Customs bond commisionerate, Dhaka-south
prattayan patra issue
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
prattayan patra issue
সরকারি ফি ১১৫০ হলেও ৮০০০/- টাকা দতে বাদ্য হয়েছি। নিজে আবেদন করার পরেও। ঘুষ না দিলেই আবেদন বাতিল ঘুষ দেওয়ার সাথে সাথে মঞ্জুর
বাবা মারা যায় ২০২১ সালে, চাচা, ফুফু ও তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে আমাদের বাসা থেকে উচ্ছেদ করো নানা পরিকল্পনায় থানা কাছ থেকে সাহায্য নেয়ার সময় জিডির মধ্যেমে এক এক আয়ু আমাূের ও তাূের কাছ থেলে টাকা খেয়ে বেইমানি করে মিথ্যা মামলায় আমাূের ফাসিয়ে বাড়ি ধখল করে দেয় তাদের।
শেরপুর পারিবারিক আদালতে বাচ্চার বক্রী টাকা জমা দিতে গেলে, ঘুষ ছাড়া টাকা জমা নেই না, কোর্টে যে কোনো কাজ করতে বা কোনো ফাইল দেখতে টাকা দেওয়া কাজ হয় না,ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।
একটা সরকারি কাজের জন্য আমি একটি অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও বারবার বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হচ্ছিল। পরে একজন মধ্যস্থতাকারী জানায় যে টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে। অনেক দিন অপেক্ষা ও হয়রানির পর বাধ্য হয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। টাকা দেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যে কাজ দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল, সেটি দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যায়।
আমি গত এপ্রিল মাসে আমার মায়ের দান সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে এই ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি নতুন ভোটার হতে গেয়েছিলাম। আমার কাজ টা দ্রুত করার নাম করে ৫০০ টাকা নিয়েছে।আমি পাসপোর্ট করবো এর জন্য দিতে বাধো হয়েছি
জমি কবলা সম্পর্কে তথ্য নিতে গেছি । প্রথমে টাকা দাবি করছে । আমি হতভম্ব টাকা চাইতে কোন লজ্জা বোধ করলো না কর্মচারী। কর্মচারী ছিলেন বয়স্ক কিভাবে সামান্য কাগজ দেখার জন্য টাকা চাওয়া
আমার আপুর ট্রান্সফার হয়েছে বাট একটা কাগজের প্রয়োজন এর জন্য তারা বারবার হয়রানি করতো আজ না কাল পরশু আছে তারপর গোপন কক্ষে নিয়ে যেয়ে বলে টাকা লাগবে তাহলে তার কাজ তাড়াতাড়ি হবে টাকা দেওয়ার পর এক ঘন্টা পরে কাজ হয়ে যায়
নামজারি করার জন্য আমি অনলাইনে আবেদন করি।আমি প্রবাসী চলে যাব তাই ভূমি ইউনিয়ন অফিসে গিয়ে এসিল্যান্ড স্যারকে বলেছিলাম,”আমি পনেরো দিনের মধ্যে প্রবাসে চলে যাবো(বিমানের টিকিট দেখিয়ে)তাই আমার নামজারি কি ভাবে সহজে করা যাবে । তিনি বলেন,প্রবাসীদের জন্য সরকার সুযোগ দিচ্ছে কাজটা সহজ করার জন্য ও অফিসের — সাহেবের সাথে যোগাযোগ করতে এবং এসিল্যান্ড স্যারের কথা বলতে। সাথে এও বলে দিলেন কোন টাকা পয়সা না দেওয়ার জন্য।— সাহেব কে সব কিছু বলার পর তিনি একটু বিরক্ত বোধ করলেন ।এক ঘন্টা পর তিনি আমার কাছে ৪০০০ টাকা চাইলেন ।এর আগে আমার ফাইলটা খুঁজে বের করতে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।সর্বশেষ অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করতে হলো। অফিসের লোক অসাধু ভাবে ৩০০০ নিয়েছে। তার পর আরো বারোশত টাকা অনলাইন পেমেন্ট করি
Passport office e gele ghuriye dey . jokhon 3k khoroch kore akta email chap diye and kolomer duita chihno niye gesi tokhon kore dise. aitai service.
