে ৫০০০ টাকার মতো দেওয়া লেগেছে।
বয়স্কভাতা কার্ড দিতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মচারী ৫,০০০ টাকা দাবী করে, শেষে কর্মচারীর বাড়ীতে যেয়ে অনেক অনুরোধের পর ৪,০০০ টাকা নিয়ে কার্ড দেয়।
আমি বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।তখন আমার পাসপোর্ট দরকার । কারণ আমাকে প্রথমে IELTS পরীক্ষা দিতে হবে । তারপর তো বাকি প্রসেসের জন্যও পাসপোর্ট দরকার। আমি যথারীতি সব তথ্য দিয়েছি কোন সমস্যা ছিলো না। এবার পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য হঠাৎ একজন পুলিশ কল দিলো । বলল আমাকে সিলেট মদিনা মার্কেট যেতে হবে । আমি মদিনা মার্কেট থেকে বেশ দূরে ছিলাম আমার দ্বারা কষ্ট হয়ে যাবে সেদিন দেখা করা ,তো পুলিশ আমাকে বলল ২ ঘন্টার ভিতরে সেখান থেকে মদিনা মার্কেট দেখা না করলে পাসপোর্ট আটকে দিবে। দেখা হওয়ার পরই সে বলল কত নিয়ে আসছি।সে বললো বুঝতেছোনা কি বলছি?পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জমা হোক সেটা চাওনা না কি আটকে দিবো?তখন বাধ্য হয়ে ৪০০ দিয়েছি।কারণ টাকা আর ছিলোনা।পরে বিকাশে ৩০০ দিয়েছি।আর বাসায় হেঁটে আসছি ।
আমার ফার্মিসীর জন্য ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেলে হয়রানীর স্বীকার হই। পরবর্তীতে জানতে পারি ঘুস ছাড়া কাজ হবে না। সেখানে — একজনকে টাকা দেই।
কাজ করে দেওয়ার জন্য হালকা চা পানি খাওয়ার টাকা চাওয়া হয়েছিল।
রংপুর থেকে জিনিসপত্র নিয়ে পঞ্চগড় যেতে BRTC তে উঠেছি। ৩টা বস্তা, একটা হ্যান্ডব্যাগ আর চেয়ার ছিলো— ওজন ১৫ কেজির মতো হবে। একটা লকারের পুরোটাই লেগেছে তবে বাকিদের জিনিসপত্র নিতে সমস্যা হয়নি। মালগুলো লকারে তুলে দিতে ২০ টাকা নিলেন লাল জামা পড়া বৃদ্ধ, পৌঁছানোর পর মালগুলো বের করার সময় ১৫০ টাকা চাইলো সুপারভাইজার; টাকা দিতে না চাইলে লকার বন্ধ করে রাখে দেয়, বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিলাম— এর আগে ২/৩ বস্তা মাল রংপুর থেকে বোদায় পাঠাইতে ২৫০ টাকা চাইসে BRTC, লিগ্যাল ভাড়া ২৫০ টাকা যেখানে। পরে রাগ ধরে মাল নামাইতে বললাম— ২০০ টাকা চাইলো, উপায় না পেয়ে ২০০ দিয়ে চলে আসি
যে কোন ফাইল পাশ করাতে টাকা দিতে হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তারা প্রজেক্ট ভিজিট করলেই 10000-20000 টাকা, পরিবারসহ সকলের ভিজিট খরচ, গাড়ি ভাড়া, গিফট ইত্যাদি দিতে হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট আনতে যাই পরে একজনকে দেখি ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন পরে উনি বলেছেন অফিস সহকারিকে। যে সরকারি ফিস তো 500 টাকা 600 টাকা কেন নিচ্ছেন পরে অফিস সহকর্মী বলেন এটা সচিব এর অডার পরে লোকটি 600 টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নিচ্ছেন। পরে আমি সার্টিফিকেট নিয়েছিলাম 600 টাকা দিয়ে যার সরকারি ফিস 500 টাকা। এটা Rupganj ar akti union office a
ডিসিআর এ লিখছে ১৭০০ টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছিল ২৪০০০ টাকা। আমাকে টাকা আগে পরিশোধ করতে হয়েছিল এবং প্রায় দুই মাস পর আমার কাজটি করে দেয়। আজ না কাল আসুন এইভাবে দীর্ঘদিন পর গিয়ে কাজটা করে দেয়।
রেললাইন যাওয়ার ডিপ এর লাইসেন্স নবায়ন করতে হতো। এই জন্য শেরপুর এর সেই নলকূপ অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসার ঘুষ নেয় নি, উনি অফিসে কম আসে। ঘুষ নিয়েছে তার অফিসে যে এসব দেখাশোনা করে সে, মেবি অফিস সহায়ক।
খতিয়ান এ যার নাম দেওয়া আছে তিনি মৃত এবং তার এক ছেলে ওয়ারিশ রেখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খতিয়ান এ মালিক এর নামের সাথে তার রেখে যাওয়া ওয়ারিশ এর এনআইডি কার্ডে উল্লেখিত মালিকের নামের ভিন্নতা আছে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রত্যয়নপত্র নেওয়া হয়েছে, তারপরেও ঘুষ দাবি করেছে । ঘুষ না দিলে দলিলে স্বাক্ষর করবে না এমন কথা বলেছে। পরবর্তীতে আমি ৳১০০০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই। এছাড়াও দলিল এ ছিল ও অন্যান্য স্বাক্ষর এর জন্য ৳৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। এবং দলিল লেখক, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ের জমি দলিল করার জন্য সাব-কবলা দলিল এর জন্য ৳২০০০০০ লক্ষ টাকায় ক্রয়কৃত ২.৭৫ শতাংশ জমির জন্য সরকারি ফি/চালান এর কথা বলে ৳১৮০০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও অন্যান্য ভুয়া সার্ভিস এর কথা বলে অতিরিক্ত ৳৩৫০০ টাকা নেয়।