Driving license
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য কোন পরীক্ষা ছাড়া পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছিল ৬০০০ টাকা
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার জন্য কোন পরীক্ষা ছাড়া পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছিল ৬০০০ টাকা
2025-26 fiscal year এর trade লাইসেন্স নেয়ার ক্ষেত্রে কর্পোরেশন ফি এর অতিরিক্ত ৮০০০ পরিশোধ করেছি
In 2016, I had to undergo police verification for the permanent confirmation of my employment. The officer responsible for verification at my permanent address asked me to meet him and bring certificates confirming my SSC and HSC qualifications. After I submitted the documents, he demanded money from me. I had never paid a bribe before, so the situation made me extremely uncomfortable. I initially offered BDT 1,000, but he said that a portion of the money had to be given to a senior officer. Later, a friend who was with me advised me to pay BDT 2,000. Fearing that my job confirmation might face complications, I ultimately felt compelled to pay BDT 2,000.
টাকা দিলে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করে দিবে
হঠাত করে আমাদের বাসার বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। DPDC তে যোগাযোগ করলে তারা বলে অভিযোগ দিয়ে যান। তাদের সুবিধামত ঠিক করে দিবে। বিদ্যুৎ ছাড়া কি দুই তিন দিন চলা সম্ভব। ১০০০ টাকা ঘুষ দেয়াতে দুই ঘন্টার মধ্যে মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ করে আবার বিদ্যুৎ সচল করে দেয়।
তদন্ত রিপোর্টের ক্ষেত্রে তারার দিনের পর দিন ঘুরায় শেষে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে রিপোর্ট করাতে হয়েছিল
জমির খাজনা প্রদানের সময় নির্লজ্জভাবে ঘুষ দাবি করা হয়েছে। ঘুষ না দিলে খাজনা গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছেন।
মাদ্রাসায় মূলত সরকারি পেনশনের টাকা দুটি ভাগে ভাগ করা একটি হল কল্যাণ ব্যাংক আরেকটি হল অবসর বাতা যেখান থেকে চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেছে চার বছর হল তাদের কাছে অনেক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও ঘুরাতে ঘুরাতে এখনো পাইতেছি না একটি কাজের জন্য ৩০ হাজার নিয়েছে সেটা হল কল্যাণ ট্রাস্ট অবসর বা তার জন্য আবার টাকা চাচ্ছে বসে সেটা নাকি দেরি হবে টাকা পেতে এখনো কোনটাই টাকা পায়নি আবার টাকার কথা বলছিলো দিতে পারিনি
ঠাকুরগাঁও সদর, সালান্দর ভূমি অফিসে জমির জন্য খারিজ/e mutation সম্পুর্ণ করতে এক হাজার টাকা করে নিচ্ছে জন প্রটি আবেদন জমা করার সময়। যা সরকারি ফি এর বাহিরে মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিচ্ছে নয়তো কাজ আটকে রাখে।
NID bananor jonno Dhaka 8, Word 12 e 100 taka kore extra nise.
হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ি র এসআই তদন্ত একটি মিথ্যা জিডির তদন্ত করতে এসে আমার বাবাকে ভয় দেখিয়ে ২০০০০/-(বিশ হাজার টাকা) আদায় করে নেয়। পরে কোর্টের প্রতিবেদনে দেখলাম কারো নাম নেই। ঘটনা টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ছিলো।
নাবিকরা যখন জাহাজ থেকে আসে তখন সাইন অফ করতে হয়। সাইন অফের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাকে বাধ্য করে টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া সরকারি শিপিং অফিস থেকে কোন কাজই হয় না।
খুলশী থানা, চট্টগ্রাম। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের এর জন্য, আইন বহির্ভূত রুল বুঝিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। যখন বাড়াবাড়ি করি তখন, আমার কাগজপত্রে এই সমস্যা, সে সমস্যা ধরে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট টা বিলম্ব অথবা না দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তখন প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়ে এই 5000 টাকা ঘুস দিতে হয়।
গত ২০শে আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকা জিপিওতে জাপানে কিছু পোশাক পাঠাতে গেলে আমার স্ত্রীর নিকট ২টি কার্টুন, প্যাকিং, কাস্টমস চার্জ ও ডাকমাশুল বাবদ ২২,০০০/- দাবি করা হয়। চাপাচাপি করার পর ৫০০/- টাকা কমিয়ে ২১,৫০০/- পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অথচ পরবর্তীতে দেয়া ২টি রশিদে ১৪,৫০২/- টাকা পরিশোধ দেখানো হয়।
To receive consultancy fee I was asked to pay bribe to the officer unless the cheque will not be cleared until the end of that financial year. I had to pay the bribe as there were no other option left for me as I could not get any support from the issuing government authority nor I didn’t have any information to reach out to the right government agency who could take action against it.
একটি কিন্ডারগার্টেন এর রেজিষ্ট্রেশন করতে শিক্ষা অফিস এ গিয়েছিলাম। কথা বলার পর জানান যে 2000টাকা লাগবে
নতুন সংযোগের জন্য আমাদের কাছে ৩৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আর আমরা তা দিতে বাধ্য হই কারণ আমাদের দরকার ছিল তাই।
জমির অনলাইন করার জন্য গিয়েছিলাম। তখন তারা কি কি যে হিসাব করলো।করে জানালো ২০হাজার টাকার কত লাগবে। তখন তাদের বড় স্যার এর কাছে নিয়ে গেল অন্য একটি কক্ষে। তখন বললো কিছু কমায় দিবে অনেক সময় কথা বলার পর ৮হাজার এ ফাইনাল করলো। অনলাইন ফি পরিশোধ এর কাগজ দিল ২হাজার ৮০০টাকার। বাকি সব টাকা তারা নিজের কাছে রেখেছে পরে বুঝলাম।
প্রথমে, জমি নিবন্ধন করার সময় দলিললেখক অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা নিয়ে যেটা সাব-রেজিস্টারকে দেওয়া লাগবে। পরে, নামজারির সময় অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় যেটা এসিল্যান্ড সাহেবকে দেওয়া লাগবে।
বারবার বারবার ফেল করিয়ে যাচ্ছিল, পরে টাকা দেওয়ায় পাস