পেনশনের টাকা
আমার বাবার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য অনেক দপ্তরে দপ্তরে যেতে হয়েছে টাকাও দিতে হয়েছে, আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করতো এই টাকার জন্য বন বিভাগের অফিসে বন বিভাগে এজি অফিসে সব জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে, নগদ এক লক্ষ টাকার উপরে দেওয়া হয়েছে,
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার বাবার পেনশনের টাকা উঠানোর জন্য অনেক দপ্তরে দপ্তরে যেতে হয়েছে টাকাও দিতে হয়েছে, আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করতো এই টাকার জন্য বন বিভাগের অফিসে বন বিভাগে এজি অফিসে সব জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে, নগদ এক লক্ষ টাকার উপরে দেওয়া হয়েছে,
আমার দোকানের অবস্থান সরকার মেট্রোরেলের ডিসিশন করার জন্য নিয়ে নেয় আমাকে কিছু ক্ষতিপূরণ দেয়, সেই টাকা উত্তোলন করার জন্য আমরা ঢাকায় পুরান ঢাকার ডিসি অফিসে যাই, উনারা সকল কাগজপত্র যাচাই করে আমাদেরকে সরকারি চেক দেয়, কিন্তু তাদেরকে মিনিমাম তিন হাজার বা ৫ হাজার টাকার কম দিলে চেক দিতে চায় না।
প্রতিমাসে ভ্যাট প্রদান করার পর এগুলো অনলাইনে সাবমিট করা লাগে। আমরা নিজেরা সাবমিট করতে গেলে ওনারা দেখি আমাদের আইডি থেকে ব্লক করে রাখছে। সাবমিট করার জন্য ১০ হাজার টাকা লেগেছে।
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমার বিরুদ্ধে নামজারি খতিয়ান মিস কেইস ছিল, আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে আরো দিতে বলে, আমারা দি নায়, আমাদের কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও, আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। বাদীর পক্ষ থেকে অধিক টাকা নিয়েছে।
It was when police verification was mandatory, we had to visit designated village for verification process where the police in charge began discussing how some of our data is missing and it may cause serious delay/cancelation in passport making process (Note that all our papers were in order, we checked as per instructions). Then told us how he would have to pay some people to ensure our passports are properly handled, and quoted an amount to pay while acting it was not for him but for the 'people'. Since we had no strong guardian with us to debate and we were in his territory, we had to pay up for his final approval. It truly left a bitter taste for us all.
পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম অবস্থা খুবই খারাপ ছিল একটি হুইল চেয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে ১০০ টাকার বিনিময় একটি টিকেট ফেরজনের আগে দিয়েছে ৫০ টাকার বিনিময় এক্সে রিপোর্ট করার সময় ১০০ টাকা দাবি করেছে না দিলে এক্সে রিপোর্ট নাকি ভালোবাসবে না প্লাস্টার করার সময় বলতেছি ১৫০০ টাকা লাগবে বাইরে থেকে নাকি চুন কিনতে হবে আর তাদের বকশিশ না দিলে ভালোভাবে প্লাস্টার হবে না
আমার জমির গাছ বিক্রি করার পর ক্রেতার নিকট স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী ৫০০০০টাকা চাঁদা দাবি করলে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে অভিযোগ পত্র জমা দেওয়ার পরের দিন আমার নিকট হতে তদন্ত করত ডিবি পুলিশ ১০০০০ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়। অন্যথায় চাঁদাদাবির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ।
পাসপোর্ট অফিসের অফিসারদের সাথে কিছু জড়িত লোক তারা অফিসের বাহিরে ঘোরাফেরা করে, আমি সরকারিভাবে রিনিউ করতে টাকা দিয়েছিলাম ৬000 হাজার টাকা, যখন পাসপোর্ট ডেলিভারি কথা ছিল তখন গিয়েছিলাম সে বলেছে মেশিনের সমস্যার কারণে একমাস পরে ডেলিভারি দিবে, একমাস পরে আবার গিয়েছিলাম তখন ঐ মেশিন সমস্যা আর এক মাস পরে ডেলিভারি দিবেন, এরকম করে চার মাস ঘুরানোর পর বাহিরে যে পাসপোর্ট অফিসের লোক ছিলো (দালাল) সে বলল দুই দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আমার হাতে পৌঁছে দেবে ১০০০০ টাকার বিনিময়, তার সাথে চুক্তি যে কথা সে কাজ ঠিক দুদিনের মাথাই আমি হাতে পেয়েছি পাসপোর্ট।
আমি বিআরটিএ অফিসে যাই আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজ করার জন্য তখন অফিস সহকারি আমার কাছে ১০০০০ টাকা চায় যা থেকে আমি ৯০০০ টাকা পরিশোধ করি।
বিআরটিএর যেখানে মালিকানা বদলি হয় সেখানে একজন সে তার এক দালাল এর মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নিয়েছিল মালিকানা বদলি বাবদ। রুম নাম্বার ৩১৫। এবং যে ইন্সপেক্টর আছে গাড়ির ইনস্পেকশন করে সেও ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য প্রয়োজন 2500 টাকা কিন্তু আমার কাছ থেকে নিয়েছে 4500 টাকা.
