খাজনা
আমি জয় কালী মন্দিরের পাশে ভূমি অফিসে গিয়েছি খাজনা দিতে, আমাকে বলতেছে খাজনা এখানে দেওয়া হয় না, আবার বলতেছে সাইট এ আসেন কাগজ পত্র দেন। পরে দিলাম বলতেছে আপনার আজীবন বাকি আছে। টাকা পরিশোধ করা যাবে আমায় ১০০০০ টাকা দেন। উনি একজন পিওন।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি জয় কালী মন্দিরের পাশে ভূমি অফিসে গিয়েছি খাজনা দিতে, আমাকে বলতেছে খাজনা এখানে দেওয়া হয় না, আবার বলতেছে সাইট এ আসেন কাগজ পত্র দেন। পরে দিলাম বলতেছে আপনার আজীবন বাকি আছে। টাকা পরিশোধ করা যাবে আমায় ১০০০০ টাকা দেন। উনি একজন পিওন।
Police verification er jonno
১৯৪০ সালে ২০৮১ নং দলিলে কেনা মুসলমান মালিকদের জমি ক তালিকা ভুক্ত দেখিয়ে নামজারি দিচ্ছে না। হাইকোর্ট দেখায় , বিশাল বড় এলাকায় জমি , তাই সংশোধন না করে প্রতি বার নামজারিতে লাখ লাখ টাকা খাচ্ছে । অথচ মুসলমান মালিকদের জমি কখনো অর্পিত বা শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ক তালিকা ভুক্ত হতে পারে না । ইচ্ছা করে ভূল করে , সেই ভূল সংশোধনে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থায়ী সমাধান করছে না ।
ভূমি জরিপে মাঠ কর্মী ইচ্ছা করে ভূল রেকর্ড করেছে । সেই ভূল যখন কোনো ভুক্তভোগী সংশোধন করতে যায় , তখন সংশোধন না করে শুধু মাত্র ঐ ভুক্তভোগীর কাজ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সমাধান করে । আবার অন্য কেউ ঐ জমি নামজারি করতে গেলে প্রতি বার টাকার পরিমাণ বাড়ছে । এভাবে সারা দেশে চলছে দূর্নীতি
গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক ছিল, তখন আমার ব্যক্তিগত একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি হোটেলে যেতে বলেন। সেখানে প্রবেশ করার পর দেখতে পাই, ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা রমজান মাসে বসে সিগারেট ও চা পান করছিলেন এবং অন্য একজন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। এরপর আমরা সামনে গেলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি আমার কাছে ১,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে, সঙ্গে টাকা নেই। তখন তিনি আমাকে বলেন, টাকা না দিলে আমার পাসপোর্ট তিন মাসের মধ্যে পাব না।
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এনআইডি সংশোধনের কাজ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী আমার কাছে **৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করেন**। আমি উক্ত ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
জমি খারিজের আবেদন জন্য পুঠিয়া ভূমি অফিস হতে জনপ্রতি নূন্যতম ২০০০/= এরপর জমির পরিমাণ বৃদ্ধর সাথে সাথে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে টাকার অংক । লে হালুয়া কোটা না মেধা মেধা মেধা যারা ঘুষ খায় তাদের মেধার জোরে খায় না কোটার জোর খায়
ট্রেড লাইসেন্স এ আমার এন আইডি নাম্বার ভূল ছিল, সিটি করপোরেশনের সার্ভারে সমস্যার কারণে বাহিরে থেকেও ঠিক করাতে পারছিলাম না। সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সিটি কর্পোরেশনে গেলাম কথা বলে জানতে পারলাম ২ দিনের মধ্যে ঠিক করে দিবে কিন্তু এক্সটা ১০০০ টাকা লাগবে।
Mutation korte Taka chay. Taka cara kno kaj hoy na.
হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছে। নতুবা লাইসেন্স তারা করতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে, আমার পিতার লাইসেন্স করার জন্য আবেদন করেন। নির্দিষ্ট তারিখে সেখানে গেলে সফল দক্ষতা যাচাইয়ের পর যখন ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়ার সময় হয়, তারা টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা দেন নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঠিকই নিয়েছিল। পরেরদিন লেখা আসে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। হতে পারে, টাকা না দেওয়ায় তারা ফেইল করে দিয়েছে।
**বিষয়: এনআইডি সংশোধনের জন্য ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ।** আমি আমার আম্মুর এনআইডি সংশোধনের জন্য **রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে** যাই। উক্ত অফিসে প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা, একজন সহকারী মহিলা কর্মকর্তা (ম্যাডাম) এবং আরও একজন কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ মোট তিনজন কাজ করেন। এনআইডি সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আমার কাছে থাকা সত্ত্বেও সেখানে কর্মরত **সহকারী মহিলা কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আমার কাছে ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি করা হয়**। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানাই। উল্লেখ্য, একই অফিসে কর্মরত অপর একজন কর্মকর্তা, যিনি হুজুরের মতো দেখতে, তিনি আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই
ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আমাদের একটি দেওয়ানী মামলা চলছে। সকল নির্ধারিত ফিস দিয়ে আগেই মামলা করা হয়েছে। এখন বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে সমনজারি করার আবেদন করা হয়েছে। গতকাল আমার কাছে আদালতের নেজারত শাখার একজন কর্মচারী আমার কাছে আসেন। তিনি বলেন সমন জারি করতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে। এই টাকা না দিলে আবেদন এন্ট্রি হবে না। টাকার বিপরীতে কোন রশিদ দেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এই টাকার কোন রশিদ হয় না। এই টাকার ভাগ নেজারত শাখার নাজিরও পায়। এভাবেই বছরের পর বছর চলে আসছে। আমি তখন বলি সকল প্রক্রিয়া মেনে মামলা দায়ের করেছি। যদি টাকা দিতে হয় তাহলে আমাকে রশিদ দিতে হবে না হলে দিতে পারবো না। রশিদের জন্য চাপ দিলে তিনি টাকা না নিয়ে চলে যান।
চট্টগ্রাম মহানগরীর কাট্টলী ভূমি অফিসের তহসিল — ১ গন্ডা জায়গার নামজারির জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে। অথচ নাম জারি করতে এতো টাকা লাগে না। তিনি ফাইল আটকে রাখবেন যদি আবেদন ও করি। তিনি বলেন জমি কিনছেন লক্ষ টাকার আর নামজারির জন্য ১ লক্ষ না দিলে কেমনে কি। তিনি আরও বলেন আমি তহসিলদার কমিটির সভাপতি, এসিল্যন্ড, ডিসি ও আমার কাজে কিছু বলার সাহস পাই না।
পুলিশের এস আই চাকুরির ভেরিফিকেশনের জন্য প্রায় সবার থেকে ৩০০০-৫০০০ টাকা নিয়ে থাকে।
পাসপোর্ট অফিসে যখন আমি নিজে নিজে অনলাইনে আবেদন করে সেখানে যাই তখনই শুরু হয় তালবাহানা এক মাসের ভিতরে ৪ থেকে ৫ বার যেতে হয় তবে আমি অতিরিক্ত এক টাকাও দেইনি
এক ব্যক্তি জমি বিক্রি করার পরেও সে আবার নিজের নামে জালিয়াতি করে নামজারি করে বিক্রি করার পাঁয়তারা করছে। তারপর আমি ভুক্তভোগী নামজারি বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। আমার দলিলের নথিপত্র-যাচাই বাছাই করার পর ভুক্তভোগীর সঠিক হওয়ার পরও রায় দিচ্ছেনা টাকার জন্য। প্রথমে ৮০ হাজার টাকা চায় তারপর আমি দিতে রাজি না হওয়ার কারনে পরে ৪০হাজার টাকা দাবি করে
নতুন চাকরীতে বেতন আইবাসে এন্ট্রি দিতে গেলে সব কিছু করে দেয়ার আশ্বাসে আমার কাছে ১৫০০০ টাকা চায় যা আমার এক মাসের বেতনের সমান। পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করে চলি আসি পরে সামান্য টাকা ৩০০০ দিয়ে কাজ করাই। জেলা হিসাব রক্ষন অফিস, ঘুষ দাবির অফিসাসের পদবী অডিটর
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
ঢাকায় সরকারি বাসা বরাদ্দে এধরনের লেনদেন হয়ে থাকে। যারা স্বাভাবিকভাবে বাসা পেতে যায় তাদের আবেদন মাসের পর মাস আলোর মুখ দেখে না এবং তাদের বেলায় সকল নিয়ম কানুন একসাথে এসে জড়ো হয়। আর যারা গোপনে চুক্তিতে বা উর্ধ্বতন মহলের তদবিরে যায় তাদের ভোরের আলো ফুটার আগেই বাসার চাবি এসে পায়ে এসে পড়ে থাকে। সৎ অফিসার এবং কর্মচারীরা কাচুমাচু করে অফিসের বারান্দায় প্রতিদিন ঘোরাফেরা করলেও কোন ঐশ্বরিক শক্তি ফিরেও তাকায় না।