নামজারি খারিজ
নামজারি করতে ৭৫০ টাকা আমার কাছে দাবি করে বলে তাদের কাছে টাকা দিলে তারা তারি হয়ে যাবে। আর যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক দেরি হবে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করতে ৭৫০ টাকা আমার কাছে দাবি করে বলে তাদের কাছে টাকা দিলে তারা তারি হয়ে যাবে। আর যদি টাকা না দেই তাহলে অনেক দেরি হবে।
Ami kicu din age passport korte jai sob documnets joma deyar kiso din por police verification ar jonno amak call kore abaro sokol boidho documents joma deyar poreo amar kace 5000tk ghus kore tk na diye protibad korle mak humki prodan kore
আমার মোবাইল হারিয়ে যায়। জি ডি নেই। কিন্তু তদন্ত করার জন্য ৩৫০০ টাকা দাবি করে এবং মোবাইল খুঁজে দিতে চায় । টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় কোন তদন্ত করে নাই।
স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে নানাভাবে হয়রানি করে। আমি ভোটার হয়েছি ২০১০ সালে। চা নাস্তা খাওয়ার জন্য খরচ চাই। আমি দেয় নাই,, বলে সার্ভার সমস্যা পরে আসিয়েন। সুষ্ঠু সমাধান চাই।
বকেয়া আবেদন করলেও সামান্য সমস্যার কারন দেখিয়ে ফাইল রিজেক্টেড করে দেয়। পরবর্তীতে ১০০০ টাকা পাঠালে ফাইল পাশ করিয়ে দেয়।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে টাকা ছাড়া কোনো বদলী হচ্ছে না।তারা আইওয়াশ করার জন্য যারা বদলীর জন্য টাকা দিচ্ছে বা তদবীর করাচ্ছে তাদের কাছ থেকে মানবিক আবেদন নিয়ে বদলি করছে।অথচ যারা প্রকৃতপক্ষেই সমস্যায় আছে কিন্তু টাকা দিতে পারছে না তাদের বদলি হচ্ছেই না বরং যারা টাকা দিচ্ছে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ওদের আরো কষ্টের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ের বদলির অর্ডারগুলো পর্যালোচনা করলেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাছাড়া পদোন্নতি কেনা কাটা সহ সকল জায়গায় তাদের অনিয়মের অভাব নেই। দেখার যেন কেউ নেই😥😥।
পুলিশ তার কর্ম জীবনে ঘুষের সাথে জড়িত হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে টাকার বিনিময়ে সুবিধা নেওয়া যেমন ভালো কোথায় পোস্টিং যাওয়া টাকা না দিলে খারাপ জায়গায় ফেলে রাখা, আবার কোথাও প্রেষণে কর্মরত থাকলে টাকা না দিলে তাকে ফেরত না আনা। যেমন আমি স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি) পুলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা কর্মরত আছি। এখন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টাকা ছাড়া একজন পুলিশ সদস্য হয়েও কোন কাজ হয় না তাহলে পাবলিকের এখানে কি অবস্হা হতে পারে যা অনুমান করাও দুরূহ ব্যাপার।
খারিজের জন্য ২০০০০ টাকা ঘুষ চায়
৩ টা পাসপোর্ট করতে ৪০ হাজার টাকা চায় দালাল এ। আমি বলছি যে আমার সময় আছে আপনি ১ মাসের মধ্যে দেন। বলতাছে তাও এতো টাকাই লাগবো
পুর্বগুজরা ইউনিয়ন ভুমি অফিস হতে ফোন করে অফিসে ডেকে আনা হয়, এবং বলা হয় আপনি বাদী জায়গাটি আপনার দখলে দেখিয়ে আদালতে রিপোর্ট প্রেরণ করা হবে, তার জন্য টাকা দিতে হবে ১২০০০০ টাকা। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে তারা আমার খালি জায়গাটি বিবাদীর দখলে দেখিয়ে রিপোর্ট প্রদান করে। আমি রাউজানের এসি ল্যান্ড, ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা কারও কাছে খালি জায়গা কিভাবে বিবাদীর দখল দেখানো হলো এর কোন সদুত্তর খুজে পাইনি। পরবর্তীতে একজন পরিচিত কর্মচারীর সাথে গোপনে কথা বলে জানতে পারি ১৫০০০০ টাকার বিনিময়ে রিপোর্ট বিবাদীর পক্ষে লিখে দেয়। পরবর্তীতে আমি নারাজি রিপোর্ট করি আদালতে। আদালত আবার রিপোর্ট প্রদানের কথা বলা হলেও অদ্যাবধি এসিল্যান্ড অফিস এটা নিয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি।
