DRIVING LICENCES
Finger dite jon proti 100 tk kore nei
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Finger dite jon proti 100 tk kore nei
আমার ফোন হারিয়ে গেছিল,,শনিবার ফোনে লোকেশন পায় পুলিশ এবং আমাকে ডেকে বলে টাকা দিতে হবে।।পরে আমার থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে তারপর আমার হাতে ফোন তুলে দেন।
রিসিপশনে রিসিভ করছিল না।নানান অজুহাত দিয়ে কম্পিউটারের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুমাচ্ছিল। শেষে টাকা দিলে রিসিভ করেছিল।সেই আবেদনের ডায়েরি নম্বর ও তারিখ রিসিভ কপি তে আছে।
আজ থেকে ১০ বছর আগে আমি যখন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট এর ব্যাংক ড্রাফ ব্যতীত অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা নিয়েছে। এবং পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর সময় ২০০০ টাকা নিয়েছে
আমার জমি নাকি খাশ জমি এই বলে আমাকে ১ বছর ঘুরিয়েছে। আমার কাছে ১ লাখ টাকা চেয়েছিলো এসিলেন্ড অফিসের এক দালাল পরে আমি তাকে৫২০০০ টাকা দিলে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দেয়।
বিআইডব্লিউটিএ এর নিয়োগ পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার প্রক্রিয়া চলতেছে।
এনআইডির সাথে মিল রেখে অনলাইনে আবেদন করি এবং যাবতীয় সার্টিফিকেট সাবমিট করি, আমাকে বলে MD. পরে ডট আছে, নিয়ম অনুযায়ী ডট এলাউ না। শেষমেশ ২২০০ দিয়ে পাসপোর্ট করতে হল
সাধারণ নিয়মে কাজ করতে গিয়েছিলাম, রেজিষ্টার অফিসে আসে দুপুর ১২ টায় চলে যায় ৩ টায়। নিয়মমত তার সামনে নথি নিয়ে থাকার পরও আমার হাত থেকে কাগজ নেয়নি। যারা টাকা দিচ্ছে তাদের নাম ডেকে কাজ করে দিয়েছে। দলিল লেখক সরকার জানায় টাকা ছাড়া সে রেজিষ্টার এর সামনে যেতে পারবে না। সেদিন িফরে আসি। অনেক অনেক কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। যাহোক পরদিন ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। আর আল্লাহ র কাছে বিচার দিয়েছি।
আমি প্রথমে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি। তারপর পাসপোর্ট অফিস এ যাই। আমার বাবা কে নিয়ে কাগজ পাতি জমা দেই। ওর নেই না। ওরা বলে চ্যায়ার ম্যন সাটিফিকেট লাগবে। পড়ে আমি সাটিফিকেট নিয়ে যাই।তারপরও কাজ হয় নাই। পাসপোর্ট অফিস এক দালাল বলে এই গুলা কিছুই লাগবে না। তুমি ১৫০০ টাকা দিবে তোমার পাসপোর্ট হয়ে যাবে। আমি বলেছি ১২০০ টাকা দিব তাও কাজটা করেদেন আমি বাহিরে পড়াশোনা করতে যাব। ওনি বলে হবে না আমি বারিতে চলে আসি। পড়ে পাসপোর্ট অফিস এক চাকরি জিবী সাথে আমার পরিচয় হয়। ওনি বলে আমি ১২০০ টাকা করি দেব। তুমি আমামকে বলে রবিবার সকালে আসিও। আমি তারকথা মত রবিবার এ ১২ টা সময় যাই। ওনি আমার থেকে ১৩০০ টাকা নেই। পড়ে কাজ হয়ে যায়। এই হলো শোনার বাংলা দেশ।
বাইকের ডিজিটাল কার্ড ও নাম্বার প্লেট আনতে গেলে আমার কাছে এনআইডি চায়। আমি বলি এনআইডির ফটোকপি আছে। ওই লোক বলে বাসা থেকে আসল এন আইডি নিয়ে আসেন। বাসা থেকে বিআরটিএ প্রায় ৩০ কিলো দূরে। আর সিরিয়াল দিয়ে ওই রুমে ঢুকতে লাগে ৩/৪ ঘন্টা। একবার ওই রুম পর্যন্ত পৌছানোর পর ফেরত যাওয়াটা হতাশার। বিআরটিএ তে যাওয়া মানেই পুরো এক দিন ওখানেই শেষ। NID এর আসল কপি চাওয়া জাস্ট হয়রানির জন্যই। সেটি ঠিক থাকলেও অন্য কণ ভুল ধরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমি যখন বেদিশা হয়ে দরজার বাইরে আসি তখন এক দয়ালু আনসার ভাই আমার দু:খিত হওয়া দেখে অনুগ্রহ করেন ও চিপায় নিয়ে বলেন স্যারদেরকে ম্যানেজ করার জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। আমি নিরুপায় হয়ে তাকে টাকা দেয়ার মাত্র১০ মিনিটের মাথায় নাম্বার প্লেট সহ বাইকের ছবি তুলল। আনসার ভা টাকা নিলেও অনেক ভালো। 😛
