ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন
এটা একটা নরমাল ড্রাগ লাইসেন্স রিনিউ এর ব্যাপার ছিল। সমস্ত চালান এবং সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও আমার কাছে অফিস খরচ বাবদ অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করে। যা আমার কাছে পুরোপুরি অনৈতিক মনে হয়েছে তাই আমি অতিরিক্ত টাকা দেইনি।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এটা একটা নরমাল ড্রাগ লাইসেন্স রিনিউ এর ব্যাপার ছিল। সমস্ত চালান এবং সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও আমার কাছে অফিস খরচ বাবদ অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করে। যা আমার কাছে পুরোপুরি অনৈতিক মনে হয়েছে তাই আমি অতিরিক্ত টাকা দেইনি।
সালাম, আমার দাদার নামে দলিল আছে । আমার দাদা নেই এবং দাদা ক্রয় করা সম্পতি তার ভাই ভুয়া দলিল দিয়ে নিজের নামে আর আস পর্চ বানিয়ে ফেলেছে । তারপর আমার বাবা গত ৫ বছরে কোর্টে মামলা করেছে এবং মামলা রায় হয়েছে আমার দাদার নামে। কিন্তু চাঁদপুর ভূমি অফিস থেকে আমাদের নামজারি মঞ্জুর নিচ্ছে না। কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল এসব করছে কিনা সেটা দেখার বিষয় । এই সময় আমাদের ফ্যামিলি অনেক জমেলা হয়েছে এবং আমাদের ওই মামলা সমাধান করতে হলে তাদের টাকা দিতে হবে । এই দেশে মহামান্য আদালত তাদের রায় দিয়েছে সেটা পর্যন্ত তারা তাদের রায় কার্যকর করছে না। এই বিষয় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত বক্তব্য জমা করলাম।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষা দিতে যাই, প্র্যাকটিক্যাল পরিক্ষায় ফেল করলে সেখানে থাকা বিআরটিএ কর্মচারী আমাকে এসে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করি , পরবর্তী পরিক্ষায় পাশ করি। একইভাবে আমার বন্ধু কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয় ।
NID কার্ড এ বাবার নাম এ এক্টু বানান ভুল আসছে , সব ডকমেন্ট ঠিক থাকার পরেউ প্রায় ২ বছর টাকা না দেওয়ায় এখনো পেইন্ডিং এ রেখে দিয়েছে । বলা হয়েছিলো টাকা দিলে ২৪ ঘন্টায় হবে নাহলে রেগুলার প্রসেসে করা হবে
উত্তরা ৬ নং সেক্টরে রাজউক অফিসে গিয়েছিলাম আট তালা বিল্ডিং এর প্লেন পাস করার জন্য। ওই অফিসের পিওন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা লোক ঘুষখোর। তারা ঘুষ ছাড়া কোন কথাই বলে না। আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি।
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে আমার কাছে সরকারি ফি বাদে ৫০০০ টাকা বেশি দাবি করা হয়েছিল কিন্তু আমি তা দেই নি সরকারি ফি তেই পাসপোর্ট করেছি। এতে একটু ঝামেলা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে সমাধানও হয়েছে
শ্বশুরবাড়ির যৌতুকের মামলা থেকে বিচারক মুক্তির ব্যবস্থা করবেন
কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার — সে সরাসরি মাটির ব্যবসার সাথে জড়িত সে সকল মাটি ব্যবসায়ীদের থেকে ফিফটি পার্সেন্ট ঘুষ দাবি করেন এছাড়াও পৌরসভার বিভিন্ন টেন্ডারবাজি কাজে লিপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।
দৌলতপুর তফসিল অফিস, যা খুলনায় অবস্থিত এখানে নামজারি করতে হলে অবশ্যই এই পরিমাণ অর্থ দিতে হয় অন্যথায় ভোগান্তি এবং বারবার তা ক্যান্সেল করা হয়।
পল্লীবিদ্যুত অফিসে নতুন বাড়ির পাশে বিদ্যুৎ এর খুটির জন্য আবেদন করি গত ডিসেম্বর, ২০২৫ এ। প্রথমে প্রাথমিক অনুসন্ধানে একজন আসে, সব ঠিক পেয়ে বলে কাজটা আপনে করবেন না আমি করাই দিবো? করালে ৫০,০০০ টাকা দিতে হবে, আমি নাকি পারবো এসব বলে। আমি মানা করি। বলি নিজেই করবো। উনি চলে যান। পরে অনেকদিন পর জানতে পারি উনি কোনো ইন্সপেকশন রিপোর্ট জমা দেননি এবং আমার আবেদনের কপি অফিসে নেই। উনার বাসায়। উনাকে কল করেছি পরে দিয়ে গেছে অফিসে৷ এভাবে একই প্রাথমিক ইন্সপেকশন হয় ৪ বার। প্রতিবার একই ঘটনা। চতুর্থবার একজন এজিএম কে অনুরোধ করলে উনি বলে দেয়ায়, রিপোর্টটা দেয়। এভাবে প্রতি ধাপ এগিয়েছি৷ আজ প্রায় ৮ মাস৷ বাড়ি করে রেখে দিয়েছি। বিদ্যুৎ এর কানেকশন আর নিতে পারলাম না।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম।খতিয়ান সার্টিফাইড কপি লাগবে বলে ।এর জন্য আবেদন ফরম দিয়ে আবেদন করি।কিন্তু কেউ সাহায্য করে না।বলে যে এটা দেয় সে নাই। কিছুক্ষণ পরে একজন মোবাইল নম্বর নেয় এবং ১০০০ টাকা দিতে বলে এবং ১ সাপ্তাহ এর মধ্যে দিবে বলে । আমি ট্যাকনিক্যালি বের হয়ে চলে আসি।
