টাইপ অ্যাপোভাল
টাইপ অ্যাপ্রোভাল নিতে গেলাম। ৯ মাস ঘোরানো হলো। পরে পেমেন্ট করলাম। পেয়ে গেলাম।
19,281 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাইপ অ্যাপ্রোভাল নিতে গেলাম। ৯ মাস ঘোরানো হলো। পরে পেমেন্ট করলাম। পেয়ে গেলাম।
আমার ক্রয়কৃত জমির মিউটেশনের জন্য নন্দীপাড়া ভূমি অফিস থেকে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করা হয়। বলা হয়, এই টাকা দিলে সকল কাজ ওরা নিজেরাই করে দিবে। উল্লেখ্য যে আমি এর আগে নিজে নিজে আবেদন করে তিনবার কোন কারণ ছাড়াই প্রত্যাখিত হয়েছি। অর্থাৎ আমার আবেদনটি খারিজ করা হয়েছে যার পিছনে কোন ভ্যালিড কারণ দেখানো হয়নি।
পৈতৃকসম্পত্তি ওয়ারিশদের নামে নামজারির জন্য বিএস খতিয়ান ও ওয়ারিশ সনদ আবেদন করলে। ভুমি অফিস বলে- বিগত সকল দলিল দস্তাবেজ ও বাটোয়ারা দিলল লাগবে, শুধু রেকর্ড দিয়ে নামজারি হবেনা। কিন্তু আরেকজন বলে ১০০০০/- টাকা দেন আমি করে দিবো পরবর্তীতে ৯০০০/- টাকা দিয়ে দুই কর্ম দিবসেই নামজারি করে দিয়েছে।
চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহে আমার পশ্চিম নাখালপাড়া বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা হিসাব করে আমার টেক্স ৩৫ হাজার টাকা সেই সাথে অফিস খরচ বাবদ আরো ১৫ হাজার টাকা দাবী করে।উপায় না থাকায় তাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেছি
২ জন পুলিশ পাসপোর্ট এর ভেরিফিকেশন করতে আসলে আমাদের পরিবারের ২ জনের জন্য ২০০০ টাকা এবং আরেকজনের বর্তমান ঠিকানা ভিন্ন থাকার পরেও পাসপোর্টের আবেদন করার সময় বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা একই দেওয়ার কারণে ২০০০ টাকা ঘুষ নেয়।
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতাল। এখানে নতুন পরিচালক নিয়োগ পেয়েছেন যিনি সরাসরি বিএনপির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি জয়েন করার পর CMC আন্ডারে থাকা সকল কোম্পানি (যারা বাৎসরিক চুক্তিতে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং সার্ভিস করে থাকেন এছাড়া অনান্য আনুষঙ্গিক কাজকর্ম করেন) প্রতিটি কোম্পানির সঙ্গে আলাদা আলাদা ডেকে ডেকে কোম্পানি ভেদে ৫লাখ থেকে ১০লাখ টাকা দাবী করেন। অন্যথায় কাজ পাবে না বা বাৎসরিক বিল হবে না বলেও আকার ইঙ্গিতে ভয়ভীতি দেখান।কিছু কোম্পানির বিলও আটকে রেখেছেন। সম্পূর্ণ হাসপাতাল তার একার নিয়ন্ত্রণে এবং কথায় কথায় আমি রাজনীতি করা ছেলে এবং ফুল পাওয়ার নিয়ে এখানে এসেছি বলেও ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজের লোকজন এনে(কিছু জায়গায় আউটসোর্সিং নিয়োগ দিয়ে) বসিয়েছেন।
Ami passport bananor jonno line e daraye chilam 1 ghontar beshi then just question ask korechilo kothay thaki ami bujhte vul korechilam sha amar bashosthan noy borotoman thikana chaisilo so ami amar basjosthan boli but erokom choto vul er jonno reject kore dey. Then line theke ber hole ansar er lok eshe ek room e boshayee rakhe 3 ghontar beshi then chipay deke 2k tk chay r bole ekhoni kore dibe ami student bolay 1.5k rakhe and then line e darano lageni gelam r accept korlo.
