ডেউটিন পেতে উপজেলায় আবেদন করলে ঘুষ দিতে হয়
উপজেলা প্রশাসন সাতকানিয়া'র কাছে একজন অসহায় মানুষের জন্য ডেউটিনের আবেদন করলে পাইয়ে দিবে বলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
উপজেলা প্রশাসন সাতকানিয়া'র কাছে একজন অসহায় মানুষের জন্য ডেউটিনের আবেদন করলে পাইয়ে দিবে বলে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন
আমি চাকুরী হতে অব্যাহতি নেই ২০১৭ সালে। তখন জিপি ফান্ড এর অর্থ চূড়ান্ত উত্তোলন করার সময় রাজনগর হিসাবরক্ষণ অফিসের কথা বলে আমার কাছ থেকে ৫০০০/- নেয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, রাজনগর এর একজন কর্মচারী।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করে লার্নার সংগ্রহ করেছি। একাধিকবার ভালো পরীক্ষা দিলেও আমাকে অকৃতকার্য দেখানো হয়। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা কন্টাকে পরীক্ষায় নাম মাত্র উপস্থিত হয়ে মাত্র তিন দিনের মাঝে প্রফেশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাই
মহেশখালীর ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা তুলতে ১০%–২৩% পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে—এমন গুরুতর অভিযোগ স্থানীয়দের। নির্ধারিত টাকা না দিলে ফাইল নানা অজুহাতে আটকে রাখা হয় এবং সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হয়। দালালচক্রের মাধ্যমে এই অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ থাকলেও ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ বা অভিযোগ করতে পারছেন না। আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ করছি না—আমরা শুধু এই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত চাই। মহেশখালীর ভূমির মালিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ঘুষ ছাড়া নিশ্চিত করুন—এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন।
পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে সকল ডকুমেন্টস দেওয়ার পরও কোন না কোন কারণে অর্থাৎ কোন ডকুমেন্টসের অজুহাত দিয়ে ওনারা পাসপোর্টের ফিঙ্গার এবং ছবি তুলতে অস্বীকৃতি জানায়। নিরুপায় হয়ে আমি টাকা দিয়ে কাজটা শেষ করি কারণ আমার অতি দ্রুত পাসপোর্টটা প্রয়োজন উনারা যে কাগজপত্রের কথা বলছে এগুলা যোগাড় করতো আমার অনেক সময় লেগে যাবে। পাসপোর্ট করতে নাগরিক সনদপত্র কেন লাগবে আমি জানিনা। বেকারত্বের সার্টিফিকেট কেন লাগবে তাও আমি জানিনা। অনলাইনে যখন আবেদন করেছিলাম তখন আন ইমপ্লোড দিয়ে এপ্লিকেশন সাবমিট করেছিলাম
আমাদের ছয় ভাইবোন এর মাত্র ১৩ গন্ডার মতো জায়গা নাম জারি করতে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে পরে ২০০০০০ টাকার বিনিময়ে কাজটা সমাধান করা হয়। একই ভাবে উক্ত অফিসে আমার বাব চাচারাও নাম জারি করতে ৩-৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
১৫ বছর যাবত গাড়ীর ফিটনেস করাচ্ছি। অনেক কষ্টে ফিটনেস করানোর জন্য গত মাসে সিরিয়াল নিয়েছি। কাছাকাছি আসার পর আমার কাছে ১৫ বছর আগে যে গাড়ী সিএনজি করেছিলাম সেটার কাগজ চেয়েছে। না দিলে লাইন থেকে বের করে দিবে। ৩৫০০/- টাকা দিলে করে দিবে। তখন বাধ্য হয়ে ৩৫০০/- টাকা দেই। এর আগে কখনোও গাড়ী সিএনজি করার কাগজ চায় নাই। এ সরকার আসার পর এই নতুন ব্যবস্থা।
