নামজারী
নামজারি করতে বেশি টাকা দাবি প্রশ্নগে
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করতে বেশি টাকা দাবি প্রশ্নগে
কুরিয়ারে ই-কমার্স ব্যাবসায়ীরা প্রোডাক্ট পাঠায়। রাইডারকে আটকিয়ে ব্যবসায়ীর নাম্বার ও ঠিকানা নিয়ে ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে টাকা দাবি করে বিভিন্ন ভয় ভিতি দেখিয়ে।
আমার পিতার নাম পত্তন করার জন্য,খতিয়ান বের করার জন্য,DCR টাকা online পেমেন্ট করতে হয়েছে।5000টাকা পেমেন্ট করার পরও Online খাজনা কাগজ রেডি করার জন্য আরো 1000tk দিতে হয়েছে।
আমি যখন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম তখন তারা আমার থেকে দশ হাজার টাকা দাবি করেছে। যখন আমি বললাম মূল পাসপোর্ট বাড়াতে খরচ হয় ৫৭০০ টাকা তখন তারা আমাকে বলে তোমার কোন বাবা এত কম টাকায় পাসপোর্ট বানিয়ে দিবে না, আমি যখন তাদের কথা মানি না তখন তারা তুমি কিভাবে পাসপোর্ট বানাও আমি দেখে নেব।
তারাকান্দা উপজেলার তালদিঘি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে আমরা ২০২৬ সালে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করেছি। আমরা কয়েকজন বন্ধুবান্ধব গিয়েছিলাম প্রশংসা পত্র বা প্রত্যয়ন পত্র আনতে কলেজে ভর্তির জন্য তারা আমাদের কাছে ৫০০ টাকা চেয়েছে। আমরা কিছু বলি নাই সোজাসুজি চলে আসছি।
আমি সরকারি ফিস অনুযায়ী নিবন্ধন করার জন্য আবেদন করি কিন্তু আবেদন মোতাবেক আমার নিবন্ধন ঠিক হয়ে আসছিল না তারা আমাকে অফার দেয় একদিনের মধ্যেই হয়ে যাবে কিছু টাকা লাগবে তখন আমি বাধ্য হয়ে তাদেরকে তিন হাজার টাকা ঘুষ দেই এবং আমার জন্ম নিবন্ধন ঠিক করি
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিটি কাগজ অনুমোদন এর জন্য টেবিল প্রতি ৫০০০ থেকে শুরু করে লাখ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করা লাগে যেকোন উপাদান,পন্য, ডিভাইস অনুমোদন, রেজিষ্ট্রেশন, মিটিং এ উত্তাপন এর জন্য ঘুষ দেওয়া লাগে, বড় মেডিসিন কোম্পানীগুলো অতিরিক্ত ঘুষ দিয়ে দিয়ে ছোট কোম্পানী গুলো ঘুষ না দেওয়ায় তাদের ব্যবসা অগ্রসর ব্যহত করে
নেত্রকোণা সদর উপজেলার ফচিকা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ৩ শতাংশ জমির ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হই। অনলাইনে বারবার সঠিক তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করা সত্ত্বেও দাগ ও খতিয়ান ভুলের অজুহাতে তা বাতিল করা হচ্ছিল। সরাসরি অফিসে গেলে তহশিলদার নির্দ্বিধায় জানান, সেবাগ্রহীতাদের অফিসে এনে টাকা আদায়ের জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে অনলাইনে আবেদন বাতিল করা হয়, কারণ জেলা অফিসে তাদের নিয়মিত টাকা দিতে হয়। অনলাইনে বিনামূল্যে আবেদন করার নিয়ম থাকলেও তহশিলদার আবেদন করে দেওয়ার নামে প্রথমে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে তর্কবিতর্কের পর বাধ্য হয়ে সেবাগ্রহীতাকে ১,২৫০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। কথোপকথনের সময় ওই তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী জেলা ডিসি অফিসের পাশে নিজের চারতলা বাড়িটির কথাও প্রকাশ্যে গর্বের সাথে প্রকাশ করেন।
আমি প্রবাসী আমার বাইকের কাগজ করতে একটু সময় লাগছে তাই কাগজ না থাকায় আমর কাজ থেকে 3000 টাকা ঘোষ নিচে নইলে গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির ক্ষতি হবে এসব ভয় দেখিয়ে 3000 হাজার টাকা ঘোষ নিচে
