রেল টিকেট ক্রয়
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
রেলের টিকিট ক্রয়ের সময় সিট সংকট দেখিয়ে টিকিট মূল্যের থেকে বাড়তি মূল্য নেয় । মির্জাপুর থেকে ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার টিকিট কেনার সময় সেই স্টেশনে দায়িত্বরত বাড়তি ভাড়া দাবী করে।
আমার জানামতে সরকারি ফি 600 টাকা কিন্তু, 1800-2500 টাকা লাগে নকল সইমোহর দলিল নিতে।
এম পি ও ভুক্ত হতে প্রয়োজনীয় কাগজ জেলার পাঠানোর ক্ষেত্রে ঘুস দিতে হয়েছিল।
টিসিবির ডিলারশিপ এর কাগজ ১৫ হাজার টাকা নগদ দেওয়ার পর কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস থেকে ঢাকা টিসিবি ভবনে আসে আমি আমার কাগজের বিস্তারিত জানতে গেলে তারা ৩ লাখ টাকা দাবি করে, বলে তিন লাখ টাকা দিলে ডিলারশিপ ওয়েবসাইটে উঠায় দিবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, করতে গিয়ে পুলিশ আমাকে বলে খুশি হয়ে কিছু দিয়ে যান, পরে আমি বললাম আমার কাছে তেমন টাকা নাই,বলে যা আছে দিয়ে যান 😄 সিসি ক্যামেরার সামনে গিয়ে বললাম বিকাশে দেবো কিনা, উনি ভয় পেয়ে রুমে ডেকে বলল পকেটে যা আছে দেন, পরে ২০০ টাকা ছিল দিয়ে আসলাম। 😄😄
আমি নাটোর পাসপোর্ট আফিসে পাসপোর্ট করার জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে বিয়ের কাবিন নামা লাগবে বলে আমাকে ফেরত দেয়, পরে আমি যে কম্পিউটার এর দোকানে কাগজ রেডি করেছি তাদের জানাই, তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে কিছু লাগবে না, আমাকে পরের দিন আসতে বলে আমি পরের দিন আসলে ১৫০০ টাকা দেই, তখন তারা আমার কাগজ নিয়ে কি যেন করে, তারপর আমি পাসপোর্ট আফিসে কাগজ জমা দিলে কাবিন নামা ছাড়াই জমা নেয় এবং আমার সমস্ত কাজ হয়। এই রকম ভুক্তভোগী সবাই তারা ঘুষ না দিয়ে গেলে কিছু না কিছু ভুল ধরে এবং হয়রানি করে, তারা কম্পিউটার দোকানের সাথে সিস্টেম করে রেখেছে
একজন সহকারী শিক্ষক থেকে আমি সিনিয়র শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছি। সেখানে ফাইল প্রতি বা শিক্ষক প্রতি ৪০০০ টাকা দাবি করে। আমার স্ত্রী ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। আমাদের দুই জনের একই সাথে চাকুরির বয়স ১০ বছর পূর্ন হয়। আমার দুই জন একসাথে উচ্চতর স্কেল পাওয়ার জন্য আবেদন করি। মাধ্যমিক শিক্ষক স্যার কে বলি স্যার আমরা দুই জন স্বামী-স্ত্রী আমাদের দুই টা ৪০০০ টাকায় ছেড়ে দেন । কিন্তু আমার টা উচ্চতর স্কেল হয়ে যায় ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর আমার স্রীর টা এখন পর্যন্ত হয় নাই। তার পর থেকে প্রতি mpo তে ফাইল সাবমিট করলে বার বারই ফাইল ব্যাক করে দেয়।
Income tax office doing an investigation on my tax file. they blocked my bank account, to release the back account i need to pay 6000 taka as GUSH
নামজারি করতে সকল খরচ বাবদ ৪০০০ টাকা দাবি করলে,আমি অফারক হয়ে দিতে হয়েছে,আমি অনেক কষ্ট করে টাকা দিয়েছি।
আমার দাদু মারা গেছে ২ বছর হলো,আমার কাকা ভূমি অফিসে গিয়েছে ওয়ারিস সার্টিফিকেট তোলার জন্য,ঐখানে নিয়েছে প্রায় ৬,০০০/- এখন জমি খারিজ করতে গেলে দেখে যে দাগ নাম্বার ভুল আছে কিন্তু পর্চা ঠিক আছে,দাগনাম্বার ভুলের কারনে জমির খাজনা নেয় না,বলে যে দাগ নাম্বার ঠিক করতে হবে,এখন আমার কাকা একজন মোক্তারের সাথে কথা বলসে এবং ঐ মোক্তার ৩০,০০০/- বিনিময়ে ভুল সংশোধন ও খারিজ করিয়ে দিবে বলসে,এখন আমার কাছে ঐ টাকা টা বেশি মনে হচ্ছে!
