অগ্রণী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ওপেনিং
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অগ্রণী ব্যাংকের একাউন্ট ওপেন করার সময় ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে ব্যাংকের কর্মকর্তা না দিলে একাউন্ট ওপেনিং করবেনা আমার জরুরী বিদায় আমি দিতে বাধ্য হয়েছি দুঃখিত
কাগজ পত্র সব ঠিক থাকার পর ও নামজারি খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা ঘুুষ চাইছে
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
যেকোনো নামজারি করতে গেলে ৭ হাজার টাকা নিচে কোন নাম জারি হয় না কিংবা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সেটাকে অ্যাপ্লিকেশন একসেপ্ট করে না।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কাগজ দিয়ে গ্রাচ্যুইটির আদেশ আনার পরও কাগজপত্রের ঘাটতি দেখায়, অনেক অনেক আগের কাগজপত্র চেয়ে বসে, নানা রকম ভুল-ভ্রান্তির কথা বলে অন্তরে ভয় ধরিয়ে দেয়। ঘুষের অঙ্ক মুখে বলে না, ক্যালকুলেটরের ডিসপ্লেতে তুলে দেখিয়ে দেয়।
আমাদেরকে অফিসে ডেকে নিয়ে বলে বাড়ির কাগজপত্রের মধ্যে ঝামেলা আছে কর দেওয়া হয়নি তিন লক্ষ টাকা দিলে তারা সবকিছু ম্যানেজ করে দিবে, এমনকি আমাদেরকে মামলার ভয় ও দেখানো হয়েছে।
বাম হাতের কবজি পর্যন্ত কেটে পরে গেছে,হাত থেকে রক্ত পরছে আমাদের কা্ন্নার রোল পরে গেছে,হাসপাতালে আসার পরে ডক্টর রোগীকে ধরতেছে না, একজন পাশে থেকে সে বলল ৫০০০টাকা দেও, এখনি যা যা লাগে করে দিতেছি🥲🥲
আমার বাবার ক্রয়করা জমি তার নামে নামজারি করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। সকল কাগজ ঠিক থাকার পরেও সরকারি ফি সহ ২১০০০ টাকা দাবি করে।পরে অনেক অনুরোধে ১৭০০০ টাকা দিবো বলে ফাইল দিয়ে আসি। ৫০০০ টাকা অগ্রিম দিয়ে আসছি আজকে তিন মাস হলো এখনো নামজারির জন্য আবেদন করে নি। অনেক বার তাকে ফোন দিয়ে অনুরোধ করেছি ফাইল প্রসেস করতে কিন্তু হবে হবে বলে হচ্ছে না!
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের 'অফিস সহায়ক' যে কোন কাজে গেলে ঘুষ ছাড়া কাজ করতে চায় না।কাজ ফেলে রাখে, দিনের পর দিন ঘুরায়।বলে 'টিও' স্যারের ফী(ঘুষ) দিন আমারটাও দিন। 'টিও' ও ঘুষ নিয়েছে আমার থেকে কাজও করেনি। সকল শিক্ষকরাও জানে এসব এবং তারাও বিভিন্ন কাজ টাকা দিয়েই করে নেয়।তাদের কথা হলো স্কুল থেকে শিক্ষা অফিসে আসতে ৪০/৫০ টাকা লাগে সুতরাং চার দিনে ঘুরার চেয়ে ৩০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা ভালো।এভাবেই চলছে ঘুষের মহাউৎসব। শিবগঞ্জ,বগুড়া
ঘটনা হচ্ছে ২০২৬ সালের ঈদুল আযহা (কোরবানি) এর দিন। গরু কাটতে গিয়ে পায়ে ছুরি লেগে কিছু কেটে যায়। আমাকে একটা সেলাই করতে হয়। ঐদিন দ্রুত গেলাম হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্ট দেখে একটা পায়ে সেলাই করে দিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে ডাক্তার দেখলোও না। ডাক্তার শুধু অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে বর্ণনা শুনে একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দিল। আসার সময় আমার কাছে দাবি করল ওনারা (ডাক্তার, এসিস্ট্যান্ট, অন্যান্যরা) ছুটির দিনে মানুষের সেবা করছে। উনাদেরকে একটু খুশি করি। এসিস্ট্যান্ট এর হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বিদায় হতে চাইলাম। তাতে তারা নাখোশ হলেও পরবর্তীতে এসিস্ট্যান্ট আমার কাছ থেকে ওই টাকা নিয়ে ডাক্তারের কাছে দিয়ে দিল। প্রশ্ন হলো, ছুটির দিনে ডিউটি করলে সরকার কি ওদের টাকা দেয় না?
