থানা পুলিশ
একটা জমির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও পরবর্তীতে মাজিস্ট্রেট এর আদেশে উক্ত জমি উদ্ধার করতে গেলে থানার একজন ঘুষ দাবি করে।।
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একটা জমির মামলার রায়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও পরবর্তীতে মাজিস্ট্রেট এর আদেশে উক্ত জমি উদ্ধার করতে গেলে থানার একজন ঘুষ দাবি করে।।
আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইমটি ইপিআই হিসেবে ৫ বছর ধরে কাজ শিখে ২০২৬ সালে ভার প্রাপ্তহিসেবেনিয়োগ প্রাপ্ত হই।গোপন সূত্রে জানতে পারলাম ইমটি ইপিআই পদে নিয়োগ দিচ্ছে ।আমি ঢাকা হেড অফিসে যোহাযোগ করলে বলে চার লক্ষ টাকা দিলে আমাকে পদন্নতি দিবে। আমি টাকা দিতে রাজি হইনি।টাকা না দেবার কারণে অনঅভিজ্ঞ সহকমী কে চার লক্ষটাকার বিনিময়ে পদন্নতি দিয়েছে। আমি অবাক হলাম এই পোষ্টটি অত্যান্ত গুরুত্ব এখানে মানুষের জীবনের সুরক্ষার কাজ । কিন্তু টাকার বিনিময়ে একজন অনঅভিজ্ঞ লোককে কিভাবে পোষ্টটিং দেয় যে কোন প্রকার এ কাজের জন্য যোগ্য না।পরে ভাবলাম বাংলাদেশে সবই সম্ভব।আমার সন্তানরা আমাকে বলে সৎ থেকে তুমি কি পেলে।আমি উত্তর দিতে পারি নি।উত্তর আমার জানা নাই। সরকারিচাকুরিপ্রকাশ করা নিষেধ। উপর মহল জানলে চাকুরি চলে যাবে।
আমাকে বললো আপনি আমারে দশ লক্ষ টাকা দিবেন আর আপনি শুধু পরিক্ষার সময় উপস্থিত হবেন। আপনি শুধু নাম আর রোলটা লিখবেন।আর কিছুর প্রয়োজন হবে না টাকা দিবেন দশ লক্ষ। এখন দিবেন ৫০% বাকিটা জয়েন করার পরে। আমি দেইনি।
জমি নামজারি করার জন্য ২০,০০০ হাজার টাকা দাবি করা হয় , আমাকে বলা হয় টাকা দিলে ৭/৮ দিনের মধ্যে নাম জারি করা যাবে , টাকা না দিলে ২/৩ বছর ও লেগে যাবে বলে আমাকে জানানো হয় ,
আমার জমি নাকি খাশ জমি এই বলে আমাকে ১ বছর ঘুরিয়েছে। আমার কাছে ১ লাখ টাকা চেয়েছিলো এসিলেন্ড অফিসের এক দালাল পরে আমি তাকে৫২০০০ টাকা দিলে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দেয়।
বিআইডব্লিউটিএ এর নিয়োগ পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে চাকরির দেওয়ার প্রক্রিয়া চলতেছে।
এনআইডির সাথে মিল রেখে অনলাইনে আবেদন করি এবং যাবতীয় সার্টিফিকেট সাবমিট করি, আমাকে বলে MD. পরে ডট আছে, নিয়ম অনুযায়ী ডট এলাউ না। শেষমেশ ২২০০ দিয়ে পাসপোর্ট করতে হল
আমি প্রথমে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি। তারপর পাসপোর্ট অফিস এ যাই। আমার বাবা কে নিয়ে কাগজ পাতি জমা দেই। ওর নেই না। ওরা বলে চ্যায়ার ম্যন সাটিফিকেট লাগবে। পড়ে আমি সাটিফিকেট নিয়ে যাই।তারপরও কাজ হয় নাই। পাসপোর্ট অফিস এক দালাল বলে এই গুলা কিছুই লাগবে না। তুমি ১৫০০ টাকা দিবে তোমার পাসপোর্ট হয়ে যাবে। আমি বলেছি ১২০০ টাকা দিব তাও কাজটা করেদেন আমি বাহিরে পড়াশোনা করতে যাব। ওনি বলে হবে না আমি বারিতে চলে আসি। পড়ে পাসপোর্ট অফিস এক চাকরি জিবী সাথে আমার পরিচয় হয়। ওনি বলে আমি ১২০০ টাকা করি দেব। তুমি আমামকে বলে রবিবার সকালে আসিও। আমি তারকথা মত রবিবার এ ১২ টা সময় যাই। ওনি আমার থেকে ১৩০০ টাকা নেই। পড়ে কাজ হয়ে যায়। এই হলো শোনার বাংলা দেশ।
বাইকের ডিজিটাল কার্ড ও নাম্বার প্লেট আনতে গেলে আমার কাছে এনআইডি চায়। আমি বলি এনআইডির ফটোকপি আছে। ওই লোক বলে বাসা থেকে আসল এন আইডি নিয়ে আসেন। বাসা থেকে বিআরটিএ প্রায় ৩০ কিলো দূরে। আর সিরিয়াল দিয়ে ওই রুমে ঢুকতে লাগে ৩/৪ ঘন্টা। একবার ওই রুম পর্যন্ত পৌছানোর পর ফেরত যাওয়াটা হতাশার। বিআরটিএ তে যাওয়া মানেই পুরো এক দিন ওখানেই শেষ। NID এর আসল কপি চাওয়া জাস্ট হয়রানির জন্যই। সেটি ঠিক থাকলেও অন্য কণ ভুল ধরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এরপর আমি যখন বেদিশা হয়ে দরজার বাইরে আসি তখন এক দয়ালু আনসার ভাই আমার দু:খিত হওয়া দেখে অনুগ্রহ করেন ও চিপায় নিয়ে বলেন স্যারদেরকে ম্যানেজ করার জন্য ১০০০ টাকা লাগবে। আমি নিরুপায় হয়ে তাকে টাকা দেয়ার মাত্র১০ মিনিটের মাথায় নাম্বার প্লেট সহ বাইকের ছবি তুলল। আনসার ভা টাকা নিলেও অনেক ভালো। 😛
