জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে স্বীকার হয়েছি
আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে ৪মাস ঘুরতে হয়েছে জানুয়ারি ২৬ জমা দিয়েছিলাম পেয়েছি মে ২৬ সালে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে ৪মাস ঘুরতে হয়েছে জানুয়ারি ২৬ জমা দিয়েছিলাম পেয়েছি মে ২৬ সালে
আমি ১৩ই জুলাই ২০২৫ এ বগুড়া সদর ভূমি অফিসে মিসকেসের জন্য আবেদন করেছি। অদ্যাবধি কোন ম্যাসেজ পাইনি। অফিসে গেলে বলে তদন্তে আছে। অথচ আমার গ্রামের একজন আমার অনেক পরে আবেদন করার পরও শুনানী হয়ে গেছে। কারণ সে খরচাপাতি দিয়েছে। আমার কাছে কেউ টাকা চায়নি তাই দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।
আমি ক্যান্সার রোগী। পেট সিটি টেস্ট এর সিরিয়াল নিতে পিজি হাসপাতালের পরমানু শক্তি গবেষনা কেন্দ্রে মে মাসের লাস্টের দিকে যাই। দায়িত্বরতদের বলেছি,আড়াইমাস পরে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সিরিয়াল দরকার। তারা জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের আগে কোন সিরিয়াল নাই। আমি বললাম, কোন ভাবে ম্যানেজ করে দেন। আমি খুব অসহায়, দুই বছর ধরে ক্যান্সার চিকিৎসা চলমান রেখে আমি প্রায় নিঃস্ব এখন। এরপরে উনি উনার ফোন নাম্বার দিয়ে বলে সন্ধ্যার পরে ফোন দিয়েন। আমি সন্ধ্যার পরে ফোন দিলে তারা জানায় সিরিয়াল তো খালি নাই, দেখি স্যারদের বলে ম্যানেজ করা যায় কিনা? কিন্তু কিছু খরচ লাগবে। আমি রাজি হই।দায়িত্বরত লোক বললো, আপনার কয় তারিখে লাগবে? আমি বললাম আগস্টের মাঝামাঝি টাইমে দিলে হবে। তখন উনি এই আগস্টের ২০ তারিখ আমাকে সিরিয়াল দেই ৫০০ টাকার বিনময়ে।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে নিজেই অনলাইনে আবেদন করি। আবেদন করার প্রায় তিন মাস পর পরীক্ষার দিতে গিয়ে শুনি যে ঘুষ ছাড়া পাশ করা যায় না। যারা ঘুষ দেয় নি তারা পাশ করলেও ফেইল করিয়ে দেয়া হয়। আমিও সেদিন পরীক্ষায় ফেইল করি। তারপর একটা লোক এসে বলে যে দশ হাজার টাকা দিলে আর টেনশন নাই। শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেই হবে। আমি বললাম যে, পাঁচ হাজার টাকায় মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায়। আপনি দশ হাজার টাকা চাইতেছেন কেন? আমি এতো বেশি টাকা দিতে পারবো না, এই বলে আর ঘুষ দেই নি।
বিদেশ যাওয়ার জন্য অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করে সরকারি সব ফি জমা দিয়ে থানায় গেলাম পুরা ফাইল টা জমা দিতে যেনো তারা তাড়াতাড়ি রিপোর্ট দিয়ে দেয় তার জন্য, একজন কম্পিউটার অপারেটর কে ফাইল দিলাম এর পর উনি কোন দেশে যাচ্ছি তা নিয়ে কিছু কথা বলার পর বলতেছে এখানে তো কিছু খরছ আছে জানেন, আমি বললাম কিসের খরছ আমি সব টাকা পরিশোধ করে আসছি এরপর উনি বলতেছে ৩০০ টাকা দিলেই হবে বেশি লাগবেনা, পরে আমি বলি আমি একটাকাও দিতে পারবোনা কারন আমার কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নাই তাই আমি আপনার সাথে কোনো প্রকার সেটেলমেন্ট করতে পারবোনা, এরপর উনি বলেন আচ্ছা ঠিক আছে চলে যান, পরে আমি চলে আসি
