ড্রাইভিং লাইসেন্সের
অফিস খরচ বাবদ ২০০০/- দিতে হবে ড্রাইভি লাইসেন্স বাবদ।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অফিস খরচ বাবদ ২০০০/- দিতে হবে ড্রাইভি লাইসেন্স বাবদ।
Demanded 12K for a new connection. Threatened to never give the connection. Then settled at 7k
ডিসি অফিস কর্তৃক ঘুষ এবং না দেওয়ার প্রেক্ষিতে ইসিবি অফিসের দিদিকে ওভার ফোনে কমপ্লেন প্রদান যার পরিপ্রেক্ষিতে টিসিবি রংপুর জোনাল অফিস থেকে ডিলার কে শোকজ প্রদান। এবং টাকা না দিলে লাইসেন্স স্থগিত করবে এবং বাজেয়াপ্ত করবে প্রতি রমজান এবং কোরবানির ঈদের সময় ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল হতে ১০০০ করে টাকা প্রতি গাড়ি প্রতি ডিলারের কাছ থেকে পৃথিবীর রংপুর বর্তমান নিয়ে থাকে টাকা না দিলে নানাবিধ সৌকজ লেটার প্রদান করে এবং লাইসেন্স ক্যান্সেলের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তিনি তার অফিসে ডেকে বিভিন্ন ডিলারকে নানাভাবে হয়রানি এবং ব্যবহার খারাপ করে এর তীব্র প্রতিবাদ এবং বিচার আশা করছি।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ এ ইজিপি টেন্ডাত এর মাধ্যমে একটি কাজ পেয়েছি, কিন্তু তারা কোনো মাল না নিয়ে আমাকে খরচের যৎসামান্য টাকা দিয়ে পুরোটা নিয়ে নিয়েছে।
আমি বললাম আমার ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ। কত টাকা লাগবে বললেন ৪০০ টাকা মতো লাগবে। অথছ আবেদন লিখে ২৩ টাকা জমা দিলে কাজ শেষ।
চাকরির শুরুতে পে ফিক্সেশন করতে হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে। এইজন্য টাকা দিতে বাধ্য করা হয় প্রক্রিয়া বিলম্বন করে।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে ও দলিলের নকল উঠাতে সরকারি ফি চাইতে অতিরিক্ত ফি দাবি করা।
Police officers ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা চায় ৫০০০ তা দেওয়ার পর ৫/৬ মাস সময় চলে যায় পরে আবার যোগাযোগ করলে টাকা চায় কিন্তু বিশেষ জরুরী হওয়ার জন্য আরও ৫০০০ টাকা দিলে কয়েক দিনের মধ্যে পেয়ে যাই
জমি নামজারি করতে ১০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করে। না দিলে অনেক হয়রানি হতে হবে তাই সহজে পেতে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি
Amar kache namjary korar jonno 3000 tk. demand kore.
জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাপ অনুমোদনের জন্য সরাসরি ফি ছিলো ২৪০০ টাকা কিন্তু আমার কাছে নিয়েছে ৩৪০০ পরিমাপ ঠিক আছে কিনা দেখার জন্য নাকি লাগে ১০০০ টাকা আমাকে ভাউচার দিয়েছে ২৪০০ টাকার বাকি ১০০০ টাকার ভাউচার দেইনি
২০২৪ সাল থেকে আমার বাবার পাসপোর্ট এর সমস্যা।সার্ভারে পুরান পাসপোর্ট এর তথ্য মেলেনা।ঢাকা হেড অফিসে গিয়েও সমধান হয়না।নওগাঁ অফিস থেকে চিঠি পাঠিয়েও সরাসরি হেড অফিস আগারগাও ২বছর ধরে ঘুরে ঘুরেও সমাধান হয়না।আমি একজন মাস্টার্স পাস, আমি চাইনি কোন রকম টাকা দিয়ে সমাধান করতে যারা কারনে ২বছর ধরেও সমাধান মেলেনি পরে এক লোক মাধ্যমে ২০হাজার টাকার বিনিময় ২১দিনে কাজ করে দেয়।যেটা আমি ২বছরে নিজের চেস্টাই সফল পাইনি আফসোস বিভাগিয় প্রধান থেকে শুরু করে নির্বাহি পরিচালকরা খুব আশা দেয় কিন্তু ২বছরেও যেটা করেনি সেটা ২০হাজারে ২১দিনে করে দিল
রংপুর জেলার উপজেলা আনসার অফিস থেকে যোগাযোগ করে বলা হয়েছিলো হাসপাতালের ফ্যামিলি প্লানিং গুদামে গুদামরক্ষী হিসেবে ডিউটি হবে ১ বছর টাকা পাবা ২ লাখের উপরে এখন তোমাকে ওখানে পরীক্ষায় কারসাজি করে পাশ করাবো টাকা দিতে হবে ৫০০০০ হাজার শেষে ৩০০০০ টাকায় ডিউটি দেয় কিন্তু এখানে ডিউটি হয়েছে মাত্র ৬ মাস। আমি নিজে প্রতারিত
প্রবাসীরা বিদেশে যাওয়ার আগে যে প্রশিক্ষণ নেয় বিভিন্ন টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে তেমন আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ও চিনাইরয়ে অবস্থিত একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার আছে এখানে প্রবাসীরা ট্রেনিং নিয়ে থাকেন বিদেশে যাওয়ার আগে সেই ট্রেনিং এর ভর্তি ফি হচ্ছে সরকারিভাবে ৩০০ টাকা কিন্তু এখানে ঘুষ বাবদ আরো অতিরিক্ত ৬০০ টাকা যোগ করে ৯০০ টাকা করে নেওয়া হয়
প্রতিটি টি স্বাভাবিক জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে 200/- টাকা হারে ফি নিচ্ছে, গণহারে , এই ফি এর অতিরিক্ত টাকা প্রতিদিন কার পকেটে যাচ্ছে। প্রতিদিন চলমান এভাবে, এছাড়াও বিদেশে যাওয়ার জন্য ছেলেদের বয়স বাড়িতে জন্ম নিবন্ধন করে দিচ্ছে 4000- 5000 টাকার বিনিময়ে , মেয়েদের বিবাহের জন্য 5000- 10000 টাকার বিনিময়ে। অরহর হচ্ছে এই বানিজ্য।
সাব রেজিস্ট্রার অফিস, পটুয়াখালী। অফিস খরচ বাবদ ৩০০০/-
মামলা নেবার জন্য চেয়েছিলো। নতুবা কাজ হবে নাহ।
পাসপোর্ট ফরমে মায়ের নাম বেগম ভুল ধরে ১৫০০ টাকা নিয়ে কাজ করে দিছে।
ওয়ারিশ সনদ, আমার কাছে চা-নাস্তার খরচ বাবদ দাবি করছে এবং ফরমে স্বাক্ষর করছেনা বিধায় আমি দিতে বাধ্য হই।
ওয়ারিশ সুত্রে ও দলিল সুত্রে সম্পত্তির নামজারি করার জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে। সেখানে কর্মরত সহকারী নায়েব বা সহকারী তহশীলদার আমার কাছে বলে যে, এমনিতে ১০-১৫ হাজার নেই, তুমি যেহেতু ছাত্রদলের নেতা তাহলে তুমি ৮,০০০/- টাকা দিও। আমি বললাম খরচ তো হাজার বারশোর বেশি নয়। তিনি বলল "তুমার সাথে তর্ক করতে এখানে বসিনি, কাজ করলে করাও না হলে যাও"