ঢাকা মেডিকেল নিউরোলজি ওয়ার্ল্ডে ভর্তি হতে সিট পেতে ওয়ার্ড attendent কে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল নিউরোলজি ওয়ার্ল্ডে ভর্তি হতে সিট পেতে ওয়ার্ড attendent কে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা মেডিকেল নিউরোলজি ওয়ার্ল্ডে ভর্তি হতে সিট পেতে ওয়ার্ড attendent কে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
Holding number er Jonno 300 tk dewa lagse Na hole holding number tukbe na
আমি আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন জন্য মিরসরাই থানা যায় আমার সকল কাগজ পত্র ওকে থাকার পর ও আমার কাছে ১হাজার ঘুষ চাওয়া তখন রোজা ছিল আমি স্টুডেন্ট মানুষ কিছু কম রেখে ৫০০টাকা নেওয়া হয়। এই টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন ফেল দেখানো হয় নাকি তাই আমিও ৫০০ টাকা দিয়েছি।
আমি পরিশোধ করিনি। তবে আমার সেই দরিদ্র দাদা যে আমার নিকটে জমি বিক্রি করেছে, সে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছিল। তার জমির খতিয়ানে করনিক ভুল ছিল। জমির দাগ নম্বর ২৬২৮ এর স্থানে ১৬২৮ লেখা ছিল, যার কারণে সে আমাকে জমিটি দলিল করে দিতে পারছিল না। ঘুষ সরাসরি নিয়ে ছিল স্থানীয় দলিল লেখক তবে সেটা যে ভুমি অফিসে এসিল্যান্ড নিয়ে ছিল তা আমি বুঝতে পরেছিলাম। কারণ আমি আমার সেই দাদার হয়ে ২ মাস ভূমি অফিসে ঘুরেও সেই মিসকেস অনুমোদন নিতে পারছিলাম। নানা ধরনের অজুহাত চলছিল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যেতে হবে, সরজমিন তদন্ত হবে, তারপর ইত্যাদি ইত্যাদি। অখচ ঘুষ দেওয়ার পরদিনই সংশোধিত খতিয়ান পাওয়া গেলো। জমিও রেজিস্ট্র হয়ে গেল। আমি শিক্ষিত লোক হয়েও বোকা বনে গেলাম। ভূমি অফিসে বড়বাবু আমাকে দেখে হাসতো। ২০২৩ সালের ঘটনা।
টাকা লাগবে, না দিলে হবে না।কম দেওয়া অনেক দিন ঘুড়াচ্ছে।।সব দেওয়ার পর দিছে।।
আমি একটা ঘোষণা পত্র দলিল করি,কাজ আমার অতি জরুরি ছিল॥
দির্ঘ দিন বিদেশে থাকার কারনে NID করা সম্ভব হয়নি। জমির খজনার পরিমান টাকাঃ ৭০০। খজনা অনলাইন দিতে হবে। NID না থাকার কারনে হাতে লেখা রশিদে খাজনা দেয়ার জন্য দাবিক্রিত টাকা ৫০০০। প্রতাক্ষান করেছি। সময় কাল ২০২৫।
অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নামজারির জন্য ১৬০০০ ট টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি
ইউনিয়ন ভুমিঅফিস আমার কাছে থেকে ৫০০০ হাজার টাকা নিছে।
জরুরি নামজারি করতে দিতে হয়েছে।
ইনকাম ট্যাক্স অফিসার উনি আমার ট্যাক্স Lawyer এর কাছে দেড় লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন না দেয়াতে উনি আমার ফাইল এর উপর মামলা করে দিয়ে অবৈধভাবে ৩ লাখ টাকার সমপরিমাণ টাকা ব্যাংক থেকে সরকারিভাবে উত্তোলন করে নিয়ে যান
পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য জমা না নিয়ে, বিভিন্ন ভুল দেখায়ে ফেরত পাঠাই , দালালদের মাধ্যমে জমা দিলে জমা নিবে দালাল চক্র বলে ছিল!
পিসিবি লাইসেন্স ইনকয়ারি করিতে আসার জন্য ৩০০০০ টাকা করে ঘোষ দাবি করেছেন
বলেছিল ৩০০০০ টাকা লাগবে সলশোধনী দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে, অন্যথায় আদালতে মামলা করে আসো।
বিয়ের সময় মেয়ের বয়স হয়নি,, পরে কে জানি থানায় ইনফর্ম করে ,, পরে 5000হাজার টাকা দাবি করা হয়,,, পরে মেয়ে পক্ষ মিটাইছে
টাকা না অনেক দিন ঘুরায়
কলকাতায় বেড়াতে গিয়ে, একটি নুডুলস মেকার এবং একটি মিট গ্রাউন্ডার মেশিন কিনে লাগেজে ভরে দেশে ফেরার পথে পেট্রাপোল কাস্টমস লাগেজ চেকিংয়ে আটকে দেয়, পরবর্তীতে দাবী বেশি থাকলেও রিকোয়েস্ট করে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মেশিন দুইটা নিয়ে আসি।
উকিল আর মহুরি মিলে ভুয়া জমি আমাদের নামে নকল দলিল করে দেওয়ার জন্য টাকা চেয়ে প্রস্তাব করেছে।
একটি এনজিও এর নাম ও গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে দিবে ৭ দিনের মধ্যে। এই জন্য সরাসরি ৪০,০০০ টাকা ঘূষ দাবি করেন। নতুবা হবে না। তাই টাকা দিয়ে কাজটা করি। সময়মত কাজ হয়েছে।
আমার আম্মুর অপারেশনের আগে সব রিপোর্ট ডকুমেন্টস ডাক্তারকে দেখাবো তাই সিরিয়াল দিছি, কিন্তু আমাকে পিওন সাহেব ডুকতে দিচ্ছে না, টাকা চায়