জমি রেজিষ্ট্রেশন বাবদ
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে ঘুষ দিতে হয়েছে।তাছাড়া তিনি কোন জমি রেজিষ্ট্রেশন ফাইলে সাইন করেন না।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে যেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে ঘুষ দিতে হয়েছে।তাছাড়া তিনি কোন জমি রেজিষ্ট্রেশন ফাইলে সাইন করেন না।
আমদানি লাইসেন্স করার আগে ভ্যাট করা লাগে। দয়াগঞ্জ, ঢাকা অফিসে গেলে প্রথমে লাইসেন্স দিতে অপারগতা প্রকাশ করে, পরে ২ টা ভ্যাট লাইসেন্স এর জন্য ১০,০০০ টাকা দিতে রাজি হওয়ার পর লাইসেন্স দিয়েছে
amr maa er pension er file approved korar Jonno nogod cash 30000 tk ghush chay ebong ta Ami dite baddho hoi. eta location Hisab Bhaban, Office of the Controller General of Accounts (CGA) হিসাব ভবন, হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় DOWA er hisab shakay thaka ekjon protinidhi ebong tar immediate senior boss ei ghush ta nen.
নতুন এনআইডি কার্ড বানাইছিলাম, চট্রগ্রাম এর সাতকানিয়া নির্বাচন অফিস থেকে, ৪ হাজার দিতে হয়ছে দালাল এর মাধ্যমে, দালাল ছিলো ইউনো অফিসের কর্মচারী, নাম মনে হয় —, ২০২২ সালের শেষর দিকে এর ঘটনা।
নতুন পাসপোর্ট কিংবা রি-নিউ সেম খরচ, না হয় একের পর এক অযথা ডুকুমেন্ট চাইবে
লাইসেন্স পেতে টাকা চাওয়া হয় ৬০০০ পরে ৪০০০ টাকায় রফা হয়
ট্রেড লাইসেন্স করতে উল্লেখ করা টাকার পরিমাণ ১৮০০ হলেও তারা ৩৫০০ টাকা রেখেছে চা পানির খরচা বাবদ।
নষ্ট বৈদ্যুতিক মিটার পরিবর্তন করে নতুন বিদ্যুত মিটার পুন:স্থাপন
court case report submission by ashulia police station
পাসপোর্ট আবেদন করার সময় স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার দেয়ার কারণে অযথাই আবেদন গ্রহণ করেনা, বাধ্যতামূলক কক্সবাজার থেকেই আবেদন করায়। কিন্তু বিকাশে ফি দেয়ার কারণে অলরেডি অনলাইনে সাবমিট করা আবেদন বাতিল করলে পুরো টাকাই (আবেদন ফি) বাতিল হয়ে যায়। চট্টগ্রাম - কক্সবাজার বেশ কয়েকবার যাওয়া আসা করার পর শেষ চেষ্টা হিসেবে আবার চট্টগ্রাম পাসপোর্ট অফিস যাই। আনসার একজন কে তিন হাজার টাকা (নিজ থেকে অফার করে) দেয়ার পর magically আবেদন গ্রহণ হয়ে যায়।
একটা লাইসেন্স করতে গেলাম, ডক্যুমেন্টস এ অনেক ভুল ধরিয়ে দিলো। আর বলল ৬০০০ টাকা লাগবে। ক্যাশ দিলাম, ট্রাস্পারেন্সি ছিলনা না কোন। আমার লাইসেন্স এর টাকাটাও ওনি পেয় করে দিসে, ওইখানে ৩৪০০ সরকারি ফি ছিল।
নতুন জমির নামজারি করার পরে বালাম বইয়ের নাম তোলার জন্য গেলাম এবং পরে দাখিলা কাটার জন্য অনলাইন এর মাধ্যমে এপ্লাই করেও এপ্রোভ করতে,বালাম বা রেজিস্ট্রারে নাম তোলার জন্য দুই হাজার টাকার দাবি করছে। ৪শতক জমির ৫০টাকার দাখিলার জন্যে পরে বাধ্য হয়ে আরো ২০০০ টাকা দিয়ে দাখিলা আনতে বাধ্য হয়।জায়গাটা ছিল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার,টিসি হাটের ভূমি অফিস।
ফিক্সড ডিপোজিটের মেয়াদোত্তীর্ন হবার পর সেই টাকা তুলতে গেলে ২-৩ মাস টাকা আসে নাই, জেলা পোস্ট অফিসে এসে আটকে আছে এসব বলে ঘুরিয়েছে। শেষ দিকে রাগান্বিত হয়ে ইমার্জেন্সি দরকার বলার পর অফিসে সহায়ক সাইডে ডেকে নিয়ে বলে কালকে বিকেলে আসেন, সাথে একটু চা-নাস্তার খরচ দিয়েন। পরদিন দুপুরেই সেই অফিস সহায়ক ফোন দিয়ে বলে টাকা আসছে নিয়ে যেতে। যাবার পর সে নিজেই ৫০০ টাকা চেয়ে নিয়েছে।
নির্বাচন অফিস কতৃক আমার এনআইডি কার্ডে বয়স ভুল করছে। ১৯৬৭ এর জায়গায় ১৯৭৬ দিয়েছে । একটা ভুলের কারণেই তারতম্য ১০ বছর। অনলাইনে দীর্ঘদীন আবেদন করে অপেক্ষা করছি কোন ফলাফল নেই। ঢাকা নির্বাচন অফিস কিংবা হটলাইনে কল দিলে বলে মোবাইলে এসএমএস পাবেন। ৮/৯ মাস হয়ে গেছে অলরেডি । এই বয়সের জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন যাবত বেতন আটকে আছে। পরবর্তীতে একজন মাধ্যমের সাথে যোগাযোগ করা হয়। উনাকে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে । ২ মাস থেকে প্রতি সপ্তাহে কাজ হ্চ্ছে। বাট এখনো শেষ হয় না। আমার বৈধ আবেদন ।সপক্ষে সকল ডকুমেন্টস আপলোড করেছি তারপরো হচ্ছে না। কবে বাংলাদেশে সবকিছু সহজ হবে?