আমাদের প্রতিবেশি ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা চায়, না দেওয়ার ৭০ শতাংশ জমি (বর্তমান বাজার মূল্য ২ কোটি টাকা) বেদখল দেয়। জমিতে কোনো রকম কাজ করতে দেয় না। তা নিয়ে আমরা অভিযোগ করি কিন্তু পুলিশ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চায় না দেওয়ায় কোনো রকম সেবা দেওয়া হয় নাই আমাদের। পরবর্তীতে মামলা টি কোর্ডটে পাঠানো হয় যা এখনও সমাধান হয় নি। মামলার বর্তমান বয়স ২ বছর। (উল্লেখ্য বাদী ব্যক্তি নিরক্ষর এবং অসহায়)
বিদ্যুৎ অফিসে ঘুষ বাণিজ্য একটি পুরনো ঘটনা। তার মধ্যে এসেছে ডিজিটাল মিটার। নতুন মিটার, মিটারের ব্যাটারি চেঞ্জ, মিটার লক খুলা সমস্যাগুলো সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করা একজন সাধারন মানুষের পক্ষে সম্ভবই না। আর এখানেই গড়ে উঠেছে ঘুষ বাণিজ্যের একটি রমরমা ব্যবসা। একটা নতুন মিটার সংযোগের জন্য কিছু ধাপ অতিক্রম করা লাগে। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ধাপগুলো এত কঠিন করে রেখেছে যে একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘুষ ছাড়া একটি নতুন মিটার পাওয়া সম্ভব নয়।
আমি সমস্ত কাগজ পএ ডকুমেন্ট যা যা লাগবে সবকিছুই নিয়েছিলাম প্রায় ১৮ টা ডকুমেন্ট , অনলাইন আবেদন কপি ও নিয়েছিলাম কোন কাগজে কোন রকম কোন সমস্যা ছিল না, তারপরে তারা বলল আমি কেন আবেদন করেছি এজন্য হবে না তাদের কাছ থেকে আবেদন করতে হবে তাদের লোক দিয়ে আবেদন করতে হবে, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী আনুমানিক ৬০০০ টাকার কিছু কম লাগে পাসপোর্ট করতে, কিন্তু সে আমার কাছ থেকে টোটাল ১২০০০ টাকা নিয়েছিল শুধু আমার ভোটার আইডি কার্ড দেখেই পাসপোর্ট করে দিয়েছিল অন্য কোন কাগজে পরে আর দেখেনি, কিন্তু আমি যখন নিজে নিয়ে গিয়েছিলাম তখন প্রত্যেকটি কাগজ বারবার করে দেখেছে, টাকা দিয়ে দিলে তখন আর কাগজপত্র দেখা লাগে না।
ছেলেদের বার্থ সার্টিফিকেট করার জন্য গেলাম , ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ১৭ নাম্বার ওয়ার্ডে, টাকা চাইলো ৪০০০/= জন প্রতি । ভাবলাম ৮ হাজার টাকা দিয়ে এই বিনামুল্যের সেবা কেনো নেবো।
নোয়াখালী জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ে চৌমুহনী পৌর সভার একটি জন্ম নিবন্ধণ সংশোধন করতে যাই। অতঃপর সব কিছু ঠিক থাকার পরও সেখানে কর্মরত সাদা শার্ট পরা মাঝখানে বসা কম্পিউটার ম্যান বিভিন্ন অজুহাতে কাজটি করে দেয় নাই। পরবর্তীতে কক্ষের বাহিরে এসে নিরাপত্তা কমীর নিকট জানতে চাহিলে, তিনি আমাকে জানায় 5,000/- টাকা কোন ঝামেলায় ছাড়ায় নাকি কাজটি ওকে করে দিত।
মাত্র এক শতক জমি খারিজ করার জন্য তাদের কাছে যাওয়ার পর তারা ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমার সব কাগজ পাতি ঠিকঠাক থাকার পরেও আমার জমি খারিজ করে দেওয়া হয়নি। এই পর্যন্ত আমি প্রায় তিন মাস ধরে তাদের পিছে ঘুরতে এসে কিন্তু কোন কাজ করে দেয় না। বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। তাদের দিবিকৃত টাকা না দিলে তারা কোনো কাজ করে দেয়না। টাকা দিলেও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে জমির খারিজ বন্ধ করে রাখে। আমরা ভুক্তভোগী। তারা অামাদের সঙ্গে এমন ভাবে ব্যবহার/আচারন করে যেন আমরা তাদের কছে জিম্মি। সাধারন ভাবে হিসাব করলে দেখা যায় , একজনের কাছে ২০০০০ টাকা করে নিলে এভাবে ২০ জনের কাছে থেকে ৪ লক্ষ টাকা এইসব টাকা তারা নিজের পকেটে ঢুকায় অনেকেই বিপদে পড়ে কাজ করে নেওয়ার জন্য তাদেরকে ঘুষ দিয়ে থাকে উপায় থাকে না কোন কিছু করার।
নামজারি করতে যেয়ে বিভিন্ন ধরণের ভুল ধরে নামজারি বাতিল করা হয়
Babar namer matured sonchoi potrer taka tulte gechilam. Uni mrito, ami nominee. Death certificate and family relationship certificate dichi...tarporeo taka chaiche. Badho hoye diyei kajta sesh korechilam.
আমি ২০১৯ সালে জিপি ফান্ড ওপেন করতে যায় হিসাবরক্ষণ অফিসে।তখন আমার নামে ভুল ছিল। ঐ নামটা ঠিক করার জন্য আমি ওনাকে ১০০০ টাকা দেই। ওনারা টাকা ছাড়া কথা বলে না।টাকা নিয়ে আমার কাজটা করে দেই নি।ঘুষ তো নিয়েছে কাজটাও করে দেই নি।এই যদি হয় বাংলাদেশের অবস্থা তাহলে সাধারণ মানুষ কিভাবে বসবাস করবে?
Officer Taka nay bodli hoi aj 2 bochor hocchay kaj akono ni, taka na dayias kaj o korchilo na