পাইপ লাইন সংক্রান্ত
জনপ্রতি এক লক্ষ টাকা করে দেন, তবেই পাইপ লাইনের কাজ হবে......
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জনপ্রতি এক লক্ষ টাকা করে দেন, তবেই পাইপ লাইনের কাজ হবে......
বয়লারের বাৎসরিক নিবন্ধন এর জন্য এই টাকা দেয়া হয়েছে। আমাদের ফ্যাক্টরি টি কমপ্লায়েন্স ফ্যাক্টরি। নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের সাথে সাথে বাৎসরিক নিবন্ধন অনলাইনে আপডেট করা হত তাহলে কোম্পানি এই টাকা দিতে বাধ্য হতনা। বয়লার অফিসের নিয়ম অনুযায়ী সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে মেনে চলা হয়। আমার ১৮ বছর চাকরি জীবনে এই প্রথম ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আল্লাহ বয়লার অফিসের লোকদেরকে হেফাজত করুক। আমিন
আমার ভোটার হবার জন্য যখন আবেদন করতে যাই তখন চোখে পরে আমার সার্টিফিকেট এ বাবার নামের বানান ভুল এসেছে। এই বানান সংশোধন করতে আমি আমার স্কুলে যাই। সেখানে দায়িত্বরত শিক্ষক আমাকে প্রায় ২ মাস ঘুরিয়েছেন তারপর আমার থেকে ১৮০০ টাকা দাবি করেন যেখানে আবেদন এর সরকারি খরচ মাএ ৫০০ টাকা। ৫ মিনিটের কাজের জন্য ১৩০০ টাকা দাবি করেন শেষ পর্যন্ত ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
আমার জাপানি ভাষা N5শেষ করার জিএলটি পরিক্ষা ছিল সব ডুকুমেন্ট ঠিক থাকার পর ও ফাইল আটকিয়ে দিয়েছিল, বাধ্য হয়ে 2000 টাকা বেশি দিয়ে করতে হয়
বাড়ি বানানোর জন্য আমার এক আঙ্কেল ৫ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়েছিলেন। কিন্তু ৬ মাস হয়ে গেলেও কোনো খবর নেই। শেষমেশ অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা নিশ্চিত নয় কবে প্ল্যান পাস হতে পারে। তাই আঙ্কেলের বিল্ডিং বানানোর কাজও বন্ধ হয়ে গেছে।
তাদের কিছু আনুসাঙ্গিক খ্রচ আছে, এজন্য টাকা দিতে হবে, না দিলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে।
একটা নরমাল নাগরিকত্ব সনদ এটার জন্য আসলে কোন টাকা পয়সাই লাগে না। কিন্তু তারা প্রতি মানুষ থেকেই ১০০ টাকা করে নিয়ে রেখে দেয়। এটার আসলে কোন রিসিটও নাই, কোন কারণও নাই।
৭৫০০ টাকা দিলে পাসপোর্ট কোরে দিবে যামেলা ছারাই আর টাকা না দিলে জামেলা হব সময় লাগবে বেসি।
ঘুষ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা অসম্ভব আমার ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
HSC প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা জন্য 1000 টাকা চাওয়া হয়, এই টাকা দিতে চাই নি বলে আমাকে অন্য একটা রুমে নিয়ে বসানো হয়, প্রিন্সিপাল আমার admit card কেড়ে নেয়। রুমে একাই আমি । পরিত্যক্ত রুম ছিল । সব কিছু ময়লা । বিভিন্ন হুমকি ও দেওয়া হয় । চাপে পড়ে বাধ্য হই দিতে
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছিলাম। থাবা থেকে একটি নাম্বার থেকে কল দিয়ে আমার কাছে ডিরেক্ট উনি বলেন যে "Police clearance করতে তো আমাদের কিছু কস্ট আছে আপনি তো জানেনই, দিয়ে দিয়েন ভাই।" কিন্তু আমি দেই নাই যার কারণে আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই নাই।
