অতিরিক্ত ফ্রী আদায়
হাসপাতালের রুগীর বেড চাইলে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে যা সরকারি হিসেবে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
হাসপাতালের রুগীর বেড চাইলে অতিরিক্ত টাকা দাবী করে যা সরকারি হিসেবে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা।
তিতাস উপজেলা ভুমি ভুমি অফিসে প্রায় সব ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুস লেনদেন চলে, কোনো কাজ ঘুস ছাড়া হবে না দিন এর পর দিন, টেবিলে পড়ে থাকবে কোনো প্রবাবশালী না হলে তাকে কাজ করাতে হলে অবশ্যই তাকে ৮-১০ হাজার টাকা, টাকা দিতে হয় কিছু দিন আগে ঘুস নেওয়ার দর কষা কষি ভিডিও ফেসবুকে বেপক পরিমাণে ভাইরাল হয়ে ছিলো কিন্তু তাকে বরক্ষাত না করে অন্য জায়গায় টানফার করে দিয়ে ছিলো
Wanted to register a Charity Foundation, already submited all the documents as required and already completed all the process and they have already varify our all members locations and office location and declraied that everything is okay and the officers who came for varifications they told us that within 2 weeks we will got our registration number then we can start our foundation officially but it's already been 2 years they aren't giving us registration. When we call the officers several times they said indirectly that it will be clear if we give them 150000tk as soon as possible. we already got to know that that officer may have transfer soon as there's many complains against him.
আমার বাবার মৃত্যুর পরে আমি তার নামে থাকে গাড়িটি আমার নামে নাম ট্রান্সফার করার জন্য বিআরটিএতে যাই। সেইখানে মৃত ব্যাক্তির নামে থাকা গাড়ি তার ওয়ারিসদের নামে ট্রান্সফার করার পক্রিয়া তারা এমনভাবে অসম্ভব করে রেখেছে যে আপনি ঘুষ ছাড়া এই কাজ করতেই পারবেন না। কাগজপত্রের দোহাই দিয়ে বিষয়টা এমনভাবে জটিল করে রেখে যে তা করতে গেলে আপনি একট গোলকধাধায় ঘুরতে থাকবেন। মিরপুর বিআরটিএর নিচতলা থেকে শুরু করে ৩তলা পর্যন্ত মোট ৪টা রুমে আপনাকে দৌড়াতে দৌড়াতে আপনি যখন হয়রান হয়ে যাবেন, তখন ওদের নমিনেটেড দালালরা এসে ২৫,০০০ টাকার বিনিময়ে আপনার কাছ থেকে ঘূষ+ওদের সার্ভিস চার্জ নিবে। আর কাজ হবে তড়িৎ গতিতে। তখন আর কোন কাগজপত্রের কড়াকড়ি থাকে না, সবই ম্যানেজ হয়ে যায়। নিজে করলে সময় লাগে ৫/৭ দিন। আর দালাল দিয়ে করলে ২ দিনেই হয়ে যায়।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছি নিজে নিজে আবেদন করে এবং ব্যাংক চালান জমা দিয়ে। ডাটা এন্ট্রি আনসারের কাছে জমা দিলাম।দেখে বলতেছে শিক্ষা গত যোগ্যতার সার্টিফিকেট কোথায়? এটা ছাড়া হবে না।তারপর বাহিরে আসার পর এক ভদ্রলোক জিগ্যেস করতেছে কি সমস্যা বলে? তারে বললাম এই কাহিনি। সে বলে আমার কাছে দেন ২০০০ হলে হবে।বললাম কিন্তু সার্টিফিকেট কপি তো বাড়িতে।বলে এসব লাগবে না।বললাম ব্যাপার কি?দালাল বলে আপনি দিবেন? বললাম না নিজেই করবো বলপ মেসে চলপ আসলাম।ঐদিন বিকালে বাড়ি থেকে একজন আসবে বলপ তার মাধ্যমে সার্টিফিকেট আনালাম এসএসসি এর। পরদিন গেলাম। গিয়ে আবার জমা দিলাম। বলতাছে নামের সাথে ডট ইউজ করা যায় না। আইডি ডিলেট দিতে হবে।বললাম তো কালকে বলেন নি যে। সে চুপ! বলে নিজে নিজে করতে যান কেন? বললাম সমস্যা কি নিজের আবেদন নিজে করলে
আমার সার্টিফিকেটে আব্বার নাম ছিল — আর আমার ভাইয়ের সার্টিফিকেটে ছিল — এই নামের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একই নামের প্রথম পত্র গ্রহণ করেছিলাম তারপরে আবেদন জমা দিয়েছি টাকা না দেওয়াতে আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়েছে পরবর্তীতে আবার আবেদন করে একই কাগজ দিয়ে কাজ করতে হয়েছে
পঞ্চগড় সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী মিউটেশন কর্মকর্তা টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
ডেসকোতে বানিজ্যিক মিটার ছিলো মার্কেটে ৪ টা কিন্তু দোকান মোট ৫৮ টি সব মিটার আলাদা করতে চেয়েছিলাম। ডেসকো থেকে ম্যানেজ করতে ৭,০০,০০০/-(সাত লক্ষ) টাকা দাবি করছে।
