নামজারি
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
19,215 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৭ হাজার টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য।
আমার শশুরকে তার ভাই কোদাল দিয়ে জগম করেছিল নালিতাবাড়ী সরকারি হসপিটালে ৫ দিন ভর্তি থাকার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গেলে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
ভ্যাট না নেওয়ার মালামাল থেকে তারা টাকা আদায় করে তাও পাবলিক লোক ইউস করে
ময়মনসিংহে পাসপোর্ট করার অন্য নিয়ম চালু আছে। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে ২৯/৩০ টা দোকান আছে, কম্পিউটারের এই সবদোকানেই সকল কাজ হয় এবং তাদের ভেতরের অফিসারদের সাথে হাত করা আছে। সকল দেকানের আলাদা আলাদা সংকেত আছে। অফিসাররা ঐ সংকেত দেখেই কাজ করে, সংকেত থাকলে কাগজে ভুল থাকলেও তা পাস হয়ে যায়, আর সংকেত না থাকলে এই টেবিল ঐ টেবিল করতে হয়। টাকা বেশি দিলে সাধারণ পাসপোর্ট ও ৪/৫ দিনে পাওয়া যায়। এটা নিয়ম হয়ে গেছে, তাই ইচ্ছা না থাকা সত্তেও টাকা সরকারি ফি এর থেকে বেশি দিতে হয়েছে। প্রথম বার আমার পাসপোর্ট এর কিছু তথ্য ভুল থাকে যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল , কিন্তু কাগজে সংকেত থাকার কারণে ঐ ভুল তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায়। পরে যখন ঠিক করতে আবেদন করি আমি আর টাকা দেই নাই, তাই আমার পাসপোর্ট ৩দিন বেশি আটতে রাখে শেষে আরও ১০০০ দেই।
প্রথমে আমি নিজে অনলাইনে পাসপোর্ট এর এপ্লাই নিজের ফোন থেকে করি।সেটা প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিই। দায়িত্বরত লোকটি আমার কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি না ধরে, জাস্ট 2/1 টা পেজ চোখের পলকে উল্টিয়ে আমার আবেদনপত্রটি বর্জন করেন। আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর সাথে একজন ছেলে বললো যে ভাই, এখানে নিজের করা এপ্লিকেশন এলাউ হবে না, যদি না পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে এক্সট্রা 2000/ দিয়ে এপ্লিকেশন না করেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সত্যিটা উপলব্ধি করলাম। আমি যখন কোনো উপায় না দেখে 1500/ এক্সট্রা জরিমানা দিতে দোকানদারকে স্বীকৃতি জানালাম। দেখলাম আমার আবেদন করা সেই এপ্লিকেশনেই পরের পেজে শুধুমাত্র একটা চিন্হ দিয়ে দিলেন, আর পরবর্তীতে একই এপ্লিকেশন ম্যাজিকের মতো এক্সেপ্ট ও হয়ে গেল।
বলে অনেক কষ্ট হয়েছে বোঝো তো।
মালিকানা পরিবর্তন গিয়ে ৫ ঘন্টায় এত তথ্য চাওয়া হয়েছিলো যাতে করে মাঝপথে আটকে যাই কিন্তু দালাল ধরে টাকা দেওয়ার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে যায়
আমার একটা জমির রেকট সংসদন একতরফা মামলা বরিশাল জজ কোর্টে, উজিরপুরের থানার মামলা, এখন পেস্কার ১০ হাজার টাকা চায় তাকে দিলে রায় এনে দিবে
ভুমি রেকর্ডের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে বসুরহাট ভুমি অফিস,, আমাদের যৌথ এবং একক মালিকানা মিলে প্রায় ৩৫ টি পর্চা মাঠ থেকে শেষ পর্যন্ত ৬০০০০০ লক্ষ টাকার অধিক খরচ হয়েছে,,,,
গুনে গুনে ঘুষের টাকা নিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।
টাকা না দিলে আমার কোন কাজ করেনা আমার সাথে কথা ও বলে না, আজকে আসেন কালকে আসেন না হয় পরশু কাজ আর হয় না।টাকা দেওয়া মাত্রই কাজ হয়ে যায়
amar babar name ekta bari ase. sei barita ami sale korbo babar onumoti niye.dekhi mutation kora kagbe housing office theke. jodio govt land office theke mutation kora ase.ami sokol kagoj joma dilam. ghurte thaklam 3 mas. tarpor ek lok marfot janlam pocket money na dile kaj hobe na. manage korlam lok, takao dila. 6 mas jabar por bollo exchain mane khalishpur housing office er head of land office 4 lac dite hobe. amitaka dite na parai kajti ekhono hang hoye ase.ekhono ami nije kagoj niye jatayet kortesi mutation korte. already 12 months gone.still not yet mutation done.
আইডি কার্ড করতে গিয়েছিলাম, নানা সমস্যা বলে ৭ বার অফিসে নিয়েছিল তারপর বলছে টাকা লাগবে আমি জেদ টাকা দেয়নি,পরে ২বছর ঘুরে আইডি কার্ড করেছি
পেশকার মামলা তুলে নিতে দাখিলি দরখাস্ত জমা নিতে দাবী করেন
ভূমি নামজারী প্রতি একর 1170 টাকা কিন্তূ দাবী করে 40000 প্রতি একর।
জেলা পরিষদে নামজারি ফাইল আটকিয়ে রাখে বিগত ৬ মাস যাবৎ, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করার কারণে। নিজের প্রয়োজনে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করি তারপর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ফাইল পৌঁছে যাবে এবং কোনো সমস্যা হবে না
নগর ভবন এর জোন ৪ এর একজন কর্মকতা লিফট এর ১১ জন্ম নিবন্ধর এর এন্ট্রি করে , জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি হলো ৫০ টাকা সে চায় ৫০০ টাকা আর ৫০০ টাকা না দিলে নাকি হবে না।
বরগুনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন পাসপোর্ট তৈরি করে না। সাধারণ মানুষ ঘুষ ছাড়া কোন পাসপোর্ট হাতে পায় না।
সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স সর্বনিম্ন মূল্য ৪১৩৭ টাকা প্রতি বছর, এই সর্ব নিম্ন ট্যাক্সটির জন্য ওনারা সব কাগজ পত্র আপিল সহ রেডি করে দিবেন, তাই প্রতি ফ্ল্যাট ১৫,০০০ টাকা ঘুষ নিচ্ছেন। ঘুষ না দিলে ওনারা বেশি এমাউন্ট এর ট্যাক্স ধরবেন।