এনআইডি কার্ড তৈরি
প্রথমে আমার এনআইডি কার্ডের জন্য অযথা তিন মাস ঘুরিয়েছে, এরপর আমি একটা কম্পিউটার দোকান থেকে এ বিষয়টা আলোচনা করলে তারা বলে যে তিন হাজার টাকা দিলেই হয়ে যাবে। এরপর আমি টাকা দিলে দুই দিনের মাথায় আমার nid হয়ে যায়।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রথমে আমার এনআইডি কার্ডের জন্য অযথা তিন মাস ঘুরিয়েছে, এরপর আমি একটা কম্পিউটার দোকান থেকে এ বিষয়টা আলোচনা করলে তারা বলে যে তিন হাজার টাকা দিলেই হয়ে যাবে। এরপর আমি টাকা দিলে দুই দিনের মাথায় আমার nid হয়ে যায়।
দানপত্র দলিল করতে গেছিলাম প্রথমে ১২০০০ টাকা বলছিল পরে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকার দাবি করেন তা না হলে হবে না পরে আমি ২৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হই তারপর আমার রেজিস্টি কমপ্লিট হয়
আমি ১২০০০ হাজার দিয়েছি। এনটিআরসি মিরপুর (বাংলা কলেজের পাশে), শিক্ষকদের নতুন এমপিও, উচ্চতর গেড সহ বিভিন্ন আবেদনে ১০,০০০/- থেকে ২০,০০০/- হাজার পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। ঘুষ না দিলে কোন এমপিও শিক্ষক কোন কাজ করাতেন পারেন না। এই ঘুষ প্রায় ৯৫% শিক্ষককে দিতে হয়।
নতুন করতে কত টাকা লাগে এখানে আমাকে দালাল ছাড়া কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না
Ami 1jon soudi pobasi. 2026 soudi asar jonno Heavy track driver takamul lakba. aita 50 dolar sorkari free. but 50 dolar (7000tk) dila hoi na. exam nia fall kora dai. 30k, 35k amonki 40k nia ai takamul chatipikat dai. ami 32k dia koraici. potoma 7k dia koraita chaici but fall pora 32k dia koraici mot 39k tk lakcha. Noakhali thaka Gajipur asa jawa koroc to acaii. medical o same soudi jabar jonno normal medical 10k. korar pora unfit pora abr 22k dia koraici r fit. mot medical 32k lakcha. NOAKHALI thaka Dhaka asa jawar koroc to aca.
ভূমি অফিসে আমি জমির দাগ নাম্বার এবং খতিয়ান নাম্বার জানতে চেয়েছিলাম। আমাকে জানানো হয় এই তথ্য দেওয়া অনৈতিক। তবে কিছু টাকার বিনিময়ে তথ্য দিতে রাজি হয়। প্রস্তাব দিয়েছিলেন একটি কম্পিউটার দোকানের মালিকের মাধ্যমে। যে টাকা লেনদেন করা হয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে থাকা একটি কম্পিউটার দোকানের মালিকের মাধ্যমে। ভূমি অফিসের যিনি কর্মকর্তা, তার বিকাশ নাম্বারে আমি টাকা টি পাঠালে আমাকে তথ্য দেয়া হয়। ঘটনাটি ঘটে ২০২৩ এর দিকে।
আমার কোম্পানি নিয়মিত ভ্যাট ফাকি দিচ্ছিল। ভ্যাট অফিস ২০ লাখ ঘুষ চাইছিল নচেৎ ব্যাবসা বন্ধ করে মামলা করবে। বাধ্য হয়ে ১১ লাখ ঘুষ এবং ১ লাখ ট্রেজারী দিয়ে ৬ মাসের জন্য ব্যাবসা করার অনুমতি পাইছি। উল্লেখ্য প্রতি মাসে ভ্যাট অফিসে ৪৫০০০ অফিস খরচ বাবদ ঘুষ দিতে হত। দয়াগঞ্জ ভ্যাট অফিস , সূত্রাপুর সারকেল
আমার পাসপোর্টের আমার জন্ম তারিখ বুল করেছে পাশাসপোর্ট অফিস থেকে কিন্তু আমি যখন ডিক করতে গেছি তখন দালাল লাগবে আর দালাল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিস কর্মকর্তা আমার কাঁচ থেকে ৭০.০০০ হাজার টাকা নিয়ে গেসে । আমার আর্জেন করতে hoice বিকজ আমি ৪৫ ডের জন ছুটিতে গেসিলাম দেশে
এটা ২০১৪-১৫ সালের ঘটনা।আমার বাড়ি কুমিল্লা, আমি তখন টংঙ্গী,গাজীপুর একটা চাকুরী করতাম।তখন উওরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়ে ছিলাম।ব্যাংক ড্রাফট এবং সব কাগজ ঠিক ছিল।কিন্তু তখন পাসপোর্ট করার জন্য চারিত্রিক সাটিফিকেট প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তার স্বাক্ষর লাগবে।তা না হলে পাসপোর্ট করা যাবে।যেহেতু আমি গাজীপুরে থাকি কোন প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা না চিনে চারিত্রিক সাটিফিকেট স্বাক্ষর দিবে না।ঐ দিকে চাকুরী বাদ দিয়ে আমি এত ঘুরাঘুরি করতে পারতেছিনা।তাছাড়া ব্যাংক ড্রাফটের মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে। তখন এক পুলিশ কর্মকর্তা বলে ২৫০০ টাকা দিলে ওনি সব ব্যাবস্থা করে দিবে। তাই ইচ্ছার বাহিরে ও ২৫০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়ে ছিল।