জমির বেকয়া টাকা এসেছিলো ৩০ হাজার টাকা কিন্তু ঐখানে এক কর্মচারী বললো আমাকে ১০ হাজার টাকা দিলে আপনার বেকয়াটা একটু কমাই দিবো।
ভূমির অনলাইনে এখন সকল কার্যক্রম হয়, তো আমি অনলাইনে সাবমিট করেছি কিন্তু তারা পেনেল থেকে রিজেক্ট করে দেয় তো আমি সমস্যা জনার জন্য গিয়ে ছিলাম, আমাকে বলে আমার ডকুমেন্ট ঠিক নেই, পরে এক লোক বলে আপনি ১০০০টাকা দিন আমি অনলাইন এপ্রুভ করে দিচ্ছি। আমি দেই নি, আমাকে বলছে যে টাকা না দিলে আমি যতই Landtaxbd তে রেজিস্ট্রার করে আমার তথ্য সাবমিট করি তারা হোল্ডিং আপডেট করবে না
পারিবারিক মামলা ডিগ্রি হওয়ার পরে। ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার জন্য পিরোজপুর পারিবারিক আদালতের সেরেস্তায় গিয়ে মামলা ডিগ্রি হওয়া টাকা দেওয়ার জন্য সেরেস্তাদারকে বললে তিনি তার অফিস সহায়ককে মামলা নাম্বার বলতে বলেন। মামলা নাম্বার বলার পরে কিছুক্ষণ পর অফিস সহায়ক বলে নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ পর বলে একজন নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে যেতে তার কাছে গেলে নথি পাওয়া যাবে। সেরেস্তাদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলে তার অনেক কাজ আছে ওই নির্দিষ্ট আইনজীবী সহকারীর কাছে গেলে তিনি সবকিছু গুছিয়ে দিবেন। পরবর্তীতে সেই আইনজীবী সহকারী টাকার বিনিময় নথি খুঁজে পান এবং ডিগ্রি নির্ধারিত টাকা পরিশোধ করার সুযোগ মিলে।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি প্রক্রিয়া জানার এবং ভূমির নাম জারি কাগজ বের করার জন্য যায় খাজনা দেই তারপরে আমাকে জানায় নামজারের আবেদন করতে ৬০০০ টাকা তাদের দিতে হবে যেখানে মাত্র সম্ভবত 1170 টাকা সরকারি সকল ফ্রি সহ। পরবর্তীতে আমি নিজে আবেদন করি আবেদন করে না যখন ইউনিয়ন অফিস থেকে এপ্রুভাল যে আবেদনটা সঠিক কিনা তারপরে তো উপজেলা ভূমি অফিসে পাঠানো হবে সেই অ্যাপলের জন্য আমার ১০০০ টাকা দেয়ার লেগেছিল যদিও তারপরে বাকিটা আমি উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে করেছি আর শেষে ডিসিআর ফি দিয়েছি, ১০৭০ বা এরকম কত জানি থাকা আমার এক্সাক্টলি খেয়াল নাই কতো। কিন্তু এরকম হাজার কিংবা ১১০০ এর মধ্যে।
Amar dadar jomir dolilgula tulte giyesilam.Ghush er kotha sorasori bolena bolse cha pani khawar taka dite hobe.ami vabsi 100 taka diley sob kore dibe but pore tader demand bola shuru korse.Ja shune ami osohay hoye chole aschi.
কম্পিউটার অপারেটর ও বড় বাবু সেল পারমিশনের জন্য ৫০,০০০/- দাবি করে অফিসে বসে সিগারেট খেতে খেতে।
প্রতি কাঠা রেজিষ্ট্রেশন জন্য তাকে আলাদা করে ৫০০০ টাকা দিতে হবে, নয়তো দানপত্র দলিল করবেনা। বড়ই বিড়ম্বনা বয়ে বেড়াচ্ছি
ময়মনসিংহ সদর হাসপাতালের কার্ডিয়াক ক্যাথলাবে মালামাল সাপ্লাই দেওয়ার জন্য কার্ডিয়াক বিভাগের ডক্টর আমার কাছে নগদ অর্থ দাবি করেন। উনার বক্তব্য উনাকে টাকা পরিশোধ না করলে উনি মালামাল সাপ্লাই করার পারমিশন দেবেন না এবং হসপিটালের ঢোকার পারমিশন দেবে না।
ভূমি অফিস গোহালা ইউনিয়ন জমি মিউটেশনের জন্য যেখানে সরকার নির্ধারিত ১১৭০ টাকা নিদারন করা হয়েছে। সেখানে একজন ভূমির মালিকের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৬০০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয় শুধুমাত্র জমি মিউটেশন করার জন্য।
নামজারি অনুমোদনে নাজির সাহেব ৭০০/১০০০ টাকা ঘুষ নেন