নতুন বা পুরানো ড্রাইভিং লাইসেন্স করা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

ড্রাইভিং পরীক্ষায় প্রতি ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৩,৫০০/- টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় এবং দালালদের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে অফিসের স্টাফদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হয়। আমি প্রতি বোর্ডে প্রায় ৮–১০ জন ক্যান্ডিডেন্টের কাজ করি। ব্যক্তিগতভাবে এই অতিরিক্ত টাকা নিতে আমার ভালো লাগে না; আমি শুধু আমার ৫০০/- টাকা সার্ভিস ফি পেলেই সন্তুষ্ট। স্বাভাবিক খরচ হলো—লার্নার ৭৬০/- + মূল ফি ৪,৬০০/- + সার্ভিস ফি ৫০০/- = প্রায় ৫,৮০০–৬,০০০/- টাকা। কিন্তু অতিরিক্ত ৩,৫০০/- যোগ হওয়ায় ক্যান্ডিডেটকে মোট প্রায় ৯,৫০০/- টাকা দিতে হয়। অর্থাৎ, অপ্রয়োজনীয় এই অতিরিক্ত টাকার কারণে ক্যান্ডিডেটদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ পড়ে, আর আমাদেরও অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা দাবি করতে হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩,৫০০
যে কাজের জন্য নতুন বা পুরানো ড্রাইভিং লাইসেন্স করা
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা জয়পুরহাট
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য