জমি খারিজ
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম,টাকা ছাড়া ফাইল পার করবে না,টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে বলেছিলেন।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম,টাকা ছাড়া ফাইল পার করবে না,টাকা দিলে কাজ দ্রুত হবে বলেছিলেন।
একটা সাধারণ দুই হাজার টাকা ভ্রমণ ভাতার বিল আটকে রেখে এক হাজার টাকা চেয়েছিল। পরবর্তিতে পাঁচশ টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করা হয়।
ইউনিয়নের মধ্যে জমির খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৬ শতক জমির জন্য তারা ৬ হাজার টাকা দাবি করে।প্রকৃত সরকারি ফি ১১০০ টাকা। অনেক কথা কাটাকাটির পরে তারা ৫ হাজার টাকার করে দিয়েছে।
18 তম শিক্ষক নিবন্ধনে যখন আমি নিয়োগ পাই তখন এমপিওভুক্তকরণ করার জন্য আমার প্রধান শিক্ষক আমার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে এবং সে বলে এই টাকা শিক্ষা অফিসে দিতে হয় আমি বাধ্য হই সেটা পরিশোধ করতে এবং দুই মাসের এরিয়ার বিল বাকি ছিল সেটাও প্রধান শিক্ষক বলেন এটা তুলতে আপনার 5000 টাকা লাগবে সেক্ষেত্রে আমাকে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে।
They want extra 150000 tk through deed writer for Bontonnama Dalil.
আনছার সদস্য আমার কাছে দাবি করেন
আমি জমি কিনছি নামজারি করতে ১০০০০ টাকা চাইছে
জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য শুনানীর দিন নির্ধারিত ছিল । সহকারী কমিশনার ভূমি এর শুনানী করেন। শুনানীর আগে সরকারী ফী সাথে অতিরিক্ত ৩০০০/- টাকা দাবি করা হয়। এগুলো কিসের ফী জিগ্যেস করলে বলা হয় এগুলো নাকি তাদের অফিস খরচ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার শুভাঢ্যা মৌজার ভূমি জরিপ চলছে। এখানে একটা মৌজার কয়েকটা সিট ভাগ করে দিয়ে ৮/৯ জন সার্ভেয়ার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ভূমি জরিপ করার জন্য । তারা শুরুতে যার যার চিহ্নিত এলাকায় গেছেন সেখানে রাস্তা, জায়গায় সব মাপামাপি করার পর সকল জমির মালিকদের বলছেন আমরা (নির্দেশ একটা জায়গা উল্লেখ করে) ওখানে আমাদের ক্যাম্প স্থাপন করেছি আপনারা যার যার মালিকানার কাগজ নেয়ে আসেন আপনাদের নামে নতুন রেকর্ড নিয়ে যান। এরপর শুরু হলো তাদের ঘুস কারবার কেমন, কেউ তার কাগজ নিয়ে গেলে বলতেছে আপনার জায়গা কম আছে, আপনার জায়গা খাস এর ভিতরে ঢুকছে, আপনার জায়গার কাগজ মিল নাই, নাম অসুদ্ধ , রাস্তা ছাড়ছেন সেখানে বেশি জায়গা ঢুকছে, বাড়ির সামনে রাস্তা আছে ১২ ফুট কর্মকর্তা রাস্তা নকশায় আকছে ১৬ ফুট মানে বাড়ির জায়গা কমায় দিছে ।
পৃথক খতিয়ান প্রস্তুতির আবেদন। ৩ বৎসর (২০২৩-২০২৬)কোনো কারণ না দর্শিয়ে আটক রেখেছে। সহকারী কমিশনার ভূমি অফিস। সকল ডকুমেন্টস জমা দেওয়া হয়েছে।
গ্রামের জমির খাজনা বাবদ ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত ১০০০০/- টাকা চেয়েছিল আমি ৯০০০ /- টাকা দিয়ে ফয়সালা করি
আমি ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় বেনাপোল বর্ডার এর এক ইমিগ্রেশন অফিসার, আমার পাসপোর্ট দেখতে চাইলো আর চা নাস্তা এর জন্য কিছু দিতে বল্লো । আমি তাকে ৩০০ টাকা দিয়েছি।
আমার জীবনে এইটা ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল পরে আরও দিতে হয়েছে।আমরা বাইক এ করে শেরপুর থেকে বাড়ি আসছিলাম,সময় কই রোড এলাকায় এসে কয়েকজন পুলিশ আমাদের বাইক আটকায়,তারপর একজন আরেকজনকে বলতে থাকে আজকে অনেকগুলো বাইক থানায় নিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভবত ২০০৯ সালের ঘটনা।আমরা অনেক রিকুয়েস্ট করি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।তখন আরেকজন কনস্টেবল এসে এক হাত আর এক হাতের বগলের নিচে ইশারাতে টাকা চায় আমরা তখন বুঝতে পারিনা,তখন সে পুলিশ কনস্টেবল বাধ্য হয়ে সরাসরি মুখে বলে ৫০০ টাকা দাও দিয়ে চলে যাও স্যার কে মেনেজ করতে হবে।আমাদের কাছে তেমন টাকা পয়সা ছিল না, আমরা সবার পকেট চেক করে মাত্র ১২৭ টাকা আছে এটা ওই কনস্টেবল কে জানাই তিনি রাগান্বিত হয়ে বলে এটা তো হবে না তোমাদের বাইক থানায় নিয়ে যাব পরবর্তীতে এস আই কে জানায় এরা ছ
অপেদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আমি আবেদন করেছি। এখন কিছু দালাল বলছে আপনি যতই পরিক্ষা ভালো দেন আপনাকে পাস করাবে না যদি আমাদের মাধ্যমে না করান। যেভাবেই হক ফেইল করাবে তবে আমি ও বলেছি আমি একবার ফেইল করে দেখি তাও মহান আল্লাহর কাছে বলতে পারবো আমি সৎ ভাবে চেষ্টা করেছি.... । এখন দেখি কি হয় সমনে পরিক্ষা।
have experienced corruption in Bangladesh on four separate occasions. Government officials demanded bribes to perform services that should be free. For my passport, I was asked to pay $4,000, and then an additional $3,000 during verification. I had similar experiences with my property registration and property taxes, where officials refused to provide documents or inflated my tax assessment unless I paid extra money. Now living in the United States, I find this system deeply shocking. another way pay 25000
আমি আমার জমির কাগজ বুঝতে গেছি সে বুঝায় দিয়ে নাস্তা খাওয়ার টাকা দেন৷ আমি ১০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে ১০০ টাকা হাতে নিয়ে বলতে লাগলো এটা দিয়ে হবে না আরো লাগবে। নয়তো জমির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবেননা। ঐ সময় অনেক লোক ঢুকছে তাই আর কথা বাড়াতে চায় নাই তিনি। আমি কিছু ক্ষণ দেখলাম সবাইরে একে অবস্থা সবাই যার যার মতো করে ঘুষ নিতেছে। কৃষক যে দিগে যায় সে দিগেই লসে পড়ে যায়। না আছে শস্যর দাম না সার এর দাম তো আগুন ভূমি অফিস টাকা ছাড়া কথাই বলে না
আমার ট্রেড লাইসেন্স করা ছেলে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে উনি টাকা দাবি করেন অথবা ইউ অল সাহেবের কাছ থেকে পারমিশন নিয়ে আসতে বলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে উনি ২৫০০ টাকা নিয়ে পরবর্তীতে নিজেই অনুমোদন করে দেন
ভোগান্তি ও অন্যায়ের শিকার: বগুড়া ভূমি অফিস থেকে জমি জবরদখলের নির্মম অভিজ্ঞতা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমির নামজারি বা মিউটেশনের নির্ধারিত সরকারি খরচ মাত্র ১,৩০০ টাকার মতো। কিন্তু বাস্তবে সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে গিয়ে যে হয়রানি ও দুর্নীতির মুখোমুখি হতে হয়, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। নামজারির জন্য আবেদন করার পর 'এটা নাই, ওটা লাগবে'—এমন নানা অজুহাতে ফাইল আটকে রেখে ভোগান্তি সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদেরই চেনা কিছু দালালের মধ্যস্থতায় বলা হয়, “৩০,০০০ টাকা দিন, সব কাগজ আমরা তৈরি করে ঝামেলামুক্তভাবে কাজ শেষ করে দেব।” ঢাকা থেকে বারবার বগুড়ায় গিয়ে সরকারি অফিসে ধরণা দেওয়া বা সময় নষ্ট করা একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তাই অগত্যা, অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরিস্থিতির শিকার হয়ে সেই অন্যায্য দাবি
আমি নিজে নিজে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম এর জন্য মুন্সিগঞ্জ বিআরটিএ তে পরিক্ষা দিতে কিন্তু সব বিষয়ে পাশের পরেও মোটরসাইকেল পরিক্ষায় আমাকে ফেইল করিয়ে দেয়া হয় অনেক রিকুয়েষ্ট করেছি কিন্তু পাস দেয়নি অথচ যারা দালাল ধরে এসেছে তারা মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা অনেকেই কিন্তু তারা পাশ, তারপর এক লোক ডাক দিয়ে বলে একটা দোকানে যেতে আমি গেলাম পরে তারা প্রথমে ১০হাজার দাবি করে তারপর ৫হাজার নেয় আমার থেকে বলে পাশ করিয়ে দিবে তারপর পরের দিন দেখি আমি পাশ, হায়রে বাংলাদেশের সিস্টেম, প্রত্যেকটা সরকারি সেক্টরে এখন দালাল এর কথায় ও নোটে কাজ হচ্ছে আমাদের সরকার কি এইগুলো দেখছে না? সরকারের কাছে দরখস্ত এদেরকে যেনো ছাটাই করে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়!
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে অফিসে গেলে নবায়ন ফি ১১৫০ টাকার বিপরীতে তাহারা আমার কাছে ৪৬০০ টাকা দাবি করে। অতিরিক্ত টাকা আমি দিতে অপারগতা জানাইলে তাহারা বলে আপনার লাইসেন্স নবায়ন হবে না, ফলে আমি লাইসেন্স না করেই ফিরে আসি।