চটগ্রাম, বালুছড়া বি আর টি এ অফিসে ফিটনেস নবায়নের জন্য সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হই। অন্যথায় বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে ফিটনেস সনদ দেই না। তারা নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমেই ঘুষ নেই। অফিসাররা খুব চালাক নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেই না।
১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা.(ইন্টার্ন) কর্তৃক প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্টের রেফার করে সেখান থেকে কমিশন গ্রহণ। ২. ঢামেকের নতুন বিল্ডিংয়ের ৪ তলায় ECG টেস্টে রশিদ ছাড়াই টাকা নেয়।
আমার এনআইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্ট নাম জন্ম তারিখ মিল নাই। এনআইডি সংশোধন করতে গিয়েছিলাম তারা আমার কাছে টাকা দাবি করে ৫০০০ সব জায়গায় ঘুষ বাণিজ্য চলে বাংলাদেশে ঘুষ ছাড়া কেউ ফ্রিতে কাজ করে দিতে চায় না
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে বহিঃবিভাগ এর ১০ টাকায় টিকিট কাটার পরে ডাক্তার চেম্বারের বাইরে হাসপাতালের কিছু কর্মচারী ও স্টাফ থাকে যারা রোগী চেম্বারে প্রবেশে সাহায্য করে। ডাক্তার দেখিয়ে বের হবার সময় তারা ডাক্তারের দেয়া টেস্ট গুলো ওই হাসপাতালে কম খরচে করার বদলে বাইরের নিম্নমানের ক্লিনিকে করতে বলে এবং ওই স্টাফ গুলো ওইসব ক্লিনিকের অনেক দালালের হাতে ওই স্লিপ ধপ্রিয়ে দেয়। বলে নাকি দ্রুত হবে। এভাবে অনেকের থেকে কমিশন বানিজ্য করে আসছে। প্রত্যাখ্যান করলে এসব স্বল্পশিক্ষিত স্টাফগন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নিয়মিত।
I gone to made a driving licese but failled to have. there is some people moving around ask to pay extra money to get the licese , but refuse to pay finally failled . I have practical experience whoever paid they got license without examination or even they are absent . my self i took determine even i do not get license but will not pay extra. Note: I have a driving license from Saudi Arabia and was having own car which i drive 15 years. my self i showed as a result i got miss behave from the person who was a officer to take exmination.
আমার ফোনটি হারিয়ে যায় এবং আমি একটি ফ্রি করে এবং ফোনটি পাওয়া যায় তো ফোনটি ফেরত দেওয়ার জন্য পুলিশ আমার থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে তো আমি ফোনটি আনিওনি আর তাকে টাকাও দেইনি এমনিতে আমি শুনেছি যে পুলিশ ফোনের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকে কোন উদ্ধার করার জন্য কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মুখোমুখি হইলাম পুলিশের সংস্কার বলতে শুধু পোশাকি পরিবর্তন হইছে বাংলাদেশে কোটি কোটি পোলাপান বেকার চাকরি পাচ্ছে না কিন্তু এইসব পুলিশ দের রেখে বাংলাদেশ সরকার কি প্রমাণ করতে চাচ্ছে আমার বুঝে আসছে না আমার মন চায় এই দেশ থেকে চলে যেতে
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে মোটরযান পরিদর্শক গাড়ী পরিদর্শন করে গাড়ীর ফাইল নিতে গড়িমসি করে।বিষয়টি সহকারী পরিচালককে জানালে তিনি ফাইল জমা নেওয়ার জন্য বলেন। ফাইল জমা নিলেও ফাইল আটকে রেখে নাম্বার দিতে কালক্ষেপণ করে। এছাড়াও রেজিষ্ট্রেশনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গেলে একশ টাকা ঘুষ দাবি করে।
দ্রুত মিউটেশন করে দিবে বলে পরে আমি একাএকাই করেছি ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে
টাংগাইলের সখিপুর থানা থেকে পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য একজন পুলিশ আমার কাছে ১০০০ টাকা খরচ দাবি করে। তার পর আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম কিসের খরচ এটা? পরে সে বলে পুলিশ ভেরিফাই করতে খরচ লাগে আপনি জানেন না? আমি তালে বলি কোনো খরচ লাগে না তো। তার পরে সে বলে খরচ দিলে কাজ হবে নইলে হবেনা। আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি। আমার কাছে ১০০০ টাকা না থাকায় আমি ১০০ টাকা দেওয়ার চেষ্টা করি তাছাড়া আমার কোনো টাকা ছিলো না। তার পর সে রাগিয়ে বলে আপনি কি আমার সাথে ফাজলামি করছেন নাকি টাকা লাগবেনা চলে যান আপনি। আমি চলে আসার আগে শেষ বার তাকে জিজ্ঞাসা করি আমার কাজ হবে তো? পরে সেই পুলিশ বলে হলে হবে না হলে না হবে।