সাধারণ নিয়মে কাজ করতে গিয়েছিলাম, রেজিষ্টার অফিসে আসে দুপুর ১২ টায় চলে যায় ৩ টায়। নিয়মমত তার সামনে নথি নিয়ে থাকার পরও আমার হাত থেকে কাগজ নেয়নি। যারা টাকা দিচ্ছে তাদের নাম ডেকে কাজ করে দিয়েছে। দলিল লেখক সরকার জানায় টাকা ছাড়া সে রেজিষ্টার এর সামনে যেতে পারবে না। সেদিন িফরে আসি। অনেক অনেক কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। যাহোক পরদিন ১০ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। আর আল্লাহ র কাছে বিচার দিয়েছি।
আমি আমার এসএসসির মূল মার্কশীট এবং প্রসংশাপত্র সংগ্রহ করতে গেলে স্যার আমার কাছে ফি দাবি করে ৫০০ টাকা। কম নেওয়ার জন্য সুপারিশ করলে উনি বলে অন্নান্নদের কাছ থেকে আরো বেশি নেই। পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে আমাকে ঐ টাকাটা দিতে হয়েছিল। তারপর এ বছর যখন সার্টিফিকেট উঠাতে যাই তখন প্রধান শিক্ষক ২০০ টাকা দাবি করে এটা নাকি ফি। আমি পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে এই টাকাটাও দিয়ে আসছি।এরকম হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা নিচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিস কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
আমি আমার জমির নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ১৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করে। অনেকটা বাধ্য হয়েই আমি টাকা টা দেই।
প্রথম ডেস্কে ১০০০০/- টাকা দেয়া হয়। উনি একজন লেডি উপকর কমিশনার। কিন্তু উনি বদলী হয়ে যান এবং কাজটি করে যান নাই। উনার জায়গায় আগত অন্য আরেকজন নথিটি উপরে পাঠান। ইনাকেও ১০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। উর্ধতন কর্মকর্তাকে ২০,০০০/- টাকা দেয়া হয়। সর্বমোট ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। উনারা যদি হিসাব করে বলতেন অপনি -----অত টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন, তবে ঐ পরিমাণ টাকা সরকারকে দিতে পারলে ভালো লাগতো।
আমি পাসপোর্ট করতে একজন ভিত্তিতে এখানে তারা বলে যে আমাকে পাসপোর্ট তারা সাত দিনের মধ্যে দিবে কিন্তু থিভ ছাড়া অতিরিক্ত আরো পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে নেই কারণে বলল যে আপনার পাসপোর্ট আমরা
আমি ঢাকা টু কুমিল্লা টিকিট ক্রয় করে, ভৈরব থেকে লাকসাম গিয়ে নামি। এখানে আমার কুমিল্লা থেকে লাকসাম পর্যন্ত টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করায় প্লাটফর্মে টিটি চেক করে জরিমানার হুমকি দিয়ে কিছু টাকা দিতে বললে আমার কাছে থাকা ৪০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়।
অভিযোগের বিষয়: BMAT প্রশিক্ষণের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি আমি সৌদি আরব যাওয়ার উদ্দেশ্যে BMAT প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছি এবং প্রশিক্ষণটি সম্পন্ন করেছি। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য আমার কাছে অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে।
আমার জন্ম নির্বধন জন্ম তারিখ ঠিক করতে গেচি. তখন আমার থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে তারপর ঠিক করে দিচে.
ভ্রম সংশোধন দলিল করার জন্য টাকা দিতে হইছে
পাসপোর্ট ভেরিফেকিশন এর জন্য ডিবি কর্তৃক যে ভেরিফাই করার পুলিশ আসে ওনি ডিরেক্ট বলছে টাকা দিলে দ্রুত ভেরিফাই হয়ে যাবে আর দ্রুত পাসপোর্ট পেয়ে যাবেন। পরে আমার ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হইছে।
আমার মেয়ের প্রতিবন্ধী কার্ড করার জন্য যাই ফরম জমা দিতে গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়েছে এবং পরবর্তীতে আবার ১০০০ টাকা চেয়েছে দেইনি বলে কার্ডটি এখনো হয়নি ।আমি একজন বেকার যুবক মেয়ের ঐষধ যোগাতে হিমসিম খেতে হয়। এক মাস থেকে ঘুরাচ্ছে আমাকে।।