BIRTH CERTIFICATE
BABY AGE BELOW 45 DAYS, I NEED TO PAY 100 BDT FOR MAKING NEW BIRTH CERTIFICATE & 250 BDT FOR ENGLISH CORRECTION WHICH ONE THERE MISTAKE.UNION PORISOAD DIDN'T WORK PROPERLY.
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
BABY AGE BELOW 45 DAYS, I NEED TO PAY 100 BDT FOR MAKING NEW BIRTH CERTIFICATE & 250 BDT FOR ENGLISH CORRECTION WHICH ONE THERE MISTAKE.UNION PORISOAD DIDN'T WORK PROPERLY.
টাকা না দিলে ঘুরাইতে থাকে টাকা দিলে দিয়ে দেয়
ড্রাইভিং পরীক্ষায় প্রতি ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩,৫০০/- টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় এবং দালালদের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে অফিসের স্টাফদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয়। আমি প্রতি বোর্ডে প্রায় ৮–১০ জন ক্যান্ডিডেন্টের কাজ করি। ব্যক্তিগতভাবে এই অতিরিক্ত টাকা নিতে আমার ভালো লাগে না; আমি শুধু আমার ৫০০/- টাকা সার্ভিস ফি পেলেই সন্তুষ্ট। স্বাভাবিক খরচ হলো—লার্নার ৭৬০/- + মূল ফি ৪,৬০০/- + সার্ভিস ফি ৫০০/- = প্রায় ৫,৮০০–৬,০০০/- টাকা। কিন্তু অতিরিক্ত ৩,৫০০/- যোগ হওয়ায় ক্যান্ডিডেটকে মোট প্রায় ৯,৫০০/- টাকা দিতে হয়। অর্থাৎ, অপ্রয়োজনীয় এই অতিরিক্ত টাকার কারণে ক্যান্ডিডেটদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ পড়ে, আর আমাদেরও অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা দাবি করতে হয়।
Ami passport er jonno apply koresi May mash e, to fingerprints dewar jonno appointment chilo 21 tarikh.Jawar por passport office er Officer bole birth certificate er main copy lagbe. To pore abar niye jai avabe amk pray 4 din ghuraise emni bole eta nai ota naii. Iccha kore hoyrani koray jeno amra birokto hoiye tk dei. Tarpor birokto hoiye goto 18 tarikh dalal 1500 tk chay dilam porei kaj hoiye gelo emne to 3 mash ghuraise. R tk ta dalal kisu ney officer ra kisu ney evabei chole
সরকারি চাকরিতে তিন বছর পুর্তিতে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার আবেদন করি। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় একাউন্টস অফিস সেটা এপ্রুভ করেনি। পরে যখন টাকা পায় তখন এপ্রুভ করে।
ঢাবি অধিভুক্ত কলেজের ফাইনাল পরীক্ষায় শিক্ষকদের খাতামূল্যায়ন ও মৌখিক পরীক্ষার বিল উত্তোলন একটা ভোগান্তি ছাড়া কিছুনা। এছাড়াও ফলাফল জমাদানের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট লোকদের একটা ফিক্সড এমাউন্ট প্রদান করতে বাধ্য থাকে কলেজ গুলো। এখানে বিল বুঝে ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। যার বিলের পরিমাণ কম তার কম দিতে হয় আর বিলের পরিমাণ বেশি হলে বেশি দিতে হয়। সরাসরি তারা আপনার কাছে টাকা না চেয়ে ঘুরিইয়ে চাইবে, চেক সেকশনে গেলে বলবে যে সিস্টেম তো জানা আছে। টাকা গুঁজে দিলে বিল পাস হয়ে চেক চলে আসে। না দিলে আপনাকে ঘুরাবে, বলবে আজকে স্যার নাই, পরে আসেন, সময় লাগবে। এই বিল তুলতে এক দের মাস থেকে কখনো ৩ মাস পর্যন্ত সময় লাগে। তবে নির্দিষ্ট কোন টেবিলে টাকা খরচ করলে আগেই বিল পাওয়া সম্ভব।
খারিজ এবং খতিয়ান বা নামজারি
বারবার ডাইভিং লাইসেন্স এক্সাম দিলেও ফেইল করায় ইচ্ছেকৃত অনিচ্ছেকৃতভাবে। পরে বিআরটিএ কর্মকর্তার মাধ্যমে ১২০০০/- বার হাজার টাকায় চুক্তিতে সেবা পাই।
আমার তুমি অন্য একজনের কাছে রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছিল। এটা আটকানোর জন্য তাকে বিশ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।
লাইসেন্স করার জন্য প্যাকেজ নিতে বাধ্য করা হয়
আমি নওগাঁ পাসপোর্ট অফিসে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। তারা এমন একটি পদ্ধতিতে কাজ করে, যা দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন। ফাইলের ভেতরে তারা এমন কিছু ডট বা সাইন ব্যবহার করে, যা দেখেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বুঝতে পারেন যে ফাইলটি ঘুষের টাকা দিয়ে এসেছে। আর ঘুষ না দিলে কোনো না কোনো অজুহাতে তারা আপনার ফাইল বাতিল করে দেবে অথবা বিভিন্নভাবে হয়রানি করবে।
সরাসরি দাবি করেন নি। কেন এনআইডি আর জন্ম সনদ দুটোই দিসি এজন্য ফরম নিবে না। আইডি নাকি যাচাইযোগ্য না! গেলাম ট্রাভেলসে। বললো অফিসারের জন্য টাকা চাইছে। দিতেই চুপচাপ কাজ হয়ে গেলো!
