নামজারি করতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছি
আমি নামজারি করতে গেছিলাম। ২৮ দিনে নামজারি হওয়ার কথা ছিলো। ঘুষ ছাড়া ফাইল আটকে ছিলো। ৩ মাস পরে বলেছিলো ফাইল হারিয়ে গেছে। অফিসের নিচু পদের কেউ কৌশলে টাকা চেয়েছিলো। দেওয়ার ৩/৪ দিনেই কাজ হয়ে যায়।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি নামজারি করতে গেছিলাম। ২৮ দিনে নামজারি হওয়ার কথা ছিলো। ঘুষ ছাড়া ফাইল আটকে ছিলো। ৩ মাস পরে বলেছিলো ফাইল হারিয়ে গেছে। অফিসের নিচু পদের কেউ কৌশলে টাকা চেয়েছিলো। দেওয়ার ৩/৪ দিনেই কাজ হয়ে যায়।
আমি যখন অনলাইনে আবেদন করি তখন ভূমি অফিস থেকে কল দিয়ে বলে তোমার নামজারি জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে তখন বলেন তোমার অরজিনাল দলিল নিয়ে আমাদের সাথে দেখা কর পরের দিন দেখা করি সবকিছু চেক দিয়ে আমাকে বলে তোমার তোমার দলিল নাম প্রত্যয়নের জন্য আমাদেরকে ২৫০০ টাকা দিতে হবে নিরুপায় হয়ে আমি পে করেছি।
নতুন গাড়ি, তবুও কোথায় নাকি কার্বন আছে দাবী করে সাথে সাথে রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য প্রথমে ১হাজার টাকা দাবী করে। পরে ৫০০ টাকায় দফারফা করে। এটা কান মচলিয়ে পয়সা নেয়ার মতন। এটা খুবই কমন ব্যাপার বিআরটিএ তে। আর দালাল আছে প্রচুর, যারা এই দূর্নীতি আরও বাড়িয়েছে।
আমি গেছিলাম একটা জমি রেজিস্টার করতে, তো আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো কিন্তু একটা কাগজ সাদাকালো ছিলো এর জন্য আমার জমি রেজিস্টার করতে চায় নি। পরে মেজিস্টেডের সাথে একটা লোক থাকে সে ৩৫০০ টাকা চায় তা না হলে সে দললি পাস করবে না। তো আমি বাদ্য হয়ে দিছি, যদি না দিতাম তাহলে জমি ওয়ালা ঝামেলা করতো, আর পরবর্তিতে আমার দলিল লেখক কেও সে হুমকি দেয় তার আর কোন কাজ করবে না। তাই আম বাধ্য হয়েই দিতে হয়। আর এখনো এগুলা করে অন্য লোকের সাথে। আর সেখানে আরো অনেক রকম ঘুষ লেনদেন করা হয়।যেমন জমির নকল উঠাইতে গেলে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়
বাবা নাম নাকি ভুল ছিল। তারপর পাসপোর্ট অফিসের পাশে একটা দোকান থেকে বলে ১৮০০ টাকায় নাকি তাৎক্ষণিকভাবে আবার ভুল সংশোধন করা যাবে। এই দোকানি কিছু না করে পাসপোর্ট অফিসের উপরের লেবেলের কর্মকর্তার সাথে দেখা করে। তারপর ১৮০০ টাকা দিতেই বিষয়টি সমাধান হয়ে গেলে। অথচ বায়োমেট্রিক এর সময় এই সমস্যাটি সংশোধন করা যায়
এখানে প্রতি বিল অফ এন্ট্রি করতে টাকা প্রদান করতে হয় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দের টাকা না দিলে তারা নানা ভাবে কাজের সময় খ্যাপন করেন ।
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে চাইছিলাম, তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিয়ম মাফিক আবেদন করি এবং ডকুমেন্টস জমা দেই, কিন্তু মাসখানেক চলে যাওয়ার পরেও অনলাইনে আপডেট হয়না। পরবর্তী তে দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করার কয়েকদিন এর মধ্যে কাজ হয়ে যায়, ১১,০০০/- টাকা ফি এর সাথে অতিরিক্ত ৯,০০০/- মোট ২০,০০০/- টাকা দিতে হয়েছে।
জমির নামজারি করার জন্য দুইটা নামজারির জন্য ৩০০০০ হাজার করে ৬০০০০ চেয়েছে। টাকা না দিলে হবে না
ইউনিয়ন পরিষদ কম্পিউটার অপরেটার জন্ম নিবন্ধ ভুল সঠিক করতে তারাতারি কাজটি করে দিতে বেশি টাকা নিয়ে ছিলে। এই ঘটনা ২০২৪ সালে।
নড়াইল সদর উপজেলার ৭ নাম্বার শেখহাটি ইউনিয়নের ৩ নং আফরা ওয়ার্ডের বেগ বাড়ি যাওয়ার দুইটা সরকারি রাস্তা ছিল একটা রাস্তা একজনের জমি রাস্তার দুই পাশের জমি হওয়ায় সে মাঝখানের যে সরকারের রাস্তাটি সেই রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছিল এইটা মুক্ত করার জন্য আমি নড়াইল সদর ভূমি অফিসারটা, ডিসি, এসপি, বরাবর ১০১ জনের গণস্বাক্ষর সংবলিত আবেদন করেছিলাম। ভূমি অফিসার সরজমিনে পরি দর্শনের জন্য আমার কাছে পরোক্ষভাবে ৭ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছিল আমি প্রত্যাখ্যান করেছিলাম রাস্তাটি এখনো দখলমুক্ত হয়নি।
