পাসপোর্ট নবায়ন
বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ফাইলে সাইন না করা। দালাল দিয়ে তা ৫ মিনিটে করানো হয়েছে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বিভিন্ন কারন দেখিয়ে ফাইলে সাইন না করা। দালাল দিয়ে তা ৫ মিনিটে করানো হয়েছে
লালমনিরহাট সরকারি নার্সিং ইন্সটিটিউট, সদর। এখান থেকে নার্সিং শেষ করার পর, লাইসেন্স পরীক্ষা ঢাকায় দেয়া হয় এবং পাস করলে একটা লাইসেন্স নাম্বার পাওয়া যায় যা কলেজ থেকে দেয়া হয় আর এই নাম্বার ছাড়া চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করা যায় না। লাইসেন্স এর কোনো কাগজ পত্র কাউকে দেওয়া হয়নি শুধু নাম্বার জানিয়ে দিছে তাতেই প্রতি জনের কাছে ২০০০ টাকা করে নিয়েছে। আমি ও দিতে বাধ্য নাম্বার না পেলে জব পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবো না।
জন্ম নিবন্ধনে নাম সংশোধন করতে হবে পাসপোর্ট এর নাম অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে তাই আমি গিয়েছিলাম সিটি কর্পোরেশন অফিসে তারা কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করতে বলে আবেদিন কপি ওনাদের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরে বলে ডিসি অফিস থেকে কাগজ পাস করে আনতে হবে অথবা ওনাদের কাছে টাকা দিলেও তারা করে দেবে দুপুর ১২ টায় টাকা দিয়ে আসার পরে বিকেল পাঁচটায় কাজ হয়ে গেছে এত অল্প সময়ে ডিসি অফিসে গেল কিভাবে এফিডেভিট করলো কিভাবে সেটা আমার মাথায় আসে না যারা টাকা না দেয় তারা মাসের পর মাস ঘুরেও কাজ করাতে পারে না আমার সামনে দেখলাম একজন এক সপ্তাহ আগে সদরঘাট ডিসি অফিসে কাগজ দিয়ে আসছে আজ জন্ম নিবন্ধন নিতে এসে দেখে তার কাগজে নাকি ভুল আছে আবার ডিসি অফিসে যেতে হবে টাকা না দিলে এরকম ভোগান্তির শিকার হতে হয়
আমার নাকি কাগজে সমস্যা। বাসায় গিয়ে জোর কাগজ আছে আবার নিয়ে আসতে হবে। ১০০০ চাইছিল। পরে তিনশ। পরে ভিক্ষা হিসেবে ৫০ টাকা দিয়েছিলাম। সেটাই ভিক্ষুকের মত হাত পেতে নিয়েছে
the main govt fees is under 1,200 BDT. But I had to pay 14,000/= BDT to get the registration job done
একটি মিথ্যা মামলার রিপোর্ট দিবে বলে ঘুষ নেয়
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
আজ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবা নিতে গেলে। মাস্ক ছাড়া এন্ট্রি নেই বলে মাস্ক বিক্রি করা শুরু করে দিল ৩ টা মাস্ক যেখানে ১০ টাকা, সেখানে ১টা মাস্ক ১০ টাকা করে নিতেছিল আমরা যারা ছিলাম ৫ টাকা করে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আর যারা মাস্ক ছাড়া ডাক্তারের চেম্বারে গেল তাদেরকে অরুচিকর কথায় ডাক্তার গালাগালি শুরু করে দিল। তাই আমি মাস্ক কিনে ডাক্তার দেখানোর পর পাস করে আরেকটা লোককে দিয়ে আসলাম। এখানে অনেক মানুষ ছিল যারা টাকা গননা করে নিয়ে এসেছিল।
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চরম দূর্নীতিগ্রস্থ একটা অফিস। সেখানের বর্তমান অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা দিলে আপনার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবে। না দিলে আপনার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবেনা। টাকা দিলে এক সপ্তাহের কাজ পারলে একদিনে করে দিবে। আর টাকা না দিলে একদিনের কাজ একমাস লাগাবে। এখানে আর একটা উচ্চমান সহকারী ছিলো, বর্তমানে ক্যাশিয়ার পদে প্রমোশন পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেছে। সেও ছিলো আরো তিন ধাপ এগিয়ে। মৌলভীবাজারের শিক্ষকরা অচিরেই তার আসল চেহারা দেখতে পারবেন। যেগুলো বেশি টাকার কাজ সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষা অফিসারের দোহাই দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে। কর্মকর্তাগণ কতটুকু জড়িত তদন্ত করলেই সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
নতুন বয়লার রেজিষ্ট্রেশন জন্য টাকা দাবি
i have an accident. i need stich. The Word boy demand 200tk. I have to pay.
আমার ইফা-তে চাকরি হয়েছিল। কিন্তু আমাকে এপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়া হচ্ছে না। অতঃপর বেতনের সময় বেতন পেয়ে হচ্ছে না। যার কারণে দুই দুইবার (একবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের জন্য, দ্বিতীয়বার বেতন চালুর জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে নামে ভুল ধরে কিন্তু আমার নামে কোনো ভুল ছিলো না
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
বাইকের কাগজ জমাদানের সময় আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে। এই টাকা নাকি বাইকের কাগজ করার জন্য খরচ হয়। কোনো সমস্যা ছাড়া কাগজ রেডি করতে চাইলে টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
২১/৮/২০২১ সালে বাগমারা প্রায় বিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরিতে যোগদান করে অনেকে, সেই চাকরি নিতে বড় এমাউন্টের ঘুষ দিতে হয়।তার পরে বেতন করতে গিয়ে ও বড় এমাউন্টের টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি আমার শাশুড়ি জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু নাগ ডেমরা ইউনিয়নের তোশিলদার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নামজারি খারিজ করে দেয় পরবর্তীতে আমি আবার আবেদন করি আবেদন করে আমার খালা শাশুড়ির ছেলের মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দেওয়া হলে ৪০০০ টাকা নেওয়া সময় সে বলছে এই টাকাটা আগে দিলেই নামজারী এটা খারিজ হতো না খুব মজার বিষয় হলো নামজারিটি পরবর্তীতে মনজুর হয়েছে এই টাকার বলে টাকার শক্তিতে তো এভাবেই চলছে ভূমি অফিস সাঁথিয়া উপজেলার শুধু নাকডাঙ্গা ইউনিয়ন নয় প্রত্যেক তোহশিলদার সহ সারা বাংলাদেশের তোশিলদারের একই অবস্থা টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব ছাড়তে চায় না।,,,,,,,,,,,দুঃখের বিষয় হল আমিও একজন ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ পাবলিকের কি অবস্থা
Land documents verification. Waiting 1 months. Only got answer in serial. want unnecessary documents. Then ask for 500/ to sub land officer-. Then verification was sent to AC Land office and got the service.