UPEO Office, DPEO Office
শিক্ষা অফিসে যেকোন কাজে ঘুষ দিতে ৷ তার মধ্যে রংপুরের শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের সন্তুষ্ট না করলে হয়রানির শেষ থাকে না ৷ এই ভুল সেই ভুল, ফাইল হারায় যাওয়া কত কাহিনী ৷ এগুলো দেখার কেউ নাই…
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
শিক্ষা অফিসে যেকোন কাজে ঘুষ দিতে ৷ তার মধ্যে রংপুরের শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারীদের সন্তুষ্ট না করলে হয়রানির শেষ থাকে না ৷ এই ভুল সেই ভুল, ফাইল হারায় যাওয়া কত কাহিনী ৷ এগুলো দেখার কেউ নাই…
প্রথম সরকার চাকরি ছিলো। পে ফিক্সেশন করার করার পর হিসাব রক্ষন অফিস থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে স্যালারি ওপেন করার জন্য। শেষমেশ ফিক্সেশনে র ৩ মাস ১৫০০ টাকায় বেতন একাউন্টে ডুকে। এতদিন টাকা দেওয়া হয়নি বলে কাজ হয়নি। Gpf একাউন্ট এপ্রোভ করার জন্য ৫০০ টাকা করে চায় পরে। ২০০ টাকায় মেনে নেয়। বদলির জন্য LPC আনতে গেলে ২০০০। আবার lpc রিসিভ করার জন্য ৫০০ টাকা।।
কারন ছারা বুল বুঝিয়ে এবং বুল তথ দিয়ে টাকা চাই, আমার জরুরি দরকার ছিলো ,তাই দিতে হয়,
আমি গিয়েছিলাম আমার বাবাকে নিয়ে আমার বাবা জমি বিক্রি করবে আমার দাদা ও দাদীর উত্তরাধিকারী । জমির পরিমাণ ছিল 9 শতাংশ, সূত্রে খাজনা রশিদ নিতে নিতে যাই তখন তারা বলতেছে তারা বলতেছে কাজ না রশিদ নিতে গেলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে না হয় খাজনা রশিদ দেওয়া যাবে না । না হয় আরেকটি রাস্তা আছে নাম জারি করেন ২৫ হাজার টাকা দেন ৯ শতাংশ নাম জারি করিয়া দিব কোন উপায় না পেয়ে সর্বশেষে 20000 টাকা দিতে রাজি হই। সব সময় প্রতিটি সেবার জন্য গন্ডা ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কথা বলে না। জেলা নেত্রকোনা থানা কেন্দুয়া ইউনিয়ন গন্ডা ভূমি অফিস
অফিসে পাসপোর্ট করতে গেলে দালালদের একটা কোড দিতে হয় নাই তো বা আপনি যদি রাইট করি তদন্ত দেন তাও এটা ভুল তারা ধরেন আবার পুনরায় বাসা থেকে আবার যাতায়াত করার যাওয়া লাগে তারপরও দালাল কোড না দেখলে তার আ বার এটা ক্যান্সেল করে,, দালালের কোটের কারণে 1500 থেকে 2000 টাকা সরকারি ফি থেকে বাড়তি হয়,, চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে আর কোন অফিসে এমন হয় কিনা জানাবেন
NID সংশোধন করার কারনে নতুনভাবে NID দিয়ে EFT করতে এই দাবি করা হয়।
চোর বাসা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে স্টার্ট করতে না পেরে ফেলে যায়, মানুষজন সেটা পেয়ে পুলিশের নিকট জমা দেন। পরে উপযুক্ত প্রমাণ সহ থানায় যোগাযোগ করলে ২০০০০ টাকা ছাড়া মোটরসাইকেল দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ২০০০০ টাকা দিই।
আমার নিজের বিএস করার জন্য। চার শতাংশ জমির জন্য। চার হাজার টাকা দিতে হইছে। ২৫ সালে পরে এক বছর পরে বি এস কাগজের সাইন নেওয়ার জন্য আবারো দাবি করে তিন হাজার টাকা। কিন্তু অবশেষে আমার 500 টাকা দিতে হইছে।
পাসপোর্ট এর জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছি। তারপর ছবি তোলা এবং বায়োমেট্রিকের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি। গেটে ঢুকতেই বলল আপনার বার কোড নেই। কম্পিউটারের দোকানে গেলাম ওখানে একটা নাম্বার লিখে দিল আমার কাগজের উপরে। এরপর আর বারকোড না থাকা সত্ত্বেও আমাকে আটকালো না। ২০০০ টাকার পাওয়ারে সরাসরি ছবি বায়োমেট্রিক পর্যন্ত চলে গেলাম কোন বাধা ছাড়া। আমি কম্পিউটার ওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা ? তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিতে হবে। আমি তাকে হাসির ছলে জিজ্ঞেস করলাম নাম্বারটা কিসের বা এ টাকা কে নেয়। সে আমাকে বলল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা এখান থেকে টাকার ভাগ নেয়। এই নাম্বারটা অফিসারদের গোপন নাম্বার।
আমি একটা জমি কিনেছিলাম। বিক্রেতার সাথে আমার কথা হয়েছিল যে নাম জারি এবং দলিলের খরচ আমি দেব। বিক্রেতার নামে জমির নাম জারি করা ছিল না। আমি যখন ভূমি অফিসে যাই তখন আমার কাছে ১১ হাজার টাকা দাবি করে। আমি দিতে বাধ্য হই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে ঘুষ ছাড়া কোন চাকরি নাই। ডাবল মাস্টার্স, প্রচুর পাবলিকেশন থাকা সত্বেও চাকরিতে নেয়নি। বরং ঘুষের বিনিময়ে বয়স শিথিল করে নিয়োগ দিয়েছে।
টিকাটুলি কামরুন্নেসা সরকারি স্কুলের অফিস সহায়ক কাজ করেন কম্পিউটারে ২০০ টাকার কাজ করতে নেয় ১৫০০ _২০০০ টাকা।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ২০২১ সালের দিকে টাকা নিসিলো ৬৫০০ মত।
জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে হয়রানি স্বীকারত হয়। জন্ম নিবন্ধন আবেদনে বাড়ি রশিদ এন আই ডি কার্ড, ডেন্টাল সার্টিফিকেট, স্কুলের সনদ এবং পুরনো জন্ম নিবন্ধন এবং পাসপোর্ট প্রয়োজন। কিন্তু তারা এমনভাবে হয়রানি করে মানে সব প্রমাণ বা ডকমেন্ট তাদের কাছে নিয়ে গেল তারপর বলে যে কাজ হবে না। উপজেলা যেতে হবে। উপজেলায় গেলে তারা বলে কাজ হবে না কেন তাদেরকে গিয়ে বলেন কাজ করে দিতে। ওখান থেকে সব কিছু জানে,কাজ করে দেবেন । ইউনিয়নের পর শুধু আসলে তারা বলে প্রশাসকের সাথে আলাপ করতে কিন্তু প্রশাসকের কাছে আলাপ করলে তিনু কাজটি করতে নারাজ হয় এবং ঘুষ চায়। এত টাকা হলে কাজ করে দেবে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার থেকে বলে দেয়। ওখানে বলার সচিবের জানে স্যার বলে ডিজিটাল সেন্টার জানে। তারা কাজটাকে এত বড় কঠিনভাবে তৈরি করব বুঝায় কাজটি
মাঝ জরিপের কাজে ঘুষ না দিলে কোন মাঠ পর্চা পাওয়া যাচ্ছে না
আমার কম্পানি বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানে এ কাজ করে। বিষয় হল যখন বিল ছাড়ান হয় তখন সকল অফিস যেখানে যেখানে আমি কাজ করি AG খরচ হিসাবে ১ থেকে ২ % পর্যন্ত টাকা নিয়ে থাকে এটা সব কম্পানির সাথে হয়। ধরুন যদি ৩ বা ৫ কোটি টাকার বিল ছাড়ান হয় তাহলে বুজতে পারছে কি বিশাল একটা ammount হয়ে যায়। আমি যে যে অফিসে কাজ করি সব প্রতিষ্ঠানই একই সিস্টেমে চলে। সবাইকে আমাদের এই ১ বা ২% টাকা দিয়েই বিল ছাড়াতে হয়।
২২-২৩ অর্থবছরে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা দিয়ে পাস করি তারপর সমস্ত কাগজ জমা দিবো ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য কিন্তু বলে আপনার এই কাগজ নেই ওইটা নেই ফাইল জমা নেয় না,,যা যা কাগজ চাইলো সব সংগ্রহ করে আবার জমা দেওয়ার জন্য গেলাম হইল না তারপর বাধ্য হয়ে দালালকে ১২০০ টাকা দিয়ে ফিঙ্গার দেওয়ার জন্য ডেট নিলাম,,,
নোয়াখালী হাই মাইজদী কোর্টে আমাদের বাড়ির একটা বন্টকের মামলার, আমি শুধু মামলার শুনানির কপি তুলতে গুয়েছিলাম সেখানে জীবনে প্রথম আমাকে ৭০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। রক্ষক যখন ভক্ষক হয়, তখন মানুষ কার কাছে যাবে?
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, গাজীপুরে গিয়েছিলাম একটি ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য। কর্মকর্তাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে সাইন করার জন্য এবং তিনি বললেন যে ঐ রুমে যান সীল দেবার জন্য। সেখানে অফিস সহকারী সীল দেয়ার আগে বলল টাকা দেন অনেক ব্যস্ত। তখন আমি বললাম যে কিসের টাকা, তখন সেই অফিস সহকারী আমার ফাইলটি আমার সামনে ছুড়ে মেরে বললো জানেননা এখানে টাকা লাগে? তারপর টাকা ৫০০ টাকা দিয়ে সাইন করিয়ে আনলাম।
Aro টাকা নিয়েছে টাকা না দিলে অনেক সময় লাগবে প্রোডাক্ট পাবো কিনা তাও নিশ্চয়তা নেই তবে সেই একই কাজ টাকার মাধ্যমে দ্রুত করেছে আসলে এরা রক্ত খেকো অর্থাৎ মানুষের রক্ত চুষে খায় এই দুর্নীতি কমাতে সরকারকে পরামর্শ দিব ট্যাক্সের বিষয়গুলো শিথিল করা যাতে করে সরকারি কোষ আকারে সম্পূর্ণ টাকা জমা হয় সেই ক্ষেত্রে ইন্সট্যান্ট ট্যাক্স করে প্রোডাক্ট ছেড়ে দেওয়া নয় তো বা সাধারণ জনগণ হয়রানির শিকার হয়