জমি খারিজ
জমি খারিজ করতে গিয়েছি ১০০% সঠিক তারপর ও আমার নিকট ১৫০০০ টাকা চায় আমি ১০০০০ টাকা দিয়েছি কিন্তুু তাতেও রাজী হয়নি এবং এখনো আমার কাজটা হয়নি
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি খারিজ করতে গিয়েছি ১০০% সঠিক তারপর ও আমার নিকট ১৫০০০ টাকা চায় আমি ১০০০০ টাকা দিয়েছি কিন্তুু তাতেও রাজী হয়নি এবং এখনো আমার কাজটা হয়নি
ঢাকায় আমার ডিপার্টমেন্টাল পরীক্ষা দিতে যাওয়ার টিএ/ডিএ বিল হয়েছিল ৭৫০০ এর মত। এর জন্য ৭০০ টাকা কমিশন নিয়েছে বরিশাল হিসাব শাখা।
আমরা বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার সময় পল্লিবিদ্যুৎ তে প্রতি ১৫০০০ টাকা সব মিলে ১৭৮০০০ টাকা ঘুষ নিসে
চাঁদপুর সদর রেকোর্ড রুমে খতিয়ান প্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা নেয়। যদিও আমি খতিয়ান খরচ অনলাইনে পরিশোধ করি।
একটি প্রচ্ছন্ন শিল্প (এক্সাসরিজ) প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক নিরীক্ষা করলাম সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে দিলাম 500,000 রাজস্ব কর্মকর্তাকে দিলাম 200,000, সহকারী কর্মকর্তাকে দিয়েছে 100,000 এবং অতি: কমিশানার কে দিয়েছি 100,000 বিভিন্ন সেকশনে দিয়েছি 65,000 মোট দিয়েছি 965,000 টাকা ওনার আরো বেশি চেয়েছিলো, অনেক দেন দরবার করে কমিয়েছি। আমাদের মতে প্রত্যেক দিন প্রত্যেক দিন শত শত ফাইল এ ভাবেই হয়। যা দেখার কেউ নেই
Wanted to do a registration of the flat, but the person I reached out asked for 45,000 BDT. I paid him but there was no work, just gave only piece of paper. Side by Side, he was blaming me that paperwork was incorrect.
Did not accept my passport application but when I went through broker everything went through without an issue.
বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধনের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও সামান্য ফি (বয়সভেদে ২৫ থেকে ১০০ টাকা) রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদে ‘—’ নামে এক ব্যক্তি একটি জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার বিনিময়ে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অবৈধ ঘুষ দাবি করছেন। —
প্রতি মাসে আমার কোম্পানি থেকে আমার বিক্রয়ের উপরে সরকারি ভ্যাট দেই ৩০০০০ থেকে ৪০০০০ টাকা যা বিক্রয়ের উপরে নির্ভর করে। সরকারি ব্যাংক জমার পরে অতিরিক্ত প্রতি মাসে ১২০০০ টাকা আমাকে ঘুষ দিতে হয়, যদি না দেই কয় দিন পর পর তারা আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলো তে অভিযান চালায় ও হয়রানি করে। এতে আমার কাস্টমার দের হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে আমার প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার্থে প্রতি মাসেই আমি আমার উপর ধার্য হওয়া ১২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে থাকি। কখনও ব্যবসা তে লস হয় তারপরেও দেয়া লাগে সেই ঘুষের ১২০০০ টাকা। শুধু আমার না ভ্যাট অফিসে মাসিক ভিত্তি তে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান কেই ঘুষ দিয়েই ব্যবসা করতে হয়