ভালো মানের চিকিৎসার জন্য নবজাতক বাচ্চার একটা NICU তে সিট খুজতে ছিলাম,বেশ কয়েকদিন ধরে, স্বাভাবিক সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেও সিট খালি থাকা সত্ত্বেও সিট বরাদ্দ দিচ্ছিল না,পরে ওখানের এক দায়িত্বরত আনসার এক দালালের নাম্বার দেয়,তার সাথে যোগাযোগ করে একটা সিট বরাদ্দ নেই,সে ঘুষ চেয়েছিল ১৫০০০ হাজার,আমি ১৪০০০ হাজার দিয়েছিলাম।আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম, কারণ বাচ্চার জরুরি ভিত্তিতে ভালো চিকিৎসা দরকার ছিল।
আমার বাবার কেনা এক জমি দাতার নাম থেকে আমার বাবার নামে খতিয়ান করিয়েছি, যেটা অনলাইনে এপ্লাই করলেই ১০৩০ টাকা খরচ পড়ে।তারা সেটা অনলাইনে আবেদন করলে অনুমোদন করেনা,অফিসে গিয়েই করতে হয়-এবং এর জন্য মান্দারি ভূমি অফিসে ১৪০০০ টাকা দাবি করা হয়, আমরা ১২০০০ টাকা পরিশোধ করি
ভূমি অফিসে জমি খারিজ জনিত বিষয়ে আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে ভূমিক কর্মকর্তা।
আমার জন্মসনদ আর ওয়ারিশ সনদ অনলাইন করতে চাদপুর পৌরসভা ৩০০০ টাকা নেয় 😢😢😢😢 কিছুই করার ছিল না আমার
ঘটনা ছিলো পাসপোর্ট করার সময়৷ পাসপোর্ট অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে পুলিশ / সরকারি অফিসার সবাই ভাগ পায়! আপনি যদি তাদের সাথে কন্টাক্ট না করেন তাইলে হয়রানিতে পড়বেন শিওর৷ আর তাদের সাথে কন্টাক্ট করসেন কিনা সেটাও ভেরিফাই করে খুব কিউট ভাবে৷ আবেদনের সময় ইমেইলে একটা কোড ইমেইল দেয়া হয়৷ যে অফিসার কাগজপত্র চ্যাক করে সে ইমেইলটা দেখলেই সব ঠিক! অথচ আমার পাসপোর্টে বাবার নামের একটা ইস্যু ছিলো! হ্যা, আমাকে এক্সট্রা টাকা দিয়ে কন্টাক্ট করেই পাসপোর্ট নিতে হইসে। তবে আমার দেশের বাইরে কাজ ছিলো তাই কিছু করার ছিলোও না!
পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে সবাই জানে, এপ্লাই করার পর ১ সপ্তাহ পরে কল আসলো, পুলিশ ভেরিফিকেশনর জন্যে গেলাম। গিয়েই টাকা চায় ১০০০ প্রতি জনের। আমার কথা হলো আমি সারাজীবন অন্যায় করি নাই, আমার খারাপ রেকর্ড পাবে না তাও কেনো ভেরিফিকেশনে টাকার মাধ্যমেই নিজেকে ভালো দেখাতে হবে???? পরিবারের আরও ২ জন এর জন্যে পাসপোর্ট সহ মোট ৩০০০ টাকা দিয়ে চলে আসছি।