LA case money
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা আনতে গেলে এই ঘুষ দাবি করে
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা আনতে গেলে এই ঘুষ দাবি করে
বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে আমার স্মার্ট এনআইডি কার্ড নিতে । দায়িত্বতর কর্মকর্তা ২০০০ টাকা দাবি করে ।
ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগদান করার পরে পুলিশ ভেরিফিশনের জন্য DSB কর্তৃক নির্ধারিত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, NID কার্ড প্রদান করা হলো তখন তিনি সরাসরি টাকা না চাইলেও কৌশলে এটার জন্য কিছু খরচ আছে এটা বলে ৪-৫ হাজার টাকার কথা বললেন! তাকে প্রথমে টাকা না দিলেও পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই ৪ হাজার টাকা দিতে হলো! মেধায় চাকরি (লিখিত,ভাইভা) পেয়েও পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হলো! যারা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান সবারই এমন অভিজ্ঞতা আছে!
একজন আমার ওপরে ভুয়া মামলা করেছিল, পরবর্তীতে বাদী আপোষ করতে চাই এবং আমরা অপেক্ষা করি। কিন্তু নারী ও শিশু কোর্টের পিপি ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায়না বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে চায়নি এজন্য বাধ্য হয়ে আমাদের এই টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। আর উকিলরা ও অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাই বুঝি কোর্টের উকিলদের নির্ধারিত ফি ধারণ করা যাতে সাধারণ মানুষ জালিয়াতি শিকার না হয়।
ঢাকার মালিবাগ গুলবাগ জামে মসজিদের আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত সরকারি টিকাকেন্দ্রে (ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র) শিশুদের নিয়মিত টিকা দিতে গেলে সেবাগ্রহীতাদের সাথে চরম অনিয়ম ও হয়রানি করা হচ্ছে। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী শিশুদের সব ধরনের টিকাদান এবং নতুন টিকা কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও, এখানকার প্রায় প্রতিটি টেবিলে কর্মরত ব্যক্তিরা জোরপূর্বক টাকা আদায় করছেন। নতুন একটি টিকা কার্ড তৈরি করতে গেলে ২০০ টাকা এবং প্রতিটি টিকা বা ইনজেকশন পুশ করার জন্য ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়। টাকা না দিলে টিকা দিতে অস্বীক জানানো হয় বা নানা টালবাহানা করা হয়। শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ও স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে এই অনৈতিক অর্থ প্রদান করেন।
বিসিএস ননক্যাডার টেকনিক্যাল নবম গ্রেডে যোগদানের সময় দুইটি অগ্রিম বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০০০০( বিশ হাজার) টাকা চায়। টাকা পরিশোধের পর দুইটি ইনক্রিমেন্ট পায়।
I need a icu sit in DMC , But i cant manage it .....then a 4th grade officer manage the sit and his demand is 20000 taka... when i pay the 20000 icu sit manage after 20 minute.... shame
ভূমি নামজারীর জন্য আবেদন করি। ভূমি অফিসের তশীলধার রিপোর্ট দেওয়ার জন্য দশ হাজার টাকা দাবি করেন। না দিলে বলে যে কাগজে ঝামেলা আছে নামজারি হবে না। এইসব বলে প্রায় ২০ দিন ঘুরাইসে আমাকে। কিন্তু আমার কাগজে বিন্দু পরিমাণ ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও টাকা দশ হাজার দেওয়ার পরে উনি রিপোর্ট দিছে। এর আগে রিপোর্ট দেন নায়। বরিশাল ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের (ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা) ঘন ঘন বদলির ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রাপ্ত একাধিক অফিস আদেশ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধারাবাহিকভাবে অন্তত ৮টি বদলি আদেশ জারি করা হয়েছে। এসব আদেশে একই কর্মকর্তাকে একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন ইউনিয়নে বদলি করার নজিরও রয়েছে। ফলে কোনো কোনো কর্মকর্তা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনিক প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে বদলি করা হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার কর্মস্থল পরিবর্তন হলে দাপ্তরিক কার্যক্রম, স্থানীয় পর্যায়ে সম
