দলিল চেক
২০ টাকার কাজ ১০০০ টাকা নিয়েছে
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
২০ টাকার কাজ ১০০০ টাকা নিয়েছে
প্রতি নিবন্ধনে ৫ শ করে দেওয়া লাগে আর ডুপ্লিকেট পড়লেত লাগে ৫ হাজার যতবার নিবন্ধন চান নাহ কেন দেওয়া হয়। বলছিলাম কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের কথা আর কি ! 🫠
আমি নতুন পাসপোর্ট করতে যাই নিজে আবেদন এর মাধ্যমে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসারের কাছে আবেদন এর কগজপত্র দেওয়া পর তিনি আমাকে বার বার ফিরিয়ে দেন মায়ের নামে ভুল আছে বলে অথচ কোন ভুল ছিল না আমি ফি পেমেন্ট করেছিলাম অনলাইনে তাই আমার ৮০০০ টাকা লস গেছে (৬৪ পাতার) পরে দালালের মাধ্যমে আর ১৬০০০ টাকা চাওয়া হয় ওই টাকা দেওয়ার পরদির আমার ফিংগার নেয় তারা।
জমি টি আমার দাদুর নামে ছিল। এখন আমার দাদু এবং বাবা দুজনে মারা গিয়েছে তাই আমার ২ ভাই এর নামে খারিজ করে খাজনা দিব। আমার সব কাগজ ঠিক আছে। আমাকে সরাসরি বলে ২০০০ এর নিচে আমরা নেই না। এটাদেন কাজ হয়ে যাবে।আমাকে ৩/৪ দিন যেতে হয়ে টাকা দেই না বলে। পরে টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি।
জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে ফেনী টাউনের ভূমি অফিসার প্রতি ফাইলের জন্য ২৫,০০০ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন। টাকা না দিলে জমি রেজিস্ট্রেশনের ফাইল পাস হয় না এটাই যেন এখানকার অনিয়িখিত নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য,এই অবিচারের বিরুদ্ধে কেউই মুখ খুলছেন না। প্রতিবাদ করলে কাজ আটকে যাবে বা আরও বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হবে এমন ভয়ে সবাই নীরব থেকে সবকিছু সহ্য করে যাচ্ছেন। কিন্তু সবার এই নীরবতার সুযোগ নিয়েই দুর্নীতি আজ সাধারণ নিয়মে পরিণত হয়েছে.
ভূমি জরিপের কাগজ আনতে সার্ভেয়ারকে দিতে হয়েছে। তিন হাজার টাকা চেয়েছে। না দেওয়ায় ১৫ দিন ঘুরিয়েছে। পরে ১ হাজার দিতে বাধ্য হয়েছি। একবার এই টেবিলে পাঠায় আরেক বার আরেক টেবিলে পাঠায়। দুনিয়ার সব কাগজ যোগাজ করতে হয়েছে। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর কোনো কাগজ ছুঁয়েও দেখেননি। ঘুষ খাদক ভদ্রলোকের নাম ও মোবাইল নাম্বার আমার কাছে সেভ করা আছে।
file joma dite gesi Ank khon daria thakar pore jokhon counter a file disi bole apnar akta documents nai oita disi tokhon bole oita attested lagbe. pore attested kore nia gesi porer din bole ajke apnar schedule nai reshedule kore nia asen Pore dorbesh dhorlam uni bollo kisui lagbe na Just nid den dilam same lok instant file joma nilo.
