খারিজ
জমি খারিজের জন্য দাবী করা অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছি।
19,230 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি খারিজের জন্য দাবী করা অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছি।
পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জন্য ১৫০০ এর কম নাকি নেয়ই না। নাহলে ক্লিয়ারেন্স দিবে না। অথচ আমার সব ডকুমেন্টসই ঠিক ছিলো।
ওয়ারিশের সম্পত্তি নামজারি করার আবেদন করি। টাকা না দেয়ায় নামজারির আবেদনটি বাতিল করে দেয় নায়েব।
বটিয়াঘাটা ভূমি অফিস খুলনা তে আমি একটা জমি শোলমারি মৌজার অধীনে আছে, নামজারি করতে গিয়ে কোন সমস্যা নাই জমিতে আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল নামজারি করতে
পাসপোর্টে ভুল হয়েছিল। তখন একটা লোক এসে বললো, ২০০০ টাকা দেন। সব ঠিক হয়ে যাবে। কোন কিছু আপনাকে করতে হবে না। কিন্তু আমি তার কথা শুনিনি। ভুল ঠিক করে কয়েকবার ঘুরে তারপর ওকে করেছি।
২০২৫ এ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমি অনলাইনে পাসপোর্ট এর আবেদন করি আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা দেওয়ার কেন্দ্র পড়ে মোহাম্মদপুর বসিলা পাসপোর্ট অফিস, যথারীতি পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পরে সব নিয়ম নীতি মেনে লাইনে দাঁড়াই, সিরিয়াল আসার পরে পাসপোর্টের কাগজপত্র দেখে কাউন্টারে বসা কর্মকর্তা বলে আপনার কেন্দ্র এখানে না আপনার কেন্দ্র হল কেরানীগঞ্জ, এই বলে সে কি যেন সেল টিল মেরে দেয়, পাসওয়ার্ড অফিস থেকে বের হয়ে কি করবো ভাবছিলাম এমন সময় একজন লোক এসে বলে যে আপনার কি সমস্যা, বলার পরে বলল তিন হাজার টাকা লাগবে তখন আমি বললাম তিন হাজার টাকা দিতে পারবো না বলে তাহলে মিনিমাম ২৫০০ টাকা লাগবে কারণ উপর থেকে নিজ পর্যন্ত সবাই এই টাকা পায়, হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে টাকা পে করি পরবর্তীতে আধা ঘন্টার মধ্যে সব কা
আমি জুন মাসে একটি নামজারির আবেদন করি। আবেদনের কপি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সাহেব কাগজপত্র দেখে বলে কাগজপত্র ঠিক নেই। আমি চলে আসি। তারপর বিকাল বেলা ওই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর আমাকে ফোন দিল। আমি গেলাম উনি বলল আপনার আবেদনটা নতুন করে করতে হবে। এবং আগেরটা বাতিল করতে হবে। টাকা দিতে হবে ১০ হাজার আপনারা আর কিছু করা লাগবে। ১০ হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম। দশ দিন পরে আমার নামজারি হয়েগল।
আমার মায়ের পাসপোর্ট নবায়নের সময় ১৫০০৳ দক্ষিনা হিসেবে দিতে হয়েছিল। তবে সেটা পীরের মুরিদদের হাতে দিতে হয়। পীরেরা সরাসরি এ টাকায় হাত দেন না।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার কোম্পানির নিজস্ব চাকুরবিধি অনুমোদনের জন্য ডাইফের একজন আইন ককর্মকর্তা উল্লেখিত পরিমান ঘুষ দাবি করেন। আমি ১ লক্ষ টাকা দিতে রাজি হয়েছি কিন্তু উনি আমার চাকুরিবিধি অনুমোদনের জন্য কোন প্রক্রিয়া গ্রহণ করেনিনি। বলতেছে পুরো টাকা দিলে কোথাও যেতে হবেনা ওনার সেকশন থেকে আইন ও বিধি মোতাবেক সংশোধন করে মহাপরিদর্শক এর কার্যালয় থেকে উনি অল্প কয়েকদিনের ভিতর করে দিবে। কী যে করবো বুঝতেছিনা। এদের হাত থেকে কবে আমাদের মালিকগণ নিস্তার পাবে।
আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য। আমার ব্যক্তিগত কাজের জন্য আমার জমানো জিপিএফ ফান্ডের টাকা থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঋন উত্তোলনের জন্য আমার বাহিনীর যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করি এবং আমার বাহিনী ৩/৪ দিনের মধ্যে সকল কাগজপত্র নিরীক্ষা করে এবং ঋন অনুমদোন করে সিনিয়র ফাইন্যান্স কার্যালয় এ পাঠায়। সেখান থেকে আমার চেক পাইতে ২০ কর্মদিবসের বেশী সময় লাগে। যা সর্বোচ্চ ৫/৬ কর্মদিবসের কাজ। সেইখানে আমার কাছে ঋনের চেক সাইন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা চাওয়া হয় এবং আমি তাকে ক্যাশ ৫০০ বিকাশের মাধ্যমে ৩০০ টাকা পরিশোধ করি। সামরিক বাহিনীর একাকায় থেকে এই অফিসের কর্মরত ব্যক্তিগন প্রচুর দূর্ণিতি করে থাকেন। এবং যার স্বীকার সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা থেকে কর্মচারীগন।
একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ফি ১০০ টাকা হলেও প্রতি জন্মনিবন্ধনে তারা ২৫০ টাকা দাবি করে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ হিসেবে তারা ভ্যাট এবং কম্পিউটার অপারেটর এর খরচের কথা বলে যা পুরোপুরি ভিত্তিহীন।
Job er police verification, dabi cilo cha biscuit khauyar tk 🥴🥴🥴.