দেশের বাহিরে পড়তে যাব সে রিকোয়ারমেন্টে মেডিকেলে যে পাঁচটি টেস্ট করানো লাগে, পাঁচটি টেস্ট আমি পিজি থেকে করিয়েছিলাম। পরবর্তীতে সে রিপোর্টটি আমার নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিলসার্জন থেকে সত্যায়িত বা তার স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে যাওয়ার পর দেখি সে পাঁচটি টেস্টের পরেও আরো চারটি টেস্ট ওনারা আমাকে করতে দেয়। এর মধ্যে একটি হলো ব্লাড গ্রুপ অন্যটি হলো কোলেস্টেরল মাপা, যা আমার কোনভাবেই দরকার নেই। কিন্তু তারা ওই চারটি টেস্ট না করালে আমাকে সিগনেচার দিবে না। তারা নিজেরা ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের সাথে মডার্ন ডায়গনস্টিক সেন্টার এর ঠিকানা দিয়ে এবং ফোন নাম্বার দিয়ে সেখানে যোগাযোগ করতে বলে। এবং বলে দেয় অন্য কোন জায়গা থেকে যদি তাদের দেয়া টেস্টগুলো করালে তা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবেনা।
আমার বাবার মৃত্যুর সনদের জন্য উপজেলায় গিয়েছিলাম। তারা বলে তারা আমার বাড়িতে যাবে তদন্ত করার জন্য, উপজেলার একজন কর্মকর্তা একজন ডেকে এনে আমাকে বলে উনি যাবে তোমাদের বাড়িতে, পরে যাকে অ্যাপয়েন্ট করা হয়, উনি আমার থেকে ডিরেক্ট ঘুষ চায়(৳৫০০), পরে আমি দিতে বাধ্য হই। পরে যখন আবার সার্টিফিকেট আনতে যাই আবার ৳২০০ দাবি করে, পরে আবার দিতে হয়। মোট ৳৭০০ গুষ দিতে হয়েছিল।
খারিজ এর জন্য ৬০০০ টাকা পেইড করতে হয়েছিলো
প্রতিটা পাবলিক পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ব্যাহারিক পরীক্ষার সময় সাবজেক্ট পতি নেয়া হয় বিভিন্ন পরিমানের টাকা
SSC Science, ৪ টা প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার খাতায় সাইন করানোর জন্য স্কুল থেকে প্রতি সাবজেক্টে ১৫০ টাকা করে মোট ৬০০ টাকা নেওয়া হইছে । না দিলে সাইন করে না। পরিস্থিতির শিকার হয়ে দিতে হইছে।
holding tax re calculation, the person asked 30 otherwise he will put us in highest slab
—, —, — সহ বেশির ভাগ সময় ওরা টাকা চায়, টাকা ছাড়া ওরা কিছু বুঝে না কেউ কিছু বলে না ঠিকাদাররা জিম্মি
Birth certificate correction around 2015, went there with my friend. We were asked to pay this amount. We paid 500 if I remember correctly.
অভিযোগ: পাসপোর্ট করতে হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি প্রথমবার নিজে অনলাইনে আবেদন করে শুধুমাত্র সরকারি নির্ধারিত ফি দিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই। কিন্তু কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়ে আমাকে ফেরত দেওয়া হয়। পরে বাধ্য হয়ে একজন দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। দালাল আমার কাছ থেকে ১৫,০০০ টাকা নেয় এবং এরপর আমার পাসপোর্টের কাজ সম্পন্ন হয়। আমার প্রশ্ন হলো—আমি যখন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে সরকারি ফি পরিশোধ করেছিলাম, তখন আমাকে কেন কোনো কারণ ছাড়াই ফেরত দেওয়া হলো? এবং পরে দালালের মাধ্যমে একই কাজ করাতে কেন অতিরিক্ত ১৫,০০০ টাকা দিতে হলো? আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। সাধারণ মানুষ যেন পাসপোর্ট করতে গিয়ে হয়রানি বা দালালের
আমাদের একটি নতুন ট্রেন লাইসেন্স বানাতে গিয়েছিলাম, 5800 টাকার ট্রেন লাইসেন্স আমার কাছে 11000 টাকা নিয়েছে। টাকা না দিলে লাইসেন্স হবেনা বা দিবেনা বলছে, বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো।
তেজগাঁও ৭ রাস্তায় ট্রাফিক আমার গাড়ি ধরে রোদের কারণে আমি পিছনে কালো গ্লাস করেছি ঢাকা শহর ৯০% গাড়িতেই কালো গ্লাস করা আমাকে বলে ট্রাফিক সার্জন ১৫০০০ টাকার মামলা হবে কি করবে আমি বললাম স্যার এটা তো পারিবারিক পর্দার জন্য করা হয়েছে সে কোনভাবেই মানতে নারাজ বলে মামলা নিবেন নাকি করবেন পরে আমার থেকে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি এক হাজার টাকা দিয়ে ফিরে আসি সবচেয়ে দুঃখের বিষয় আমাদের বিআরটিএ সাবজেক্ট ট্রাফিক সাবজেক্ট এই সমস্ত অফিসগুলোতে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না