উল্লেখিত কাগজ এবং সেবা পেতে সরকারি পাওনা দেওয়া লাগে ১০.৫০x৩ টাকা অর্থাৎ ৩১.৫০ টাকা। কাগজ আসার পর সরকারের পক্ষ হতে বিনামূল্যে প্রিন্ট দিয়ে দ্বায়িত্ব রত সচিব এর কাছ থেকে সই নিয়ে গ্রহিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আমার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হলো, কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে আবেদন করতেই আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫০ টাকা, কাগজ তৈরী হয়ে আসার পর নিয়েছে ২০০ টাকা, নতুন ভোটার ফাইল এ সচিবের স্বাক্ষর বাবদ নিয়েছে ২০০ টাকা, এমনিতে চা খরচ বাবদ পিওন নিয়েছে ৫০ টাকা। এখানে উল্লেখ্য যে, এই স্বাক্ষর পেতে এত খরচ হওয়ার কোনো নিয়ম নেই, সরকার এর পক্ষ হতে এই সেবা আমরা ৩১.৫০ টাকায় পাওয়ার হকদার। দিনশেষে, ৩১.৫০ টাকায় যে সেবা আমার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়ার কথা, সেটা পেতে আমার খরচ করতে হয়েছে ৬০০ টাকারও বেশি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অফিসে নতুন ফ্ল্যাট এর ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়া বিপাকে পড়েছি, অন্যায় ভাবে নির্ধারিত টাকার বাইরে ১২০০০ টাকা দাবি করেছিলো, যা পরিশোধ না করায় । আমি আমার ফ্ল্যাট সিটি কর্পরপোরেশন ট্যাক্স দিতে পারছিলাম না । পরবর্তিতে আমার দারোয়ানের মাধম্যে ৪০০০ টাকায় রাজি হয়েছে । পরে জানতে পেরেছি তারা সকল নতুন ফ্ল্যাট এর জন্য এক্সট্রা ৪০০০ টাকা নেয় । শুধু ওই বাড়ির কেয়ার টেকারের মাধ্যমে , যা উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ভাগ বাটোয়ারা হয় ।
চট্টগ্রাম বেপজা গেট এ প্রতিদিন গেট পাস এ ঘুষ দিয়ে প্রোডাক্ট সাপ্লাই দিতে হয় , বিল চালান ভ্যাট ট্যাক্স টিক থাকার পর ও ঘুষ দিতে হচ্ছে , এইটার জন্য কি সরকার কিছুই করতে পারে না , কাস্টম এর প্রতি লোক দুর্নীতিবাজ , এদের কে আইনের আওতায় শাস্তি হওয়া উচিত ,
বাসা বরাদ্দ কপি পৌছে দিতে চা বরাদ্দ নামে ঘুষ গ্রহন
সরাসরি দাবি করে এবং ১০০০০০.০০ দেওয়া হয়েছে।
বর্হিবিভাগে সিরিয়াল দিয়ে ডাক্তার দেখাতে যেয়ে (গুরুতর অসুস্থ যিনি দাড়াতে অক্ষম) ১০০ টাকার বিনিময়ে আগে সিরিয়াল করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন
nid কার্ড ঠিক করতে যারা টাকা দিচ্ছিল তাদের টা করে দিয়েছে। যারা দিচ্ছিল না তাদের টা করেনি। অনেক আগের ঘটনা
১৯.০৮.২০২৬ হেবা দলিলটি দেখে সাব রেজিস্ট্রার বললেন আজ হবে না। বলে রেখে দিয়েছিলেন। পরে ওনার সহকারি পাশের রুমে গিয়ে বলেন ২৫০০ টাকা দিলে কাজ হবে। হয়রানি থেকে বাচতে শেষ পর্যন্ত ২৫০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হই।
জমির নাম জারির জন্য টাকা চেয়েছে। সম্মুখে। বিন্দুমাত্র লজ্জা বোধ করেনি। কাজের ব্যাস্ততা থাকায় টাকা দিয়ে কাজ টি করতে হইছে। প্রতিদিন চাকরি বাকরি ছেড়ে ভূমি অফিসে বসে থাকা সম্ভব ন। তাই
সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুর ১টায় কাগজ পত্র দেখে বলে মায়ের নাম সংশোধন করতে হবে তারপর আবার আসবেন। আবেদন করেছিলাম এখানে থেকে একটা নাম্বার দিচ্ছিলো কোন ঝামেলা হলে পরে কল দিতেই আমার নাম ধরে ডেকে কাজ করে দিল । মাত্র ১৫০০
টি/এ বিল,বেতন বিল,অন্যান্য বিল সঙক্রান্ত সেবা নিতে গেলে সিগেরেটের প্যাকেট কিনে দিতে হয়,কেউ কেউ টাকা ছাড়া কাজ করে না,ঘূষ দিতে হয় যত টাকার বিল করা হবে,সেই টাকার উপর শতকরা হিসেবে ।
পানির লাইনে পানি আসত না। পরে ভাবলাম পাইপ বড়ো করতে হবে। সেজন্য আবেদন করলাম। কিন্তু আবেদন পাশ হওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হলো। পরে দেখা গেল পানির লাইনে পাম্প থেকে আসা পলিথিন আটকে পানি অফ হয়ে ছিল। অথচ সবকিছু মিলিয়ে আসার প্রায় ৫০ হাজার খরচ হয়ে গিয়েছিল। অথচ দায়িত্বটা ছিল সরকারের।
এইখানে জনপতি ৪-৫ হাজার টাকা বেশী নিয়ে থাকে।টাকা না দিলে সে যতই ভালো পরিক্ষা দিক ও ফেল।আর দিলে এমনিতেই পাস এই জন্য সড়কে এতো মৃত্যু। এইখানে সরকার নজর রাখে না।