পাসপোর্ট সংগ্রহ
আমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি। লাইন লম্বা ছিল।আমাকে আনসার বলে ৫০০ টাকা দেন আমি কুইক ভিতর হতে নিয়ে আসব
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে গিয়েছি। লাইন লম্বা ছিল।আমাকে আনসার বলে ৫০০ টাকা দেন আমি কুইক ভিতর হতে নিয়ে আসব
একটা দরখাস্তের কাগজ জমা দিতে গিয়েছিলাম তো তখন টাকা চেয়েছে টাকা দিয়েছি, কিছুটা কম দিয়েছিলাম তাই খারাপ ব্যবহার করেছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল রেল যোগাযোগের ২য় লাইন করার জন্য গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের জমি অধিগ্রহন শুরু হয় এবং এই অধিগ্রহন কালে সরকারের যে রেট, গাছ ভেদে, বাড়ির ধরণ ভেদে আলাদা। তো আমাদের গ্রামেট বাড়ির উপর দিয়েও রেলের প্ল্যান অনুযায়ী বেশ খানিকটা জায়গা পড়ে যায়। এবং এজন্য অধিগ্রহন শাখা অধিগ্রহন করে এবং সে অনুযায়ী নকশা এবং প্ল্যান এবং বাড়ির সবকিছু লিপিবদ্ধ করে নিয়ে যায় অধিগ্রহণ শাখা। আমি এবং আমার এক আত্নীয়কে নিয়ে বিষয়টি জানার জন্য অধিগ্রহণ শাখায় যোগাযোগ করি, তারা কিভাবে লিপিবদ্ধ করেছে, তো দেখা যায়, বাড়ির ধরন থেকে শুরু করে, গাছের সংখ্যা, জায়গার পরিমাণও তারা কম লিপিবদ্ধ করেছে, এবং এই বিষয়টির ব্যাপারে প্রমাণ স্বরূপ তাদের জানানোর পর তারা জানায় এটি এখনি ঠিক করা পসিবল এবং এবং এজন্য ৩ লক্ষ টাকা চায়।
applied through online for mutation of my apartment thrice already. everytime land office rejected my application whereas other apartment owners of the said building mutated each with Taka 35000 as bribe.
২০২০ সালে আমি পাসপোর্ট বানাই। ইউটিউব দেখে নিজে আত্মবিশ্বাস পাই নিজে নিজে আবেদন করার। আবেদন করিও। যে পাসপোর্ট বড়জোর ২ মাসে পাওয়ার কথা। সেই পাসপোর্ট আমার হাত পর্যন্ত পৌঁছাতে ৭ মাস সময় নেয়। কোনো প্রকার দালাল ছাড়া নিজে নিজে করায় সম্ভবত এই হয়রানি করা হয়। আমার কোনো আর্জেন্সি ছিলো এজন্য, আমিও রেখে দিসি। যদিও পাসপোর্ট হাতে পায়েছি, কিন্তু এই ৬/৭ মাস সময় নেয়া সম্পূর্ণ অবান্তর।
বসুন্ধরার ডি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটের নাম জারি করার জন্য ক্যান্টনমেন্ট ভূমি অফিসে আবেদন করি। সেখানে আমার কাছে নামজারি করার জন্য প্রথমে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তারপরে আমি দিতে অস্বীকার করে অপারগতা প্রকাশ করায় কমিয়ে 1 লাখ 20 হাজার টাকা বলেছে। আমি সেটাও প্রত্যাখ্যান করেছি। আমি এখন পর্যন্ত নামদারি করতে পারিনি
NID CORRECTION আমার WIFE এর NID তে স্বামীর নাম এর বানান ভুল হয় যা আমার WIFE এর PASSPORT করার সময় ধরা পবে, আমি ONLINE সংশোধন করার জন্য সমস্ত পক্রীয়া সম্পন্ন করি। 1 মাস হতে চললো কোন sms আসে না, পরবতীতে লোক মারফত নারায়নগঞ্জ DC OFFICE এর পাশে যোগায়োগ করলে আমার কাছে প্রতি সংশোধন বাবদ 16000/- দাবি করে এবং বলে 1 দিনের ভিতর সংশোধন হবে, আরো বলে টাকা না দিলে 1 বছর এ ও কোন কাজ হবে না। এখন আমি কি করবো।
২০১৬ সালে বন্দর সিকিউরিটি গার্ড এ আমি শারীরিক এবং মৌখিক এ উত্তির্ন হয়, চাকুরী নিশ্চিত করতে আমার কাছ থেকে ৬লাখ টাকা দাবি করে আমি দিতে পারিনি
ভুলবশত আমার নাল জমি ভিটি জমিতে অন্তভূক্ত হয়ে যাওয়াতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের এস এ শাখায় আবেদন করার জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে যাই। তখন দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে খতিয়ান সহ অন্যন্য ডকুমেন্টের সাথে।
আমি একজন উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার, বর্তমানে দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতির পর ও আমার প্রতিষ্ঠান কালোতালিকাভুক্ত হওয়া থেকে বাচাতে লস হওয়া সত্তেও কাজ শেষ করি, কিন্তু বিলের উপর ২.৫% ঘুষ দাবি করে দীর্ঘদিন হয়রানি করছে।
