পাসপোর্ট
তথ্য সব ঠিকই ছিল কিন্তু ভুল দেখানো হহেছিল
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
তথ্য সব ঠিকই ছিল কিন্তু ভুল দেখানো হহেছিল
আমার জমির খাজনা ২০ টাকা, দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা। জরুরী প্রয়োজন ছিল তাই দিতেই হলো।
(৩ বছর আগের অভিজ্ঞতা) ২০২৩ সালে আমার স্ত্রীর নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করি আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোন ফিডব্যাক পাইনি, এমত অবস্থায় চাটখিল নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করি এবং আমার স্ত্রী এবং শাশুড়িকে নির্বাচন অফিসে পাঠায় তখন নির্বাচন অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে।বাধ্য হয়ে আমার স্ত্রী ৩০০০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়, টাকা পাওয়া পর তারা এনআইডির কার্যক্রম করে মোবাইল নাম্বারে মেসেজ পাঠায় এবং তাও এনআইডিতে মুল নামই ভুল দেয়। পরে আমি যখন ফোন দিয়ে তাদের সাথে রাগারাগি করি এবং কি ডিসি অফিসে অভিযোগ জানানোর কথা বলি। তখন তারা পাঁচ মিনিটের মধ্যে এনআইডির মূল নাম সংশোধন করে আবার মেসেজ পাঠায়।
আমার বাবার নামে ভুল ছিল।সেটা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলাম।বলে টাকা দিলে তারাতাড়ি হবে আর না দীলে লেট হবে।
একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ১৫০০০০ টাকা। ভ্যাট আইটি কর্তন অব্যবহিত পরবর্তি নীট প্রাপ্য ১২০০০০ টাকা থেকে শিক্ষা অফিস ২৫০০০ টাকা ঘুস নিয়েছে।
আমার স্ত্রীর আঙ্গুল ভেঙ্গে যাওয়ায় ইমারজেন্সী গাজীপুর সদর হাসপাতাল যাই। ওখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্লাস্টার করতে বলে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির একজন লোক বলে যে ১২০০ টাকা লাগবে। পরে দামাদামি করে ৮০০ টাকায় প্লাস্টার করে দেয়। পরবর্তীতে পায়ের ব্যথা বাড়ার কারনে নিটোরে যাই, ওখানে ফিঙ্গার স্ট্রিপিং করে দেয় এবং বলে যে প্লাস্টার করার প্রয়োজন ছিল না, এমনকি ভুল ভাবে প্লাস্টার করার কারণে চাপে থেকে পায়ে ব্যথা বেড়ে গেছে।
আমার কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও, শুধু শুধু আমার বাইকে মামলা দিতে চায়, পরবর্তীতে টাকা দিয়ে নিজেকে মামলার হাত থেকে বাচাই।
আমাদের একটা স'মিল' আছে। প্রতি বছর আমাদের ৫ টা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।এদের মধ্যে একটি হলো বিভাগীয় এটি প্রক্রিয়াদিন হয়ে আমাদের উপজেলা আসে। উপজেলা থেকে শীল,সাক্ষর হয়ে আবার সিলেট যায়। সরকারি একটা অফিস চলে সরকারের টাকা দিয়ে। তাদের মাসে মাসে সরকার থেকে বেতন দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণে সরকার থেকে অফিস খরচ কত দেওয়া হয়। আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচ বলে প্রতি বছর ৪০০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তারা শীল, সাক্ষর দিয়ে সিলেট পাঠায় না। যার ফলে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা কি করব? তাদের বিপক্ষে গেলে হয়ত আমাদের মিল টা বন্ধ করে দিবে না হয় অবৈধ বলে মামলা দিবে! আমরা কি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি? এটার কি কোনোদিন প্রতিরোধ করা যাবে না।নাকি বছরের পর বছর এই ভাবে টাকা দিয়ে আসতে হবে? আরও অনেক অভিযোগ আছে এই স'মিল' এর লাইসেন্স
অনলাইনে সব কিছু পূরণ করে, ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে লাইনে দাঁড়ালে বারবার ফাইলে বিভিন্ন রকম অপ্রয়োজনীয় ত্রুটি ধরে ফাইল রিজেক্ট করে দেয় কিন্তু গোপনে ১৫০০-১৮০০ টাকা করে দিলে তখন কোন ত্রুটি ধরেনা। সাথে সাথে ফিঙ্গার নিয়ে নেয়।
সবুজবাগ ভূমি অফিস। জমি মিউটেশনের জন্য ওখানকার একজন কর্মচারী ১৭০০০ টাকা কন্ট্রাক্টে কাজটি করে দেয়। না দিয়ে উপায় আছে? কোন কর্মকর্তা সরাসরি টাকাটা চায় নি, ভুমি অফিসের কর্মচারী পুরা কাজের কন্ট্রাক্ট নেয়।
ঘুষ না দিলে ফাইলই উপরে উঠায় না। এটা অলিখিত নিয়ম। আমার ফাইল রেডি করে কল দিয়ে বলেছিলো এই নাম্বারে বিকাশ আছে পাঁচ হাজার পাঠাইয়েন।
ঢাকায় বদলি হয়ে পারব কিন্তু ৫০০০০০ টাকা লাগবে
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার সময় বলছে কিছু চা পানি খাওয়ার জন্য দেন।
মোটর সাইকেল রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে কাগজ পত্রে ভুল আছে এসব বলে তালবাহানা করে পরে টাকা দেওয়ার ইঙ্গিত করে.
কাশিনাথপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ।। নতুন সংযোগ গ্রহণের জন্য আমাদের একটা বিদ্যুতের খুঁটি ও ট্রান্সফরমার প্রয়োজন ছিল। সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে ইঞ্জিনিয়ার ডিজাইন করতে আসে তাকে দিতে হয় ২০০০ টাকা । **এখানে বলে রাখা ভালো পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরাসরি কারো কাছে টাকা চায় না তারা অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালাল সেট করে রেখেছে যেমন ইলেকট্রিশিয়ান **। তারপর ডিজাইন অনুমোদন হয় অনুমোদন হওয়ার পর আমরা কয়েকজন মিলে অফিসে যাই তখন তারা বলে মালামাল নেই মালামাল আসলে কাজ করা হবে। আবার অফিসে গেলে বিভিন্ন দালাল বলে আপনার কাজটা করে দিব আপনি কত টাকা দিবেন তখন আমরা ৫০০০ টাকা দেয়ার জন্য সম্মত হয় কিন্তু সে বলে কাজ হওয়ার জন্য আরো পাঁচটা ফাইলে স্বাক্ষর হবে সেখানেই প্রায় আট নয় হাজার টাকা খরচ হবে আর......
আমার একটা জমির নামজারি করতে গেলাম,আর উনারা আমার কাছে ১০০০০ টাকা দাবি করছে
পাসপোর্ট ইনকুয়ারী ২০১৯ সালে।বিদেশে যাওয়ার আগে পাসপোর্ট করেছিলাম।১৫০০টাকা বিকাশের মাধ্যমে নিয়েছে।কোন ইনকোয়ারী করেনি।থানার দারোগাকে বিকাশে টাকা দিলেই ইনকোয়ারী হয়ে যায়।পাসপোর্ট ও টাইমমত পাওয়া যায়।তা নাহলে দারোগা পাসপোর্টকারীর বিপক্ষে পাসপোর্ট অফিসে খারাপ রিপোর্ট জমা করে পাসপোর্ট আটকিয়ে দেয়।আমার কাছে সেই দারোগার ফোন নাম্বার আছে। দারোগার প্রাইভেসির জন্য ফোন নাম্বার উল্লেখ করিনি।
আমি ঢাকায় থাকি কিন্তু গ্রামের বাড়িতে আমার নামে একটি বাইক আছে। সেই বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়ার জন্য নওগাঁ বিআরটিএ থেকে মেসেজ পেলাম। কিন্তু আমি ঢাকাই থাকি তাই আমি যেতে পারিনি, রিসিট নিয়ে আমার বাবাকে যেতে বললাম। আমার বাবা যথা সময়ে রিসিট নিয়ে বাইকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড উঠাতে নওগাঁ বিআরটিএ অফিসে গেল। তখন সেখানে কর্মরত কর্তা আমার বাবাকে বলে যে, আপনাকে কার্ড দেওয়া যাবে না। আপনার ছেলেকেই আসতে হবে। পরে অফিসার আমাকে ফোন করে বলে যে, আপনাকে ছাড়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া যাবে না। আমি বললাম, আমি তো ঢাকাতে আছি, নওগাঁতে আমি আরও ৬-৭ মাস পরে যাবো। আমার বাবার কাছে রিসিট আছে, আপনি দিয়ে দেন, তখন উনি বলল যে তাহলে কিছু খরচ পাতি দিতে হবে। তখন উনি আমার বাবার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ঘুষ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্ডটি দেন।
গর্ভবতী কাট করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে
ক্যান্টরমেন্ট ভূমি অফিস আমার কাছে প্রায় ৫ লাখ টাকা দাবি করে নামজারির করার জন্য। আমার কাগজপত্র সবকিছু ঠিক আছে। আরও আমাকে হয়রানি করে এবং কি এল.এ কেস নম্বর চায়? কিন্তু আমি ডিসি অফিস, এসি ল্যান্ড অফিস ইত্যাদি জায়গায় ঘুরে আমি এল.এ কেস নম্বর জোগাড় করতে পারি নাই।