আমি জমির খারিজের জন্য একজন ব্যক্তির সহায়তা নিই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৪৪,০০০ টাকা নেন। পরে জানতে পারি, সরকারি ফি প্রায় ১,১১০ টাকা। বৈধ কাগজপত্র নিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব তা গ্রহণে অস্বীকার করেন। পরে শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে পূর্বের ব্যক্তিকে সঙ্গে আনতে বলা হয়। সেখানে এক কর্মচারী টাকা দাবি করেন; 5000 টাকা, কথনের ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। চাপের মুখে আরও ৫,০০০ টাকা দেওয়ার পরই খারিজের কাজ সম্পন্ন হয় আর সেখানে আগের ব্যাক্তি কে ডাকা সম্ভব ছিল না কারণ সে আরো টাকা দাবি করছিল যা না দিলে সে খারিজ এর কাগজ দিবে না বলেছে । মানে টোটালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিস সব chained corrupted ।
আমার নামে কোর্টে আমার একজন প্রতিবেশী বাড়ি তৈরির সময় ভুয়া মামলা করেছিলো। সেই সময় মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা সঠিক তদন্ত পাওয়া স্বত্তেও সেই সঠিক রিপোর্ট করার জন্য আমার থেকে ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি তার কারন ছিলো আমার অসমাপ্ত বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে।
আমার মায়ের পায়ের ব্যান্ডেজ খুলে দেবে এজন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল থেকে আমার কাছে থেকে ১০০ টাকা নিয়েছিল
আমার জমিটা আমার নিজের কিন্তু আমার সাথে ঝামেলা করার জন্য আমার নিজের ভাতিজা মামলা করেন। পরে সেটা আদালতে অভিযোগ উঠে। আইনজীবী আমাকে বলেন আমাকে ২০০০০০ টাকা দিলে মামলা নিষ্পত্তি করে দিবেন বলেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার মামলাটা আজ ১২ বছর ঝুলিয়ে রাখছেন।
২০১৬ সালের দিকে এনআইডি কার্ড বানানোর জন্য জম্ম নিবন্ধন প্রয়োজন ছিলো সেটা করার জন্য গিয়েছিলাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যলয়ে। সরকারি ভাবে জম্ম নিবন্ধন বানানোর টাকা দিতে হয় ৫০টাকা ওইখানে একটা নোটিশ ও ছিলো ৫০টাকা সরকারি ফি। কিন্তু কর্মকর্তারা বয়স হিসাব করে টাকা নিয়েছে মানুষের কাছ থেকে যেমন আমার বয়স ছিলো তখন ১৮ আমার দেয়া লাগছে ১৮০০ শুধু আমি একজন না শত শত মানুষের কাছ থেকে নিয়েছে একিভাবে।
আমি দুই মাস আগে আমার বড় ভাই এর পাসপোর্ট হারিয়ে গেছিল আমি আর আমার বড় ভাই থানায় যায় একটা জিডি করতে। থানার ডিউটি অফিসার বলে বলে জিডিটা অনলাইনে করতে হবে, প্রশ্ন করলাম আপনার এখান থেকে কি করে দেওয়া যাবে না, বলল না। পরে দেখাইয়া দিল আপনি সামনের কম্পিউটার এর দোকান আছে ঐখান থেকে করে নিয়ে আসনে। গেলাম করে দিল ২০০ টাকা রাখল। পরে শোনলাম এই কাজের একটা অংশ থানা পাই। এই কাজটা করার কথা ছিল ডিউটি অফিসারের নিজের। পাগলা থানার সামনেও সেইম সিন্ডিকেট ঘড়ে উঠেছে।
আগের ইঞ্জিনিয়ার ইচ্ছে করে সাইন করে দিয়ে যাইনি যাতে পরবর্তীতে তার কাছে আমার যেতে হয়।। একটু কাজ বাকি ছিল কাজ শেষ করার পর বিল করতে গেছি দেখি আগের ইঞ্জিনিয়ার সাইন নেই।। সাজানো দশ দিন ঘুরার পর সে তার কাছে যেতে বলে।। এটা আমার যাওয়ার কথা না অফিসেরভাবে যাওয়ার কথা।। যেতে চাওয়ার কারণ সে টাকা নেবে ঘুষ নেবে।। পনের হাজার টাকাই দফা রুপা হয়। ২ দিন পর অফিসের পিয়ন দিয়ে টাকা দিয়ে পাঠানোর কথা।। ২ দুইদিন যাওয়ার পর আজকে পিয়ন টাকা নিয়ে গেছে সাইন করানোর জন্য। এভাবে দুর্নীতি চললে মানুষ কি করবে।।
এটা ২০২৩ সালের ঘটনা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যখন পুলিশ আমার বাড়িতে আসে এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করে তোমার বাবার নাম কি সবকিছু জিজ্ঞেস করার পরে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকার পরে বলে ৮০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম কেন ৮০০ টাকা দিতে হবে বলল এটা খরচ। আমি বললাম এ খরচ তো সরকার দিবে আপনাদেরকে এটা সরকারি কাজ। তারা বলল সরকার কি দেবে কি দেবে না সেটা দেখে তোমার লাভ নাই। তুমি যদি না দাও তাহলে তোমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স পাওয়া না। এটা ঝুলে থাকবে।আমি ৮০০ টাকা পরিশোধ করার পরে তারপর তারা আমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জমা দিয়েছিল।