Bike helmate mamla
বাজারে আমার হেলমেট ভুলে গেছি বাসায় যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে হেলমেটের মামলা দেওয়ার কথা বলে ভয় দেখায় এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে ঘুষ নে য়।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাজারে আমার হেলমেট ভুলে গেছি বাসায় যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে হেলমেটের মামলা দেওয়ার কথা বলে ভয় দেখায় এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে ঘুষ নে য়।
আমার সার্টিফিকেট হাড়িয়ে যায, সার্টিফিকেট উঠানোর জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে গেলে ঐখানে কর্মরত এক জন আমার কাজ থেকে ১০০০/- টাকা ঘুস নেন।
I would like to share a very painful and true experience regarding land acquisition by the government. My father is a senior citizen, 83 years old. He owned 9 decimals of land in Shahjadpur, Kuril, Dhaka. About two years ago, the government acquired this land for the MRT-1 Underground Rail project. We got compensation for 8 decimals, but still haven’t received payment for 1 decimal which has been recently acquired by the government. To get the 8 decimals' money, we had to go through 6 months of harassment at the DC Office LA Division. After submitting all documents, the file was stuck. When I finally found the right officer, he demanded a bribe of 6 lakh taka. We had no choice. We paid it.
পাসপোর্ট আবেদন সময় ওয়ার্ড নাম্বার অপশনাল ছিল তা আমি দেই বলে আবেদন জমা নেয়নি।পরে ৩০০০ টাকা দেয়ার পী জমা নেয়
মানুষ আসলে অপারগ , ঘুষ না দিলে তো আর কাজ হয় না ,
Ami namjari adedon korly 2 bar batil kore day, pore 1000 tk Dewar pore anumodon kore dey
জমি ক্রয় করার পর সকল কাগজ ঠিক ঠাক থাকার পরও ৫০ হাজার টাক দিতে হয়েছে. ১ লাখ টাকা বলেছিলো দিয়েছি ৫০ Bank ar Stetment আছে আমার কাছে
EPZ গেটে কর্মরত BEPZA-এর নিরাপত্তারক্ষী ও আনসার সদস্যরা প্রতিটি মালবাহী ভ্যান ও গাড়ি থেকে অননুমোদিতভাবে চাঁদা আদায় করে সম্প্রতি আমি ১,১০০ টাকা মূল্যের ফ্লোর ম্যাট কারখানার ভিতরে প্রবেশ করানোর সময় গেটে কর্মরত নিরাপত্তারক্ষীদের ৪০০ টাকা অতিরিক্ত চাঁদা প্রদান করতে বাধ্য হয়েছি।
বিয়ের কাবিন/নিকাহ নামা পরেন মিনিস্ট্রি করতে গিয়ে এক বিভ্রান্তিতে পড়ি আমি !! আমি প্রবাসি সৌদিতে থাকি ,, বর্তমান সৌদি সরকারের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রী কে ওই দেশে নিয়ে যেতে পরেন মিনিস্ট্রি সার্টিফিকেট লাগবে যা অনলাইন সত্যায়িত কপি !! নিজের বিয়ের নিকাহ নামা অনলাইন করতে প্রথমে কাজির কাছে যাই ,, উনি টাকা ছাড়া কাজ করবে না বলেন ,, ৪০০০ টাকা দাবি করেছিলো আমি প্রত্যাখ্যান করেছি
আমি গত কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতাল যার পূর্বা নাম ছিল পিজি হসপিটাল আমার স্ত্রীকে নিয়ে টাইফয়েড এর চিকিৎসাধীন ছিলাম এবং তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করানোর প্রয়োজন ছিল ওখানকার জরুরী বিভাগে দেখানোর পর ডাক্তার রোগী ভর্তির লিভ দিয়েছিল কিন্তু সেখানে শত ঘুরাঘুরি করেও কোন ওয়ার্ড কেবিন কোনটারই সিট পাওয়া যায়নি, অথচ সেখানে কিছু টাকা ঘুষ প্রদান করলে হয়তো আমি সেখানে সিট অথবা কেবিন পেতাম কিন্তু আমি সেটা প্রত্যাখ্যান করেছি এরপর আমি প্রাইভেট হসপিটালে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করি এ হচ্ছে আমাদের বর্তমান পিজি হসপিটালের অবস্থা। এখানে দালাল চক্র অনেক বেশি।
আমার পাসপোর্টে ওয়ার্ড নাম্বার সঠিকভাবে আসেনি বলে সরাসরি ঘুষ দাবি করে। ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট ভিরেফিকেশন সম্পন্ন হবেনা বলে সরাসরি জানিয়ে দেয়।
Last time i need a police clearness from thana police , when i paid 500 to sonali bank i sunmit it to golapgonj thana office , that time the officer ask me 2500/- extra money for office cost. i refused than i visit sylhet bandor bazar SP office , here i show sonali bank slip for PCC but same results . bondor bazar office person ask 3000/- and he treat if i do not pay i never get PCC. i refused and come bank golapgonj thana and i paid 2500/- for PCC
ব্রাহ্মণবাড়িয়া BRTA অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখা যায়, সরাসরি BRTA-এর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কাজ করা বেশ কঠিন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৯৫% মানুষকে BRTA-এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করাতে হয়। মোটরসাইকেলের লাইসেন্সের সরকারি খরচ প্রায় ৬,০০০ টাকা হলেও যোগাযোগের মাধ্যমে করতে গেলে প্রায় ১৩–১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করতে বাধ্য হচ্ছে।