আমি চাকরির জন্য মেডিকেল করাতে এসেছিলাম। আমার একসাথে অনেকগুলো কাজ হাতে ছিল। পূর্বে যখন আমি মেডিকেলে এসেছিলাম অনেকের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার ঝামেলা হতো। যেহেতু আজকে আমার কাজের চাপ এই সকল বিবেচনায় এদের সাথে কোন ঝামেলা করে নিয়ে তারা ১০০ টাকা চেয়েছে কিন্তু আমাকে কোন রিসিট দেয়নি। আমিও আজকে আবার কোন ঝামেলায় যেতে চাইনি। কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে যে ১০০ টাকা নিল এটা তো দুর্নীতি তাই না? এরকম আমার কাছে আর অপরিচিত অনেকে বলেছে যে রক্ত পরীক্ষা করতে গেলে ব্লাড গ্রুপ আইডেন্টিফাই করতে গেলে টাকা লাগে ১০০ টাকা করে রেখে দে কিন্তু রিসিট দেয় না। দুর্নীতি বন্ধ হোক।
উপজেলার পরিসংক্যান অফিসার নৌযান শুমারীর গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ পাইয়ে দেয়ার জন্য ২০০০ টাকা চেয়েছিল নতুবা কারো সুপারিস আনার কথা বলছিল। আমি রাজি হইনি।
জুলাই-২০২৫ সালে একজন প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন এর ৫% ইনক্রিমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি হয় নাই। ফলে সে ৮৭৯ টাকা কম পায়। পরবর্তীতে উপজেলা শিক্ষা অফিসে সেই বকেয়া বিল প্রস্তুত করে উপজেলা হিসাবরক্ষন অফিসে দরখাস্ত দেয়া হয়। আজ ১৩ মাস অতিক্রান্ত হলেও সেই বকেয়া পাওয়া যায় নাই। কিছুদিন অফিসে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ফোন দেয়া হয়। সে ইনিয়ে বিনিয়ে ঘুষ দাবি করে। অফিস প্রধান টাকা ছাড়া এইসব সাইন করে না নাকি! অধীনস্থ শিক্ষকদের বেতন বিলেও ঘুষ ছাড়া এরা কাজ করে না। ধিক্কার এদেরকে।
During the submission of my passport application, an officer at the passport office demanded a bribe of BDT 1,500 and stated that my application would not be accepted unless I paid the demanded amount. Subsequently, during the police verification process, the police officer responsible for conducting the verification demanded a bribe of BDT 3,000, despite the fact that all of my documents and information were accurate and in order. The officer further threatened that if I did not pay the demanded amount, they would submit a negative verification report, which would result in my passport application being rejected and prevent me from obtaining a passport.
কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার নির্বাচন অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড উত্তোলনের সময় অফিস সহকারি একশো টাকা দাবি করে । অন্যথায় সে স্মার্ট কার্ড দিবে না । তাকে একশো টাকা দেওয়ার পর দেখলাম যে আরো কয়েকজন আসলো তাদের কাছ থেকেও সে একশো টাকা করে নিচ্ছে আরকি । এটা হচ্ছে ওনাদের ব্যক্তিগত আয় ।
ঘুষ গ্রহীতা: টাকা না দিলে ফাইল আগাবেনা, যারা টাকা দেয়নি তাদের ফাইল ৩ বছর ধরে পরে আছে আগামী ৩ বছরেও কেউ ফাইলে হাত দিবেনা।
কারখানার মালিকানা পরিবর্তন হবার কারনে পল্লিবিদ্যুৎ অফিসে মালিকানা পরিবর্তন এর আবেদন জমাকালে মৌলভীবাজার পল্লিবিদ্যুত অফিস, শ্রীমঙ্গল এর সদস্য সচিব 2দিনে কাজ সম্পাদন করার আশ্বাস দিয়ে এই দুই লাখ টাকা দাবি করেন।
আরও বেশি টাকা চায়, পরে কোনোভাবে ২০০ দেওয়া হয়
2010 সালে বাবা মারা যাবার পরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাব শাখার হয়রানির স্বীকার হয়।তবে শেষ পর্যন্ত কাজ হয়নি।