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
নাম খারিজ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোবাইল করে দুই হাজার টাকা দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তার দেওয়া বিকাশ নাম্বারে ১০০০ টাকা প্রদান করি।
Basay bose koyek bar try korecilam but reject kore dey. Tarpore physically narayanganj kashipur vhumi office a jai, officer kothai bolar sujog na diye bole online kore niye asen. Online korar jonno dokaner lok amake niye gelen, mone korecilam 1170 taka goverment rate er kaj somponno korte sobmiliye 2500-3000 khoroch hote pare but dokani 80000 taka khoroch lagbe bole den. Onekkhon alap kore jante chesta korlam, tini bolen boro sir sotoke 10000 taka niben, aro officer der miliye 5000-7000 taka nibe, baki ta onar.
আমি একজন শিশুর জর অবস্থায় হাসপাতালে নিলে সরকারি ডাঃ রোগীকে না দেখে ১০ ফিট দুরে রেখে ৫ টা পরীক্ষা লিখে দেন। যা দরকার ছিলনা, যা ছিল অবহেলা।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণে সরকার নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত টাকা আদায় করে তা "কেন্দ্র ফি" হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের পরে বোর্ড থেকে পাঠানো প্রবেশপত্রের জন্য ২০০ টাকা করে দাবী করা হয়। টেস্ট পরীক্ষার পর মাদ্রাসায় আয়োজিত কোচিংয়ে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে অংশ নিতে হয়; কেউ কোচিং না করলেও তার থেকে জোরপূর্বক ফি আদায় করা হয় এবং টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হয়। এমনকি পরীক্ষা শেষে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য প্রশংসাপত্র নিতে গেলে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১,০০০ টাকা দিতে হয়, যা সাধারণ ফি-র দ্বিগুণ। সবশেষে বোর্ড থেকে প্রাপ্ত মূল মার্কশিট তুলতেও ৫০০ টাকা করে দাবী করা হয়। এটা হচ্ছে নয়াটোলা এ ইউ এন মডেল কামিল মাদ্রাসা
ফ্রম করার পর দাবি করে, না দিলে ঘুরতে হয় ধারে ধারে
পাসপোর্ট ফর্ম এ উল্লেখিত সব কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিল আমার স্ত্রী , লাইনে দাঁড়িয়ে ওপরে যাওয়ার পর সহকারি পরিচালক পরিচয়ে এক মহিলা কমিশনার সার্টিফিকেট নিতে বলে। আমিও আমার স্ত্রী কমিশনার সার্টিফিকেট নিয়ে যাই, তখন আবার বলে যে প্রতিষ্ঠানের চাকরি করে সেই প্রতিষ্ঠানের সনদ লাগবে। পরে নিচে আসার পর, আশেপাশের দোকানে অবস্থানরত দালালরা বলে তারা কাজ করে দিবে, আমার কাগজপত্র লাগবে না । সাথে বলে যদি কাগজ নিয়ে আসেন আবার নতুন কাগজ চাবে। তখন বাধ্য হয়ে পনেরশো টাকা দেই ,, পড়ে ওদের সংকেত দেওয়া কাগজ নিজে করে গেলে কাজ হয়ে যায়।
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৭ হাজার টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য।
আমার শশুরকে তার ভাই কোদাল দিয়ে জগম করেছিল নালিতাবাড়ী সরকারি হসপিটালে ৫ দিন ভর্তি থাকার পর মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে গেলে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।