অযথাই দেরি করছিল। অল্প সময়ের কাজ এর জন্য অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল
কর আপীল মামলায় বক্তব্য প্রদান করার পরে —, যুগ্ম আপীল কমিশনার রেঞ্জ-১, রাজশাহী আমার নিকটে মোটা অংকের অর্থ দাবি করেন যার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। আমি তাকে অনেক অনুরোধ করি এবং কর মামলাটির মেরিট বিশ্লেষণ করতে বলি। অবশেষে তিনি আমাকে তার চাহিদা জানিয়ে দেন যে পূর্বের ট্যাক্স বহাল থাকবে। এমত অবস্থায় আমি ওই অফিস থেকে চলে।
দলিল অবমাননের জন্য সোনালী ব্যাংকের ২০০০ টাকা চালানোর মাধ্যমে প্রদান করি। চালান রশিদ জমা দেওয়ার জন্য ভূমি অফিসের একজন লোক ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। তারপর কোন একজন লোকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজটা করতে বাধ্য হই। ভূমি অফিসের যে লোক ঘুষের টাকা নিচে তার নাম ফোন নাম্বার সহকারে দেওয়া হলো। — —
অনলাইনে আবেদন করার পর তফসিল অফিসে সমন্নয় করার জন্য গেলে সেখানে ৫০০টাকা দাবি করে। আমি ২০০ টাকা দিয়ে কাজ শেষ করছি
ময়মনসিংহ গফরগাঁও ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলে আমার নামের বানান নিয়ে ভুল ধরে। হাস্যকর ব্যাপার আমার আগের পাসপোর্ট এবং আমার জাতীয় পরিচয় একই বানান বহন করে। উনি বলতে শুরু করেন নাম ঠিক করতে হবে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো আমি নাম কিংবা নামের বানান কীভাবে ঠিক করব আর কেন করব যেখানে আমার সার্টিফিকেট, জাতীয় পরিচয়পত্র, আগের পাসপোর্ট সব একই বানানের। বাংলায় '—' ইংরেজিতে — লেখা যাবে না-বলে আমাকে ২০৩ নাম্বার রুমে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রিন্ট আউট করতে বলে। আমি প্রিন্ট করে আনলেও সেদিনের মতো ঐ লোক উঠে গেছে। পরের দিন যখন গেছি বলে এসব ভুল নিয়ে এলে পাসপোর্ট হবে না। পরে বলে, বাইরে অমুক দোকান থেকে সব ঠিক করে আনেন। বাস্তবে ঐখানে গেলে ২০০০টাকা চায়। এরা সব এসুতায় চলে। পরে পরিচালক কক্ষে কথা বলে সমস্যার সমাধান হয়। পাসপোর্ট পাই ৩ সপ্তাহ পর।
Amar soto cai driving license korte diyesilo 2017 te. 10000 tk ghush cheyese bole ami razi hoini. Soto vaike bolesilam je proper way tei nite. Kintu shei ghush na deyate 1 -2 masher moddhe hobar kotha thakleo ta dirgho 2 bosor dhurte hoyese BRTA office a r amader bari silo gazipur a tai dui bosor jatayat korte korte 10000 takar beshi khorcho hoye giyesilo. Okhane giye jodi bola na hoy je omuker madhdhome korassi license taholeto kono kothai nei. Kono kothai keu bolte chayna. Shohoje kono proshner o uttor deyna. R jodi ghush dite razi thaktam tahole orai 1-2 masher moddhei license ready kore call diye janiye dito. Shudhu eshe niye nilei hoye jay . Emonki barite eneo diye jay shunesi.
