LPC গ্রহণ ও প্রদান
LPC গ্রহণ ও প্রদানের জন্য ১০০০ টাকা সম্মানী প্রদান করতে হয়েছে।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
LPC গ্রহণ ও প্রদানের জন্য ১০০০ টাকা সম্মানী প্রদান করতে হয়েছে।
সেবাটি ছিলো বিনামূল্যে একটি মামলার রায় খালাসের যেহেতু আমার সব ডকুমেন্টস সঠিক এবং আমি নির্দোষ ব্যাক্তি। তারপর ও সেই অফিসার আমার পরিবারের কাছ থেকে ৪৮,০০০ টাকা নিয়েছে এবং তা দিতে আমার পরিবার বাধ্য ছিলো।
ট্রেনের টিকেট না পাওয়ায় এবং পরীক্ষা থাকায় ট্রেনে উঠি পুলিশ একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে 600 টাকা নেয় কিন্তু কোনো টিকেট দেয় না, বলে যে গেট পার করিয়ে দেওয়া উনার দায়িত্ব, পরে গেট পার করিয়ে দিতে গেলে কর্তৃপক্ষ বলে যে উনার কথায় কাজ হবে না, ঘুষ গ্রহণকারী একজনকে ফোন দেয় কিন্তু কর্তৃপক্ষ উনার ফোন কেটে দিয়ে পকেটে রাখে, তারপর বলে উনার টাকা ফেরত দেন, ট্রেনের হর্ন বাজিয়ে ট্রেন start করলে ঘুষখোর দৌড়ে গিয়ে ট্রেনে ওঠেন কর্তৃপক্ষ বলেন উনাকে ধরেন, দৌড়ে গিয়ে ট্রেনে উঠি তারপর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এর আগে নেমে যাই।
আমার একটি খতিয়ানে পিতার নাম ভুল হয়েছে সংসধনের জন্য আবেদন করিয়া সকল কাগজ দলিল দিয়েছি তারপর ভান্ডারিয়া ভুমি অফিসের কানুনগো ২০০০ টাকা চা খাওয়ার কথা বলে নিয়েছে কিন্তু আমার কাজ এখনো সংসধন করে দেয় নাই
ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন এর প্রধান কার্যালয়ে ২০১১ সালে একটি কাঁচামাল আমদানীর ব্লকলিস্টের অনূমোদন নিতে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ দাবী করা হয় এবং আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
চাচারা জমির পর্চা করেছিলো আমাদের নাম ছিলো না, প্রায় ৪০ বিঘার মতো জমি। পরে পর্চা সংশোধন করে আমার বাবার নাম বসাতে আমার প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ভাগ্যিস চাচারা ঝামেলা করেনি উনারা যদি উলটো ঝামেলা করতো আরও টাকা খরচ হইতো। তেঁতুলিয়া অফিস থেকে কাগজ দিনাজপুর অফিস ঘুরে সংশোধন হয়ে আবার তেঁতুলিয়া অফিস আসতে আমার ঘুষ দিতে হয়েছে ১৬০০০০ টাকা। আবার ১.৫ বছর দৌড়া দৌড়িতে ৫০ আমার হাজার টাকার বেশি খরচ হয়েছে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সকল কিছু অনলাইনে সংযুক্তিসহ অনলাইনে দাখিল করেছি। ওয়ার্ড কমিশন অফিসে অনলাইন আবেদনের এক কপি দাখিল করেছি। জমা দেয়ার পর অফিস থেকে বলছে ঢাকা জেলা প্রশাসক অফিসে আমার সরাসরি যেতে হবে। অনলাইনে সব দাখিল করার পর কেন সরাসরি ডিসি অফিসে যেতে হবে প্রশ্নের সদোত্তার পাই নাই। আমার পক্ষে ডিসি অফিসে যাওয়া সম্ভব না। পরে তারা বললো তাদের ১৫০০ টাকা দিলে তারা করে নিয়ে আসবে। অনলাইনে দাখিল করার পর কেন আবার সরাসরি যেতে হবে? এখানে উল্লেখ্য এনআইডির ক্ষেত্রে সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন পরে না। অনলাইনে দাখিল করলে অনুমোদন করে দেয়। জন্ম নিবন্ধন সংশোধন এর ক্ষেত্রে সরাসরি যাওয়ার সিস্টেম রেখে টাকা নেয়ার ধান্দা করছে।
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন করতে উপজেলা ইউএনও অফিসে এপ্রুভ করতে গেলে সেখানে ১০০ টাকা চাওয়া হয় পরে ৭০ টাকায় কাজ করে দেয়। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাইলে কাজ কবে হবে তার ঠিক নাই। আর টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়। যদিও টাকার পরিমান কম কিন্তু প্রতিদিন অনেক লোক যায় এই কাজে। তাই দিনশেষে অনেক টাকা পায় তারা।
I used to work for a company. For share transfer of 02 directors the incident happened. Since these 02 directors were unable to present at RJSC office the commissioner demanded tk. 1,00,000.00 for signing at directors office to collect sign during a meeting of the board of directors and thus had to pay. One of the Two directors forgot to bring main copy of NID and for this the commissioner demanded tk. 10,000.00 more. We had to pay all these amount otherwise the share transfer formalities would never ends.
নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজে সার্টিফিকেট তুলতে গেলেই নাকি মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিতে হয়! আজ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ৩০০ টাকা মিষ্টির টাকা দিয়ে এলাম, আর সার্টিফিকেটও তুলে নিয়ে এলাম। কাজ শেষ মিষ্টি খাওয়াও শেষ!
Extra amount want to settle
এখানে প্রায় অধিকাংশ লোকের থেকে এইভাবেই নিরবে ঘুষ লেনদেন হয় আমিও খাজনা পরিশোধ করতে গেলে আমাকে রশিদ দেয় 150 টাকার কিন্তু দাবি করে 20,000 দেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই
পিওনকে টাকা না দিলে কথা-ই বলা যায় না
লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য
আমার মায়ের নামের টিন খোলা ছিল। ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র রাখার জন্য আয়কর দেওয়ার প্রত্যয়নটা দরকার ছিল। তৎকালীন উপকর কমিশনার আমাদের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করেছিল, এবং কেন আমাদের ফাইলটা আটকে দিয়েছিল সেটাও ক্লিয়ার করে নাই। এবং ১০ হাজার টাকা দাবি করেছে। এবং আমাদের তখন ট্যাক্স সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা ছিল না। আমার মা খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। এবং আমাদের প্রত্যয়ন টা খুব দরকার ছিল, তাছাড়া ব্যাংকের সঞ্চয়পত্র খুঁলতে পাচ্ছিলাম না। বাধ্য হয়ে আমাদের টাকাটা দিতে হয়। পরবর্তীতে আমি ঘাটাঘাটি করে জেনেছি আমাদের কোন ট্যাক্সই হয়নি। অই টাকাটা আমার বাবা স্কুল থেকে অবসরের পরে পেয়েছিল, বাবা মারা যাওয়ার পরে তা মার নামে ছিল।
চাকুরির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদের জন্য টাকা দিতে হয়েছে। সনদ দিয়ে বলেছেন ৫০০ টাকা দেন। এছাড়াও উনাদের নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে টেস্ট করাতে হয়েছে। সেখানেও মনে হয়েছে উনাদের কমিশনের টাকা বরাদ্দ ছিলো। সে টাকার এমাউন্ট উল্লেখ করি নি। যেহেতু তার প্রমাণ আমার কাছে নেই।
All government services are online but in the name of cross verification, the authorised officer charged me 3000tk for each police clearence report. Though I have filled up and uploaded all necessary documents properly.
আমি নামজারির আবেদন করেছিলাম। আবেদন সাবমিট করার নামে বেতালপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন — আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা নিয়েছে।
আমার লাইসেন্সের জন্ম তারিখ। পিতা এবং মাতার নাম আমার এনআইডির সাথে মিল ছিল না। আমি মিরপুর বি আর টি এ তে যোগাযোগ করি।ওখান থেকে বড় অফিসার বলে এটা কোনভাবেই হবে না । আমি পুরাই হতাশ হয়ে যাই। কিন্তু পরে ঠিকই দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে করিয়েছে।তারা চাইলেই সংশোধন করে দিতে পারত।টাকা খাওয়ার জন্য করেনা।
নতুন আবেদন সকল ডকুমেন্টস সহ দাখিল করা হয় কিন্তু কয়েকদিন যাওয়ার পর আবেদন এপ্রুভ না হলে তাদের অফিসে যাই কিন্তু তারা ২০০০ টাকা দাবী করে, আর সেখানকার পরিবেশ এমন যে এটা অলিখিত একটা পেমেন্ট যেটা পরিশোধ আবশ্যক । তাই বেশিরভাগ মানুশ দাবি করার আগেই দিয়ে দেয়। যাই হউক দেওয়ার ১০ মিনিটে এপ্রুভ হলে লাইসেন্স এর কাজ সম্পন্ন করি।