নামজারি
আমি নামজারি করতে গিয়েছি, আমার সম্পত্তির কাগজপত্র দেখে সে বলছে এটা নাকি খাস খতিয়ান, অথচ সে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি। নামধারী হবে ১৫ দিনে, আমাকে গত তিন বছর যাবত ঘোরাচ্ছে।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি নামজারি করতে গিয়েছি, আমার সম্পত্তির কাগজপত্র দেখে সে বলছে এটা নাকি খাস খতিয়ান, অথচ সে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি। নামধারী হবে ১৫ দিনে, আমাকে গত তিন বছর যাবত ঘোরাচ্ছে।
একটা মিস কেইসের আবেদন করেছি, সেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে শুনানি পর্যন্ত মোট ৫০০০ টাকার মতো ঘুষ লাগছে, কতবার যে যাওয়া লাগছে তার কোন হিসেব নাই, এখন কানুনগোর কাছে আটকে আছে আরো টাকা পরিশোধ না করার কারণে। আরো কত টাকা লাগবে জানিনা। আর মিউটেশন করতে আরো অনেক দিতে হবে।
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
যেকোনো নামজারি করতে গেলে ৭ হাজার টাকা নিচে কোন নাম জারি হয় না কিংবা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সেটাকে অ্যাপ্লিকেশন একসেপ্ট করে না।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কাগজ দিয়ে গ্রাচ্যুইটির আদেশ আনার পরও কাগজপত্রের ঘাটতি দেখায়, অনেক অনেক আগের কাগজপত্র চেয়ে বসে, নানা রকম ভুল-ভ্রান্তির কথা বলে অন্তরে ভয় ধরিয়ে দেয়। ঘুষের অঙ্ক মুখে বলে না, ক্যালকুলেটরের ডিসপ্লেতে তুলে দেখিয়ে দেয়।
আমাদেরকে অফিসে ডেকে নিয়ে বলে বাড়ির কাগজপত্রের মধ্যে ঝামেলা আছে কর দেওয়া হয়নি তিন লক্ষ টাকা দিলে তারা সবকিছু ম্যানেজ করে দিবে, এমনকি আমাদেরকে মামলার ভয় ও দেখানো হয়েছে।
বাম হাতের কবজি পর্যন্ত কেটে পরে গেছে,হাত থেকে রক্ত পরছে আমাদের কা্ন্নার রোল পরে গেছে,হাসপাতালে আসার পরে ডক্টর রোগীকে ধরতেছে না, একজন পাশে থেকে সে বলল ৫০০০টাকা দেও, এখনি যা যা লাগে করে দিতেছি🥲🥲
আমার বাবার ক্রয়করা জমি তার নামে নামজারি করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। সকল কাগজ ঠিক থাকার পরেও সরকারি ফি সহ ২১০০০ টাকা দাবি করে।পরে অনেক অনুরোধে ১৭০০০ টাকা দিবো বলে ফাইল দিয়ে আসি। ৫০০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে আসছি আজকে তিন মাস হলো এখনো নামজারির জন্য আবেদন করে নি। অনেক বার তাকে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেছি ফাইল প্রসেস করতে কিন্তু হবে হবে বলে হচ্ছে না!
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের 'অফিস সহায়ক' যে কোন কাজে গেলে ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায় না।কাজ ফেলে রাখে, দিনের পর দিন ঘুরায়।বলে 'টিও' স্যারের ফী(ঘুষ) দিন আমারটাও দিন। 'টিও' ও ঘুষ নিয়েছে আমার থেকে কাজও করেনি। সকল শিক্ষকরাও জানে এসব এবং তারাও বিভিন্ন কাজ টাকা দিয়েই করে নেয়।তাদের কথা হলো স্কুল থেকে শিক্ষা অফিসে আসতে ৪০/৫০ টাকা লাগে সুতরাং চার দিনে ঘুরার চেয়ে ৩০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা ভালো।এভাবেই চলছে ঘুষের মহাউৎসব। শিবগঞ্জ,বগুড়া
ঘটনা হচ্ছে ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা (কোরবানি) এর দিন। গরু কাটতে গিয়ে পায়ে ছুরি লেগে কিছু কেটে যায়। আমাকে একটা সেলাই করতে হয়। ঐদিন দ্রুত গেলাম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট দেখে একটা পায়ে সেলাই করে দিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডাক্তার দেখলোও না। ডাক্তার শুধু অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে বর্ণনা শুনে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিল। আসার সময় আমার কাছে দাবি করল ওনারা (ডাক্তার, এসিস্ট্যান্ট, অন্যান্যরা) ছুটির দিনে মানুষের সেবা করছে। উনাদেরকে একটু খুশি করি। এসিস্ট্যান্ট এর হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বিদায় হতে চাইলাম। তাতে তারা নাখোশ হলেও পরবর্তীতে এসিস্ট্যান্ট আমার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে ডাক্তারের কাছে দিয়ে দিল। প্রশ্ন হলো, ছুটির দিনে ডিউটি করলে সরকার কি ওদের টাকা দেয় না?
