নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার ব্যক্তিগত মোটর সাইকেল আছে। অপেশাদার হালকা যানের লাইসেন্স করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। নির্ধারিত সময়ে আমি সেখানে উপস্থিত থেকে লিখিত পরীক্ষা, ভাইবা এবং গাড়ি চালানোর প্র্যক্টিকাল পরীক্ষা দি। আমি গাড়ি চালায় ১৫ বছর ধরে তাই এখানে আমাকে বাদ দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু দিনশেষে আমাকে ফেইল করিয়ে দিল। তারা আমাকে নতুন তারিখ দিল এবং একই প্রক্রিয়ায় আমাকে পুনরায় ফেইল করিয়ে আবারও নতুন তারিখ দিল। সেখানে যাওয়া প্রতিদিন ৫০০+ লাইসেন্স প্রত্যাশিদের সাথে আলোচনা করে জানলাম সকলে ১০-১২ হাজার টাকায় কন্টাক্ট করে আসছে। এাব করা হয় বাইরের দালাল দের সহযোগিতার মাধ্যমে। অথচ ওখানে সব আনুষ্ঠানিকতা মানছে যেন বিসিএস পরীক্ষা দিতে গেছি। সেখানে থাকা সার্জেন্ট থেকে শুরু করে ম্যাজিস্ট্রেট সব মাদারবোর্ড ঘুষখোর। শাউয়ার দেশ 😪

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য নতুন লাইসেন্সের জন্য আবেদন
দপ্তর বিআরটিএ
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৩ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

বিআরটিএ

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।

ঘুষ দিইনি
গাজীপুর ৳১৩.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
বিআরটিএ

Car ownership change

বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳৩.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য