সরকারি রাজস্দেব দেওয়ার পর। হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্টার এবং তার সরকারীদেরকে তিন থেকে চার হাজার টাকা নির্ধারিত ঘুষ দিতে হয় পাশাপাশি অন্যান্য দলিলের জন্য আলাদা ঘুষের একটি রোড ম্যাপ তৈরি আছে যে, এত লক্ষ টাকা হলে এত টাকা দিতে হবে এর উর্ধ্বে হলে এত টাকা দিতে হবে এই সিস্টেমে। প্রতিদিনই ঘোষের বাজার রমরমা। এখান থেকে প্রেসক্লাব এবং বিভিন্ন নেতা-নেত্রীরাও কিছু অংশ পায়।
ঢাকার বিমানবন্দরে একজন সহায়তাকারী দেখলেন আমার সঙ্গে ছোট বাচ্চা আছে, তাই তিনি আমাকে লাইনে সামনে যেতে সাহায্য করার প্রস্তাব দেন। তখন বিষয়টা স্বাভাবিকই মনে হয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিনি আবার ফিরে এসে আমার কাছে টাকা চাইলেন, যা আমার কাছে খুবই অস্বস্তিকর ও অদ্ভুত লেগেছে। আমার মনে হয় বিমানবন্দরের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং এ ধরনের সহায়তাকারীদের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করা উচিত, যাতে যাত্রীদের এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
নামজরি আবেদন করলে এই টাকা দিয়েই আপনাকে সেটা নিস্পত্তি করতে হবে। আপনি যেই ভাবেই চেষ্টা করেন না কেনো, আপনাকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য করবে। এবং এটাই সিস্টেম।
আমি আমার গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করাতে যায় বিআরটি অফিস তখন অফিস সহায় আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে যেটা যৌক্তিক দাবি নয়, আমি সম্পূর্ণ খরচ অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভারে জমা দিয়েছি এরপরেও কেন টাকা জমা দিতে হচ্ছে, আমার মত অনেক গ্রাহক আছে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে টাকা দেওয়ার কারনে, অন্যদিকে দিও কাকে সময় আমি আমার কাজ করাতে পারছি না ও সময় ওকাঙ্ক্ষিত কাজটি হচ্ছে না।
আমার ঘর থেকে মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর আমি থানাতে জিটি করি তারপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা ডিউটি অফিসার আমার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে মোবাইল উদ্ধারের জন্য সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে টাকা না দিলে আমার কাজ করতে রাজি হয় না তাই আমি টাকা দেই কিন্তু আমার কাজ হয়নি
Amader bike atkiye dise biker ke license dekhate bolse license dekhanor por o chare nai Kane kane bolse kichu na dile jete parben na 5k chachilo oneek important kajer jonno pay kore disi tarpor tini chere dilen
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। যেখানে আমি চাকরি করছিলাম ওখানে আমার নাম ঠিকানা পুলিশ নিয়েছিল। তারপর সেখানকার পুলিশ আমার থানায় দাখিল করেন এরপর আমার থানার পুলিশ আমার বাসা পর্যন্ত এসেছিল। পুলিশ এসে আমার বাবা মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা আবদার করে। গ্রামের মানুষ সহজ সরল বুঝে পুলিশ দুই হাজার টাকা নিয়ে যায়। এখানে মূলত কাজ ছিল পুলিশের আমার কোন খারাপ রিপোর্ট আছে কিনা। আমার কোন রিপোর্ট তারা পায় নাই। তারপরও তারা আমার বাবা-মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে গেছে
৬ মাস ঘুরানোর পরে ও বলি খুটি নাই আসলে দিবে পরে যে খুটির দায়িত্বে সে বলে ৫হাজার টাকা দিলে দিয়ে দিবে
লাইসেন্সের সব কাগজ পাতি জমা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু 10000 টাকা ঘুষ না দিলে লাইসেন্স এপ্রুভ দেয় নাই।
গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন করতে সরকারি ফি বাদে অতিরিক্ত ৩০০০টাকা দিতে হবে।
একটা এমেন্টমেন্ দিছি চা খাওয়ার জন্য ১০০ টাকা লাগে না হলে নিবে না বাধ্য হয়ে দিছি