জন্মনিবন্ধন
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পরিবারে সদস্যদের প্রতিটি জন্মনিবন্ধন করেত হিসাব সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর কে ১০০০/১৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমার বিরুদ্ধে নামজারি খতিয়ান মিস কেইস ছিল, আমার কাছ থেকে ৩০০০ টাকা নেয়। পরে কৌশল অবলম্বন করে আরো দিতে বলে, আমারা দি নায়, আমাদের কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও, আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। বাদীর পক্ষ থেকে অধিক টাকা নিয়েছে।
লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট করতে হয়। আমার মেসের পাশে শেরেবাংলা নগরে National Institute of Mental Health-এ ডোপ টেস্ট করতে গিয়েছিলাম। ডোপ টেস্ট যেদিন করলাম রিপোর্ট পাইলাম তারপরের দিন। আবেদনের পরবর্তী ধাপে রিপোর্ট এটাচ করে আবেদন পত্রটি সাবমিট করি। কিন্তু বারবার BRTA থেকে রিজেক্ট আসতেছিল, বলছিল যে ডোপ টেস্টের রিপোর্টটি "হাসপাতাল থেকে ডোপ টেস্টের স্ক্যান কপির ইমেইল পাই নি"। এভাবে দুই সপ্তাহ চলে যাওয়ার পরে আমি আবার হসপিটালে যাই ওইখানে Department of Clinical Pathology তে গিয়ে কথা বলে জানতে পারি যে ওরা BRTA-তে মেইল পাঠাই নাই আমার রিপোর্টটি। এবং অনেকের রিপোর্ট এখনো পাঠায়নি অথচ ২ সপ্তাহ হয়ে গেল। পরে এক দালাল আসলো বললো ২০০০টাকা দিলে এখনই পাঠাবে আর তা না হলে কমপক্ষে এক মাস লাগবে।
আদালতে একটি মামলা চলমান ২০২০ সাল থেকে, কিন্তু এখন যেই স্তরে আছে, সেই স্তর থেকে সামনের স্তরে নিতে, ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়, (মুরি) পেশকারের কাছে গেলে তিনি বলেন মহুরির সাথে কথা বলতে, তবে উকিল সাহেব এর এই খানে অপরাধ নেই, কিন্তু তিনি কিছু বলতে পারছেন না,
অহরহ আমদানি কারক এভাবে আমদানি করছে।অনেক আগে থেকে এভাবেই মালামাল আসছে।শুল্ক গোয়েন্দা অফিসাররা আসছে আমার মালামাল দেখার জন্য। জিজ্ঞেস করেছি,কি ধরনের তথ্য পেয়েছেন আমার মালামালে উপর।ওরা বলছে,আপনি সিগারেট নিয়ে এসেছেন।অথচ,আমার মালামাল ছিল ছোট পাখা। আমার মালামাল সঠিক পাওয়ার পর, উনারা ইঞ্চি নিয়ে বেশ ঝামেলা শুরু করেছে। অথচ এই দেশের বাজারে পাখা গুলো এভাবেই আসতেছে। আমার মালামাল সঠিক পাওয়ার পরেও আমার কাছে ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে। ১ টা টাকাও কম দিতে পারিনি। শুল্ক গোয়েন্দা মানেই হয়রানি।। অথচ রাঘববোয়ালদের কেউ ধরতে পারে না।।
It was when police verification was mandatory, we had to visit designated village for verification process where the police in charge began discussing how some of our data is missing and it may cause serious delay/cancelation in passport making process (Note that all our papers were in order, we checked as per instructions). Then told us how he would have to pay some people to ensure our passports are properly handled, and quoted an amount to pay while acting it was not for him but for the 'people'. Since we had no strong guardian with us to debate and we were in his territory, we had to pay up for his final approval. It truly left a bitter taste for us all.
আমি জমির খারিজের জন্য একজন ব্যক্তির সহায়তা নিই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি ধাপে ধাপে আমার কাছ থেকে ৪৪,০০০ টাকা নেন। পরে জানতে পারি, সরকারি ফি প্রায় ১,১১০ টাকা। বৈধ কাগজপত্র নিয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব তা গ্রহণে অস্বীকার করেন। পরে শ্রীপুর উপজেলা ভূমি অফিসে পূর্বের ব্যক্তিকে সঙ্গে আনতে বলা হয়। সেখানে এক কর্মচারী টাকা দাবি করেন; 5000 টাকা, কথনের ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষিত আছে। চাপের মুখে আরও ৫,০০০ টাকা দেওয়ার পরই খারিজের কাজ সম্পন্ন হয় আর সেখানে আগের ব্যাক্তি কে ডাকা সম্ভব ছিল না কারণ সে আরো টাকা দাবি করছিল যা না দিলে সে খারিজ এর কাগজ দিবে না বলেছে । মানে টোটালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিস সব chained corrupted ।
আমার নামে কোর্টে আমার একজন প্রতিবেশী বাড়ি তৈরির সময় ভুয়া মামলা করেছিলো। সেই সময় মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা সঠিক তদন্ত পাওয়া স্বত্তেও সেই সঠিক রিপোর্ট করার জন্য আমার থেকে ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। আমি দিতে বাধ্য হয়েছি তার কারন ছিলো আমার অসমাপ্ত বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে।
আমার মায়ের পায়ের ব্যান্ডেজ খুলে দেবে এজন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল থেকে আমার কাছে থেকে ১০০ টাকা নিয়েছিল
জজ কোর্টের রায়ে জমি পাইছি। নামজারী করতে গেছি ফিরিয়ে দিচ্ছে। বলতেছে ডিসির পারমিশন লাগবে। নইলে ৫০ হাজার লাগবে
আমার জমিটা আমার নিজের কিন্তু আমার সাথে ঝামেলা করার জন্য আমার নিজের ভাতিজা মামলা করেন। পরে সেটা আদালতে অভিযোগ উঠে। আইনজীবী আমাকে বলেন আমাকে ২০০০০০ টাকা দিলে মামলা নিষ্পত্তি করে দিবেন বলেন। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার মামলাটা আজ ১২ বছর ঝুলিয়ে রাখছেন।
রামগতি উপজেলায় প্রাইমারি শিক্ষক বদলির ম্যানুয়ালি প্রক্রিয়া চলছে। সিনিয়রিটি এবং দুরত্ব যাছাই না করে এমপি পি এস এবং শিক্ষ অফিস মিলে রাজনৈতিক বিবেচনায় লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে পদলি দিচ্ছে। যোগ্যরা টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাদের বদলি হচ্ছেনা।
২০১৬ সালের দিকে এনআইডি কার্ড বানানোর জন্য জম্ম নিবন্ধন প্রয়োজন ছিলো সেটা করার জন্য গিয়েছিলাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যলয়ে। সরকারি ভাবে জম্ম নিবন্ধন বানানোর টাকা দিতে হয় ৫০টাকা ওইখানে একটা নোটিশ ও ছিলো ৫০টাকা সরকারি ফি। কিন্তু কর্মকর্তারা বয়স হিসাব করে টাকা নিয়েছে মানুষের কাছ থেকে যেমন আমার বয়স ছিলো তখন ১৮ আমার দেয়া লাগছে ১৮০০ শুধু আমি একজন না শত শত মানুষের কাছ থেকে নিয়েছে একিভাবে।
আমি দুই মাস আগে আমার বড় ভাই এর পাসপোর্ট হারিয়ে গেছিল আমি আর আমার বড় ভাই থানায় যায় একটা জিডি করতে। থানার ডিউটি অফিসার বলে বলে জিডিটা অনলাইনে করতে হবে, প্রশ্ন করলাম আপনার এখান থেকে কি করে দেওয়া যাবে না, বলল না। পরে দেখাইয়া দিল আপনি সামনের কম্পিউটার এর দোকান আছে ঐখান থেকে করে নিয়ে আসনে। গেলাম করে দিল ২০০ টাকা রাখল। পরে শোনলাম এই কাজের একটা অংশ থানা পাই। এই কাজটা করার কথা ছিল ডিউটি অফিসারের নিজের। পাগলা থানার সামনেও সেইম সিন্ডিকেট ঘড়ে উঠেছে।
বিষয়টি আমাকে খুবই খারাপ লেগেছিল আদালতের আমাদের একটা রিপোর্ট আসে আমাদের কাছে টাকা চায় আমরা যদি পাড়ায় আমাদের বিবাদীদের কাছে নিয়ে ওদের পক্ষেরই রিপোর্ট দেয়
কিশোরগঞ্জ হতে চামটা ঘাট রাস্তা প্রশস্ত করন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহনের টাকা তুলতে ৬% কমিশন তারা নিচ্ছে তাছাড়া টাকা দেয় না। কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরও নানা কারনে আটকে রাখে। মোট কথা তারা ৬% করে টাকা নিচ্ছে।
আগের ইঞ্জিনিয়ার ইচ্ছে করে সাইন করে দিয়ে যাইনি যাতে পরবর্তীতে তার কাছে আমার যেতে হয়।। একটু কাজ বাকি ছিল কাজ শেষ করার পর বিল করতে গেছি দেখি আগের ইঞ্জিনিয়ার সাইন নেই।। সাজানো দশ দিন ঘুরার পর সে তার কাছে যেতে বলে।। এটা আমার যাওয়ার কথা না অফিসেরভাবে যাওয়ার কথা।। যেতে চাওয়ার কারণ সে টাকা নেবে ঘুষ নেবে।। পনের হাজার টাকাই দফা রুপা হয়। ২ দিন পর অফিসের পিয়ন দিয়ে টাকা দিয়ে পাঠানোর কথা।। ২ দুইদিন যাওয়ার পর আজকে পিয়ন টাকা নিয়ে গেছে সাইন করানোর জন্য। এভাবে দুর্নীতি চললে মানুষ কি করবে।।
আমার নামজারি আমি নিজেই করেছি আমার যাতায়াত ভাড়া ও সবকিছু মিলে ৪ হাজার এর মতো টাকা লগছে। নামজরি হয়ে যাওয়ার পর যখন খাজনা কাটতে তফসিল অফিসে গেলাম সেখানে আমাকে বললো আপনি এভাস্টক নিয়ে আশেন। আমি জিজ্ঞেসা করলাম এটা কোথায় পাবো তারা বললো আমি নামজারি যাকে দিয়ে করিয়েছে তাকে গিয়ে বলেন সে দিবো আমি বললাম আমি নিজেই করেছি। অফিসের সেই লোক বলো এজন্যই আপনি পান নাই। পাশে ওনার কলিক হবে সম্ভবত উনি জিজ্ঞেসা করলো কী সমস্যা ঔ ভাই বললো এভাস্টক নেই General নামজারি করছে। লাইনে করে নাই। আমি দেখলাম যে কাগজটা ওনারা চাচ্ছিল ঔটা ওনারের অফিস থেকেই অনেকে প্রিন্ট করে বের করে দিচ্ছে। আমকে বললো আপনি আটি বাজার ACLand অফিসে জান ঔ খানে গেলে আপনাকে এভাস্টক দিবে আমি গেলাম যাওয়ার পর ঔখানের একজন আমাকে বললো দেওয়া যাবে এভাস্টক ৩০০০ টাকা
এটা ২০২৩ সালের ঘটনা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যখন পুলিশ আমার বাড়িতে আসে এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করে তোমার বাবার নাম কি সবকিছু জিজ্ঞেস করার পরে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকার পরে বলে ৮০০ টাকা দিতে হবে। আমি বললাম কেন ৮০০ টাকা দিতে হবে বলল এটা খরচ। আমি বললাম এ খরচ তো সরকার দিবে আপনাদেরকে এটা সরকারি কাজ। তারা বলল সরকার কি দেবে কি দেবে না সেটা দেখে তোমার লাভ নাই। তুমি যদি না দাও তাহলে তোমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স পাওয়া না। এটা ঝুলে থাকবে।আমি ৮০০ টাকা পরিশোধ করার পরে তারপর তারা আমার পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জমা দিয়েছিল।
আমি এম আর আর উঠাতে গেছি। বলছে আছে কিন্তু দেয়ার নিয়ম নাই। অনেকক্ষণ বসে থাকার পর অফিসার আমাকে কিছুটা ইঙ্গিত দেয় যে দেয়া হবে পরে আমি বুঝলাম যে হয়তো তারা টাকা নিলে দিবে তারপর পকেট থেকে ৫০০ টাকা বের করে লুকিয়ে উনার হাতে দিলাম তারপর উনি ওনার লোককে বলল জান এটা নিয়ে যে ফটোকপি করে দেন এটা হল বগুড়ার সাধারণ উপজেলার রানিহাট ইউনিয়নের ভূমি অফিস