বায়োমেট্রিকের জন্য আবেদন জমা দিলে আমার আবেদন থেকে অনেকগুলো অসংগতি বের করলো এবং বলা হলো পুনরায় আবেদন ফরম পুরণ করে আনতে এবং প্রতিটি তথ্যের জন্য আলাদা ডকুমেন্ট চায় যা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। অথচ বাইরে বের হওয়ার পরে একজন আমার সমস্যার কথা জিজ্ঞেস করলেন, আমি বললাম। তিনি আমার কাছে ১৫০০ টাকা চাইলেন। আমিও রাজি হলাম। আমার ওই "ত্রুটিপূর্ণ" আবেদন নতুন করে প্রিন্ট করেই আমার কাজ হয়ে গেল এবং আমার কোনো সিরিয়াল লাগেনি। সোজা বায়োমেট্রিকের রুমে নিয়ে গেছে, সেখানে শুধু আমার সাইন রেখে বেশ কিছু জায়গায় এডিট করলো। ব্যাস, কাজ হয়ে গেলো।
আমি নিজেই অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করি। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও আমার আবেদনটি অনুমোদন না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। প্রায় এক মাস পর পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে এর কারণ জানতে চাইলে তারা জানায়, “নিজে নিজে আবেদন করেছেন নাকি? কাগজপত্রে হয়তো কোনো সমস্যা আছে, তাই ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।” অথচ আমি সব তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই করে এবং অফিসের একজন কর্মচারীকে দেখিয়েও কোনো ভুল খুঁজে পাইনি। পরে আরেক কর্মচারী আমাকে অফিসের বাইরে ডেকে নিয়ে বলেন, “ভাই, কিছু টাকা না দিলে আরও অনেকদিন ঝুলে থাকবে, ৩-৪ মাসও লাগতে পারে।” পাসপোর্টটি জরুরি হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাকে ১,০০০ টাকা দিই। কিছুক্ষণ পরই আমার আবেদনটি অনুমোদন করা হয়।
১নং দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড বোর্ড চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অফিস যা চৌধুরীহাট স্টেশনে অবস্থিত সেখানে নিযুক্ত জন্ম নিবন্ধন করার লোক প্রত্যেক মানুষ থেকে ১ টি জন্ম নিবন্ধন বাবদ ২০০ টাকা করে নেয়। এক ওয়ার্ডের এই অবস্থা হলে কত কোটি টাকা উঠে এইসব কিছু থেকে?
আমার এক ভাইয়ের গাড়ি ধরেছিল সার্জন পুলিশ। গাড়ির লাইসেন্স/ড্রাইভিং লাইসেন্স সবকিছুই আছে।যাস্ট হেলমেট সাথে নিতে ভুলে গেছিলো।তার জন্য ৩০০০৳ জরিমানা তো করেছেই। আবার গাড়িও ছাড়ছিল না অনেকক্ষন আটকে রেখেছিল
টাইপ অ্যাপ্রোভাল নিতে গেলাম। ৯ মাস ঘোরানো হলো। পরে পেমেন্ট করলাম। পেয়ে গেলাম।
আমার ক্রয়কৃত জমির মিউটেশনের জন্য নন্দীপাড়া ভূমি অফিস থেকে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করা হয়। বলা হয়, এই টাকা দিলে সকল কাজ ওরা নিজেরাই করে দিবে। উল্লেখ্য যে আমি এর আগে নিজে নিজে আবেদন করে তিনবার কোন কারণ ছাড়াই প্রত্যাখিত হয়েছি। অর্থাৎ আমার আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে যার পিছনে কোন ভ্যালিড কারণ দেখানো হয়নি।
পৈতৃকসম্পত্তি ওয়ারিশদের নামে নামজারির জন্য বিএস খতিয়ান ও ওয়ারিশ সনদ আবেদন করলে। ভুমি অফিস বলে- বিগত সকল দলিল দস্তাবেজ ও বাটোয়ারা দিলল লাগবে, শুধু রেকর্ড দিয়ে নামজারি হবেনা। কিন্তু আরেকজন বলে ১০০০০/- টাকা দেন আমি করে দিবো পরবর্তীতে ৯০০০/- টাকা দিয়ে দুই কর্ম দিবসেই নামজারি করে দিয়েছে।
চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহে আমার পশ্চিম নাখালপাড়া বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হিসাব করে আমার টেক্স ৩৫ হাজার টাকা সেই সাথে অফিস খরচ বাবদ আরো ১৫ হাজার টাকা দাবী করে।উপায় না থাকায় তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেছি
২ জন পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন করতে আসলে আমাদের পরিবারের ২ জনের জন্য ২০০০ টাকা এবং আরেকজনের বর্তমান ঠিকানা ভিন্ন থাকার পরেও পাসপোর্টের আবেদন করার সময় বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা একই দেওয়ার কারণে ২০০০ টাকা ঘুষ নেয়।
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতাল। এখানে নতুন পরিচালক নিয়োগ পেয়েছেন যিনি সরাসরি বিএনপির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি জয়েন করার পর CMC আন্ডারে থাকা সকল কোম্পানি (যারা বাৎসরিক চুক্তিতে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং সার্ভিস করে থাকেন এছাড়া অনান্য আনুষঙ্গিক কাজকর্ম করেন) প্রতিটি কোম্পানির সঙ্গে আলাদা আলাদা ডেকে ডেকে কোম্পানি ভেদে ৫লাখ থেকে ১০লাখ টাকা দাবী করেন। অন্যথায় কাজ পাবে না বা বাৎসরিক বিল হবে না বলেও আকার ইঙ্গিতে ভয়ভীতি দেখান।কিছু কোম্পানির বিলও আটকে রেখেছেন। সম্পূর্ণ হাসপাতাল তার একার নিয়ন্ত্রণে এবং কথায় কথায় আমি রাজনীতি করা ছেলে এবং ফুল পাওয়ার নিয়ে এখানে এসেছি বলেও ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজের লোকজন এনে(কিছু জায়গায় আউটসোর্সিং নিয়োগ দিয়ে) বসিয়েছেন।
Ami passport bananor jonno line e daraye chilam 1 ghontar beshi then just question ask korechilo kothay thaki ami bujhte vul korechilam sha amar bashosthan noy borotoman thikana chaisilo so ami amar basjosthan boli but erokom choto vul er jonno reject kore dey. Then line theke ber hole ansar er lok eshe ek room e boshayee rakhe 3 ghontar beshi then chipay deke 2k tk chay r bole ekhoni kore dibe ami student bolay 1.5k rakhe and then line e darano lageni gelam r accept korlo.
উল্লেখিত কাগজ এবং সেবা পেতে সরকারি পাওনা দেওয়া লাগে ১০.৫০x৩ টাকা অর্থাৎ ৩১.৫০ টাকা। কাগজ আসার পর সরকারের পক্ষ হতে বিনামূল্যে প্রিন্ট দিয়ে দ্বায়িত্ব রত সচিব এর কাছ থেকে সই নিয়ে গ্রহিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আমার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হলো, কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে আবেদন করতেই আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫০ টাকা, কাগজ তৈরী হয়ে আসার পর নিয়েছে ২০০ টাকা, নতুন ভোটার ফাইল এ সচিবের স্বাক্ষর বাবদ নিয়েছে ২০০ টাকা, এমনিতে চা খরচ বাবদ পিওন নিয়েছে ৫০ টাকা। এখানে উল্লেখ্য যে, এই স্বাক্ষর পেতে এত খরচ হওয়ার কোনো নিয়ম নেই, সরকার এর পক্ষ হতে এই সেবা আমরা ৩১.৫০ টাকায় পাওয়ার হকদার। দিনশেষে, ৩১.৫০ টাকায় যে সেবা আমার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়ার কথা, সেটা পেতে আমার খরচ করতে হয়েছে ৬০০ টাকারও বেশি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অফিসে নতুন ফ্ল্যাট এর ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়া বিপাকে পড়েছি, অন্যায় ভাবে নির্ধারিত টাকার বাইরে ১২০০০ টাকা দাবি করেছিলো, যা পরিশোধ না করায় । আমি আমার ফ্ল্যাট সিটি কর্পরপোরেশন ট্যাক্স দিতে পারছিলাম না । পরবর্তিতে আমার দারোয়ানের মাধম্যে ৪০০০ টাকায় রাজি হয়েছে । পরে জানতে পেরেছি তারা সকল নতুন ফ্ল্যাট এর জন্য এক্সট্রা ৪০০০ টাকা নেয় । শুধু ওই বাড়ির কেয়ার টেকারের মাধ্যমে , যা উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ভাগ বাটোয়ারা হয় ।