জমির দলিল খুঁজে দিতে ৭০০ টাকা দাবি করে, নান্দাইল ভূমি অফিস। প্রচুর পরিমাণে দালাল দালাল ছাড়া একটি ইট ও কথা বলে না। দয়া করে মুক্তি দিন,
দলিল লেখকের মাধ্যমে টাকা দাবি। টাকা না দিয়ে স্বশরীরে গিয়ে দলিল করতে গেলে নানারকম প্যাচানো কথাবার্তা বলে কাজটি করেনি। সাবরেজিস্ট্রার বলে আইনে আছে সবার সমান জমি নিতে হবে অথচ অনেক বন্টননামা দলিল কমবেশি করে উনিই করেছেন। জমির ভ্যালু যেহেতু সবজায়গায় এক নয় তাই জমির পরিমাণ সবাইকে সমান দিয়ে বন্টননামা করানো সম্ভব না। অথচ যারা টাকা দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হয়নি। তাদেরকে ঠিকই কমবেশি করে বন্টননামা করে দিয়েছেন।
পাসপোর্ট করতে যে সব কাজগ লাগে সব কিছু ঠিক থাকার পরও বিভিন্ন ভুল ধরে যেমন এনআইডি ভেরিফিকেশন, বউয়ের বাবা মায়ের এনআইডি, আমার কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র আরো অনেক কিছু যাতে আমি দালালের কাছে যায় পরিবর্ততে অনেক গেনজাম করে করতে সক্ষম হই যদিও আমার সামনেই ৫/৬ জন কে এরকম হইরানি করে দালালের কাছে পাঠালো জাস্ট এনআইডি কপি দিল আর পাসপোর্ট করল। এটা প্রমানের জন্য জাস্ট পাসপোর্ট অপিসে যান দেখবেন এভাবেই চুরি ডাকাতি করছে পাসপোর্ট অপিসের লোকেরা।
বাবার উওরাধিকার রা নামখারিজের জন্য আবেদন করেন। সরকারী ফিতে করদে অফারগতা প্রকাশ করে সংস্লিস্ট ভূমি অফিস। তারা সাফ জানিয়ে দেয় ২৫০০০ হাজার টাকা না দিলে তারা এই কাজ করতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয়।
আমি গতকাল উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে , গিয়ে ছিলাম আমার নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য। তারা আমার কাগজ পত্র দেখে সব ঠিক থাকার পরও আমাকে আরো নতুন নতুন কাগজ দেখাতে বলছিল । এগুলা পাসপোর্ট বানাতে কোন প্রয়োজনই নেই । বাহ আবেদনের রিক্রুটমেন্ট নেই। তাও শেষে যখন তারা আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে আটকাতে পারল না । শেষে তারা বলে আমার দাদার জন্ম নিবন্ধন লাগবে । এইটা কোনো কথা। এরা সরাসরি ঘুষ চাইতে পারবেনা বলে এরকমভাবে মানুষদের হয়রানি করে । তারপর আপনি যখন বাহিরে যাবেন তাদের পরিচিত দালালরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে কি সমস্যা হয়েছে । তখন যদি আপনি বলেন যে এই সমস্যা হয়েছে তখন বলবে যে চলেন আমি ঠিক করে দেই । এই হলো তাদের অবস্থা? সরকারি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে আবেদন তারা যেনো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে।
নামজারির জন্য ৮০০০ টাকা চেয়েছিল। শ্রীপুর এসিলেন্ড অফিসের একজন। না দেওয়ায় আমার নামজারি বাতিল করে দেয়।
বিদ্যুতের খুটি সরানোর জন্য সরকারিভাবে আবেদন করা হয়েছে তারা চা নাস্তার খরচের জন্য টাকা চেয়েছে
বাউনিয়া ভুমি অফিসে ২.৫ কাঠার জমি শেয়ার নিবন্ধন করতে চাইলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা কাজটি সম্পাদন করার জন্যে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে। তাই আমি কাজটি অসম্পাদিত রেখে এসে পরি।।
২০১৪/১৫ সালে রিটেন এ পাশ করে ভাইভা তে পাশ করি কনফার্ম করার জন্য ঘুষ চেয়েছে ১৫ লাখ
On May 19th, 2026 I applied at Halishohor BRTA for second hand car ownership transfer and received Acknowledgment copy same day. Its been more than 3 months now but I have still not received SMS from BRTA for givinf my finger print for new smart card under my name. I already visited BRTA more than 5 times in last 3 months and they cannot guarantee me when I might receive the SMS to provide fingerprint. I checked in many Facebook groups on the same issue, where many brokers are asking 1500-1800 taka to get the job done, but when I ask them what is the fee related to no one can give any firm answer.