আমি আমার এসএসসির মূল মার্কশীট এবং প্রসংশাপত্র সংগ্রহ করতে গেলে স্যার আমার কাছে ফি দাবি করে ৫০০ টাকা। কম নেওয়ার জন্য সুপারিশ করলে উনি বলে অন্নান্নদের কাছ থেকে আরো বেশি নেই। পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে আমাকে ঐ টাকাটা দিতে হয়েছিল। তারপর এ বছর যখন সার্টিফিকেট উঠাতে যাই তখন প্রধান শিক্ষক ২০০ টাকা দাবি করে এটা নাকি ফি। আমি পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে এই টাকাটাও দিয়ে আসছি।এরকম হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা নিচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
আমি আমার জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি টাকা টা দেই।
প্রথম ডেস্কে ১০০০০/- টাকা দেয়া হয়। উনি একজন লেডি উপকর কমিশনার। কিন্তু উনি বদলী হয়ে যান এবং কাজটি করে যান নাই। উনার জায়গায় আগত অন্য আরেকজন নথিটি উপরে পাঠান। ইনাকেও ১০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। উর্ধতন কর্মকর্তাকে ২০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। সর্বমোট ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। উনারা যদি হিসাব করে বলতেন অপনি -----অত টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন, তবে ঐ পরিমাণ টাকা সরকারকে দিতে পারলে ভালো লাগতো।
আমি ঢাকা টু কুমিল্লা টিকিট ক্রয় করে, ভৈরব থেকে লাকসাম গিয়ে নামি। এখানে আমার কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করায় প্লাটফর্মে টিটি চেক করে জরিমানার হুমকি দিয়ে কিছু টাকা দিতে বললে আমার কাছে থাকা ৪০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়।
অভিযোগের বিষয়: BMAT প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি আমি সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে BMAT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছি এবং প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য আমার কাছে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
আমার জন্ম নির্বধন জন্ম তারিখ ঠিক করতে গেচি. তখন আমার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে তারপর ঠিক করে দিচে.
ভ্রম সংশোধন দলিল করার জন্য টাকা দিতে হইছে
পাসপোর্ট ভেরিফেকিশন এর জন্য ডিবি কর্তৃক যে ভেরিফাই করার পুলিশ আসে ওনি ডিরেক্ট বলছে টাকা দিলে দ্রুত ভেরিফাই হয়ে যাবে আর দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। পরে আমার ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হইছে।
আমার মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য যাই ফরম জমা দিতে গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে আবার ১০০০ টাকা চেয়েছে দেইনি বলে কার্ডটি এখনো হয়নি ।আমি একজন বেকার যুবক মেয়ের ঐষধ যোগাতে হিমসিম খেতে হয়। এক মাস থেকে ঘুরাচ্ছে আমাকে।।
টাকা দিতে যা চাওয়া পাসপোর্ট করতে পারবে না বলেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উনি বলেন যে পাসপোর্টের ফর্ম নেই কিন্তু যখন সিকিউরিটি কে বললাম কিভাবে পাসপোর্টের ফর্ম পাবো তখন তিনি বললেন আপনি কিছু করতে হবে না টাকা বেশি দিলে খুব সহজেই আপনার পাসপোর্ট হয়ে যাবে।