টাকা নিছে ১০৫০০ টাকা
আমি আমার পাসপোর্ট বানায় 2023 সালের দিকে। তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন নামে একটি প্রসেস ছিল। আমার সহ আরো ২ টি পাসপোর্ট মোট তিনটি পাসপোর্ট, প্রতিটির জন্য ৫ হাজার মোট 15 হাজার টাকা দাবি করা হয়। শেষে বাবা মিথ্যা বলতে বাধ্য হয় যে, স্যার আমরা তেমন টাকা পয়সা ওয়ালা না তাই কিছু কম রাখেন পরে সেই পুলিশ ৫০০০ টাকা নেয়। আমি যদি জানতাম ভবিষ্যতে এমন কোন অ্যাপ বের হবে তাহলে আমি এই ঘটনা আরো ভালোভাবে মনে রাখতাম বা এই ঘটনায় কোন পুলিশ এবং তার নাম কি সে কোন পদে আছে ভালোমতো খেয়াল রাখতাম এবং তথ্য স্পষ্টভাবে দিতে পারতাম
আমি নতুন একটি ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেলাম আমি ফার্মাসিস্ট পাস করে তারপর গিয়েছি সব কাগজ এবং ডকুমেন্ট ১০০% পারসেন্ট ওকে ছিল তারপর ঔষধ প্রশাসন কর্মকর্তা আমার কাছে 15000 টাকা ঘুষ চাইছিল এবং আমি সেটা দিয়েছিলাম কারণ সর্বনিম্ন ১৫০০০ টাকা দেওয়া ছাড়া উনারা লাইসেন্স দেয় না
২০২৩ সাল। আমার কাগজ পত্র সবকিছু ঠিক ছিল। পুলিশকে চা খাওয়ানো বাবদ ১৫০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল। অন্যথায় পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিল না।
আর্জেন্ট নতুন লাইসেন্স আবেদন করতে লেগেছে 20'000/= ডিসেম্বর 2025 এর ঘটনা। এরপর অপেক্ষা করতে করতে একদিন বাংলাদেশ এম্বেসিতে গিয়ে দেখি সবাই নতুন লাইসেন্স প্রিন্ট করে এনেছে। এপ্রিল 2026 বাংলাদেশে লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ । খুজনিয়ে জানলাম টাকা দিলে সব হয়। আরো 15,000/= টাকা দিলাম, এক সপ্তাহের বিতরে ঢাকা থেকে লাইসেন্স আমার কছে চলে আসে। ঘুষ দিলে হয়, না দিলে হয় না। সরকারী সচিব দের হাতে দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। এদের একটা ব্যবস্থা করা জরুরি হয়েগেছে।
মিথ্যা মামলায় আমার মা-বাবাকে ফাঁসানো হয়। এবং এটাত সুষ্ঠু তদন্ত চাইতে পুলিশের কাছে গিয়েছিলাম। তখন পুলিশ কর্মকর্তা এই ঘুষ দাবী করেন এবং হেল্প করার নামে টাকা খেয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের হেল্প করেন নি।
I want to declare my Tax Declaration in Chattogram for my land Registration. But I am living in London , UK. Unfortunately I have to pay him 1,00,000/- BDTK.
আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা আমাকে নির্ধারিত ফিয়ের চাইতে ৫০০ টাকা বেশি দাবি করে এবং পরবর্তীতে তা দিতে আমি বাধ্য হই
অনলাইনের মাধ্যমে খারিজের আবেদন করি। কি একটা সমস্যার কারণে খারিজটি করা যাচ্ছিল না। এসিল্যান্ড মহোদয় ও চেষ্টা করে কোনো সমাধান দিতে পারেনি। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব (মহিলা) আরেকজনের মাধ্যমে ৩৫০০০ টাকা চায় যে, যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো প্রকার সমস্যা সমাধান করে জমি খারিজ করে দিবে।
আমার মা কিছুদিন আগে পেনশনে যান। তখন তার লাম্প-গ্রান্ট এর টাকা উত্তলন করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে গেলে সেখানকার কর্মরত অফিসার তার কাছে চা নাস্তা ও আনুষঙ্গিক খরচের কথা বলে তার কাছথেকে ১০/১২ হাজারের মতো টাকা দাবি করেন। মা পরে তার সহকর্মী যারা ইতোমধ্যে পেনশনে চলে গেছেন তাদের পরামর্শ নিতে গিয়ে দেখেন তাদের থেকেও একই ধরনের কথা বলে এভাবে টাকা নিয়েছেন। পরে মা এক প্রকার বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়ে তার লাম্প-গ্রান্ট এর বিলটি পাস করান। এই একই অফিস পরবর্তীতে মার ভবিষ্যত তহবিল ও পেনশনের টাকা উত্তলনের সময় ঘুষ নিয়ে তারপর বিল গুলো পাস করেন।