ভূমি কর ও নামজারি
নামজারি করতে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলেও নায়েব আমার থেকে ৫০০০টাকা চেয়েছিলেন।
19,252 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করতে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলেও নায়েব আমার থেকে ৫০০০টাকা চেয়েছিলেন।
গাড়ীর সব কাগজ নবায়ন ও সব ধরনের সরকারী ফি পরিশোধ করার পরেও দালালের মাধ্যমে ঘুস দাবী করেছিলো। তা না হলে ২৭ প্রকার টেস্টের সম্মুখীন হতে হবে। গাড়ী পরীক্ষায় যদি কোন একটিতে ভুল পায়, তাহলে তা সংশোধন করে আবার বি আর টি এ তে ফি দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। গাড়ীতে কোন ধরনের সমস্যা না থাকার পরেও ভিন্ন ভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তারা ফিটনেস নবায়ন না করে ঘুসের জন্যে আটকিয়ে দেয় বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুস দিতে হচ্ছে। সরকারের উচিত, এসব সরকারী অফিসগুলো অটোমেশন করা। তা না হলে জনগণের দুর্ভোগ শেষ হবে না।
২০১৮ সালের কথা। তখন আমাদের জমি খারিজ করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিসের সহযোগিতার জন্য যায়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক কর্মচারী দলিল প্রতি কেউ ৩০০০ কেউ ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে জমি খারিজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেই কাজ শেষ হয়েছে চার বছর পর। দলিল প্রতি আমার মোট খরচ হয়েছে ৪৫০০ টাকা। এছাড়া যেসব দলিল হারিয়ে গেছে সেসব দলিলে নকল তোলার জন্য দলিল প্রতি আমাকে তিন হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হয়েছে। কিন্তু জমি খারিজ বা ই নামজারি ক্ষেত্রে সরকারি ফি ১১৭০ এবং জমির নকল দলিল তোলার ক্ষেত্রে ৮০০ এত টাকা হওয়ার কথা ছিল।
জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা গত ৫ আগস্ট বাইক দুর্ঘটনায় হাত ভেঙে ঢাকা মেডিকেলে যাই। চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপে ঘুষ ও হয়রানির শিকার হতে হয়— টিকিট ও ডাক্তার দেখানোর সিরিয়াল: ১০০+১০০ টাকা এক্স-রে দ্রুত করাতে: ১০০ টাকা (সরকারি ফি ২০০) বেডের জন্য: প্রায় ১,০০০ টাকা; টাকা না থাকায় মেঝেতে থাকতে হয় হুইলচেয়ার: ১৫০ টাকা, ট্রলি: ১০০ টাকা ড্রেসিং: ৩০০ টাকা হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পেয়ে প্রায় ১,৫০০ টাকার গজ, তুলা, প্লাস্টার কিনি। পরে দেখি, সেগুলো আলাদা রেখে সরকারি সামগ্রী দিয়ে প্লাস্টার করা হচ্ছে—ফলে আমার কেনা সামগ্রী অন্যত্র বিক্রি করা হতে পারে বলে সন্দেহ হয়। প্লাস্টারের পর: ২০০ টাকা বের হওয়ার সময় আনসারকে: ১০০ টাকা সবচেয়ে দুঃখজনক, ২০ আগস্ট পর্যন্ত অপারেশনের তারিখ দেওয়া হয়নি।
অনার্সের স্টুডেন্ট। বয়স প্রায় ২২ বছর। সব ধরনের এভিডেন্স দেওয়ার পরও। বরিশাল পাসপোর্ট অফিস ও জন্মনিবন্ধন অফিস যোগসাজশ করে ১৭ বছর বয়স দিয়ে নতুন জন্মনিবন্ধন করে পাসপোর্ট করে।
২৫ বিঘার কম কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি। ২৫ বিঘার কম কৃষি জমির মালিক কিনা তার প্রমাণ দিতে বলে। এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে চাই।
৫০০০ টাকা ন দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করবেনা।পরে অনেক কষ্টে, হাতে-পাঁয়ে ধরে ৩০০০ টাকা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করি।
Amar sathe bike ar kagoj nite vule gesilam ar jonno amie bolsilam sir amie kagoj niye ase dei na hoi amar phone photo ache seta dekhai police bolse hobe na tk dan
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দাবি করে। আমি জামেলায় না জরিয়ে পরিশধ করি।
ফায়ার সার্ভিস এর লাইসেন্স নবায়ন ফি ৩৬০০ টাকা ৪০০ টাকা অন্যান্য ফি। কিন্তু আমার কাছে অতিরিক্ত ৭০০০ টাকা সহ মোট ১১০০০টাকা নিয়েছে।
চুপ করে টাকা নেয় কর্মকর্তা
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
amder pray 6 lak jomanu tk chilo dak office e pore ek kormochari tk dewar khota bole room e nie cha natar th chai.......amr ammu poe oke 1000 tk dei ..........ami sobar samne er protibad kori .......but keo amake support korenai...
টাকা না দিলে ভুল তথ্য দিয়ে হেনস্তা বা স্কুলের এমপিও বন্ধ করে দিবে।
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
আমার বোনের এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য তিনজন কর্মকর্তা আমাদের বাসায় এসেছিলেন চা-নাস্তা খেয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে যাওয়া আসার ভাড়া বলে দুই হাজার টাকা নিয়ে গিয়েছেন, পরবর্তীতে ছবি তোলার দিন ছবি এবং স্বাক্ষর দেওয়ার পরে আবার দাবি করলেন ঐদিন তো স্যারেরটা দিলেন আমাদেরটা কি দিবেন না পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যান করা হয়
বরগুনা পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল জমা নিচ্ছিল না, বলে আপনার বাবা মায়ের নামের মিল নেই, তারপরে দালাল আসে পনেরশো টাকা চায় আমি পরিশোধ করে দেই, এরপর ফাইল জমানেয় ও পাসপোর্ট হয়ে যায়, এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা নেয়। মোট ২৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি। এটার প্রতিকার চাই।