আমি রুপগঞ্জ থানা থেকে ৪ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করেছি। ৪ বারই বিভিন্ন ভাবে আমার কাছে টাকা চাওয়া হইছে। বলে চা পানি দিলে নাকি রিপোর্ট ভাল আশে না দিলে নাকি ঝামেলা হয়।
আমি অন্য জেলার লোক বিধায় বগুড়া পাসপোর্ট করতে ৮০০০ টাকা লাগবে৫ বছর মেয়াদ।
জমি খারিজ করার জন্য আমার থেকে দাবি করা হয়, আমি দেই নাই
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিসার এসআই — ও তাহার সঙ্গী কনস্টেবল — দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত অফিসে কর্মরত থেকে পোস্টিং বানিজ্য করে আসছে। আমি বদলী সূত্রে অন্য জেলা থেকে আসলে আমাকে সদর থানায় পোস্টিং করে দিবে বলে জিম্মি করে ৪০ হাজার টাকা ঘুস নেয়।
আমি একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। গত ২০/০৮/২০২৬ খ্রি: তারিখে আমি একটি আবেদন ও প্রয়োজীয় কাগজপত্র সহ ঢাকা ডিসি অফিসে যাই।আমার এক জন ক্লাইন্টের পক্ষে রীট পিটিশন দায়েরের জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে একটি ভোকালত নামায় স্বাক্ষরের প্রয়োজন যা ডিসি অফিসের মাধ্যমে কারাগারে পাঠাতে হয় আর আমার বিষয়টাও ছিলো জরুরি। এমতাবস্থায় আমি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ রিসিপশন শাখায় জমা দেই এবং জানতে পারি তদ্বির না করলে সেটা নাকি আমি ১৫ দিনেও ফেরত পাবো না, ১ মাসও লাগতে পারে!আমি নিরুপায় হবে তদ্বির শুরু করি।এটা একক ভাবে একজনের নিকটে তদ্বিরের বিষয় নয় তাই টেবিলে টেবিলে তদ্বির শুরু হয় ২৫ তারিখ পর্যন্ত ৬ টেবিল পর্যন্ত তদ্বির করে মোট ২৭০০ টাকা খরচ করে জারী শাখায় নিয়ে এলে সেখানে চিঠিটি জেলগেটে পৌঁছে দিতে আরও ৫হাজার দাবী
মূলত, খাজনা খারিজে নাল (আবাসিক) আছে, কিন্তু কোম্পানি আইনের সরকারের নির্ধারিত হারে উৎসকর প্রদান করতে আগ্রহী হই, কিন্তুু সাব- রেজিস্ট্রার বলে এটা বানিজ্যিক হারে উৎসকর দিতে হবে না আমাকে ৫,০০,০০০/- টাকা দিলে করে দিবো।
প্রতিটি সেন্টারে লাইসেন্সের পরীক্ষার সময় তিন হাজার করে না দিলে ফেল করিয়ে দেয় সবগুলো পরীক্ষায় পাশ করলেও মিরপুর এর সেন্টার এবং উত্তরার সেন্টারে নিচে প্রতিদিন কাজ করিয়ে চাক্ষুষ সাক্ষী যারা এখন পর্যন্ত লাইসেন্স করেছেন খবর নিয়ে দেখতে পারেন এমন লোক দেখেছি নিজে নিজে করতে যায় চারবার ফেল করেছেন এবং আমার মাধ্যমে করতে গেলে আমার এমন লোকও আছে পড়ালেখা না পারলেও সাদা সাদা জমা দিলেও সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময় সবগুলো পরীক্ষা পাস করিয়ে দিবেন
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আমার ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্সে ই-মেইল আইডির ১টি অক্ষর ভুল ছিল। সেইটা সংশোধনের জন্য আমি স্বশরীরে গেলে ওরা ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি প্রতিবাদ করি এবং ঘুষ না দিয়ে চলে আসি। ফলে সেই সংশোধনের কাজটা আজও হয় নাই। আমার এপ্লিকেশন সেইভাবেই ওদের দপ্তরে পড়ে আছে। এখন প্রশ্ন হতে পারে এই সংশোধনটা কেন এতো জরুরী। কারণ https://erevenue.dncc.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার পরে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লিংক বা সংযুক্ত করা লাগে। আর সেই সংযুক্তির সময়ে সিসটেম একটা otp পাঠায় রেজিষ্ট্রার ই-মেইলে। যেহেতু আমার ই-মেইলটা ভুল এন্ট্রি করা হয়েছে, তাই OTP ভুল আইডিতে চলে যায়। ফলে আমি আর ট্রেড লাইসেন্সটি এড করতে পারি নাই।
সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি nocs,।মিটার পরিবর্তনের আবেদন ২ মাস ঝুলিয়ে রেখেছে , ইঙ্গিতে বেশি টাকা দিকে তাড়াতাড়ি কাজ করবে,
Mitford hospital a vorti aci test er jonno dalal ese bole 1130tk lagbe test er apni 1500diben ami sob kore dibo pore ami nije giye kore dekhi 890tky sob hoye gece sei hisabe se amr theke 610tk ghus ceyechilo ar prokas korce 370 mane ghuser upor ghus
উপজেলার মধ্যে বদলির জন্য আবেদন গ্রহন করে,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী — আবেদনকারীদের নিকট ২৫০০০০ টাকা পৌরসভার মধ্যে বদলির জন্য দাবি করে। ডিপিও — এর মাধ্যমে বদলি করে দিবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনেকবার অন্য সরকারি কলেজে বদলীর আবেদন করেছি ৷ ঘুষ না দেওয়ায় সে আবেদন কখনো আলোর মুখ দেখে নি ৷