শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন ভাতা
২০২৩ সালে শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন ভাতা টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুষ নিয়েছে।
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২০২৩ সালে শিক্ষক শ্রান্তি বিনোদন ভাতা টাকা পাওয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুষ নিয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমাকে বারবার ফেরত দিচ্ছিল। যখন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম তখন কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার — এর শাসনামলে, নাগরিক সনদপত্র চাইতেছিল, নাগরিক সনদপত্র আনার পরও আর অনেক কাগজপত্র চাইতেছিল, পরে বাহির থেকে একজন বলল কিছু টাকা দেন আর কোন কাগজপত্র কিছুই লাগবে না আপনার পাসপোর্ট রেডি হয়ে যাবে। টাকার এমন বলতে দাবি করছিল তিন হাজার টাকা। আমি একজন স্টুডেন্ট মানুষ এত টাকা না থাকার কারণে মুলামুলি করে দুই হাজার টাকা বলেছিলাম শেষমেষ ২৫০০ টাকায় রাজি হয়েছে। টাকা হাতে কাজ করার পর দেওয়ার কথা ছিল। সেই লোকটি ভিতরের কোন এক কর্মকর্তাকে ফোন দিয়ে বলে দিয়েছে আমি যাওয়া মাত্রই আর কোন কাগজপত্র চাইনি। কমেন্ট ছাড়াই আমার পাসপোর্ট এর ফিংগার ভেরিফিকেশন করে দিয়েছে।
বিদেশি দের ভিসা নবায়ন করতে প্রতি পাসপোর্ট এর বিপরীতে ১৫০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হতো। কোম্পানি এইটাকা দিতো আমি ও পরিশোধ করতাম। না দেবার কোনো উপায় ছিলো না, এক সময় কাজ করতে করতে জানতে পারি এই টাকা উপর মহলে ও যায় বন্টন হয়।
২০১৮ সালে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের বন্ধকী সম্পত্তি গ্রাহক তার ছেলের নামে হেবা করে ২০২২ সালে। পরবর্তীতে ব্যাংক ৪২০ ধারায় মামলা করে। মামলার শুনানি শেষে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। পুলিশের লোক তদন্তের জন্য ঘুষ দাবী করে এবং একরকম বাধ্য করে তাকে টাকাটা দিতে। তা নাহলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে রিপোর্ট চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। লোকটার বাড়ি গোপালগঞ্জ এবং মুখে দাঁড়ি ছিল। বয়স আনুমানিক ৫০- ৫২ বছর হবে।
আমার আব্বু খতিয়ান করার জন্য এপ্লাই করছে। কিন্তু ওনারা প্রথমবার অনুপস্থিত দেখিয়েছে, তারপর দ্বিতীয়বার কাগজপত্র পাই নাই এপ্লাইতে এইরকম দেখিয়ে বাদ দিয়ে দিয়েছে এরপর তৃতীয়বার তফসিল যিনি ওনি দাবি করেছে ১৫০০০ টাকা এবং ওইদিনের মধ্যেই জমা দিতে হবে সেজন্য আব্বু ওই তফসিলকে টাকাটা দিয়ে ও দিয়েছে এরপর ও আবেদনটা করে দেই নাই কি একটা কাগজ নেই বলে নাখচ করে দিয়েছে এখন চতুর্থবার চলতেছে এইবার ও শুনানির দিন যাওয়ার পর বলতেছে জমি খতিয়ানের একটা দাগে.(পয়েন্ট) পরিমাণ জায়গা বেশি উল্লেখ করছে যার জন্য আবার এপ্লাই করতে বলছে কিন্তু মিউটেশনে এখনো কোনো রেসাল্ট দেয় নাই।রেজাল্ট দিলে রিএপ্লাই করতে হবে আবার।।। জানিনা এইটার কোনো সুরাহ হবে কিনা
ঢাকার উত্তরখান থানার কাচকুড়া বাজারে যে ইউনিয়ন ভূমি অফিস আছে সেখানে ঘুস ছাড়া কোন কাজ হয় না। আমার কাছে একটা নামজারি আবেদন ছাড় করার জন্য 10,000/- টাকা ঘুস নিয়েছে একজন কর্মকর্তা। তারপর খাজনা পরিশোধ করার জন্য নিছে 1000/-
আমাদের সম্পত্তি ভুলবশত অর্পিত সম্পত্তির খ-তফসিলে পড়েছিল। সরকার গেজেটের মাধ্যমে এটি বাতিল করে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত খাজনা দেওয়ার সুযোগ দেয়। শেষ মুহূর্তে জানতে পেরে ভূমি অফিসে যাই। কর্মকর্তা কাগজপত্র দেখে জমি বিক্রেতাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট চান। আইনজীবীকে ফোন করলে তিনি জানান, এ কাগজ প্রয়োজন নেই। খাজনা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ায় কর্মকর্তা অফিসের পাশে নিয়ে বলেন, “স্যারকে ম্যানেজ করতে ৩০,০০০/- টাকা লাগবে।” পরে ২০,০০০/- টাকা দিলে কাজ হবে বলেন। আব্বা অসুস্থ ও চিকিৎসায় অনেক খরচ হওয়া সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে ২০,০০০/- টাকা জোগাড় করে তাকে দিই। টাকা নেওয়ার পর তিনি জানান, ১৫ বছরের খাজনা ৪,৩৮৫/- টাকা। আমরা খাজনার টাকা দিলে তিনি রসিদ দেন। খাজনা প্রদানের তারিখ: ২০ জুন ২০১৯।
নামজারী করতে দলিল লেখকে ঘুষ দিয়েছি, সে বলে দ্রুত করে দিবে কিন্তু টাকাও দেয় না নামজারী করে দেয় না, শুনলাম এসিল্যান্ড স্যার অনেক সৎ, যাকে টাকা দিয়েছি উনাকে নিয়ে অফিসে যেতে চাচ্ছি সে আমার সাথে যেতে চায় না, এখন কি কবে?
