Passport renewal
A dalal took 1000 taka from me and did my passport renewal even before the office hours begin
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
A dalal took 1000 taka from me and did my passport renewal even before the office hours begin
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এর কিছু পুরনো কাগজ উঠানো এর জন্য গিয়েছিলাম আমার অফিসের,অফিস সহকারী প্রথমে বলেছিল অনেক পুরনো নথি খুজতে সময় লাগবে ১০০০০ টাকা লাগবে, পরে নথি ১ দিন পরই খুজে পাওয়ার পর বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে।পরে সেই টাকার পরিমাণ ৩০০০০ হাজার ছাড়া দিবে না, অনেক খরচ, অনেক দিন সময় লাগবে নোট পাস হতে, তার পর উপায় না দেখে অফিস থেকে মেনেজ করেছি, আমি নিজেও বিব্রত যে স্যার কে প্রথম এক এমাউন্ট বলেছিলাম পরে আবার অন্য।
বাবার সাথে জমির একটা খিতিয়ান খারিজ করতে গেছিলাম। সেটার জন্য কাগজপত্র জমা দেএয়া ছিলো ৩মাস আগে। হিসেবে আমরা যেদিন গেছি অফিসে সেদিন কাজ হয়ে যাওয়ার কথা। অথচ যাওয়ার পর বলে কাজ হয়নাই। আমরা হতাশ। উনাকে বললাম আমাদের এটা খুব জরুরী। বলে হবেনা। আমরা বাহিরে আসলাম। কিছুক্ষণ পর একটা লোক বাহিরে আসলেন। এসে বললেন ২০ হাজার টাকা হলে আজকেই কাজ করে দিবে। আমাদের খুব দরকার ছিলো তাই বললাম করে দেন। উনি টাকা নিয়া ১০ মিনিট পর আমাদের খারিজ হাতে দিয়ে দিলেন। তখন যা বুঝলাম কাজ আগেই রেডি ছিলো। শুধু টাকা খাইলো।
আমি নেত্রকোনা থেকে আমার বোন জামাইকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসলাম। ডাঃ দেখালাম ডাঃ অনেক গুলো পরিক্ষা দিলো যেহেতু নতুন আসলাম তেমন কিছুই ছিনি না!তখন এক জনকে জিজ্ঞাস করলাম ভাই পরিক্ষা গুলো কোথায় করতে হবে তখন এই লোকে বলে আমাকে ২০০টাকা দেন আমি জায়গায় নিয়ে যাই পরে আমি বললাম আমি কেন আপনাকে টাকা দিব কে আপনি। তারপর আমি সেখান থেকে চলে গেলাম।
আমার কারখানার লাইসেন্স করাতে সরকারি ফি ৫০০০ টাকা আর ১৫% ভ্যাট। কিন্তু লাইসেন্স করাতে একজন কর্মকর্তা ৩০০০০ টাকা নিয়েছে।
আমার কারখানার লাইসেন্স করতে একজন সহকারী মহাপরিদর্শক পরিচয়ে কর্মকর্তা ২৫০০০ টাকা নিয়েছে।
ভূমি অফিসে নামজারির জন্য তৎকালীন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ার কর্তৃক ঘুষ গ্রহণ।
Birth Certificate registration kore ghush na dile 8-9 month or beshi shomoi ney, r ghush dile 1 diner moddhe Certificate ready, Etar bichar chai
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারকর্তৃক বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা তুলতে গেলে ঘুস ছাড়া কাজ করে না, বিল ছাড়ে না এবং বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা যায় না। এতে বিদ্যালয়ের কাজ ব্যাহত হয়। এছাড়া বিদ্যালয় প্রতি ২-৫ টাকা করে ঘুস দিতে হয়, যা বিদ্যালয়ের কাজের সময় সরকারের প্লান মোতাবেক কাজ করতে গেলে অর্থ সংকট দেখা দেয়। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা তুলতে গেলে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। টাকা ছাড়া ভাতার বিলে স্বাক্ষর করে না, অর্থের ছাড় হয় না। এছাড়া শিক্ষকরা উপর্যুক্ত অফিসে যেকোনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে দেয় না। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা ঘুস দেয়। নতুন শিক্ষকদেরও ঘুস দিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এমন একটা জিনিস দালাল ছাড়া হয়ই না । আমার সাথে আরো 200-250 মানুষ যারাই ছিলো সবাই দালালের মাধ্যমেই এসেছে । দালাল থাকলে অটো পাস , না থাকলে অটো ফেইল । পরীক্ষকরা বিআরটিএ অফিস থেকে আলাদা পরীক্ষা নেয় এবং ডকুমেন্ট কালেক্ট করে বায়োমেট্রিক নেয়ার আগেই । সিলেটের অন্য জেলা(হবিগঞ্জ ,সুনামগঞ্জ , সিলেট ) এখন দালালরা সুযোগ সুবিধা করতে পারে না, তাই অন্য জেলার লোকদেরও এখানে পরীক্ষা দেওয়ায় । এই দালালি সিস্টেমের জন্য আমরা সাধারণ জনগণ দায়ী 50% । বাকি 50% এর জন্য সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর আজাইরা প্যারা দায়ী ।
একই জমীর নামজারীর প্রথম আবেদন- 05.01.2026 - নামঞ্জুর “ দ্বিতীয় আবেদন-28.03.2026- নামঞ্জুর “ তৃতীয় আবেদন-10.08.2026 পেন্ডিং , প্রায় ০৯ মাস হলো বিলের একটা জমির এখনো নামজারী হলো না। প্রথমে আবেদন করে বসি ল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ফাইল টি ইউনিয়নে ফরোয়ার্ড করেন।ইউনিয়নে তহসীলদার টাকা চায় ৫০০০/-, তবে আমার জন্য ৩০০০/-. এমতাবস্থায়, আমি টাকা দিব না বলে দিলাম। ফলে তহসীলদার নামজারীর প্রস্তাব দিল না, ফলে এসিল্যান্ড তা না মঞ্জুর করলেন। এর ২ মাস পরে আবারো আবেদন করি, কিন্তু একইভাবে টাকা চায়, আমি ঘুষ দিব না, ফলে আবারো এসিল্যান্ড নামজারীর আবেদন না মঞ্জুর করেন। এবার প্রায় ০৫ মাস পর আবোরো আবেদন করি, এসিল্যান্ডকে কাগজপত্র দেখাই। কাজ হয় নি
My company/business's tax file fall under audit by NBR. My tax lawyer is handling it. However, the tax inspector from NBR is demanding 200k BDT to resolve it at once, which i refused. thats why solution is now pending.