জেলা পরিষদ থেকে পাশ হওয়া বিল চেক পেতে হলে ১০% কমিশন দিতে হয়, যা মোটামুটি ওপেন সেক্রেট।
বাসার একটা ফ্লোরের জন্য মিটার নিতে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে বলে মাদার মিটার বসাতে হবে৷ দুই মিটারে মোট খরচ ২৫ হাজার টাকা হলেও তারা ৪০ হাজার টাকা দাবী করে বসে। এদিকে বিল অনেক আসায় মিটার আলাদা করাটা জরুরী হয়ে পড়েছিলো। বাধ্য হয়ে ৪০ হাজারই দিয়েছি। এরপর যখন মিটার ফিটিং করতে আসলো, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। তারা আগেই এসে মিটারের সিল নিজেরা ভেঙ্গে আমাকে বলে সীল ভাঙ্গা, আপনাকে ফাইন দিতে হবে নইলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে৷ এরকম ভয় দেখিয়ে তারা ৩ জন এসেছিলো, মোট ৩০ হাজার দাবী করে বসে। অনেক হাতেপায়ে ধরে ২৫ হাজারে তাদের রাজী করে বিদায় করেছি। ৪০ হাজার টাকায় যে মিটার হয়ে যেতো, তা ফিট করতে আমার ১ লাখ খরচ হয়েছে।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে বর্তমানে চরম ঘুষ ও দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। বিশেষ করে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বা জমি জমার টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন: ১. অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) — ২. সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয়, রেকর্ড রুম, ত্রাণ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও মিডিয়া সেল) — ৩. সার্ভেয়ার — এবং তাদের সাথে যুক্ত নিম্নপর্যায়ের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। জমিজমা বা ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো সাধারণ নাগরিক সেখানে গেলে এই চক্রটি সরাসরি ৫% থেকে ১৫% পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। ঘুষ দিতে অস্বীকার করলে ফাইল আটকে রাখে, বিভিন্ন অজুহাতে।
আমার ছোট ভাই সৌদি প্রবাসি। তার নামের বানান ভূল যা পূর্বে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা হয়েছিল।
আমাদের এলাকায় B D S জরিপ চলোমান তাই আমার জমি কেনা তিন খতিয়ানে আমি জমি দখলে আছি এক খতিয়ানে আমার মাঠ পর্চা দিয়েছিলেন একি জায়গায় পরে বলে প্রতেক খতিয়ানে জেতে হবে আমি ৩০ ধারা করার পরে আমার কাছে প্রতি সতংসে ১ হাজার করে টাকা নিছে ১একর ২৬ সতংশজমি আনতে ১২০০০০ টাকা ধাপে ধাপে দিতে হয়েছে প্রতী কেছে যে কেছে যে অফিসারকে টাকা না নিছি সে অফিসার জমি কাগজ অনুজাই পেলেয় দেয় নি তাই আমাকে টাকা দিয়ে জমি আনতে হয়েছে। সুধু আমি না মৌজার সকোল জনগনকে দিতে হয়েছে। তাই সবাই বলে যে এলাকায় হয় জরিপ সেই এলাকার লোক হয় গরিব
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিয়েছি, ফলাফল অকৃতকার্য লেখা আসছে। পরে দালালকে ৭০০০ টাকা দিয়েছি এবং সে সফলভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দিয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্স করেছি ১০ বছর মেয়াদ, সর্বমোট খরচ হয়েছে 15000 টাকা।
আমার জরুরি প্রয়োজনে জন্ম নিবন্ধনে থাকা বয়স সংশোধন করা অত্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বয়স সংশোধনের জন্য আমার স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল বৈধ কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়ায় আমাকে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। আমার আবেদনটি কয়েকবার কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কর্তৃক রিজেক্ট করা হয়। পরবর্তীতে জন্ম নিবন্ধনের বয়স সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করানোর জন্য আমাকে ৮,০০০ টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেওয়ার পর আমার আবেদনটি অনুমোদন করা হয় এবং সংশোধিত জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা হয়। আমার কাছে স্কুল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও যদি অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে একটি বৈধ আবেদন বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়,
তারা প্রথমে বলে এই টেস্ট টি করতে 1450 টাকা লাগবে। তারপর টেস্ট শেষে রিপোট দেওয়ার সময় 1100 টাকার ভাউচার দেয় এবং বলে দেখতেছেন তো আমরা কতো পরিশ্রম করতেছি। এবং তাদের ব্যবহার অনেক খারাপ। যেখানে ডাক্তার বলে টেস্ট এখন ই হবে যান। কিন্তু ল্যাব এ গেলে বিভিন্ন অজুহাত দেয় এবং বলে আজ আর হবে না কালকে আসেন।