আমার প্রথম চাকুরি ছিল। অনেক দিন ধরে বেতন আটকে রেখেছিল। তারপর বেতন ভাতাদি চালু করার জন্য ঝালকাঠি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের হিসাব রক্ষক যিনি — নামে পরিচিত। অফিস সহকারী — এবং তৎকালীন টিও — যিনি বর্তমানে বাইনারি পাড়া আছেন। এছাড়া বর্তমান অফিস সহকারী — যার প্যান্টের পকেট টাকা রাখার জন্য পা পর্যন্ত তিনিও ঘুষের সাথে জড়িত।
কর্মকর্তা হিসেবে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশাসনিক অনুমতি প্রদানের জন্য কর্মচারী পর্যায় থেকে টাকার বিনিময়ে ন্যায্য ও আইনগত বৈধ অনুমতি নিতে হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে ২/৩ জন কর্মচারী ফাইল দেরি করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিতে গড়িমসি করে চাপে ফেলে অর্থের বিনিময়ে একেবারে শেষ মুহূর্তে কাজ করে দেয়।
আমি সিরাজগঞ্জে ,রায়গঞ্জে ,চান্দাইকোনার বাসিন্দা আমার পৈতৃক ভুমিতে বাড়ি করার স্বার্থে উপজেলায় নকশা অনুমোদনের জন্য কাগজ দিয়েছিলাম । রায়গঞ্জ পিডব্লিউডি উপজেলা চত্বর অফিসের দপ্তর সম্পাদক নকশার অনুমোদন স্বার্থে টাকা দাবি করেন । আমি টাকা দিতে না চাইলে আমার কাজ বন্ধ রাখেন ছয় মাসের জন্য । ছয় মাস পরেও আমাকে টাকা দিতে হয়েছে তারপর কাজ হাতে পাইছি । এই ছয় মাস বীড়ম্বনা অফিসিয়াল দৃষ্টিকোণ দেখায় করছে কোন সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই । বিশেষ দ্রষ্টব্য : আমি একজন স্থপতি আমার কাজ পাইতেই এই অবস্থা হয়েছে উপজেলা থেকে । রায়গঞ্জ ,সিরাজগঞ্জ
আমার ডাবল এন্ট্রি ভিসা ছিল ইন্ডিয়ার, বেনাপোল বর্ডার দিয়ে ঢুকতেই প্রথমে মহিলা যে থাকে ভিসা দেখেই বললো এ্যাম্বাসি ফেস করবেন, চা, খাওয়ার টাকা দেন। না হলো পাসপোর্ট দিবো না। দিলাম তাকে চা খাওয়ার টাকা, তারপরে যে পুলিশ সিল মারে, ভদ্রলোক বললো এখানে তো লোক নেই আমার সাথেই ঝমেলা শেষ করে দিবে না কি ১০৩ নম্বর রুমে পাঠাবো, বললাম কি ঝমালে মিটাতে হবে সে বললো মিষ্টি খাওয়াতে হবে। কতো টাকা দিতে হবে ২০০০ হাজার বললাম বলেন কি উত্তরে বললো বিদেশ যাবে ইউরোপে আমাদরে মিষ্টি খাওয়াবে না।।আমি অপারগতা প্রকাশ করার পরে ১০৩ রুমে পাঠালো, সে খানে নানা ধরনের ভুল, যে ভুলের কথা শুনলে মনে হবে আপনি পৃথীবীর সবচেয়ে বড় বোধাই অশিক্ষিত, যত শিক্ষিত সে খানের ইমিগ্রেশন পুলিশ।।অতপর আর তালবাহানা না করে দিলাম মিষ্টি খাওয়ার টাকা, পাসপোর্ট এ
নাকটা ৩৪ তম বুনিয়াদি কোর্সে। কাজ করার জন্য ৭০০০৳ দিতে হয়েছে।
To approved MPO Teacher B.ed Scale file firstly i pay 1500 taka upazila Shikkha office Bagharpara Jashore, Secondly pay 2000 taka Zela Shikkha office Jashore, Finally Pay 2000 taka Divisional Shikkha office Khulna.
জমির খতিয়ান তুলা, টেক্স কাটা,
হারানো মোবাইল উদ্দার করতে
পাসপোর্ট অফিস ১২০০ টাকা দিয়া লাগছে নিছে পাসপোর্ট এর সিকিউরিটি গার্ড এরা নিয়ে তাদের অফিসসার দিয়ে কাজ করাছে,, মাগুরা পাসপোর্ট অফিস,,
আমার গ্রাচুইটি বাবন এক লক্ষ টাকা পেনশন বাবদ এক লক্ষ টাকা
জমি রেজিস্ট্রি করার সময় বলেছে টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রি করবে না। পরে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
VAT Clearance Certificate newar jonno amake amar prothisthan er hoye total 17 jon ke 80,000-taka ghus dite hoyeche. Computer Operation theke suru kore each and every person are related with this matter.