জমির কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কাজে আমার বাবা ভূমি অফিসে গিয়েছিল। তবে সেখানকার কর্তব্যরত ব্যাক্তি সরকার নির্ধারিত ফি থেকে অতিব অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিলেন। এবং যেহেতু টাকা না দিলে কাজই হবেনা এবং যেহেতু আমাদের দরকার ছিলো তাই বাবা বাঁধ্য হয়ে কাজ করেছে। এবং এটি কিন্তু অনেক আগের ঘটনা তবে যেহেতু আজ বলার সুযোগ এর মতো জায়গা বললাম তাই বললাম।
আমি সবকিছু অনলাইনে টাকা পরিশোধ করি। তারপর কাগজ জমা দিতে গিয়ে তখন পিওন বলে তিন হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম কেন, তখন সে বললো কাগজ দেরিতে করছি তার জরিমানাওতো হতো এর চেয়ে বেশি। তাই তিন হাজার টাকা দেন কাজ হবে। তারপর আমি তিন হাজার টাকা দিলাম তারপর কাগজের উপর লিখলো ওকে
বিদেশ যাওয়ার জন্য আমরা তো বিএমিটি রেজিস্ট্রি ফি দিয়ে থাকি।সরকার নির্ধারিত।কিন্তু আমরা যখন কর্মসংস্থান অফিসে যায়।ফিংগার দিতে যায়।কিন্তু ওখানে একটা স্লিপের জন্য একটা ফি চাওয়া হয়।প্রকৃত পক্ষে ওখানে কোন টাকার কোন কথা নেই।কিন্তু একটা সাধারণ স্লিপের জন্য সকলের কাছ থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে ফি নিতেছে।এটা দেখার কেও নাই।আপনাদের মাধ্যমে চাই এটা প্রতিকার হোক।
এসে বলে যে আপনার এই খাতা দেন ওই খাতা দেন আমরা যতটুকু ছিল দিচ্ছি তারপরেও আমরা সহযোগিতা করি নাই অসহযোগিতার জন্য 50 লক্ষ টাকা জরিমানা তারপর ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে সেটেল করা হয়
আমি ssc 26 batch এর বিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী । বোর্ড পরীক্ষার প্রায় এক মাস আগে আমাদের Practical খাতা তৈরি করতে বলে স্কুলের শিক্ষকরা। আমরা যথারীতিতে তা করে স্কুলে যাই । তারা খাতা দেখে এবং বলে যে সবকিছু ঠিকঠাক আছে এখন তাদেরকে প্রতি বিষয়ের জন্য 100 টাকা দিতে হবে অন্যথায় তারা খাতা স্বাক্ষর করবেন না । যার জন্য আমাকে পদার্থ বিজ্ঞান এ 100, রসায়ন এ 100, জীববিজ্ঞান এ 100, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এ 100, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এ 50, কর্ম ও জীবনমূখী শিক্ষা এ 50 এবং শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে 50 টাকা দিতে হয়েছে। অর্থাৎ 550 টাকা। এবং এ অর্থ নেওয়ার কোনো নিয়ম শিক্ষা অধিদপ্তর বা স্কুল দেয়নি। এ নিয়ম করেছেন আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকরা ।
আমার জীবনে ঘুষ দেওয়ার দুইটি ঘটনা ঘটেছে। ১/ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গেছে এস আই ১০০০ টাকা ছাড়া দিবে না। আমার জরুরি দরকার ছিলো পরে দিতে হইছে। ২/ কাস্টম অফিসে Bin সার্টিফিকেট করতে গেছে ৩০০০ হাজার টাকা দিতে হইছে৷
kabin nama e-apostile free te korar kotha ar seta automatic online howar kotha. kintu onekdin dhore online na howar karone offfice gele jela register officer er ekjon mohila 6000 tk dabi kore. whatsapp call record ache. bistoy ta niye onek hoyranni hocce manush
১৬ লক্ষ দিয়ে চাকরি কনফার্ম করে দিবে
ফাইল ফরোয়ার্ড করা যাবে না ।গোপনে কিছু ফরোয়ার্ড করতে কিছু দিতে হবে
মোটরসাইকেলের ১০ বছর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরে নতুন করে ২৩ টাকা জমা দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য বাইক রেজিস্ট্রেশন আনতে হয় দুই তিন দিন করার পরে পনেরশো টাকা দিয়ে সেই কাজ করিয়েছি।
নেত্রকোনা জেলায় পাসপোর্ট অফিস এ টাকা না দিলে কাগজ নিয়ে গুরাগুরি করেছে দুইজন মহিলা ও ছোট ছোট তিন বাচ্চা। তাদেরকে বলা হয়েছে টাকা দিলে ফিঙ্গার প্রিন্ট হবে নচেৎ এই কাগজ লাগবে ওটা লাগবে, আর দ্বিতীয় তলায় থাকে বড়ো স্যার উনি হচ্ছেন কমিশনের মাস্টার। ফিঙ্গার প্রিন্ট রুমের তিনজন হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি পাওয়ার।