আমার নিজের একটা নামজারী আবেদন নিয়ে ভূমি অফিসে গেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রথমে ১,০০০/- টাকা দাবী করেন সেটা পরিশোধ করলে খড়সা খতিয়ান করে সার্ভেয়ার সাহেবের নিকট প্রেরণ করেন, পরবর্তীতে মুলাদী ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাহেব দাবী করেন উক্ত নামজারী আবেদন মঞ্জুর করতে তাকে আরও অতিরিক্ত ৫,০০০/- টাকা প্রদান করিতে হইবে। পরবর্তীতে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে, তাহার পরে তিনি আমাকে অনুপস্থিত দেখিয়া আমার নামজারী আবেদন না মঞ্জুর করে দেন।
আমি সরকারি চাকুরী করি, সে লক্ষ্যে আমার ঢাকা থেকে সিলেট পোস্টিং হয়। সরকারি আদেশ অনুযায়ী পোস্টিং হওয়ার ১-২ মাসের মধ্যে বেতন কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমার প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় হয়ে যাওয়ার পরেও বেতন হচ্ছিলো না। অতঃপর আমি সিলেট হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি তারা আমাকে জানায় যে আমার ফাইল টি এখনো ঢাকা থেকে আসে নাই। অতঃপর আমি ঢাকা হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বলে যে আমার ফাইলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে আরও এক থেকে দুই মাস অতিবাহিত হয়। আমার নিম্ন আয়ের মাধ্যমে আমার সংসার চলত। প্রায় সাত মাস বেতন বন্ধ থাকার পরে বিভিন্ন জায়গা হতে ঋণ করতে হয়েছে। অতঃপর আমি আমার সহকর্মী কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করি, তারা আমাকে বলে যে কিছু টাকা অর্থ প্রদান করলে আমার বেতন হয়ে যাবে। অবশেষে আমি ন
২.৫ বছর যাবৎ ১৫ থেকে ২০ বার স্বাভাবিক ভাবে আবেদন করে ও বদলি হতে পারিনি,,, শেষে বাদ্য হয়ে শিক্ষা ভবনের ডিজি এবং ডিডিরা,,, টিচারের মাধ্যমে,, পিউনের মাধ্যমে,, অন্যান্য শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়,,, আমি ২.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বদলি হতে বাদ্য হয়েছি,,, কারণ আমার নিজ জেলা থেকে ৯ ঘন্টা লাগে কর্মস্থলে যেতে।
আপনার কথাগুলোকে একটু গুছিয়ে, পরিষ্কার ও শক্তভাবে একটি অভিযোগ/সামাজিক পোস্টের ভাষায় লিখে দিলাম: আমার বাবা বন বিভাগে চাকরি করেছেন। তাঁর পেনশনের টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ অফিসে যাই। সেখানে পেনশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা আমার কাছে ৭৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি একসঙ্গে এত টাকা দিতে পারব না জানালে, কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী তিন ধাপে টাকা দেওয়ার কথা হয়। প্রথম ধাপে আমি ২৫,০০০ টাকা দিই। এরপর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আমাকে নিয়মিত আপডেট দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও ২৫,০০০ টাকা দিই। সর্বশেষ যখন আমাকে পেনশনের চেক দেওয়া হয়, তখন বাকি ২৫,০০০ টাকা দিয়ে চেকটি গ্রহণ করি।
আমি কাতার প্রবাসী। ই-পাসপোর্ট করার জন্য জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি তে নাম মিল রয়েছে কিন্তু এমারপি পাসপোর্টের সাথে নামের বানান গরমিল। সেটা ঠিক করার জন্য জন্মনিবন্ধন সনদে নামের বানান ঠিক করতে গেলে ইউনিয়নের সচিব ঠিক করার জন্য 10000 টাকা দাবী করে আমার আব্বার কাছ থেকে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ভর্তি রোগীর জন্য সিট দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ দাবির অভিযোগ আমি কক্সবাজার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন ছাত্র। আমি অটোমোবাইল অ্যান্ড অটো ইলেকট্রিক বেসিক বিষয়ে পড়াশোনা করি। অসুস্থ হওয়ার কারণে আমি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিই। চিকিৎসক আমাকে কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর আমি হাসপাতালে ভর্তি হই এবং আমার ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর আমাকে থাকার জন্য একটি সিট দেওয়ার কথা বলা হয়। হাসপাতালের সিট দেওয়ার দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তিকে আমি একটি সিট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি আমাকে সিট দেবেন বলে অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমি বারবার জানতে চাইলে তিনি শুধু
বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রয়োজনে নিয়োগকৃত বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশীদের সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ও ভিসা সংক্রান্ত কাজে পুলিশি তদন্তে অপ্রত্যাশিত কাগজপত্রাদি চাওয়ার নামে হয়রানি ও কৌশলে উল্লেখিত ৫-১০ হাজার টাকা অনৈতিক দাবি করা হচ্ছে ! না হয় বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা পজিটিভ রিপোর্ট দিতে বিলম্বিত করে বিদেশিদের ওয়ার্ক ভিসা পেতে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। যা বিগত বছর দুয়েক আগে খুব একটা হয়নি এর ফলে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্টানে এর প্রভাব পড়ছে। অনেক টেকনিশিয়ান সহ বিশ্বের বড় বড় বায়ার প্রতিনিধি কিংবা তাদের মনোনীতরা বাংলাদেশে ভিসা জটিলতার জন্য কাজ করাতে অনাগ্রহী হচ্ছে যা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্টান বিকাশের জন্য হুমকিস্বরূপ।