পাসপোর্ট এর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র জমা দেবার পরেও বলছিল আমার স্থায়ী ঠিকানা হতে পাসপোর্ট আবেদন করতে, যদিও আমি গাজীপুর এর বাসিন্দা এবং ভোটার। পরে ঘুষ দিলে বিনা বাক্যে পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে সক্ষম হই।
জিপিএফ খোলার জন্য ২০০ দাবি করছে আমি পরিশোধ করছি
আমার জমি মিউটেশনের কাজ ছিল্ কিন্তু তখনকার তহসিলদার টাকা ছারা কেস খারিজ করে দেওয়ার কথা বলে। আমি নিরুপায় হইয়া 12000 টাকা দিয়েছিলাম। যেখানে সরকারি ফি মাত্র 1170 টাকা।
আমি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন কর্মচারী হিসাবে খুলনা জোনে চাকরিরত অবস্থায় আছি। আমার যখন সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির সময় হয় তখন আমি যথারিতি অফিসে আবেদন করি কিন্তু আমার এই ন্যায্য অধিকার আমি অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ি সহজে পাই নাই। আবেদনের পর থেকে আমার নিজ অফিসের উপপরিচালক কে বারবার কাজটি করে দেওয়ার জন্য বললেও সে নানা বাহানায় করতো না, যারা সুবিধা দিতো তাদের সবার কাজ দ্রুত হয়ে যেতো কিন্তু আমারটা দিনের পর দিন পড়ে থাকতে থাকতে ৬ মাস পার হওয়ার পর আমি একরকম নিরুপায় এবং বাধ্য হয়ে (কারন এটা আমার চাকরির একটা স্টাটাস + বেতন ভাতার বিষয়, এর মাধ্যমে আমার স্কেল পরিবর্তন হবে এবং বেতন বাড়বে) তাকে কয়েক ধাপে এই টাকা দেই। টাকা পাওয়ার পর সে আমার কাজ আগ্রহচিত্তে হাতে নেয় এবং কাজটি করে দেয়।
দালালের মাধ্যমে টাকা দিতে হয়।টাকা না দিলে ফেইল করিয়ে দেয়।
ফায়ার লাইসেন্স এর জন্য ফি হলো ৩৪০০/- আমার নিকট হইতে নিয়েছে ১৫০০০/- আমার সাথে ১৫০০০ এর চুক্তি হয়েছে। লাইসেন্স হাতে পেয়ে দেখি সেখানে সরকারী ফি নিয়েছে ৩৪০০/- আর ভ্যাট বাবদ নিয়েছে ৫১০/-
বিষয়: শ্রম কর্মকর্তা —-এর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ফ্যাক্টরি ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে প্রতি মাসে অনৈতিকভাবে ৫০,০০০ টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ।মহোদয়,আমরা 'পাকিজা নিট কম্পোজিট' (Pakiza Knit Composite) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার সদয় অবগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুতর ও অনৈতিক বিষয়ে অভিযোগ জানাচ্ছি।শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা (Labour Officer) — দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ফ্যাক্টরি এবং ম্যানেজমেন্টকে নানাভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছেন। অভিযোগের বিবরণ নিম্নরূপ:১. ট্রেড ইউনিয়নের নামে ভয়ভীতি: আমাদের ফ্যাক্টরিতে ট্রেড ইউনিয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন বা আইনি জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেওয়া বা বড় ধরনের আইনি শাস্তির ভয় দেখিয়ে আসছেন।২. মাসিক অর্থ আদায়: ফ্যাক্টরির উৎ
আমার জানামতে বিআরটিএ তে যখন বাইক রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য যে ফি প্রদান করা হয় তার বাইরে কোন ফি লাগেনা কিন্তু আমি যখন বাইকের নাম্বার প্লেট সংযোজন করতে যাই তখন আমার কাছে সেখান উপস্থিত যে অফিসার ছিলেন উনি বললেন যে অফিসিয়াল কারনে ১০০ টাকা দিতে হবে এবং দাবি ও করে এবং দিতেই হবে বললো তারপর আমি দিতে বাধ্য হলাম।