পেনশন সংক্রান্ত কাজ
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
RNUCCQG3
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারকর্তৃক বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা তুলতে গেলে ঘুস ছাড়া কাজ করে না, বিল ছাড়ে না এবং বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করা যায় না। এতে বিদ্যালয়ের কাজ ব্যাহত হয়। এছাড়া বিদ্যালয় প্রতি ২-৫ টাকা করে ঘুস দিতে হয়, যা বিদ্যালয়ের কাজের সময় সরকারের প্লান মোতাবেক কাজ করতে গেলে অর্থ সংকট দেখা দেয়। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা তুলতে গেলে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে দিতে হয়। টাকা ছাড়া ভাতার বিলে স্বাক্ষর করে না, অর্থের ছাড় হয় না। এছাড়া শিক্ষকরা উপর্যুক্ত অফিসে যেকোনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে দেয় না। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা ঘুস দেয়। নতুন শিক্ষকদেরও ঘুস দিতে হয়।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।