১২ বছরের বাচ্চার ৭-৮ দিনের জ্বর ১০২°-১০৩° নিয়ে শহিদ সরোয়ারদি হাসপাতালে যাই রাতে ইমারজেন্সীতে দেখাই ডাঃ দেখে ভর্তি হতে বলে, কিন্তু তখন ভর্তি করেনি। তখন বলে সকাল ৮ ঘটিকায় আসেন। সকালে যাই ডাক্তার দেখে ভর্তি লিখে দেয় তার পরো তারা ভর্তি নিতে গড়িমসি করে, তখন বাধ্য হয়ে তাদের কে টাকা দিতে বাধ্য হই।
প্রথমে আমি একাই গিয়েছিলাম কাগজপত্র দেওয়ার পরে আমাকে বলছিল যে আরো অনেক কাগজপত্র লাগবে বাইরে এসে কয়েকজন জানতে চাইলো কি হলোপরে বললো আমাকে ১৫০০ টাকা দে আমি কাজ করে দিচ্ছি আমার কাজ হয়ে গেল।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন দেশের জ্বালানি তেল আমদানি করে। আমদানি ব্যাংকসমূহের মাধ্যমে করা লাগে। ব্যাংকসমূহ এল সি এর মাধ্যমে আমদানি করে। প্রতি এল সি বাবদ ব্যাংক এর কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে জনৈক কর্মকর্তা ।
রোগি এক্সিডেন্ট করায় পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্ষত স্থানে প্রতিদিন ১বার করে ব্যান্ডেজ পরিবর্তন করানোর জন্য ওয়ার্ডবয়কে ৫০০ টাকা করে দিতে হয়েছে। এই কাজ নার্সদের ফ্রিতে করে দেয়ার কথা, কিন্তু কোনো নার্স করেনা, ওয়ার্ডবয় ৫০০ টাকা না দিলে করে দেয়না।
আমি একটা প্রতিষ্ঠান এর সাথে যুক্ত ছিলাম। আমি একাউন্টস পদে ছিলাম। আমরা মূলত পণ্য ইমপোর্ট করে দেশীয় বাজারে সাপ্লাই দি। ভ্যাট গোয়েন্দা বিভাগ কোন একটা কারনে আমাদের গত পাচ বছরের নতি চাই। তখন অই নতি জমা দিতে গেলাম। অই খানে একটা পুরুষ ও মহিলা (বোরকা)। আমি জমা দিলাম তখন অই মহিলা ভাত খাচ্ছিল, খেতে খেতে তিনি বলে কিছু টাকা দিয়ে যান পরে ১০০ টাকা বের করে দি উনি বলে না দুইজনের জন্য দুইশো টাকা দেন।
দুটো পাসপোর্ট এর আবেদন ছিল, পাসপোর্ট নবায়ন এবং নতুন পাসপোর্ট। এক রুম থেকে আরেক রুম, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। দুপুর তিনটার পরে নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে বলা হলো আজকে সময় শেষ কালকে আবার আসবেন। আমার অভিজ্ঞতায় বলে, তারা ইচ্ছে করেই বিষয়গুলো দীর্ঘায়িত করে। পরবর্তীতে টাকা পরিশোধের মাধ্যমে ঠিকই সব প্রসেস করে দিল।
আমার এক প্রতিবেশি তুষখালি ভুমি অফিসে মিউটেসন করতে গেলে তার কাছে ৯০০০ টাকা নিছে।
প্রাইমারী শিক্ষকের পেনশনের ফাইল ছাড়তে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছেন অফিসের বড় বাবু (ক্লার্ক)