আমাদের বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর নোটিস পাঠানো হয় তো সেই অনুযায় আমরা সিটি কর্পোরেশন অফিসে যাই ওইখানে থাকা কর্মরত ব্যাক্তি ক্যল্কুলাটর এ কি সব চেপে বললো আমাদের নাকি সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা ট্যাক্স বাকি আছে ২০১৮ থেকে হিসেবে কিন্তু আমাদের এলাকা শবে মাত্র সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধিন হয়েছে আগের আমাদের ইউনিয়ন এর সব খাজনার টাকা পরিশোধ করা আছে...তারপর উনি আবার ক্যল্কুলাটর চেপে বলল একটা প্যাকেজ আছে ২ লক্ষ টাকার এইটা আমাকে দিলে আগের সব মাফ হয়ে যাবে...এখন আমার প্রশ্ন হল ২০১৮ থেকে যদি এই ট্যাক্স হয়ে থাকে তাহলে আগে কেন নোটিস আশে নি আর এই ২ লক্ষ টাকা টার ফুল হিশাব কিভাবে আসলো...তারা আমাকে এইটাও জানাতে অস্বীকার করে
তাকামুল সাটিফিকেট ঘুষ ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করায় না,সরকার এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বলুন।ঘুষ দিলে পরীক্ষা ছাড়া পাশ দিয়া দে।
আমি অনলাইন ঢুকে ২০২৬-২৭ হোল্ডিং ট্যাক্স জমা দেওয়ার জন্য আমার একান্ত লগইন করি। কিন্তু পেমেন্ট অপশন টোটালি নিষ্ক্রিয় করে রেখে সেবা গ্রহনকারীদের নিকট থেকে ১৮০ টাকার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের জন্য ২০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পরে পেমেন্ট অপশন সক্রিয় করা হচ্ছে। এই অনৈতিক কার্যক্রমের সাথে সরাসরি জড়িত ভুমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সরকার দলীয় পিয়ন থেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সকলেই।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল সার্টিফিকেট আবেদনের সময় সরকারি নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করার পরও একজন অফিস সহকারী প্রত্যেক জন থেকে ৫০০-১০০০টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে। তিনি সিভিল সার্জন স্যারের নামে মূলত আবেদনকারী থেকে টাকা গ্রহণ করে।
আমার ফ্লাট এর হোল্ডিং ট্যাক্স আমার বাবার নামে ছিল। বাৎসরিক ৫০৪৯/- টাকা দিতাম। বাবা মারা যাওয়ার পর বাবার নাম পরিবর্তন করতে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গেলে ১০,০০০/- টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ০৮ মাস পার হবার পরও কাজটি না হওায় আমার এলাকার জোনাল ট্যাক্স অফিসার এর কাছে গেলে তিনি ৩০০০/- টাকা দাবি করেন। বাধ্য হয়ে দেই এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে দেয়। মানে আমি সরকারকে ট্যাক্স দিব আবার সেই ট্যাক্স দেয়া ব্যক্তি মারা গেলে নাম পরিবর্তনে ১০০০০/- টাকা সরকারী ফি দেয়ার পরেও ৩০০০/- টাকা ঘুষও দিতে হবে। জুলুম এর কত ধাপ পার করতে হয় এই দেশে।
আমি সরকারি BTCL এর ইন্টারনেট নরসিংদী সদর থেকে দিতে চাচ্ছিলাম । তারপর অনলাইনে ঘাটাঘাঁটি করে দেখলাম অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় বা সরাসরি অফিসে ছবি নিয়ে গেলেও হয়। প্রথম দিন গেলাম, লোক পাইনি, পরের দিন গেলাম তারা বলল কম্পিউটার দোকানে যেতে । অথচ তাদের এখানে করা যায় । তারপর একটু খোঁজাখুঁজি করলাম । BTCL এর একজন লাইন লাইনম্যান ৩০০ টাকা নিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য (যেটা একদম ফ্রি) । পরে সে একই লোক, আমার বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে যায় এবং ১০০০ টাকা চা পান খেতে দাবি করে (লজ্জা শরমে দিয়ে দিয়েছি, কারণ পরবর্তীতে লাইন খারাপ হলে তাদেরকে বললে সাথে সাথে আসবে)। এখনো কোনো কারণে যদি তাদেরকে ডাকি তারা দুই তিন দিন পরে আসে এবং চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়ে যায়(অথচ তাদের অফিস থেকে যাতায়াত খরচ দেয়)
"বগুরা টু পঞ্চগড় গ্যাস পাইপলাইন এর জন্য ভুমি অধিগ্রহণ " ২০২১ সালে আমার আব্বার জমিতে গ্যাস পাইপ লাইন বসানোর জন্য অধিগ্রহণের নোটিশ আসে। যথাযথ প্রকৃয়ার ডিসি অফিসের "LO "শাখায় আমি আবেদন করি। কিন্তু পড়ে জানতে পারি অধিগ্রহণের অর্থ নিতে হলে ১০% হারে ঘুস দিতে হবে। আর এই অর্থ ওঠানো হতো ভুমি অফিস কর্তৃক নির্ধারিত দালাল দিয়ে। অবার অনেক সময় কানুন গো, সার্ভেয়াররা নিজেই হাতে টাকা নিতো। আমার বাবার জমির টাকা উঠানোর জন্য বাধ্য হয়ে ৫ লক্ষ টাকা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্তৃক নির্ধারিত দালালের হাতে দিতে হয়। অর্থ প্রদানের ১ মাস পড় আমি অধিগ্রহণকৃত জমির চেক পাই। এই ঘুসের টাকা ডিসি থেকে শুরু করে LO শাখার ম্যাজিস্ট্রেট ও সকল কর্মচারীর পকেটে যায়।
ঘুষ না পেয়ে নামজারি বাতিল, সেবা গ্রহীতাকে হুমকি, তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) —ের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন, জমির নামজারি আবেদন ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল এবং অর্থের বিনিময়ে সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করায় এক ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত তহশিলদারের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী — (৩৮) সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া কলোনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও —র ছেলে
সরকারি চাকরিতে জয়েন করার পর রাজনগর একাউন্টস অফিসে পে ফিক্সেশন করতে গেলে কেলকুলেটরে টাইপ করে টাকার পরিমাণ লিখে দেয়। ৩০০০ করে চাইলে আমরা দুজন ৫ হাজার দেই। কয়েকমাস পর ইনক্রিমেন্টসহ পে ফিক্সেশন করতে গেলে আবার ২৫০০ চায়। আমার কাছে মোট ৫০০০ নেয়। ইদানিং জিপিএফ কর্তন করতে চাইলে আবার টাকা চেয়ে বসে।