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর বয়স্ক ভাতা এর আবেদন করার পর ও ২ বছর এ যখন কোনো অগ্রগতি নেই তখন একজন এসে বললো ৬০০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। এভাবেই সবার বয়স্ক ভাতা পাশ হয়।
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
আমি একজন সরকারী হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক৷ নিজ পারিবারিক প্রয়োজনে বদলির আদশের জন্য চেষ্টা করছি৷ এছাড়া বর্তমান পদবী অনুযায়ী আমার মেডিক কলেজেই পদায়ন হওয়ার কথা৷ ইচ্যেছে করে ঘুষ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যেই পদায়ন স্থগিত রাখা হয়েছে৷ অথচ ঘুষের বিনময়ে অহরহ পদায়ন হচ্ছে৷ মিনিমাম ৫ লাখ টাকা থেকে ১০-১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হচ্ছে৷ এটা ওপেন সিক্রেট। এই টাকার ভাগ পলিটিক্যাল নেতা থেকে শুরু করে চিকিৎসক নেতা, ড্যাব নেতা, পিয়ন, আমলা, মন্ত্রণালয়ের এও, উপসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বড় বড় লোকজন ভাগ পান।এত পরিমান ঘুষ লেনদেন ছাড়া বদলির অর্ডার বের করা সম্ভব হচ্ছেনা৷ এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ চায়৷ আমি কখনো সরকারি দপ্তরে চুরি করার ইতিহাস নেই৷ সামনে করার ইচ্ছে নাই৷ এতগুলো টাকা খরচ করে কিভাবে আবার উঠাবো৷
জৈনসার ভূমি অফিস,ঈসাপুর,মুনসিগন্জে, নামজারি করতে গেলে উল্লিখিত তহশিল অফিসের এক পিয়ন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা চেয়েছে। এই কথা শোনার পর তহশিলদারের সাথে দেখা করলে উনি বলেন, তার পিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে এবং সেই ভাবে কাজ করতে। টাকার এমাউন্ট তহশিলদারকে বললে, উনি বলেন উপজেলা ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয়।না দিলে তারা কাজ করেনা। সামান্য একটি কাজের জন্য এত টাকা ঘুস দেওয়াটাকে প্রয়োজন মনে করেনি।পরবর্তীতে যে কাগজপত্র অফিসে খারিজের জন্য জমা দিয়েছিলাম তা ফেরত নেই এবং কোনো টাকা না দিয়ে চলে আসি। সেই নামজারি আজো করতে পারিনি।
তারা সরকারি ভাবে ডোপ টেস্ট করতে পারবে কিন্তু সেই জন্যে তাদের কিছু দিতে হবে
আমি আমার আত্নিয়ের পাওয়ার অব এটর্নি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্টার করতে চাচ্চিলাম। সে জন্য একজন মোহরীর সাথে কথা বলেছিলাম। ত পাওয়ার অব এটর্নিতে সম্পদের কথা এবং পরিমান সব একত্রে উল্লেখ আছে কিন্তু মোহরি বলল যে উক্ত পাওয়ার অব এটর্নিতে নাকি সম্পদের কথা আলাদা করে উল্যেখ করতে হবে। তারপর যেহেতু ভুল হয়েছে সেহেতু আমি চলে যাচ্ছিলাম। তখন হটাত করে সে আমাকে আড়ালে নিয়ে বলল যে এটা রেজিস্টারি হবে যদি কিছু সালামী দেই। ত আমি বললাম কত।।তখন সে ভিতরে গিয়ে সাবরেজিস্ট্রার এর কাছে থেকে জেনে এসে আমাকে বলে ৬০,০০০. আমি বললাম ৬০,০০০ টাকা তুমাকে পুটকি দিয়ে ঢুকিয়ে দিব, বলে চলে আসি । পরে আমার আত্নীয় লন্ডন থেকে দেশে আসেন ও সামনা সামনি থেকে জমির বণ্ঠন নিষ্পত্তি করে । আসলে আমলাদের জন্য শত শত কোটি টাকা সরকার পাচ্ছে না।
বিআরটিএ নড়াইল সদর অফিসার — আমার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবি করছে আমি একজন প্রবাসী
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে