নামজারী
আমাদের বংশীনগর মৌজা, পাথরঘাটা ভূমি অফিসে ৫টি,নামজারী করার জন্য আমার চাচার কাছ থেকে, ঘুষ নিয়েছে। দ্রষ্টব্যঃ আমি নিজে কয়েক বার অনলাইনে আবেদন করেছি কিন্তু ঘুষ দেইনি বলে নামজারী হয়নি...
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমাদের বংশীনগর মৌজা, পাথরঘাটা ভূমি অফিসে ৫টি,নামজারী করার জন্য আমার চাচার কাছ থেকে, ঘুষ নিয়েছে। দ্রষ্টব্যঃ আমি নিজে কয়েক বার অনলাইনে আবেদন করেছি কিন্তু ঘুষ দেইনি বলে নামজারী হয়নি...
জমির ট্যাক্স ছিলো ৩১০০০ টাকা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার আমার থেকে ২০০০০ টাকা নিয়ে ট্যাক্স দিয়েছে ৭০০০ টাকা। বাকী টাকা সে পকেটে ঢুকাই ফেলছে। কিন্তু আমার কথা হলো সে কিভাবে ৩১০০০ টাকার ট্যাক্স ৭০০০ টাকায় করে ফেললো? ট্যাক্স রশিদে বর্তমান অর্থবছর পর্যন্ত ই পরিশোধিত হয়েছে। আমি ৩১০০০ টাকা ই দিতাম, উনি বললো আমাকে ২০০০০ টাকা দেন, করে দিচ্ছি। ব্যাপারটা ধোঁয়াশে।
আমি লালমোহন পৌরসভার একজন কর্মচারী। আমার মাসিক বেতন সর্বসাকুল্য এমুহূর্তে ৩৫ হাজার টাকা। বেতন উত্তোলন করতে গিয়ে সচিবকে ১০% অর্থাৎ ৩৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ভোলা জেলার লালমোহন পৌরসভা সচিবকে ১০% ঘুষ না দিলে কারোই বেতন হয় না।
পাসপোর্ট অফিস সে কাগজ জমা দিলে একা না ভুল তার বের করে এবং যখন কম্পিউটারে দোকানে যখন আবেদন করতে গেল তাদের একটা নিধারিত ৮০০০টাকা না দিলে। তারা এই ভুল গুলো বের করে। কম্পিউটারে দোকানদার ফরমে কোন কাড দেই তাই তারা ৮০০০টাকা যারা দেই। তাদের কোন সমস্যা হয় না। পাসপোর্ট অফিসে তারা ওই ৮০০০হাজার টাকা থেকে ভাগ পায়।
Vhumi office e 2000 taka dilee Ora kisukkhoner jonno online open koree & oder maddhome Khajna korate hoy. Taholee online koree lav ki holo? Jodi nijer jomir khajna nijei deoa na jai.
যুগ্ম জেলা জজ ০১, নরসিংদী এর পেশকার আমার কাছে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। আমি একটি মামলার আসামী। নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট অ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার মামলা। আমাকে খালাস করিয়ে দিবে দাবি করে এখন ৩০ হাজার, রায় হলে ২০ হাজার- মোট ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে। নয়ত আমার সাজা নিশ্চিত করিয়ে নথি গায়েব করে ফেলবে যেন আপীল করার সুযোগ না পাই সময়মত- এই হুমকি দিয়েছে।
২০১৯ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। এবং আমি পাসপোর্ট অফিসের দেওয়া সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম নির্ভুলভাবে। তারপরেও পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে একজন দারোগা দাউদকান্দি থানার ১৫০০ টাকার মাধ্যমে আমার ভেরিফিকেশন করে দেন।
Mymensingh Jela sub registered office jomir dolil korte gele okhane thaka , dolil lekhok+ register office atirikto taka dabi kore. Emon ki office er proti ti officer taka hate na dile kaj kore na. Ora open e taka nitese..
আমি জমি নাম জারি করতে গিয়ে ১১৭০ টাকা খরচের পরিবর্তে আমাকে ১৪০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। সরকার যতই ১১৭০ টাকা বলুক ভূমি অফিসে আমাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে ঠিকই আমার কাছ থেকে ১৪০০০ টাকা নিয়েছে এই হচ্ছে বাস্তবতা।
বিদ্যালয় মেরামতের বা সংস্কারের জন্য ১৫০০০০ টাকার বরাদ্দ আসে। তা টিইও তার একাউন্টে ভেট আেইটি 30000টাকা কর্তন করে অবশিষ্ট 120000 টাকা দিতে টিইউ 10000, কেরানি 5000 এটিইও 10000 টাকা নিয়ে নেয়। না হয় বার বার বিদ্যালয়ে এসে ডিস্টার্ব করা শুরু করে।
কয়েকদিন আগে ও এই সাইটে আমি লিখেছি এখন আবার লিখছি আমি একজন ব্যাংক ব্যবস্থাপক। আমরা ব্যবসায়ী লোন দিতে গেলে জমি মর্টগেজ দিয়ে লোন দেই। গত বুধবার ও একইভাবে ১১০. ০০ লক্ষ টাকা মর্টগেজ করতে শুধু ঘুষ চাইল ২৭ হাজার টাকা তখন আমার পার্টি টিটো এন্টারপ্রাইজ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিলেন ২২ হাজার টাকা। আওয়ামীলীগ আমলে ঘুষ লাগত এই টাকা মর্টগেজ করতে ১০/১২ হাজার টাকা কিন্তু এখন লাগছে ২/৩ থেকে ৩ গুন। আমরা সদর মাগুরা রেজিস্ট্রি অফিসে ও মাঝে মাঝে মর্টগেজে যাওয়া পড়ে সব যায়গায় এই ঘুষ আগের থেকে বেড়েছে। হতাশ হতাশ হতাশ
ডিবি পুলিশ কোন কারণ ছাড়া আমার বাবাকে ধরে নিয়ে গেছিল এবং একটা পেন্ডিং মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছিল তার মুক্তির জন্য এজন্য তাকে এক লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে কিন্তু তার টাকাও নিল কিন্তু ছেড়ে দিলো না , সেই ডিবি ওসির খালিশপুর খুলনা। এই ঘটনাটি ঘটে 2025 ডিসেম্বর মাসে
এটি আমার জীবনের ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা। নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার কেন্দুয়া ভূমি অফিস এ আমি যাই আমার একই নামজারীর আবেদন নিয়ে। জীবনে তখন কোনোদিন কোনো ঘুষ দিয়ে কাজ করায়নি। অফিসের অফিসের লোকজন আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ চায়। ফলে আমি খুবই রাগ করি এবং সরাসরি নায়েব সাহেবের কাছে বিচার দেই। ঘটনাটি ২০২১ সালের। নায়েব সাহেব বলেন উনি ১৫ হাজার টাকা চাইছে আমাকেই তো দিবে ১০ হাজার। পরে আমি বুঝলাম চোরের কাছে চোরের বিচার দিচ্ছি। তাই বাধ্য হয়ে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে রফাদফা করে আমার নামজারির কাজ সম্পূর্ণ করলাম। এরপর থেকে আমি আর সেই অফিসে যায়নি এখন অনলাইনে খাজনা প্রদান করি
আমার ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। তো সেখানে গেলে টাকা দিতে বলে কত দেব বলেনা এরকম দিতে দিতে ৫ হাজার নিয়ে নিয়েছে। আমাকে যখন রেনিউ এর কাগজপত্র দিল সেখানে দেখা গেল সরকারি সকল করসহ মোট ভাউচার দেয়া হয়েছে ২৭৮৩ টাকা। বাকি টাকা তারা নিয়েছে
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদনের পর কাগজপত্র নিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় যাই, সেখানে যে এস আই কর্মকর্তা ছিলেন তিনি আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করায় আমি সেখানের ওসি সাহেবকে বিষয়টি জানাই। তিনি পুলিশ কর্মকর্তাকে কিছু না বলে উল্টো আমাকে বকাঝকা করেন। এবং বলেন সে তোমার কাজ করবে তাই কিছু টাকা তো দিতেই হবে। এবং তিনি ৩৫০০ টাকা নিয়ে আমার কাজ শুরু করেন। এখন আমার কথা হচ্ছে তাদের যদি আলাদা ভাবে টাকা দিতেই হয়, তবে আমাদের কাছ থেকে আবেদন এর সময় কেন ১৫০০ টাকা কেটে নেয়?
আমি ঢাকা কার্যালয়ে লেবার ইনসপেক্টর হিসাবে ছিলাম। সরকারি অফিসারদের তিন বছরের বেশিস এক ষ্টেশনে থাকার নিয়ম নাই। তাই আমার চার বছর হওয়ায় আমার কাছে টাকা দাবী করা হয় পাঁচ লাখ। আমি দেই নাই তাই আমাকে বদলী করা হয় । কিন্তু এখনো ঢাকা অফিসে চার থেকে পাচ জন লেবার ইনসপেক্টর আছে যাদের প্রত্যেকে টাকার বিনিময়ে কারো ৭ বছর, ৬ বছর বা ৫ বছরের বেশি দিন ধরে আছে। এই অধিদপ্তরে বদলীর কোন নিয়ম নাই, টাকা দিলে আছে না দিলে নাই।
দেশে পড়তে যাব বলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর প্রয়োজন ছিল | কিন্তু থানার যে লেখক কনস্টেবল সে আমার কাছে পেলে আমার এবং আমার ভাইয়ের পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য দশ হাজার টাকা প্রয়োজন | ১০ হাজার টাকা নিয়ে নেয় | কিন্তু কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও তারা সম্পূর্ণ কাজ করেনি যে থানার কাজটুকু করে আমাকে পুলিশকে রেজিস্ট্রি প্রদান করে এবং এসপিওপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওগুলো কাজও আমার নিজের হাতে করতে হয় |
মোট পাঁচটি নামজারি ছিলো। টাকা না দিলে নামজরির ফাইল পেন্ডিং হয়ে থাকতো। সার্ভেয়ার রিপোর্ট দিতো না। পরে, যোগাযোগ করলে আলাদা স্থানে দেখা করতে বলে এবং টাকা দাবী করে।
জমির দাখিলা কাটার জন্য গিয়েছিলাম।সেখানের কর্মচারি কিছু টাকা দিতে বলছিল স্যারের কথা বলে।মানে নায়েবের কথা বলছিল।যদিও মনে হয়নি নায়েব এমনটা করছে।মুলত অফিস সহায়কই এমন কাজ করে থাকে যানতে পারছি।
বরাবর মাননীয় চেয়ারম্যান/পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বিষয়: HSC (BM) ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি এবং টাকা প্রদান না করলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার কথা বলার বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মহোদয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি ২০২৬ সালের HSC (BM) পরীক্ষার একজন পরীক্ষার্থী। আমি সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ, নান্দাইল