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য দ্বীতে অস্বীকার করলে বলে বন্ধ করে দিবো পরবর্তীতে টাকা দিয়েছিলাম
যে কোন রপ্তানি সার্টিফিকেট দিনে দিনে নিতে প্রতি ফাইলে এই টাকা দিতে হয়।
আমি ভূমি অফিসে তিনবার খারিজের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি তিন বাড়ি নামঞ্জুর করা হয়েছে পরে বাধ্য হয়ে দালালের কাছে টাকা দিয়া দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে
বিদেশে পড়া লেখা করতে যাবো। তাই একটা পাসপোর্ট লাগবে। কিন্তু প্রথম বারের মতো পাসপোর্ট অফিসে ঢুকে আমি পুরাই অবাক। সকল কাগজ পত্র ঠিক থাকলেও তারা বলতেছে ঠিক নেই। পাসপোর্ট অফিস থেকে বের হতেই একজন এসে বললো আমাকে এতো টাকা দিন আমি সব করে দিচ্ছি। আমার যেহেতু আর্জেন্ট লাগবে তাই আর কিছু না ভেবে তাদের কাছে টাকা দিলাম, তারা মূলত ছিলো দালাল। তারা আবার আবেদন করলো এবং সেটা তাদের জিমেইল দিয়ে। এরপর ম্যাজিক এর মতো কেউ কিছু বললো না। কোনো বাধা আসলো না। তখন আমি বুঝতে পারলাম সেখানের আনসার সদস্য থেকে শুরু করে পুলিশ এবং বিভিন্ন কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত। ঠিক একই ঘটনা আমার ফ্রেন্ডের সাথেও ঘটেছিলো। দালাল ছাড়া তারা কোনো আবেদনই গ্রহণ করে না। অর্থাৎ ঘুষ দিবেন তো আপনার সকল কাজ হয়ে যাবে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য বাড়তি টাকা খোঁজা
বেতন শুরু করা। ফাইল আটকে রাখ ছিলো। আর ঘুরাচ্ছিলো।
১,০০,০০০/- বকেয়া বিলের জন্য ৩ দফায় ৩০ হাজার দিয়েও বিল হয় নি । অন্যদের বিল হয়েছে ।
For my foreign University scholarship application i needed to appostile my financial affidavit, they rejected it with comments that i need to go in person, i went to the law Ministry and they didnt allow me in without a pass asvper the protocal, i told my problem to one police in charge and asked for his help, he called one person who works in that section, he came and asked 3k for the task to complete, I requested him that its too much for me, he negotiated at 2.5 k.
আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে, বাবার পেনশন মায়ের নামে করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যাই। অনেক দিন ঘুরে কাগজ পত্র ঠিকঠাক করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সিগনেচার নিতে আমাকে এই ঘুস প্রদান করতে হয়।
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য মেম্বার কে বলছি আমার বাগনী জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে কি লাগবে মেম্বার বলছে ২৫ টাকা দিলেই করে দিবে।আমি রাজি না হয়ে নিজেই ডেন্টাল সাটিফিকেট নিয়ে সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা দিয়ে সংশোধন করছি।কিশোরগঞ্জ, চৌদ্দশত ইউনিয়ন,জালোয়াপাড়া ওয়াড।
চট্টগ্রাম জজ আদালতে পেশকার আর এপিপি দের প্রতিদিন প্রতি মামলায় কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দেয়া লাগে, আমি একটা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মামলা পরিচালনা করি। যা না দিলে মামলা টিক মতো আগায় না। পেশকার রা এক নম্বরের ঘুষখোর।
ফুড পেইন লাইসেন্স ৩০০ টন ক্যাপাসিটির করার জন্য তারা সরকারি জানান জমা সহ তাদের নিজের খরচ যেটাকে বাংলায় আপনি ঘুষ বলবেন সেটা সহ ৩০ হাজার টাকা দাবি করেছিল এবং আমাকে পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি তারপরও আবার লাইসেন্স হাতে পাওয়ার সময় তাদেরকে মিষ্টি খাওয়ার আরো কিছু টাকা দিতে হয়েছে।
আমি এবার এসএসসি পরিক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছি।কলেজে ভর্তির জন্য প্রশংসা পত্র ও মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট প্রয়োজন যা স্কুল থেকে নিতে হয় কিন্তু কর্তিপক্ষ ৫০০ টাকা দাবি করেছে। স্কুলের নাম সরিষাকোল উচ্চ বিদ্যালয় (EIIN128288)। তছারাও পরিক্ষার প্রবেশপত্র দিতে ৫০০ টাকা এবং প্র্যাকটিক্যাল খাতা স্বাক্ষর করতে ১২০০ টাকা নেয়। এমন অনিয়ম যাতে আমার কনো ছোটো ভাই বোনদের পরিবারকে সহ্য করে না হয়।