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমি একজন শিশুর জর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সরকারি ডাঃ রোগীকে না দেখে ১০ ফিট দুরে রেখে ৫ টা পরীক্ষা লিখে দেন। যা দরকার ছিলনা, যা ছিল অবহেলা।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত টাকা আদায় করে তা "কেন্দ্র ফি" হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের পরে বোর্ড থেকে পাঠানো প্রবেশপত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবী করা হয়। টেস্ট পরীক্ষার পর মাদ্রাসায় আয়োজিত কোচিংয়ে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নিতে হয়; কেউ কোচিং না করলেও তার থেকে জোরপূর্বক ফি আদায় করা হয় এবং টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। এমনকি পরীক্ষা শেষে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রশংসাপত্র নিতে গেলে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১,০০০ টাকা দিতে হয়, যা সাধারণ ফি-র দ্বিগুণ। সবশেষে বোর্ড থেকে প্রাপ্ত মূল মার্কশিট তুলতেও ৫০০ টাকা করে দাবী করা হয়। এটা হচ্ছে নয়াটোলা এ ইউ এন মডেল কামিল মাদ্রাসা
ফ্রম করার পর দাবি করে, না দিলে ঘুরতে হয় ধারে ধারে
পাসপোর্ট ফর্ম এ উল্লেখিত সব কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিল আমার স্ত্রী , লাইনে দাঁড়িয়ে ওপরে যাওয়ার পর সহকারি পরিচালক পরিচয়ে এক মহিলা কমিশনার সার্টিফিকেট নিতে বলে। আমিও আমার স্ত্রী কমিশনার সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, তখন আবার বলে যে প্রতিষ্ঠানের চাকরি করে সেই প্রতিষ্ঠানের সনদ লাগবে। পরে নিচে আসার পর, আশেপাশের দোকানে অবস্থানরত দালালরা বলে তারা কাজ করে দিবে, আমার কাগজপত্র লাগবে না । সাথে বলে যদি কাগজ নিয়ে আসেন আবার নতুন কাগজ চাবে। তখন বাধ্য হয়ে পনেরশো টাকা দেই ,, পড়ে ওদের সংকেত দেওয়া কাগজ নিজে করে গেলে কাজ হয়ে যায়।
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৭ হাজার টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য।
আমার শশুরকে তার ভাই কোদাল দিয়ে জগম করেছিল নালিতাবাড়ী সরকারি হসপিটালে ৫ দিন ভর্তি থাকার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গেলে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
ভ্যাট না নেওয়ার মালামাল থেকে তারা টাকা আদায় করে তাও পাবলিক লোক ইউস করে
ময়মনসিংহে পাসপোর্ট করার অন্য নিয়ম চালু আছে। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে ২৯/৩০ টা দোকান আছে, কম্পিউটারের এই সবদোকানেই সকল কাজ হয় এবং তাদের ভেতরের অফিসারদের সাথে হাত করা আছে। সকল দেকানের আলাদা আলাদা সংকেত আছে। অফিসাররা ঐ সংকেত দেখেই কাজ করে, সংকেত থাকলে কাগজে ভুল থাকলেও তা পাস হয়ে যায়, আর সংকেত না থাকলে এই টেবিল ঐ টেবিল করতে হয়। টাকা বেশি দিলে সাধারণ পাসপোর্ট ও ৪/৫ দিনে পাওয়া যায়। এটা নিয়ম হয়ে গেছে, তাই ইচ্ছা না থাকা সত্তেও টাকা সরকারি ফি এর থেকে বেশি দিতে হয়েছে। প্রথম বার আমার পাসপোর্ট এর কিছু তথ্য ভুল থাকে যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল , কিন্তু কাগজে সংকেত থাকার কারণে ঐ ভুল তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায়। পরে যখন ঠিক করতে আবেদন করি আমি আর টাকা দেই নাই, তাই আমার পাসপোর্ট ৩দিন বেশি আটতে রাখে শেষে আরও ১০০০ দেই।