একজন দালালের মাধ্যমে করেছিলাম, তাঁকে এই টাকা দিতে হয়েছে। মূল খরচ সম্ভবত ৩২০০ টাকা ছিলো
আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই পাসপোর্ট করার জন্য ২০২৩ সালের দিকে। তখন গেটে ধোকার আগেই কয়েকজন পাশে পাশে ঘুর ঘুর করতেছিল পাসপোর্ট বানিয়ে দিবে বলে। অনেকে 1000 টাকা চেয়েছিল। কাউকে টাকা না দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে যখন দেখলাম অনেক ভীড় আর তাদের প্রোসেস অনেক ধির। তারা ডকুমেন্ট নিয়েই অনেক ঘুরায়। তাই বাধ্য হয়ে দালাল ধরতে হয়েছিল 5000দিয়ে। এরপর লাইনে দারানো লাগে নি, ডিরেক্ট উপরে গিয়ে ফাইল জমা নিয়েছে আর তাদের আধা ঘন্তায় কাজ শেষ। এই হছে দেশের অবস্থা, টাকা দিলেই কাজ হয়।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর ফেনি কার্যালয় থেকে আমার ছোট একটি কারখানার লাইসেন্স ও লে-আউটের জন্য স্থানীয় পরিদর্শক ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। যদিও চালান ফি ৫০০০ টাকা। আমি ২০০০০ টাকা দিতে রাজি হলেও উনি মানতেছেন না। বলতেছে ডিআইজি কে ১০০০০ দিতে হবে ইঞ্জিনিয়ার কে দিতে হবে। এদের অত্যাচারে দিন দিন ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।
আমি একটি পাসপোর্ট করেছিলাম তার ফি ছিলো ৫৭৫০টাকা কিন্তু আমাকে বলা হয় প্রত্যায়ন দরকার চেয়ারম্যান কর্তৃক, এখনি দিতে হবে না হলে টোটাল ৭০০০ দিতে হবে। আমি বলি যে আমি প্রত্যায়ন নিয়ে আসি , বললো ২০ মিনিট এর মধ্যে দিতে হবে। তখন আমি নতুন ছিলাম এতকিছু বুঝিনি ভাবলাম ২০ মিনিট এ কিভাবে দিবো, তারপর বাধ্য হয়েই টাকাটা দিলাম না চাইতেই দেয়া লাগছে,
সম্প্রতি ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করলাম। আগে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করেছি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে মাত্র ৬৫০০ টাকা সরকারি চার্জ দিয়ে। এবার ভিন্ন অভিজ্ঞতা। ইউনিয়ন পরিষদে গেলাম, তারা বলল ইউএনও বরাবর আবেদন করতে হবে রিনিউ জন্য। আবেদন করলাম। ইউএনও অফিস থেকে বলল তাদের অফিসের আসবাবপত্র কেনা বাবদ আমাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিয়ে প্রায় একমাস ঘুরলাম, কিন্তু অনুমোদন পাইলাম না। বাধ্য হয়ে ২০০০০ টাকা দিলাম, তারপর ইউএনও মহানায়ক অনুমোদন দিলেন। সেটা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে আগের মতো ৬৫০০ টাকা চার্জ দিয়ে নবায়ন করলাম।
আমার ২৫হাজার মূল্যের ফোন গত ২০২৬ সালের প্রথম ঈদে চুরি হয়। পরে আমি সাথে সাথে আমার থানা অর্থাৎ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় জিডি করলে তারা সেটা দেখবে বলেছিল। পরবর্তীতে আমার ওই ফোনটি একটিভ আছে সেটা আমি জানতে পারি পরে থানায় গেলে তাদের জানাই যে আমার ফোন একটিভ আছে তবুও আপনারা কেন বের করছেন না? পরে তারা আমার থেকে ১৫০০ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে। তবুও আজকে প্রায় দেড় মাস পার হয়ে গেল তারা আমার ফোন বের করে দেয় নি।
চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার , হাটহাজারী সর্বরেজিস্ট্রিরি অফিসে প্রকাশ্য ঘুষের লেনদেন হয়, ঠিপ দিতে গেলে ১০০০ টাকা , দলিল জমা দিতে গেলে টাকা , সব জায়গাই টাকা আর টাকা।